Tag Archives: Fitness tips

Ajwain: শুধুই হজমজনিত সমস্যা সমাধানের হাতিয়ার নয়, নিয়মিত জোয়ান খেলে মিলবে নানা উপকার! – ajwain water is what you need for weight loss, asthma, irregular menstrual cycle!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: জোয়ান মাত্রই হজম সহায়ক, এ কথা কে না জানে! কিন্তু জোয়ান মানে যে শুধুই হজমজনিত সমস্যা সমাধানের হাতিয়ার নয়, তা কি জানেন? বরং জোয়ানের আছে এমন অনেক গুণ, যা আপনার শারীরিক সুস্থতার জন্য অনেকাংশেই দায়ী। আমাদের রান্নাঘরেই একাধিক ভেষজগুণ সম্পন্ন উপাদান রয়েছে, যা বহু শতাব্দী ধরে কফ-কাশি থেকে শুরু করে পেটে ব্যথা-বদহজমের সমস্যা-সহ একাধিক রোগে দারুণ কাজ দেয়। নানা ধরনের সংক্রমণ দূর করে। আর এ রকমই এক উপাদান হল জোয়ান। নানা রকমের পরোটা, পুরি তৈরিতে প্রায়শই জোয়ান ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া খাওয়াদাওয়ার পর এক চিমটে জোয়ান খাওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। নিমন্ত্রণবাড়ি হোক বা নিজের বাড়িতেই ভারী খাওয়াদাওয়া— জোয়ানের শরণ নিই আমরা অনেকেই। হজমশক্তি বাড়ানো ছাড়া আর কী কী ভাবে জোয়ান আপনাকে সাহায্য করতে পারে, জানেন?সমস্ত ধরনের পেটের সমস্যা দূর করতে পারেচিকিৎসকদের কথায়, নানা ধরনের পেটের সমস্যা দূর করতে পারে জোয়ান। বহুকাল ধরেই এটি এ ক্ষেত্রে একটি অতি পরিচিত ঘরোয় উপায়। পেটে ব্যথা, গ্যাস, বমি-বমি ভাব, অ্যাসিডিটি থেকে শুরু করে সমস্ত সমস্যা দূর করতে পারে জোয়ান। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও ল্যাক্সাটাইভস থাকে। তাই বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও ঠিক হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে দুপুরে বা রাতে খাওয়ার পর অল্প জোয়ান, আদা ও নুন মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, কিডনির নানা সমস্যা থেকে দূরে রাখতে পারে জোয়ান। বিশেষ করে কিডনির স্টোনের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে জোয়ান। ক্রমাগত হেঁচকি উঠলে একটু জোয়ানের জল বা জোয়ান বাটা নিমেষে আরাম দেয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে।ফ্যাট বার্ন করে জোয়ানওজন কমানোর ক্ষেত্রে জোয়ানের জল পান করা যেতে পারে। এর পিছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আসলে শরীরের মেটাবলিজম বা মৌল বিপাকীয় হার বাড়িয়ে দেয় জোয়ান। এর জেরে ফ্যাট বার্ন হয়। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে রাতে জলে জোয়ান মিশিয়ে রেখে দিতে হবে। পরের দিন সকালে খালি পেটে পান করতে হবে এই জোয়ান জল। জোয়ান ফাইভার সমৃদ্ধ তাই ওজন কমাতেও খুব সাহায্য করে। এক গ্লাস জলে একটু আদা কুচি ও জোয়ান মিশিয়ে তা ফুটিয়ে তাতে লেবুর রস মেশান। এই জল পান করুন প্রতি দিন সকালে। ওজন হ্রাসে অত্যন্ত কার্যকর এই পানীয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে।পিরিয়ডের ব্যথা দূর করেপিরিয়ডের সময় অসহ্য ব্যথা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জোয়ান খাওয়া যেতে পারে। ঈষৎ উষ্ণ জলে জোয়ান মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এতে অ্যাবডমিনাল ও লোয়ার ব্যাক পেইন কমে। তবে জোয়ান খেলে পেট গরম হয়। তাই যদি পিরিয়ডের ফ্লো বেশি হয়, তা হলে জোয়ান থেকে দূরে থাকাই ভালো। জোয়ানের গন্ধের টক্সিন দূর করার ক্ষমতে আছে। তাই মুখগহ্বর পরিষ্কার রাখতে বা দুর্গন্ধ দূর করতে খুব কাজে আসে জোয়ান। জোয়ানে রয়েছে থিমল তেল। তাই যে কোনও ব্যথা কমাতে জোয়ান কার্যকর। জোয়ানের তেল আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ওষুধ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে।গাঁটের ব্যথায় দারুণ উপকার দেয় জোয়ানআজকাল একটি অতি পরিচিত সমস্যা আর্থ্রাইটিস। এতে শরীরের গাঁটে খুব ব্যথা হয়। গাঁটগুলি ফুলে যায়। এ ক্ষেত্রে একটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগতে পারে। ব্যথা ও ফোলা ভাব দূর করতে জোয়ান খাওয়া যেতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের প্রভাবে ঠান্ডা লেগে হওয়া অসুখ থেকে বাঁচতেও জোয়ান খুব কার্যকর। বুকে জমা শ্লেষ্মা কাটাতে জোয়ানের জল খুব উপকারী। এ ছাড়া জোয়ান গুঁড়ো করে একটি কাপড়ে মুড়ে তা শুঁকলে মাথা যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি মেলে। হাঁটু কোমর বা গাঁটের ব্যথায় জোয়ানের তেল কাজে লাগে। এ ছাড়া গলায় ব্যথা হলেও জোয়ান ও নুন মেশানো গরম জলের ভাপ নিলে তা দ্রুত কমে। জোয়ান বেটে কপালে লাগালেও মাইগ্রেনের ব্যথা কমে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে। দাঁতের মাড়ির সংক্রমণ দূর করেদাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া, মাড়িতে ঘা বা ব্যথা হলে জোয়ান অত্যন্ত কার্যকরী। এ ক্ষেত্রে জোয়ানের অ্যান্টিইনফ্লেম্যাটরি উপাদান ব্যথার উপশম করতে পারে। নর্থ ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা বলছে, দাঁতের মাড়ির সংক্রমণ দূর করতে পারে জোয়ান। ঈষৎ উষ্ণ জলে জোয়ান মিশিয়ে গার্গল করা যেতে পারে বা জোয়ানের তৈরি তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে গাম ইনফেকশন বা মাড়ির সংক্রমণ দূর হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যথাও দূর হয়। জোয়ান পাউডার দিয়ে ব্রাশ করলেও ব্যথা কমে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Red Apple Or Green Apple, Which One Is Healthier? – লাল আপেল না সবুজ, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ভালো কোনটা?

হাইলাইটসলাল আপেলের স্বাদ মিষ্টি, এটি রসালো এবং এর খোসা পাতলা। কিন্তু সবুজ আপেলের টক টক স্বাদ এবং এর খোসা মোটা। মিষ্টি স্বাদের জন্য সাধারণ ভাবে মানুষ সবুজ আপেলের থেকে লাল আপেল বেশি পছন্দ করেন। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একটা করে আপেল থারলে যে ডাক্তারের প্রয়োজন পড়ে না, সেতো ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি। কিন্তু সেটা কোন আপেল? আমাদের চেনাজানা লাল আপেল, নাকি সবুজ আপেল? আপেলের অনেক গুণ। তবে মনে করবেন না যে সবুজ ও লাল আপেলের মধ্যে একমাত্র পার্থক্য এদের খোসার রং। এই দুই ধরনের আপেলের মধ্যে স্বাদেও পার্থক্য আছে। আবার লাল ও সবুজ আপেলের মধ্যে পুষ্টিগুণেরও হেরফের রয়েছে। আপেলের হাই ফাইবার, সহজে হজম হওয়ার ক্ষমতা, প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খাদ্যগুণ আপেলকে ফলের রাজা বানিয়েছে। তবে সবুজ আর লাল আপেলের মধ্যে তুলনা টানলে জিতবে কে?লাল আপেলের স্বাদ মিষ্টি, এটি রসালো এবং এর খোসা পাতলা। কিন্তু সবুজ আপেলের টক টক স্বাদ এবং এর খোসা মোটা। মিষ্টি স্বাদের জন্য সাধারণ ভাবে মানুষ সবুজ আপেলের থেকে লাল আপেল বেশি পছন্দ করেন। অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম সবুজ আপেলের চাষ শুরু হয়। মারিয়া অ্যান স্মিথ নামে এক মহিলা প্রথম সবুজ আপেলের চাষ করায় এই ধরনের আপেলকে গ্র্যানি স্মিথ আপেলও বলা হয়। ফ্রান্সের ক্র্যাব আপেল এবং রোম বিউটির হাইব্রিড করে ১৮৬৮ সালে প্রথম সবুজ আপেল উত্‍পন্ন করা হয়। ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে গেলে চিন্তা নয়, বরং ঝুঁকি কম করোনা রোগীদের দুই ধরনের আপেলেই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। এছাড়া আপেলে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, পেকটিন, কোয়ারেকটিন এবং ফ্ল্যাভোনয়েড। এর ফলে আপল আমাদের শরীরে কোষের ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করে, হার্টের অসুখ এবং লিভারের অসুখ থেকেও আমাদের বাঁচানোর ক্ষমতা আছে আপেলের মধ্য়ে। এছাড়া আপেলের ক্যালোরি কাউন্ট অত্যন্ত কম হওয়ায় ওজন কমানোর সহায়ক হিসেবেও কাজ করে আপেল। রোজের মেনু থেকে জাস্ট একটা খাবার বাদ দিয়েই ৫ মাসে ২০ কেজি ওজন কম! সবুজ ও লাল আপেলের মধ্যে পুষ্টিগুণ প্রায় এক। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে সবুজ আপেলে খাদ্যগুণ বেশি থাকে। সবুজ আপেলে সুগার ও কার্বের পরিমাণ কম থাকে। অন্যদিকে ফাইবার, প্রোটিন, পটাসিয়াম, আয়রন ও ভিটামিন কে বেশি মাত্রায় থাকে। তবে এই পার্থক্যটা খুবই সামান্য। কিন্তু লাল আপেলের সঙ্গে সবুজ আপেলের তফাত্‍ করিয়ে দেয় ভিটামিন এ। লালের তুলনায় সবুজ আপেলে দ্বিগুণ বেশি পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। তবে লাল আপেলে কিন্তু সবুজের থেকে অনেক বেশি পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। ভিটামিন এ বেশি থাকায় সবুজ আপেল দৃষ্টিশক্তি উন্নত, হাড়ের শক্তি বাড়ানো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কাজে বেশি উপকারী। তবে সবুজের থেকে লাল আপেল বেশি পাওয়া যায় বলে এটিই বেশি খাওয়া হয়ে থাকে। আর লাল আপেল খেলেও উপকার কিছু কম পাবেন না।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: ফিট থাকতে সঙ্গী হোক ফিটনেস ট্র্যাকার! জেনে নিন ব্যবহার – how fitness trackers can improve your health

প্রতিদিন ঘড়ে ধরে এক্সারসাইজ করছেন। হাঁটছেন, মেপে খাবারও খাচ্ছেন। কিন্তু দিনের শেষে কতটা ক্যালরি ঝরালেন? প্রশ্ন করলে এই উত্তর অনেকেই দিতে পারেন না। এমনকী অনেকেই ওয়ার্কআউট শুরু করেন ওজন না দেখেই। পছন্দের জামা টাইট ফিটিং নাকি ঢিলেঢালা সেই দিয়ে বিচার করেন ফ্যাট কতটা কমল! কিন্তু কতটা ফিট? সেই উত্তর পাওয়া যায় না। আপনার ফিটনেস রেজিম আপনাকে কতটা ফিট থাকতে সাহায্য করছে, তার জন্যই প্রয়োজন ফিটনেস ট্র্যাকারের। এই ট্র্যাকারের সাহায্যে জানা যায় আপনি কতটা পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন করলেন। শুধু তাই নয়, কত কিমি হাঁটলেন এবং আরও কতটা হাঁটলে আপনার শরীরের পক্ষে ভালো তাও কিন্তু জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কটা স্টেপ হাঁটলেন, কতা সিঁড়ি ভাঙলেন আর এতে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান দেব। ফিট থাকতে এই তথ্যই কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে যেমন ডায়েট চার্ট তৈরি করা যাবে তেমনই মোটিভেশনও আসবে। প্রয়োজনে আপনি লাইফস্টাইলে বদলও আনতে পারবেন। ট্র্যাকার কীভাবে কাজ করেস্মার্ট ওয়াচের মধ্যেই থাকে ফিটনেস ট্র্যাকার। ব্যান্ড আকারেও পাওয়া যায়। এছাড়াও সকলেই এখন স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন। আর তাই সহজে ফোনেও ইনস্টল করে নিতে পারেন। তবে ফিটনেস স্মার্টব্র্যান্ড কিন্তু খুব ভালো কাজ করে। যাঁদের অনেকক্ষণ বসে বসে কাজ করা অভ্যেস, এই ব্যান্ড তাঁদের জানাবে চেয়ার ছেড়ে উঠে পাঁচ মিনিট পায়চারি করে আসার জন্য। রাতের ঘুমে আপনার গভীর ঘুম কতটা, মোট কত ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন, প্রায় নির্ভুল হিসেব দেবে আপনাকে। যাঁরা বিভিন্ন এক্সারসাইজ নিয়মিত করেন— সাঁতার, দৌড় বা সাইক্লিং, কত দূরত্বে গিয়েছেন, গড় গতিবেগ, প্রতিটা মুহূর্তে আপনার হার্টবিট কত ছিল, সব কিছু দেখা যাবে ফোনে।ওয়ার্কআউট সম্পর্কে তথ্য দেয়এই ফিটনেস ট্র্যাকার কিন্তু ঘুমের প্রয়োজনীয়তা থেকে হার্ট রেট সবই জানান দেয়। প্রতিদিন কত পা হাঁটলেন, জগিং করতে কতটা ক্যালোরি বার্ন হল কিংবা শরীরের চাহিদা অনুযায়ী আরও কতটা পরিশ্রম করার প্রয়োজন এই সবকিছুই জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কালকের তুলনায় আজকে যদি বেশি ক্যালরি বার্ন হয় তাও জানান দেবে। সারা সপ্তাহে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান যায় এই ট্র্যাকার থেকে। কীভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে এই ট্র্যাকারওজন কমানোর জন্য আমরা পরিশ্রম করি, ডায়েট করি। কিন্তু তারপরও দেখা গেল ঠিক ফল পাওয়া যাচ্ছে না। মিষ্টি, বিরিয়ানি থেকে দূরে থেকেও ওজন বাড়ছে। অনেকেই ভাবেন এতক্ষম শরীরচর্চা করে বিকেলে ভালো করে মুড়ি দিয়ে তেলেভাজা মেখে খেলে কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু এভাবেই অজান্তে শরীরের ক্ষতি হয়য়। যদি ফিটনেস ট্র্যাকার অন করে প্রতিদিন ওয়ার্কআউট করেন তাহলে জানতে পারবেন কতটৈ হাঁটা হল আর কতটা ক্যালরি ঝরল। সেই মত খাবারও খেতে পারবেন। এতে শরীর থাকবে সুস্থ। আর প্রতিদিন ক্যালরির পরিমাণ হিসেব করলে নিজেই উৎসাহ পাবেন। পরদিন আরও একটু সকালে ঘুম ভাঙবে আর ওয়ার্ক আউট বেশি হবে। অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়াএই ফিটনেস অ্যাপগুলি আরও একটি সুবিধা দেয়। সবসময় একা ওয়ার্ক আউট করার চেয়ে যদি একজন সঙ্গী পাওয়া যায় তাহলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। এমনকী মন দিয়েও ওয়ার্কআউট করা যায়। আর এই অ্যাপগুলিতে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি যেমন চিকিৎসকের পরামর্শ পাবেন, তেমনই আরনার অভিজ্ঞতা অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে। আপনি কতটা ক্য়ালরি খরচ করলেন বা আপনার ফিটনেস রেজিম যেমন অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন তেমনই বাকিদের কথাও শুনতে পাবেন। পাবেন ডায়াটেশিয়ানের টিপস। বিশেষজ্ঞরা কী বলছেনগত পাঁচ বছরে বেশ কয়েকটি জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে এই ফিটনেস ট্র্যাকার নিয়ে। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সবাইকেই এি ট্র্যাকার মেনে চলার কথা বলছেন। এছাড়াও এই ট্র্যাকারগুলির ফিচার্স আপডেট করে নেওয়ার সুযোগ নিয়েছে। তবে ট্র্যাকার দেখেই যে পা ফেলবেন এমন নয়। প্রতিদিন প্রয়োজন মতওয়ার্ক আউট করুন। সেই সঙ্গে ডায়েটও আবশ্যক।

Source link

weight loss: ওজন কমানোর ‘চাবিকাঠি’ লুকিয়ে রয়েছে ব্রেকফাস্টেই, আজ থেকে পাতে রাখুন এ সব খাবার! – weight loss: weight loss breakfast diet tips to shed weight

হাইলাইটসওবেসিটি (Obesity), থাইরয়েড, ডায়াবিটিস কিংবা কোলেস্টেরলের চোখ রাঙানি— এই সব কিছুর সঙ্গে লড়তে গেলে কেবল শরীরচর্চাই একমাত্র সমাধান নয়শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী জল খাওয়া আর সেই সঙ্গে খাবারদাবারে নজর দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ডায়েট (Diet Tips) মেনে বা খুব নিয়ম অনুযায়ী খাওয়াদাওয়া করার সুযোগ ঘটে না অনেকেরই।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ওবেসিটি (Obesity), থাইরয়েড, ডায়াবিটিস কিংবা কোলেস্টেরলের চোখ রাঙানি— এই সব কিছুর সঙ্গে লড়তে গেলে কেবল শরীরচর্চাই একমাত্র সমাধান নয়। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী জল খাওয়া আর সেই সঙ্গে খাবারদাবারে নজর দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ডায়েট (Diet Tips) মেনে বা খুব নিয়ম অনুযায়ী খাওয়াদাওয়া করার সুযোগ ঘটে না অনেকেরই। তবু একটু সচেতন হলে ওজন বাড়াতে পারে এমন সব খাবার পাত থেকে সহজেই বাদ দেওয়া যায়। বরং তার জায়গায় নিয়ে আসুন স্বাস্থ্যকর কিছু খাবারদাবার। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে সকালের জলখাবার এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেয়। ওজন কমাতে (weight loss) চাইলে প্রাতঃরাশকে (breakfast diet) সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মধ্যাহ্নভোজ বা রাতের খাবার এর তুলনায় প্রাতঃরাশ (breakfast diet) অনেকটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।আরও পড়ুন: করোনাকালে বাড়ি থেকে কাজ? লিভার সুস্থ রাখুন এই ৫ টিপসেতাই প্রতিদিনের ব্রেকফাস্ট (breakfast diet) থেকে ডিনার পর্যন্ত নানা ধাপে এই সব খাবার পাতে যোগ করলেই সুফল পাবেন অনেকটা। সঙ্গে একটু হাঁটাহাঁটি ও পর্যাপ্ত জলেই কমবে ওজন। দূরে থাকবে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ফলে হওয়া নানা অসুখবিসুখ। ওজন কমালে শুধুমাত্র আপনি সুস্থ থাকবেন তাই নয়, বেশ কয়েকটা রোগের হাত থেকেও আপনার মুক্তিলাভ সম্ভব। নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করানো আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে এগুলো এমনিতেই অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ছাড়াও ওজন কমালে শরীর বেশ ঝরঝরে লাগে। এনার্জি লেভেলও ফিরে আসে। দেখে নিন সেগুলো কী কী- ১. প্রোটিনে পূর্ণ হোক ব্রেকফাস্ট (breakfast) প্রোটিনের নানা উপকারিতার কথা নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে শুনেই ফেলেছেন। বিএমসি-তে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় প্রোটিনসমৃদ্ধ প্রাতঃরাশের (breakfast diet) গুরুত্বের কথা বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে প্রোটিনে পূর্ণ প্রাতঃরাশ কিশোর কিশোরীদের মধ্যে অতিরিক্ত খিদে পাওয়ার প্রবণতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। এবং তাদের ওজন বেড়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। ওইজাতীয় খাবার ব্রেন এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।২. কালো চা বা কফিদিনের শুরুতেই এক কাপ কালো চা বা কফি আসলে আপনার ওজন ঝরানো সহায়ক এটা কি জানতেন? আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশমের মতে, ক্যাফিন মেটাবলিজম বাড়ায়। এবং অক্সিডেশনও বৃদ্ধি করে তাই প্রাতরাশ কিন্তু ক্যাফিন রাখতেই হবে।৩. চিনিযুক্ত পানীয় বা প্যাকেটজাত ফল বর্জনসকালের পানীয়ে চিনি দেবেন না। তা সে দুধের তৈরি কোন রকম শেক হোক বা কোনও ফলের রস। চিনি ছাড়া ফল বা ফলের রস শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী।আরও পড়ুন: নিয়মিত একটু এলাচ খেলেই পাবেন উপকার! জেনে নিন গুণাগুণ…৪. শস্যদানা বাদ দিনঅনেকেই হয়তো জানেন না যে, শস্যদানার মধ্যে বেশ অনেকটা চিনির মতোই কার্বোহাইড্রেট থাকে তাই প্রাতঃরাশে শস্যদানা রাখলে ওজন কমার বদলে আরও বেড়ে যেতে পারে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের প্রকাশিত একটি রিপোর্টে দেখা গিয়েছে শিশুদের ক্ষেত্রে কার্টুনের পাশাপাশি সকালে শস্য খাওয়ার অভ্যাস আরও বেশি করে তাদের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।তবে ওজন ঝরাতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্রেকফাস্ট যেন মিস না হয়। সকাল সকাল নিয়ম মেনে খাবার খান আর সুস্থ থাকুন দিনভর।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Healthy meal for weight loss: দু’বেলা ভাত খেলে ওজন বাড়বে? ভুল ধারণা নয়, জানুন উপকার! – does eating rice every day increase belly fat

হাইলাইটসচিকিৎসকদের মতে ভাত সুষম আহার। পরিমাণে অল্প খেলে মোটেও ওজন বাড়ে না। সেই সঙ্গে কমে ক্যান্সারের আশঙ্কাও। আর তাই শরীর সুস্থ রাখতে দুপুরে ভাত-মাছ-তরকারি খাওয়ার কথাই বলছেন চিকিৎসকরাএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ভাত খেলেই বেশি ঘুম পায়, শরীরের মেদ জমে এমন ধারণা অনেকেরই। যে কারণে ভাত থেকে শত হস্ত দূরে থাকতে চায় জেন ওয়াই। বিশেষ করে যাঁরা নিয়মিত ডায়েটের মধ্যে থাকেন। শুধু তাই নয়, শরীরের খাতিরে চিকিৎসকরাও অনেক সময় প্রতিদিনের ডায়েট থেকে ভাত বাদ রাখার কথা বলেন। কিন্তু আমাদের জলহাওয়ায় সবথেকে উপকারী খাদ্য হল ভাত। একমাত্র ভাতেই শরীর থাকে সুস্থ। এদিকে শরীরে যদি ফ্যাট জমে তাতেও মুশকিল। চেহারা মোটার দিকে হলেই সেখানে বাসা বাঁধবে একগাদা রোগজীবাণু। যদিও চিকিৎসকদের মতে ভাত সুষম আহার। পরিমাণে অল্প খেলে মোটেও ওজন বাড়ে না।সেই সঙ্গে কমে ক্যান্সারের আশঙ্কাও। আর তাই শরীর সুস্থ রাখতে দুপুরে ভাত-মাছ-তরকারি খাওয়ার কথাই বলছেন চিকিৎসকরা। এছাড়াও এখন বাজারে ঢেঁকিছাঁটা চাল, ব্রাউন রাইস এসব পাওয়া যায়। আর তা কিন্তু খুব সহজে হজমও হয়। তবে এসব ছেড়ে বাজার চলতি যে সাদা চাল পাওয়া যায় সেই চালের ভাত খাওয়াতেই ভোট বেশি রয়েছে চিকিৎসকদের। এদিকে যাঁদের ডায়াবিটিস রয়েছে তাঁরা পারতপক্ষে ভাত এড়িয়েই চলেন। কিন্তু বলা হয় ভাত আর রুটির ক্যালোরি সমপরিমাণ। বরং ভাত খেলে শরীর অনেক বেশি সুস্থ থাকে। যাঁদের প্রতিদিন ইনো, জেলুসিল খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তাঁরা অবশ্যই ভাত খান। ভাতের উপকারিতা দেখে নিন এক নজরেক্যালোরি কম- ভাতে কিন্তু ক্যালোরি একদম কম থাকে। ভাত বানিয়ে খুব ভালো করে ফ্যান ঝারিয়ে নিন। ১০০ গ্রাম ভাতে রয়েছে ৮০ গ্রাম ক্যালোরি। ফ্যাট কিন্তু নেই। থাকলেও .০৪ শতাংশ। আর ভাত-রুটির ক্যালোরি প্রায় সমান। তাই পরিমাণে ভাত খেলে মোটেই মোটা হবেন না। এছাড়াও ময়দার পরোটা, লুচি খাওয়ার থেকে দুবেলা ভাত খাওয়া অনেক ভালো। ভিটামিনে পরিপূর্ণ- ভাতের মধ্যে সব রকমের ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে থাকে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম, ফাইবার, আয়রন, থিয়ামিন, রাইবোফ্ল্যাভিন এসব তো থাকেই। সহজে হজম হয়- ভাত খুবই সহজপাচ্য। আর তাই শিশু থেকে অসুস্থ, বৃদ্ধ সবাইকে ভাত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পেশির শক্তি বাড়ে- বয়স বাড়লেই পেশির শক্তিক্ষয় হয়। এছাড়াও বাচ্চাদের পেশির গঠন মজবুত হওয়া প্রয়োজন। ভাতের মধ্যে থাকা স্টার্চ পেশির শক্তি বজায় থাকে। যার ফলে পেশির মুভমেন্ট ভালো হয়। অন্যরকম সমস্যা আসে না। পেশির ব্যাথা থেকে মুক্তি মেলে। তবে মাথায় রাখবেন ফ্যানা ভাত খেলে চলবে না। সিক পরিমাণে ফ্যান ঝরানো ভাতই খেতে হবে। ভাতে ওজন বাড়ে না হাইপারটেনশন থেকে মুক্তি- ভাতে কোলেস্টেরল বা সোডিয়াম কোনওটাই নেই। তাই যাঁরা হাইপারটেনশনে ভুগছেন তাঁরা নির্ভয়ে খান ভাত। আরও পড়ুনসুগারের সমস্যা? এক ক্লিকে জানুন জরুরি ব্রেকফাস্ট-ডায়েটগ্লুটেন ফ্রি- অনেকেরই গ্লুটেনে সমস্যা রয়েছে। গম, বার্লি, ওটস, বাজরাতে উপস্থিত থাকে এই গ্লুটেন। ফলে তাঁরা এই প্রোটিন হজম করতে পারেন না। খেলেই ডায়রিয়ার মতো সমস্যা হয়। স্যান্ডউইচ, কেক কিংবা পরোটা তাঁদের চলে না। সেক্ষেত্রে ভাতে কিন্তু কোনও সমস্যা হয় না। নির্ভয়ে দুবেলা খেতে পারেন। আর পেটের কোনও সমস্যাও আসে না। এছাড়াও ভাতের আরও কিছু স্বাস্থ্যগুণভাতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। যা আমাদের শক্তি দেয়। ভাতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড পেশির শক্তিবৃদ্ধি ও পেশীগঠনে সাহায্য করে। গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। রক্তচাপ ও কিডনির নানা সমস্যায় সবথেকে উপকারী হল ভাত। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link