Tag Archives: fitness

cycling is good for weight loss: সকালে উঠে হাঁটতে বা দৌড়তে ইচ্ছে করে না? সাইকেল চালান, উপকার পাবেন! – benefits of cycling: why cycling is good for weight loss, fitness, legs and mind

হাইলাইটসঅনেকেই আছন যাদের সকালে উঠে হাঁটতে ভালো লাগে না বা দৌড়তে ইচ্ছে করে না, এ রকম তো হতেই পারে। কিন্তু সাইকেল চালানোর কথা ভেবে দেখেছেন কখনও? গতে বাঁধা এক্সারসাইজের মধ্যে না পড়লেও সাইক্লিং করলে অনেক লাভ। সাইকেল চালালে যেমন ওবেসিটি, ডায়াবিটিস ইত্যাদি রোগের থাবা থেকে দূরে থাকা যায়, তেমনি হার্টও ভালো থাকে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অনেকেই আছন যাদের সকালে উঠে হাঁটতে ভালো লাগে না বা দৌড়তে ইচ্ছে করে না, এ রকম তো হতেই পারে। কিন্তু সাইকেল চালানোর কথা ভেবে দেখেছেন কখনও? গতে বাঁধা এক্সারসাইজের মধ্যে না পড়লেও সাইক্লিং করলে অনেক লাভ। সাইকেল চালালে যেমন ওবেসিটি, ডায়াবিটিস ইত্যাদি রোগের থাবা থেকে দূরে থাকা যায়, তেমনি হার্টও ভালো থাকে। সাইকেল যারা চালাতে জানেন, তাদের জন্য তো খুবই ভাল। যারা সাইকেল চালাতে জানেন না তারা অভ্যাস শুরু করুন। যদিও সাইকেল চালানোর জন্য প্রথমেই প্রয়োজন হয় ব্যালেন্সের। নিজের ও সাইকেলের ব্যালেন্স ঠিক ঠাক রাখতে পারলেই সাইকেল চালানো আরও সহজ হয়ে যাবে। ইদানীং বহু মানুষই অবসাদের শিকার। তাই অবসাদ কাটাতেও সাইকেল চালাতে পারেন। তবে কর্মক্ষেত্র থেকে ফিরেই সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়বেন না। বাড়ি ফিরে অন্তত আধ ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে বেরোতে পারেন। সাইক্লিং করলে কী কী উপকার পাওয়া যায় দেখে নিন….অবসাদ থেকে রেহাই পেতে পারেনবহু মানুষই অবসাদের শিকার হচ্ছেন এখন। তাই অবসাদ কাটাতেও সাইকেল চালাতে পারেন। এন্ডোরফিনস ও অ্য়াড্রিনালিন হরমোন নিঃসৃত হলে আপনার আত্মবিশ্বাস আরও বেশি বেড়ে যায়। সাইকেলিং একটা আউটডোর এক্সারসাইজ। নিয়মিত যারা সাইকেল চালান, তাদের কাছে সাইকেল চালানো মেডিটেশনের মতো কাজ করে। মনসংযোগও বাড়ে।ঘুম ভালো হয়একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা নিয়মিত সাইকেল চালান তাদের ফিজিকাল অ্যাংজাইটি অনেকাংশেই কম হয়ে গিয়েছে। ফলে ভালো ঘুম হয়। ভরপেট খেয়ে সাইকেল চালাবেন না। সকালে উঠে সাইকেল চালাতে চাইলে হালকা কিছু খেয়েই সাইকেলে চড়ুন।টয়লেটেও কি আপনি ফোন নিয়ে যান? নিজের কী কী ক্ষতি করছেন জানুন…ওজন কমেঅনেকেই ছোট মাঠে বা ছাদে গোল গোল করে সাইকেল চালায়। এতে বেশি ওজন কমে না। খোলা রাস্তায় সাইকেল চালান। ভোরের দিকে চালালে বেশি গাড়ির ঝামেলা পোহাতে হবে না। তবে সাইকেল চালানোর সময়ে হেডফোন কানে গুঁজবেন না। এক ঘণ্টা সাইকেল চালালে প্রায় ৫০০ ক্যালরি কমে।হার্ট ভালো থাকেসাইকেল চালালে যেমন ওবেসিটি, ডায়াবিটিস ইত্যাদি রোগের থাবা থেকে দূরে থাকা যায়, একই ভাবে হার্টও ভালো থাকে।ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়েদৌড়ানোর মতোই সাইকেল চালানোর জন্য আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। তার জন্য আপনার শরীরে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়া দ্রুত চলে। সেই জন্য নিয়মিত সাইকেল চালালে আপনার ফুসফুস ভালো থাকে ও কার্যক্ষমতা বাড়ে।পায়ের পেশি ভালো থাকেআপনি যদি প্রতিদিন সাইকেল চালান তবে আপনার পায়ের পেশিতে সবথেকে বেশি চাপ পড়ে। কারণ, সাইকেল চালালে মূল ব্যায়াম হয় পায়ের। তাই আপনি যদি নিয়মিত সাইকেল চালাতে পারেন পায়ের পেশি সচল থাকবে। পায়ের জোর বাড়বে। তাড়াতাড়ি সাইকেল না চালিয়ে মধ্যম গতিতে একটানা অনেকক্ষণ চালানোর অভ্যেস করুন।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Sonakshi Sinha Does Cardio At Home By Skipping Rope Here Are Its Benefits – ওজন ঝরিয়ে ‘সুপার-ফিট’ হয়েছেন সোনাক্ষী! কীভাবে নিজেকে মেনটেইন করেন বলিউডের দাবাং অভিনেত্রী? | Eisamay

হাইলাইটসএকটা সময় ছিল যখন ওভারওয়েট হওয়ার জন্যে বলিউডে অনেক কটাক্ষের মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁকে। সেই সবাইকে উচিত জবাব ফিরিয়ে দিতে ধীরে ধীরে নিজে তৈরি করেছেন সোনাক্ষী সিনহা। বাড়তি মেদ ঝড়িয়ে এখন তিনি আরও মোহময়ী। হয়ে উঠেছেন ফিটনেস ফ্রিক। তাঁর আওয়ারগ্লাস ফিগারের জন্যে ওয়র্কআউটের উপরেই বেশি ভরসা। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একটা সময় ছিল যখন ওভারওয়েট হওয়ার জন্যে বলিউডে অনেক কটাক্ষের মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাঁকে। সেই সবাইকে উচিত জবাব ফিরিয়ে দিতে ধীরে ধীরে নিজে তৈরি করেছেন সোনাক্ষী সিনহা। বাড়তি মেদ ঝড়িয়ে এখন তিনি আরও মোহময়ী। হয়ে উঠেছেন ফিটনেস ফ্রিক। তাঁর আওয়ারগ্লাস ফিগারের জন্যে ওয়র্কআউটের উপরেই বেশি ভরসা। এর পাশাপাশি লাফদড়ি বা স্কিপিং রোপ দিয়ে রোজ অভ্যাস করেন তিনি। হ্যাঁ, বলিউড অভিনেত্রী ঘরে বসে ফিট থাকার গোপন কথা শেয়ার করেছেন। কী সেই সিক্রেট? জেনে নিন…বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে সাইজ জিরো হিরোইন অনেক রয়েছেন। এর পাশাপাশি সোনাক্ষী সিনহার মতো নায়িকারাও রয়েছেন যারা সাইজ জিরো না হয়েও সিনেমার দর্শককে মাতিয়ে রেখেছেন। তবে ১৬ বছর বয়সে একদিন তিনি অনুভব করেন সিড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে গিয়ে তাঁর দম কমে আসছে। তখনই তিনি ঠিক করেন তাঁকে রোগা ও ফিট হতে হবে। তারপর থেকেই সোনাক্ষীর মেকওভার শুরু হয়। ফিট দেখানোর জন্য সোনাক্ষীকে অন্তত ৩০ কিলো ওজন ঝরাতে হয়েছিল সেজন্য একদিকে যেমন তিনি জিম শুরু করেন, তেমনই আর একদিকে কড়া ডায়েট করতে থাকেন। পরিমাণে কম খাওয়া, বারবার খাওয়া, দৈনিক শরীরচর্চা, দিনে দু’বার জিমে যাওয়া, কম কার্বোহাইড্রেট ও বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পাশাপাশি সোনাক্ষী রোগা হওয়ার জন্য যোগব্যায়াম ও অন্যান্য শরীরচর্চা করেছেন তিনি।আসলে, সোনাক্ষী সম্প্রতি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন যাখানে তাঁকে দড়ি দিয়ে লাফাতে দেখা যায়। বাড়িতেই অনেক ধরনের জাম্প অভ্যেস করতে পারেন। এতে মেদ ঝরবে দ্রুত। লাফদড়ি লম্বায় ১২ ফুট কি না, দেখে নিন। আর প্রথম দিকে এই ধরনের ব্যায়াম দিনে ১৫ মিনিট করে অভ্যেস করতে পারেন। দু’সপ্তাহ পর থেকে ধীরে ধীরে সময় বাড়াতে পারেন। প্রত্যেক লাফ ও রেস্ট টাইমের ভাগ ৩০ সেকেন্ড।লাফদড়ি বা স্কিপিং রোপে স্থূলত্ব কম হয়দড়ি লাফানোর সর্বোত্তম জিনিসটি হ’ল যদি আপনি ওজন হ্রাস করতে চান তবে এটি আপনাকে সহায়তা করবে। এটা জেনে অবাক হবেন যে, দড়ি লাফানোর মাত্র এক মিনিটের সাহায্যে আপনি ১০ ক্যালোরি পোড়াচ্ছেন। এই ব্যায়াম খালি হাতেও করা যায়। হাত শরীরের দু’পাশে কাঁধের সমান্তরালে তুলতে হবে। একই সময়ে পা ফাঁক করে লাফাতে হবে। আবার দু’পা এক জায়গায় বা ‘সাবধান’ পোজ়িশনে লাফিয়ে ফেরার সময়ে হাত দু’টি শরীরের দু’পাশে নেমে আসবে। এই ব্যায়ামই লাফদড়ির সাহায্যে করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে হাতে লাফদড়ি ধরা থাকবে। আর প্রথম লাফে পা ফাঁক থাকলে দ্বিতীয় লাফে জোড়া পায়ে লাফাতে হবে।ত্বক উজ্জ্বল হবেআপনি যদি নিজের ত্বককে উজ্জ্বল করতে চান তবে দড়িটি লাফানো শুরু করুন। জাম্পিং দড়ি দিয়ে শরীর চর্চার কারণে ঘাম হয়, যা ত্বকের ছিদ্রগুলি খোলে। এটি আপনার মুখের উপর টানটানতা সৃষ্টি করে এবং ত্বক থেকে টক্সিনগুলিও সরিয়ে দেয়।হালকা গরম দুধের সঙ্গে একটু মিছরি, সাত দিন খেয়ে দেখুন! উপকার মিলবে…চাপ থেকে দূরে থাকা যায়বর্তমান জীবনযাত্রায় শ্রম করার প্রবণতা খুবই কম হয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি এনসিবিআইয়ের প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে যে শারীরিক কার্যকলাপ না করার ফলে এখন মানুষের মনে হতাশার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। জাম্পিং করলে শারীরিক ক্রিয়াকলাপ হয়, ফলে এড়ানো যায় মানসিক চাপ।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

health & fitness News : কৃতি শ্যাননের টোনড ফিগারের পিছনে রয়েছে এই গোপন রহস্য, জানুন ‘ফিটনেস সিক্রেট’ – kriti sanon workout plan in bengali

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সাজপোশাক থেকে শুরু করে ফিট শরীর— সবেতেই তাঁরা আমার-আপনার রোল মডেল। তবে পোশাক তো কেনাই যায়। কিন্তু তা কী মানাবে আপনাকে। কৃতি শ্যাননের মতো টোন্‌ড বডি পাওয়ার একটা ইচ্ছে মনে হয় সবার মনেই। তা, স্টারদের এমন ফিট শরীরের রহস্যটা কী? কী-কী করেন তিনি তাঁর নিত্যদিনের রুটিনে? বলি এই সেলেবের সেরকমই কিছু ফিটনেস টিপস রইল।বলিউড অভিনেত্রী তথা স্টাইল ডিভা কৃতি শ্যানন তাঁর ফিটনেস নিয়ে খুবই সচেতন। এবার নিজের ফিটনেস সিক্রেট অনুরাগীদের জানালেন তিনি। তাঁর ফিটনেস ফ্রিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে দেখা যায়। ফিটনেস ফ্রিক বোধহয় একেই বলে। যার ফলে কোনও দিন তাঁকে ক্লান্ত বলে মনে হয় না। কৃতির ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে দেখা গিয়েছে, ৫টি ভিন্ন ভিন্ন অনুশীলন করতে দেখা গিয়েছে। ওজন উত্তোলন থেকে শুরু করে স্ট্রেচিং সব কিছুই করেন প্রতিদিন। যারা শরীরকে ফিট রাখতে ভালোবাসেন তাদের জন্য অনুপ্রেরণা কৃতির সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট। নিজেকে ফিট রাখতে তিনি কোন ধরনের ওয়ার্ক আউট করেন দেখে নেওয়া যাক। আপনি যদি ফিটনেস পছন্দ করেন, তবে এইগুলি আপনার কাজে আসবে।কৃতি এই পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন যে তাঁর সোমবারের প্রেরণার দরকার নেই। আপনি যদি জিমে যেতে পছন্দ করেন না, তবে কৃতির এই পোস্টটি থেকে কিছুটা অনুপ্রেরণা নিতে পারেন। এখনও তাঁর ফিটনেস রুটিনে আছে পাইলেটস, কার্ডিও, স্ট্রেংথ ও ওয়েট ট্রেনিং এবং যোগাসন। ফিটনেস কেবল শারীরিকভাবেই নয়, মানসিকভাবে আপনাকে সুখী ও স্থিতিশীল রাখে।ইনস্টার এর পোস্টের ক্যাপশনে কৃতি লিখেছেন- ‘আপনি যদি নিজের শরীরের যত্ন নেন, দেহ আপনারও যত্ন নেবে’। সেই ভিডিয়োটিতে ছবিতে কৃতিকে যোগের আগে ধ্যান করতে দেখা গিয়েছে। তিনি আরও লিখেছেন ফিটনে মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে সাহায্য করে। আর একটি পোস্টে দেখা গিয়েছে ট্রেনারের সাহায্য নিয়ে ওয়ার্ক আউট করছেন। তাঁর মতে, কিছু মানুষ আছেন যারা ফিট থাকার জন্য এ্যারোবিকস পছন্দ করেন, কেউ নাচ, কিছু যোগ করতে পছন্দ করেন। আপনি আপনার পছন্দের ফর্মটি নির্বাচন করুন এবং সেটি প্রাত্যহিক রুটিন মেনে অভ্যাস করুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ছবি ও ভিডিয়ো দেখলে বোঝা যায় তিনি কেবল নিজেই ফিট থাকতে পছন্দ করেন তেমনটা নয়, অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করতে সাহায্য করেন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Milind Soman: ৫৫ তেও ভাইরাল মিলিন্দ সোমান! ‘ফিটনেস সিক্রেট’ জানুন আপনিও – milind soman turns 55: here are three tips to become fit like him

মিলিন্দ সোমান মানেই পর্দায় যেন এক টানটান উত্তেজনা। তাঁর শরীরী ভাঁজেই যেন এক কথায় মুগ্ধ ভক্তেরা। নারীর চোখে মিলিন্দ সোমান সর্বদাই চেয়েছেন খানিকটা এগিয়ে থাকতে। ৫৫ বছরে পড়লেন বলিউডের অভিনেতা তথা সুপারমডেল মিলিন্দ সোমন। গোয়ার সমুদ্র সৈকতে নগ্ন হয়ে দৌড়নোর ছবি পোস্ট করলেন তিনি। তাঁর জন্মদিন সেলিব্রেশনের এই একান্ত ব্যক্তিগত ও বিশেষ মুহূর্তে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন অবশ্যই রয়েছেন তাঁর স্ত্রী অঙ্কিতা কোনওয়ার। তিনিই তাঁর হাবির এপিক ছবিটি ক্যামেরাবন্দি করেছেন। নারীর চোখে মিলিন্দ সোমান সর্বদাই চেয়েছেন খানিকটা এগিয়ে থাকতে। তিনি চান নিজেকে বেশিদিন ধরে রাখতে। এই জীবন তিনি বেশ উপভোগ করেন। মিলিন্দ সোমান এবং তাঁর স্ত্রী অঙ্কিতা কোনোয়ার তাদের আইসল্যান্ডের ছুটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।চুটিয়ে সংসার করছেন অঙ্কিতার সঙ্গে২০১৮-তে বিয়ে করেন তিনি অঙ্কিতাকে। দু’বছর ধরে তিনি চুটিয়ে সংসার করছেন অঙ্কিতার সঙ্গে। বয়সে তাঁর থেকে অনেকটাই ছোট। সেই কম বয়সী মেয়ের সঙ্গে শুধু প্রেম-ডেটিং নয়, বিয়েই সেরে ফেলেছেন মিলিন্দ সোমান। যা নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। কিন্তু তাতে জুটির থোরাই কেয়ার। মিলিন্দ ও তাঁর স্ত্রী অঙ্কিতা কোনওয়ারকে নিয়ে নেটিজেনরা বয়সের ফারাক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু প্রেমের সঙ্গে বয়সের সম্পর্ক নেই। মালয়েশিয়ায় কেবিন ক্রু হিসাবে কাজ করতে গিয়েছিলেন অঙ্কিতা। আচমকাই মারা যান অঙ্কিতার সেই সময়ের প্রেমিক। রীতিমতো অবসাদে চলে গিয়েছিলেন অঙ্কিতা। কিছু দিন পর চেন্নাইয়ে পোস্টিং হয় তাঁর একদিন হোটেলের লবিতে মিলিন্দকে দেখতে পান তিনি। বন্ধুরাই অঙ্কিতাকে বলেন, মিলিন্দের সঙ্গে কথা বলতে। এটি মিলিন্দ সোমানের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ফরাসি অভিনেত্রী মেলিন জাম্পানোই-এর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। এক্সারসাইজঅতিমারীর কারণে বহু লোককে বাড়িতে বসে অফিসের কাজ সেরে নিতে হচ্ছে ল্যাপটপে। ফলে ফিটনেস নিয়ে একটা সমস্যা সকলেরই কম-বেশি হচ্ছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও কি ফিটনেস ধরে রাখা যায়! ৫৫ বছর বয়সের মডেল-অভিনেতা মিলিন্দ সোমান তো মনে করেন নিজের মতো করে ফিট থাকতে সকলেই পারেন। পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে দেখে নিতে হয় যে কোন সময়ে কেমন করে খানিক এক্সারসাইজ করে নেওয়া যেতে পারে। মিলিন্দ এর আগে একাধিকবার বলেছেন যে তিনি আবদ্ধ জিমে ব্যায়াম করতে একেবারেই ভালোবাসেন না। বরং একটা ছোট্ট ঝোপঝাড়ের জঙ্গলের মধ্যে নিজের মতো করে শরীচর্চা করা তাঁর ভালো লাগে। কেমনভাবে সেটা করা যেতে পারে তা নিয়ে তিনি একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টও দিয়েছেন। বাথিং এক্সারসাইজ, ওয়ার্কিং আউট উইথ মেলন ইত্যাদি পদ্ধতির ধারণা দিয়েছেন তিনি। মিলিন্দের বক্তব্য, এক্সারসাইজ যেন বোঝা না হয়ে দাঁড়ায়। শরীরচর্চার মধ্য দিয়ে মনের আনন্দকে খুঁজে নিতেই হবে। তবেই তা শরীরে লাগবে।পুল-আপ করবেনই একসময়কার সুপার মডেল ও মহিলাদের হার্টথ্রব মিলিন্দ সোমান ৫৫ বছরে পা দিল বুধবার। তবে তাঁর বয়স বাড়লেও, বয়সের আঁচ যে তাঁকে ছুঁতে পারেনি তা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট দেখলেই বোঝা যায়। শরীরচর্চা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফিটনেসের মাধ্যমে তিনি নিজেকে সুস্থ ও তরতাজা করে রেখেছেন। তিনি প্রত্যেক দিন এক সেট করে পুল-আপ করবেনই। একথা অবশ্য আগেও বার বারই তিনি বলেছেন। কয়েক মিনিট খানেক পুল-আপ পর্বের পর তিনি হ্যান্ড স্ট্যান্ড টেকনিকে চলে যান। এভাবে শরীর চর্চা হয় তিন চার মিনি্ট। পুশ-আপ-ও খুব জরুরি বলে মনে করেন মিলিন্দ। তাতেও দেন মিনিট পাঁচেক। এ রকমই টুকরো টুকরো কিছু শারীরিক কসরতে তিনি ব্যয় করেন বড়জোর আধঘন্টা। এমন নয় যে তিনি সারা দিন ধরে ঘাম ঝরিয়ে চলেছেন। জঙ্গল পরিবেশের এক বাগানে তিনি কেমন করে ওয়ার্ক-আউট করছেন সেই ছবি পোস্ট করেছেন মিলিন্দ। দেখা গিয়েছে একটি পোল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তিনি এক্সারসাইজ করছেন। ধীরে ধীরে পা দুটিকে তিনি কোমরের সমান্তরালে নিয়ে আসছেন। কে বলবে তাঁর বয়স ৫৫ বছর।স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রাসুপারমডেল তারকা মিলন্দ সোমানকে প্রথম দেখা যায় ১৯৯৫ সালে গায়িকা আলিশা চিন্নাইয়ের মেড ইন ইন্ডিয়া গানের ভিডিয়োতে। স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা বজায় রাখতে পছন্দ করেন। ফিট থাকতে মরসুমের ফল খাওয়ার জন্য সকলকে পরামর্শ দেন। এমনকি অনুশীলন করার সময় যোগব্যায়াম, ক্যালিস্টেনিকস, দৌড়াদৌড়ি করে শরীর ফিট রাখেন। মনসংযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি এবং মন এবং শরীরকে শক্তিশালী করা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন। তিনি মনে করেন, একজন সুস্থ মানুষের ঘুমের বিশেষ প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় ডিজিটাল ডিভাইস। শরীরকে ফিট রাখার জন্য প্রতিদিন শরীরচর্চা করেন। ২০১৯ সালে আইসল্যান্ডে গিয়ে ১০০ তলা সিঁড়িতে উঠেছেন। জীবনের যে কোনও ক্ষেত্রে নিজের উন্নতি করতে নিজেকে চ্যালেঞ্জ করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। তাই সহজেই ১০ কিলোমিটার সাঁতার কাটতে পারেন। ৪২১ কিলোমিটার বাইক চালানোর পাশাপাশি ৮৪.৪ কিলোমিটার দৌড়েছিলেন ৫২ বছর বয়সেই! মিলিন্দ সোমনের শরীরচর্চা। দেখুন ভিডিয়ো-

Source link

sexual intercourse: ঘড়ির কাঁটা আর বয়স, সেক্সের সময়ে পল কেলির অঙ্ক মনে রাখুন! ফল পাবেনই… – good sexual intercourse lasts minutes, not hours, therapists say

হাইলাইটসআপনার যখন খুশি আপনি শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে পারেন। ওসব তো আর তিথি নক্ষত্র মেনে হয় না। কিন্তু দিন-রাতের ঠিক কোন সময়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হলে আপনি ভালো ফল পাবেন, তা কিন্তু নির্ভর করে আপনার বয়সের ওপরজীবক আচার্যপ্রেমিক-প্রেমিকা কিংবা স্বামী-স্ত্রীয়ের সম্পর্কে শরীর আসবেই। কারণ শরীর ছাড়া কোনও প্রেমই জমে না। বলা ভালো কিছুদিন পর সেই প্রেম তার গতিশীলতা হারায়। তাই বলে শরীররে কিন্তু কখনই জোর করে আনা উচিত নয়। প্রাপ্ত বয়স্ক দুজনে সম্মত হলে তবেই প্রেমে শরীর আনুন। দিনে রাতে আপনার যখন খুশি আপনি শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে পারেন। ওসব তো আর তিথি নক্ষত্র মেনে হয় না। কিন্তু দিন-রাতের ঠিক কোন সময়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হলে আপনি ভালো ফল পাবেন, তা কিন্তু নির্ভর করে আপনার বয়সের ওপর। অন্তত শরীরতত্ত্ববিদরা সে কথাই বলছেন। কারণ শরীর নামক এই কারখানার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে হরমোনের নানা খেলা। এক্ষেত্রে Sexual pleasure টা একটা বড় বিষয়। স্নায়ুতন্ত্রবিদ ড. পল কেলি যেমন বলেছেন, রাত ৩টে হলো তরুণদের জন্য উৎকৃষ্ট সময়। আবার ভোরবেলাও যৌন মিলনের জন্য উৎকৃষ্ট। তবে সেটাও কিন্তু তরুণদের জন্য। তারুণ্যের টগবগে গরম রক্ত যাঁরা পেরিয়ে এসেছেন তাঁদের জন্য নয়। যাঁরা সদ্য ৪০ পেরিয়েছেন তাঁরা তরুণদের তুলনায় একটু আগেই ঘুম থেকে ওঠেন। যদিও তার পিছনে সাংসারিক এবং বৈবাহিক নানা কারণ থাকে। কিন্তু সকালের সূর্যের আলো গায়ে লাগালে তা কিন্তু বেশ উপকারেই আসে। শুধু যে ভিটামিন ডি তৈরি হয় তাই নয়, যৌন উত্তেজক হরমোনগুলিও এই সময়ে চাঙ্গা থাকে। এবং তা নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই। তাই যাঁরা ৪০ পেরিয়েছেন তাঁদের জন্য উৎকৃষ্ট সময় হল ৮.২০। আবার যাঁরা ৪৫ পেরিয়েছেন তাঁদের মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে বেজায় ঝামেলা। শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সে কারণে যাঁরা ৪৫ পার করে ফেলেছেন তাঁদের রাত ১০ টা ২০ মিনিটে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন পল কেলি। আর যাদের বয়স ৫০ এর কোঠায় উঠে গিয়েছে, তাঁদের জন্য রাত ১০ টা শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উপযুক্ত বলে মনে করেন তিনি। বারে বারে তিনি শরীর-স্বাস্থ্য এবং ঘুমের দিকে নজর দিয়েই এই কথাগুলি বলেছেন। ফিটনেস থেকে ফোসকা সারানোর বিজ্ঞান, সেক্স থেকে স্ট্যামিনা বাড়ানোর উপায়… সব কিছুই জানতে মেইল করতে পারেন লাইফস্টাইল কোচ জীবক আচার্যকে। ঠিকানা- ask.jeebak.acharya@gmail.com

Source link

Apple Cider Vinegar: আপনি কি অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খান? তাহলে এই ৫ কাজ ভুলেও করবেন না… – 5 things you should never do while consuming apple cider vinegar

হাইলাইটসভরপেট খাবার খাওয়ার ঠিক পরেই কি অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাওয়ার অভ্যেস আপনার? তাহলে এই অভ্যেস এখনই ত্যাগ করুন। ভরাপেটে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: আমরা জানি যে অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের অনেক উপকারিতা রয়েছে। সেই কারণে অনেকেই নিয়মিত ভাবে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেয়ে থাকেন। কিন্তু সঠিক নিয়ম মেনে না খেলে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার থেকে আপনার বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। * ভরপেট খাবার খাওয়ার ঠিক পরেই কি অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাওয়ার অভ্যেস আপনার? তাহলে এই অভ্যেস এখনই ত্যাগ করুন। ভরাপেটে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। খালি পেটে খেলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। * অনেকেই কিছু খাওয়ার আগে তার গন্ধ শুঁকে দেখেন। অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের ক্ষেত্রে এটা করবেন না। কারণ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার শুঁকলে চোখ ও নাকের সমস্যা হতে পারে। তাই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার জলে মিশিয়ে হালকা করেও খেতে পারেন। তাতে এর কড়া গন্ধ আপনার নাকে যাবে না। * অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেয়েই দাঁত ব্রাশ করবেন না। এতে আপনার দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে যেতে পারে। এর ফলে আপনার দাঁতে ক্যাভিটি দেখা দিতে পারে। তাই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পরে দাঁত ব্রাশ করুন। * প্রথমেই অনেকটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেয়ে নেবেন না। শরীরকে এর সঙ্গে অভ্যস্ত হতে সময় দিন। প্রথমে অল্প অল্প করে খাওয়া শুরু করুন। না হলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। * রাতের বেলা শুতে যাওয়ার ঠিক আগে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাবেন না। এটি খাওয়ার পর অন্তত ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে থাকবেন। না হলে অম্বল হয়ে যেতে পারে।

Source link