Tag Archives: Hair Care Tips

hair care: হেয়ার স্পায়ের সাতকাহন, খরচ বাঁচিয়ে বাড়িতে সহজেই করে নিন স্পা! – how to do hair spa treatments at home

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দিনে দিনে পরিবর্তন হচ্ছে তাপমাত্রার। কমছে তাপমাত্রা আর শুষ্ক হয়ে আসছে আবহাওয়া। তাই এই মরশুমেই বিশেষ যত্নের প্রয়োজন চুলের। চুলের এই সময় প্রয়োজন বাড়তি যত্নের। চুলের যত্ন নিতে প্রয়োজন হেয়ার স্পা-এর। তবে হেয়ার স্পা এর নাম উঠলেই সকলে ভরসা রাখেন পার্লারের উপর। আরাম, বিলাসের দু’দণ্ড অবকাশের জন্য আজকাল সবার ঝোঁক স্পায়ের দিকেই। আর শুধুমাত্র শরীর বা ত্বক নয়, চুলের যত্ন নিতেও অনেকেই দ্বারস্থ হচ্ছেন স্পায়ের। আসলে ধুলো-ধোঁয়ায় জেরবার চুলে প্রাণোচ্ছ্বলতা আনতে বা শুষ্ক-রুক্ষ চুল কোমল করতে, কিংবা চুলের আরও নানা সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়ার অব্যর্থ উপায় এই হেয়ার স্পা। যতই সচেতন হয়ে সারা বছর চুলের যত্ন নিন না কেন, অনেক সময়েই কাঙ্খিত ফল পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র তেল, শ্যাম্পু অথবা কন্ডিশনারই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন হয় বাড়তি যত্নের। এই বাড়তি যত্ন পেতেই প্রয়োজন হেয়ার স্পা। চুলের সমস্যার সমাধান তো হবেই, উপরন্তু চুলের সৌন্দর্য আর কমনীয়তা হবে দেখার মতো। চলুন জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া উপাদানেই ধাপে ধাপে চুলের যত্ন নেওয়ার বিশেষ পদ্ধতি। প্রথমেই একটি পাত্রে সামান্য নরকেল তেল বা অলিভ অয়েল সামান্য গরম করে নিন। এরপর চুলের গোড়ায় ভালো করে ম্যাসাজ করুন। চুলের গোড়া থেকে চুলের ডগা পর্যন্ত খুব ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন। এতে চুলের গোড়া খুব ভালো থাকেএবং উজ্জ্বল দেখায়। খুব ভালো করে ম্যাসাজ করার পর গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে নিন অথবা মাইক্রোআভেনে তোয়ালেটা কিছুক্ষণ রেখে গরম করে নিন। এরপর স্টিম নেওয়ার জন্য গরম তোয়ালে মাথায় জড়িয়ে ৫ থেকে ৬ মিনিট রেখে দিন। এতে চুল দেখতে ঘন লাগবে ও চুলের গভীরে পুষ্টিও পৌঁছবে।চুলে স্টিম নেওয়া হয়ে গেলে মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুল ধুয়ে নিন। তবে চুল ধোয়ার সময় অবশ্যই ঠান্ডা জল ব্যবহার করবেন। কারণ গরম জল চুলের গোড়ার ক্ষতি করে। বাড়িতে হেয়ার স্পা করলে অবশ্যই শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার করুন। এরপর ভালো করে ধুয়ে নিন। হেয়ার স্পা এর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শেষ ধাপ হল হেয়ার মাস্ক। হেয়ার মাস্কের জন্য ২ টো ডিম, কলা, মধু ও নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল একসঙ্গে খুব ভালো করে মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে নিন। ৩০ মিনিটের মত এই মাস্ক রেখে আবার শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে শুকিয়ে নিন।আরও পড়ুন: রান্নায় ঝাল বেশি হয়ে গিয়েছে? সামাল দিন ঘরোয়া উপায়েই…হেয়ার স্পা চুল সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলার এক বিশেষ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে থাকে রুট নারিশিং ওয়েল ম্যাসাজ, শ্যাম্পু, কন্ডিশনিং ইত্যাদির মতো পর্যায়। এর মাধ্যমে চুলের জেল্লা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। তবে হেয়ার স্পা করানোর আগে আপনার চুল কী ধরনের, স্ক্যাল্পে কোনও সমস্যা আছে কি না, পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া কিন্ত খুব দরকারি একটি বিষয়। স্ক্যাল্প পরীক্ষা করে দেখে নেওয়ার পর অয়েল ম্যাসাজ, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার ,হেয়ার মাস্ক, ব্যবহার করে চুল নরম ও মসৃণ করে তোলা হয়। স্ক্যাল্পে নানা ধরনের ট্রিটমেন্টও করা হয়। সালোঁতে গিয়ে পুরো ব্যাপারটা করতে সময় লাগে প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট। চুলের ধরন এবং সমস্যা অনুযায়ী স্পায়ের রকমফের হয়।বাড়িতেই স্পাসালোঁতে গিয়ে হেয়ার স্পা করানোর জন্য সময়ের অভাব হলে বাড়িতেও করতেই পারেন। তবে প্রফেশনালদের হাতে করানো স্পায়ের আরামের অনুভূতি কতটা পাবেন সে বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে উপকার কিন্তু সালোঁর মতোই পাবেন। এক্ষেত্রে শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, হেয়ার মাস্ক চুলের প্রকৃতি অনুয়ায়ীই বেছে নিন। গ্রিন টি-র পাতা বেটে নিয়ে তার সঙ্গে আধ চা-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন কন্ডিশনার। ডিম আর সামান্য নারকেল তেল দিয়ে হেয়ার মাস্কও বাড়িতে বানানো যায়।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

hair care tips: Home Remedies: Know How To Remove Dandruff – শীত পড়তেই খুশকির সমস্যা? ঘরোয়া টোটকাতেই‍ মিলবে সমাধান!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকাল মানেই পার্টি আর পিকনিকের মরসুম। আর পার্টি-পিকনিক মানেই তো ফ্যাশন। কিন্তু খোঁপা হোক কিংবা খোলা চুলের ফ্যাশন, কোনওটাই জমবে না চুলের সঠিক যত্ন না নিলে। এমনিতেই শীতকালে চুল পড়ার সমস্যায় কম বেশি সকলেই ভোগেন। এই সময় শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে হওয়া খুশকি থেকে চুলের গোড়া আলগা হয়। চুল পড়ার পরিমাণও বেড়ে যায়। এ সময় অনেকেই পার্লারে গিয়ে একটা স্পা করিয়ে আসেন বটে, তবে তার সঙ্গে ঘরেও প্রতিদিন চুলের যত্ন নেওয়াটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। শীতের জানান দেওয়া মানেই ত্বক শুষ্ক হওয়ার মরসুম শুরু। আর খালি চোখে দেখা যায় না ত্বকের এমন অনেক জায়গাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এতে। মাথার ত্বকও এই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচে না। শীতকালে মথার ত্বকের এই শুকিয়ে যাওয়ার কারণে খুশকির হানা প্রবল ভাবে বাড়ে। নিয়মিত যত্ন নিলেও আবহাওয়ার কারণেই চুলের আগা ফেটে যাওয়া, পড়ে যাওয়ার মতো নানা সমস্যা বর্ষার মতোই এই মরসুমেও বাড়ে। তবে সমস্যা খুব বড় আকার না নিলে ঘরোয়া কিছু উপায়ে একে প্রতিরোধ করাই যায়। খুব কঠিন পদ্ধতিও নয়, কষ্টলভ্য উপাদানও নয়, এমন কিছু দিয়ে এই ঘরোয় যত্নটুকু সারাই যায়। এই যেমন ধরুন পাতিলেবু, নারকেল তেল বা ক্যাস্টর অয়েল— এ সব উপাদানেই খুশকিকে তাড়িয়ে দিতে পারেন কনকনে শীতেও। পাতিলেবুর রস আর নারকেল তেলশুষ্ক আবহাওয়ায় তেল মাথায় আর্দ্রতা জোগায়। চুলের গোড়ায় পুষ্টির জোগান দেয়। এই নারকেল তেলকে একটু গরম করে তাতেই যোগ করুন কয়েক ফোঁটা লেবুর রস। স্নানের আধ ঘণ্টা আগে এই মিশ্রণ চুলে লাগিয়ে ভাল করে মালিশ করুন। মিনিট২০-৩০ বাদে শ্যাম্পু করে নিন। প্রতি দিন রাতে নারকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েল গরম করে মিশিয়ে নিন। আঙুলের ডগায় তেল নিয়ে তাভাল করে মাসাজ করুন চুলে। এর পর চুল বেঁধে শুয়ে পড়ুন। পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে তিন দিন এমন করলেই খুশকি কমবে উল্লেখযোগ্য ভাবে। আজকাল হাতে সময় নেই প্রায় কারও। তাই সমাধানকেও হতে হবে জঞ্ঝাটবিহীন কম সময়সাপেক্ষ। এই উপাদানগুলি তেমনই। কিন্তু শুধু উপাদানই তো শেষ কথা নয়, কী ভাবে প্রয়োগ তার উপরেই নির্ভর করে সমস্যা থেকে মুক্তি। রইল সে সবের হদিশ। পাতিলেবুর রস ও জললেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড মাথার পিএইচ-এর ভারসাম্য রক্ষা করে। মাথার অতিরিক্ত তেল বার করে দিতেও এটি খুবই কার্যকর। মাথায় পাতিলেবুর রস লাগিয়ে কিছপ ক্ষণ রেখে দিন। এর পর সেই রস মেশানো জল দিয়েই ধুয়ে পেলুন তা। এর পর খুশকি প্রতিহত করতে পারে এমন কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। শীতে খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে চার থেকে পাঁচ চামচ নারকেল তেলের মধ্যে একটা গোটা লেবুর রস ভাল করে মিশিয়ে নিন। এর পর সেই মিশ্রণ চুলের গোড়ায় ভাল করে লাগিয়ে নিন। এক থেকে দেড় ঘন্টা রেখেই শ্যাম্পু করে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত এক বার করে এই টোটকা মেনে চললেই মিলবে খুশকির সমস্যার সহজ সমাধান।শীত পড়ার আগে থেকেই তরল জাতীয় জিনিস খানশরীরের আর্দ্রতার মাত্রায় হেরফের হলে কিন্তু একেবারেই চলবে না। শীতকালে সাধারণত তেষ্টা খুব একটা পায় না, তাই জলও কম খাওয়া হয়। কিন্তু শরীরের আর্দ্রতায় টান পড়লেই বাড়বে খুশকির আক্রমণ। তাই জল, স্যুপ, দইয়ের ঘোল, মিল্কশেক, ফল, শাকসবজি খান। খুশকিও এক ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন, তা ঠেকাতে পারে ভিটামিন সি। আমলকীর রস, কমলালেবু যোগ করুন রোজের খাদ্যতালিকায়। ভিটামিন বি আর জ়িঙ্কের ঘাটতি হলেও চলবে না। এখন থেকে ব্যবহার করুন কাঠের দাঁড়া যুক্ত চিরুনি। এই উপায় আপনার চুল পড়ার সমস্যাকে বেশ জব্দ করা যাবে।ব্লো ড্রায়ার নয়শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা, স্নানের পরে ভিজে চুল শুকনোর জন্য আমরা বেশির ভাগ সময়ই ব্যবহার করি ব্লো ড্রায়ার। কিন্তু এই ব্লো ড্রায়ারের মাধ্যমে চুল শোকানো যে আরও কত বড় ক্ষতি করতে পারে তার কোনও সীমা নেই। চুল রুক্ষ হওয়া তো রয়েইছে, এ ছাড়া হেয়ার ড্রায়ারের গরম হাওয়া মাথার ত্বকেরও ক্ষতি করে। ঘন ঘন হেয়ার ড্রায়ার চুলের গোড়াকেও নষ্ট করে। তাই হেয়ার ড্রায়ার ছাড়া প্রাকৃতিক রোদ, হাওয়া অথবা পাখার হাওয়ায় চুল শোকাতেই পরামর্শ দেন ত্বক বিশেষজ্ঞরা। স্নানের সময় এক মগ জলে মিশিয়ে নিন আধ কাপের চেয়ে একটু বেশি পরিমাণ মধু। শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহারের পরিবর্তে এই মিশ্রণ ঢেলে দিন চুলে। আঙুল চালিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন। জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন চুল। উপকার পাবেন সব ধরনের চুলেই।চুল ধোওয়ার জন্য অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ব্যবহার করুনশ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নেওয়ার পর অ্যাপল সাইডার ভিনিগারের মিশ্রণ দিয়ে ফাইনাল ওয়াশ করুন। সমান পরিমাণ জল আর ভিনিগার মিশিয়ে নিলেই আপনার হেয়ার ওয়াশ তৈরি হয়ে যাবে। তবে যাঁদের চুল রুক্ষ, তাঁদের চুল অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার ব্যবহারের ফলে রুক্ষতর হতে পারে, তা ঠেকাতে চাইলে আগে অবশ্যই তেল মাখবেন। চুলকে মোলায়েম ও ঝলমলে করতে বাড়িতে সহজেই বানিয়ে ফেলুন হেয়ার প্যাক। দু’চামচ টক দই ও তিন চামচ মধু মিশিয়ে একটা প্যাক বানিয়ে নিন। স্নানের আগে এই মিশ্রণ মেখে নিন চুলে। তার পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন চুল। শুষ্ক চুলের সমস্যা থাকলে এখনই ব্যবহার করুন এই হেয়ার প্যাক।

Source link

সিল্কি এবং সফ্ট চুল পেতে ব্যবহার করুন গ্লিসারিন! দেখুন পদ্ধতি | How To Apply Glycerin For Silky And Shiny Hair In Bengali


ফ্রিজি চুল-কে সিল্কি করে তুলুন গ্লিসারিন চুলের যত্নের জন্য খুবই উপকারি। আপনার চুল যদি ফ্রিজি ও রুক্ষ হয় তবে আপনি গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিন প্রয়োগ করলে চুল সিল্কি হয়। এছাড়াও গ্লিসারিন খুশকি দূর করতেও কার্যকর। চুল ফাটা দূর করতে গ্লিসারিনের সাহায্যে খুশকি এবং চুল ফাটা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। খুশকির জন্য গ্লিসারিনে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান। চুলে গ্লিসারিন লাগান। কিছু দিন পরে আপনি এর প্রভাব দেখতে পাবেন। কন্ডিশনারের মতো করে গ্লিসারিন ব্যবহার করুন গ্লিসারিন স্ক্যাল্প হাইড্রেট করার পাশাপাশি চুলের গোড়াও শক্তিশালী করে। কন্ডিশনার হিসেবেও আপনি গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিনের কন্ডিশনার প্রয়োগের ফলে চুল রুক্ষতা কমে। কন্ডিশনার হিসেবে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে, চুল ধোওয়ার পরে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে চুলে লাগান। ১০ মিনিট পরে পরিষ্কার জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার চুল নরম এবং শাইনি হবে। গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে গ্লিসারিন ব্যবহার করলে ত্বক নরম হয়। তাই শীতে ত্বককে কোমল রাখতে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।

Source link

Hair Mask for Your Hair Type : চুলের ধরন অনুযায়ী হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করেন তো? দেখুন কোন চুলে কোন হেয়ার মাস্ক উপযুক্ত


শুষ্ক এবং ড্যামেজ চুল আপনার চুল যদি শুষ্ক ও ড্যামেজ হয়, তাহলে বুঝতে হবে যে আর্দ্রতার অভাব রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনার চুলের জন্য হাইড্রেটিং হেয়ার মাস্ক উপযুক্ত। এতে আপনার চুলের পুষ্টি বাড়বে পাশাপাশি শুষ্কতা দূর হবে। হেয়ার মাস্ক ব্যবহারের ফলে চুলের বৃদ্ধিও ভাল হয়। আপনি কন্ডিশনার এবং গ্লিসারিন যুক্ত মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। কোঁকড়ানো চুল কোঁকড়ানো চুল সাধারণত ড্রাই হয়। এজন্য কোঁকড়ানো চুলের জন্য হেয়ার মাস্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সপ্তাহে একবার অন্তত হেয়ার মাস্ক লাগানো উচিত। এতে চুল উজ্জ্বল হয়। এক্ষেত্রে ড্যামেজ রিপিয়ার রিকন্সট্রাকশন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। পাতলা চুল পাতলা চুলের জন্য লাইট ওয়েট হাইড্রেটিং জোজোবা অয়েল উপযুক্ত। আপনার পাতলা চুল যদি বেশি শুষ্ক হয়, তবে আপনি হেয়ার কন্ডিশনার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। পাতলা চুলে পুষ্টি জোগাতে আপনি নারকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন। অয়েলি হেয়ার অয়েলি হেয়ারের যত্ন নেওয়া একটু কঠিন। এই ধরনের চুলে আর্দ্রতার প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে আপনি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যুক্ত হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও চুলের গোড়ায় নারকেল তেল লাগান এবং গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে নিঙড়ে মাথায় জড়িয়ে রাখুন। আধ ঘণ্টা পরে, শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনার চুল ভাল থাকবে। চুলের যত্নে ব্যবহার করুন আমলকির রস, দেখুন ব্যবহারের পদ্ধতি

Source link

Bhagyashree Glowing Skin Secrets : অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ব্যবহার করেন এই ফেস প্যাক


Beauty oi-Purabi Jana |

Updated: Saturday, September 12, 2020, 9:45 [IST]
হিন্দি সিনেমা ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া খ্যাত অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ থাকেন। অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই তাদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ফিটনেস ও বিউটি নিয়ে নানান ভিডিয়ো শেয়ার করে থাকেন, ঠিক তেমনই অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রীও ইনস্টাগ্রামে তার ভক্তদের সঙ্গে এরকম নানান ভিডিয়ো শেয়ার করে নেন। সম্প্রতি তিনি একটি ভিডিয়ো ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি তাঁর স্কিন কেয়ার সিক্রেট শেয়ার করেছেন। এখানে তিনি দাগহীন এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য একটি ফেস প্যাকের রেসিপি বলেছেন। তিনিও এই প্যাকটি ব্যবহার করেন। ৫১ বছর বয়সী ভাগ্যশ্রীকে দেখে তাঁর বয়স অনুমান করা কঠিন! এটা দেখে বোঝাই যাচ্ছে যে, তিনি তার ফিটনেসের পাশাপাশি ত্বকের যত্নও রাখেন। ভাগ্যশ্রী এই ভিডিয়োটিতে জানিয়েছেন যে, ত্বকের যত্নের জন্য তিনি এই ফেস প্যাকটি নিয়মিত ব্যবহার করেন। এর জন্য ওটস গুঁড়ো করে নিন এবং একটি বোতলে রেখে এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। পেস্ট তৈরির জন্য ওটস পাউডারে দুধ এবং মধু মিশিয়ে দিন। এটি আপনার মুখে লাগিয়ে শুকোতে দিন। তারপর ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই ভিডিয়োতে ভাগ্যশ্রী জানিয়েছেন যে, ক্লিনজিং বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় এতে, যা মৃত ত্বক অপসারণে সহায়তা করে। এছাড়াও, এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সহায়তা করে। আর, মধুতে অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বককে হাইড্রেট করে। ওটস ফেস প্যাক তৈরির পদ্ধতি ২ চামচ ওটসের পাউডার নিন, এক চামচ মধু এবং দুধ নিন। একটি বাটিতে এই সমস্ত উপকরণ নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। পেস্ট প্রস্তুত করার পরে এটি মুখে লাগান। এটি শুকিয়ে যাওয়ার পরে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধুয়ে নেওয়ার পর মুখে ময়েশ্চারাইজার বা সিরাম লাগান। হিনা খানের নতুন হেয়ার স্টাইলে মুগ্ধ নেটিজেনরা

GET THE BEST BOLDSKY STORIES!

Allow Notifications

You have already subscribed

Source link

সিল্কি এবং সফ্ট চুল পেতে ব্যবহার করুন গ্লিসারিন! দেখুন পদ্ধতি | How To Apply Glycerin For Silky And Shiny Hair In Bengali


ফ্রিজি চুল-কে সিল্কি করে তুলুন গ্লিসারিন চুলের যত্নের জন্য খুবই উপকারি। আপনার চুল যদি ফ্রিজি ও রুক্ষ হয় তবে আপনি গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিন প্রয়োগ করলে চুল সিল্কি হয়। এছাড়াও গ্লিসারিন খুশকি দূর করতেও কার্যকর। চুল ফাটা দূর করতে গ্লিসারিনের সাহায্যে খুশকি এবং চুল ফাটা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। খুশকির জন্য গ্লিসারিনে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান। চুলে গ্লিসারিন লাগান। কিছু দিন পরে আপনি এর প্রভাব দেখতে পাবেন। কন্ডিশনারের মতো করে গ্লিসারিন ব্যবহার করুন গ্লিসারিন স্ক্যাল্প হাইড্রেট করার পাশাপাশি চুলের গোড়াও শক্তিশালী করে। কন্ডিশনার হিসেবেও আপনি গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিনের কন্ডিশনার প্রয়োগের ফলে চুল রুক্ষতা কমে। কন্ডিশনার হিসেবে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে, চুল ধোওয়ার পরে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে চুলে লাগান। ১০ মিনিট পরে পরিষ্কার জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার চুল নরম এবং শাইনি হবে। গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে গ্লিসারিন ব্যবহার করলে ত্বক নরম হয়। তাই শীতে ত্বককে কোমল রাখতে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।

Source link

হেয়ার কালার দীর্ঘস্থায়ী করতে মেনে চলুন এই টিপসগুলি | Tips to Make Your Hair Colour Last Longer


এসএলএস শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না এসএলএস শ্যাম্পু থেকেই চুলের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। এসএলএস শ্যাম্পুতে Sodium Lauryl Sulphate থাকে। আর, এই সালফেট হল চুলের সবচেয়ে বড়ো শত্রু। এর কারণেই শ্যাম্পু লাগালে চুলে প্রচুর পরিমাণে ফেনা হয়। সালফেট, চুল থেকে প্রাকৃতিক তেলের আস্তরণ শুষে নিয়ে চুল রুক্ষ করে তোলে, পাশাপাশি কালার করা চুলও দ্রুত ফিকে হয়ে যায়। তাই, সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এতে করে আপনার চুলের কালার দীর্ঘস্থায়ী হবে। চুল হাওয়ায় শুকিয়ে নিন হেয়ার কালার করার পরে চুলে হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেইটনার ব্যবহার করা খুব একটা ভাল নয়। কারণ চুলে তাপ দেওয়ার ফলে চুল দুর্বল হয়ে যায় এবং চুলের রঙও ফিকে হয়ে যায়। তাই এটি এড়িয়ে চলুন। চুল ধুয়ে ফেলার পর, প্রাকৃতিক বা ফ্যানের হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। বাইরে গেলে চুল ঢেকে বেরোন হেয়ার কালার করলে সাধারণত সবাই চুল খুলে বেরোতেই পছন্দ করেন। কিন্তু এতেও বিপদ! বেশিরভাগ সময় চুল খুলে রাখলে চুলের ক্ষতি হয়। বিশেষত রোদে চুল নিস্তেজ ও প্রাণহীন হয়ে যায়। তাই চুলে কালার করার পর রোদে বেরোনো এড়িয়ে চলুন। তবে যদি একান্তই বাইরে বেরোতে হয়, তাহলে চুল ভালো করে ঢেকে তবেই বেরোবেন।

Source link

সিল্কি এবং সফ্ট চুল পেতে ব্যবহার করুন গ্লিসারিন! দেখুন পদ্ধতি | How To Apply Glycerin For Silky And Shiny Hair In Bengali


ফ্রিজি চুল-কে সিল্কি করে তুলুন গ্লিসারিন চুলের যত্নের জন্য খুবই উপকারি। আপনার চুল যদি ফ্রিজি ও রুক্ষ হয় তবে আপনি গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিন প্রয়োগ করলে চুল সিল্কি হয়। এছাড়াও গ্লিসারিন খুশকি দূর করতেও কার্যকর। চুল ফাটা দূর করতে গ্লিসারিনের সাহায্যে খুশকি এবং চুল ফাটা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। খুশকির জন্য গ্লিসারিনে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান। চুলে গ্লিসারিন লাগান। কিছু দিন পরে আপনি এর প্রভাব দেখতে পাবেন। কন্ডিশনারের মতো করে গ্লিসারিন ব্যবহার করুন গ্লিসারিন স্ক্যাল্প হাইড্রেট করার পাশাপাশি চুলের গোড়াও শক্তিশালী করে। কন্ডিশনার হিসেবেও আপনি গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিনের কন্ডিশনার প্রয়োগের ফলে চুল রুক্ষতা কমে। কন্ডিশনার হিসেবে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে, চুল ধোওয়ার পরে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে চুলে লাগান। ১০ মিনিট পরে পরিষ্কার জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার চুল নরম এবং শাইনি হবে। গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে গ্লিসারিন ব্যবহার করলে ত্বক নরম হয়। তাই শীতে ত্বককে কোমল রাখতে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।

Source link

সিল্কি এবং সফ্ট চুল পেতে ব্যবহার করুন গ্লিসারিন! দেখুন পদ্ধতি | How To Apply Glycerin For Silky And Shiny Hair In Bengali


ফ্রিজি চুল-কে সিল্কি করে তুলুন গ্লিসারিন চুলের যত্নের জন্য খুবই উপকারি। আপনার চুল যদি ফ্রিজি ও রুক্ষ হয় তবে আপনি গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিন প্রয়োগ করলে চুল সিল্কি হয়। এছাড়াও গ্লিসারিন খুশকি দূর করতেও কার্যকর। চুল ফাটা দূর করতে গ্লিসারিনের সাহায্যে খুশকি এবং চুল ফাটা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। খুশকির জন্য গ্লিসারিনে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগান। চুলে গ্লিসারিন লাগান। কিছু দিন পরে আপনি এর প্রভাব দেখতে পাবেন। কন্ডিশনারের মতো করে গ্লিসারিন ব্যবহার করুন গ্লিসারিন স্ক্যাল্প হাইড্রেট করার পাশাপাশি চুলের গোড়াও শক্তিশালী করে। কন্ডিশনার হিসেবেও আপনি গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিনের কন্ডিশনার প্রয়োগের ফলে চুল রুক্ষতা কমে। কন্ডিশনার হিসেবে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে, চুল ধোওয়ার পরে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে চুলে লাগান। ১০ মিনিট পরে পরিষ্কার জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার চুল নরম এবং শাইনি হবে। গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে গ্লিসারিন ব্যবহার করলে ত্বক নরম হয়। তাই শীতে ত্বককে কোমল রাখতে গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন। গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।

Source link

Winter Hair Care Tips: নামছে তাপমাত্রার পারদ, শীতের আগে চুলের যত্ন নেবেন কীভাবে? রইল ঘরোয়া টিপস… – winter woes: your ultimate cold weather hair routine

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলা থেকে বর্ষা বিদায় নিতেই নামছে পারদ। ইতোমধ্যে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ২০-রও নীচে। পাহাড়েও শীতের আমেজ ভালোই টের পাওয়া যাচ্ছে। সারা বছরই চুলের একটা বেসিক যত্ন প্রয়োজন হয়। কিন্তু শীতকালে একটু বেশি যত্নের প্রয়োজন। শীতকালে আবহাওয়ার কারণেই ত্বক শুকিয়ে যায়। এই সময় শুকিয়ে যায় স্ক্যাল্প অর্থাৎ মাথার তালুও। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালেই এই সমস্যা বেশি হয়। হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করলে তা আরও বাড়তে পারে। এই সময় চুলের বৃদ্ধি কমে যায়। স্ক্যাল্পে ময়শ্চার কমে যায়। খুশকির সমস্যায় চুলও পড়ে যায় অনেক। চুলের বৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে যায়। এছাড়া, শীতকালে বেশিরভাগ সময় টুপি, রুমাল বা স্কার্ফে মাথা ঢেকে রাখতে বাধ্য হই আমরা। জ্যাকেটের হুডি কখনও চাপিয়ে দেওয়া হয় মাথায়। এতে টুপি জাতীয় জিনিসের সঙ্গে ঘর্ষণে চুলের ক্ষতি হয়। চুল পড়ে যায়। টুপি না পরেও তো উপায় নেই। তাই চুলের আলাদা যত্নের প্রয়োজন। শুষ্ক ত্বক যাঁদের রয়েছে তাঁরা বেশি খুশকির সমস্যা দেখা দেয়। তবে যে কোনও ধরনের ত্বকের ক্ষেত্রেই শীতকালে খুশকির সমস্যায় বেশি ভোগেন মানুষ। খুশকি আসলে ত্বকের মরা কোষ। ঠিক মতো চুল পরিষ্কার না করলে এ সমস্যা আরও বাড়ে। আর আবহাওয়ার কারণে আপনি এড়িয়েও যেতে পারবেন না। তার থেকে যত্ন নেওয়াই শ্রেয়। বাড়িতেই কীভাবে চুলের যত্ন নেবেন জেনে নিন…হট অয়েল ট্রিটমেন্টশীতকালে গরম তেল মাথায় মাসাজ করা খুব উপকারি। নারকোল তেল বা অলিভ অয়েল গরম করে লাগাতে পারেন। এর সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন ডিম এবং মধু। স্নানের এক ঘণ্টা আগে তেল মাসাজ করুন। স্নানের সময় ভাল করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন। একটি পাত্রে নারকেল তেল, আপেল সিডার ভিনিদার এবং মধু মিশিয়ে নিন। চুলে ও মাথার তালুতে লাগিয়ে নিন। আধ ঘণ্টা রেখে দেওয়ার পরে শ্যাম্পু করে নিন। একবারে অনেকটা তৈরি করে রাখতে পারেন। ব্যবহার করার আগে ঝাঁকিয়ে নিন। বাটার, নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগান। এতে চুল মোলায়েম হবে। শীতকালে চুলে যে অতিরিক্ত কন্ডিশনারের প্রয়োজন হয়, সেটা পাবেন এই হেয়ার মাস্ক থেকেই। হেয়ার মাস্কদুই চা চামচ ফ্রেশ অ্যালোভেরা জেল, এক চা চামচ মধু এবেং তিন চা চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। আধ ঘণ্টা মতো রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। শুকনো চুলের জন্য এই মাস্ক ভাল কন্ডিশনারের কাজ করবে। চুলে বাউন্স আসবে সহজে। প্রথমেই কলা চটকে নিন। তারপর ভেঙে নিন একটি ডিম। এর মধ্যে তিন টেবিল চামচ দুধ, তিন টেবিল চামচ মধু এবং পাঁচ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। সব উপকরণ যাতে মিশে যায় সেটা খেয়াল রাখবেন। এরপর স্ক্যাল্পে এবং চুলে ব্যবহার করুন এই হেয়ার মাস্ক। শীতকালে খুব ঘন ঘন শ্যাম্পু করবেন না। বাইরে বের হলে যাতে চুলে বেশি ময়লা না জমে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। সপ্তাহে তিনদিন শ্যাম্পু করলেই যথেষ্ট। হাল্কা গরম জলে চুল ধুয়ে নিন।ইয়োগার্ট, লেবু এবং ভিনিগারশীতের জন্য রেগুলার শ্যাম্পু ব্যবহার না করে ময়েশ্চারাইজারযুক্ত শ্যাম্পু এবং সঙ্গে অবশ্যই ক্রিম কন্ডিশনার বেছে নিন। একটি পাত্রে ইয়োগার্ট নিন। তার সঙ্গে আপেল সিডার ভিনিগার এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে মাথার তালু এবং চুলে লাগিয়ে নিন। আধঘণ্টা রেখে দেওয়ার পর রেগুলার শ্যাম্পু ব্যবহার করে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু করার সময় কয়েক ফোঁটা তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে চুল সিল্কি হবে, রুক্ষতাও কম হবে। শীত হোক বা গ্রীষ্ম, তেল মাখা অবস্থায় রাস্তায় বের না হওয়াই ভালো। এতে চুলে অনেক বেশি ময়লা জমে যায়। ফলে বারবার শ্যাম্পু করতে গিয়ে চুলের স্বাভাবিক আদ্রর্তা নষ্ট হয়ে যাবে।ঘুমোতে যাওয়ার আগে তেল লাগানপ্রতি রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে একটি পাত্রে নারকেল তেল, জোজোবা অয়েল ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। জোজোবা কিংবা অলিভ অয়েল না থাকলে কম খরচে ক্যাস্টর অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন। তেলের ওই মিশ্রণকে প্রথমে ফুটিয়ে নিন। ফোটানোর সময় এতে কাঁচা আমলকির টুকরো ও কিছুটা লেবুর রস যোগ করুন। ঈষদুষ্ণ অবস্থায় চুলের গোড়ায় এই মিশ্রণ লাগান এক দিন অন্তর। সারা রাত মাথায় স্কার্ফ বেঁধে রাখুন। পরের দিন গরম জলে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন। শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না। শীতের সময় নিয়ম মেনে শ্যাম্পু বা চুলের যত্নে অনীহা দেখা যায় অনেকের মধ্যেই। সেটা না করে প্রতিদিন যত্নে রাখুন। যদি মাথা ভিজিয়ে স্নান করেন তবে চুল ভাল করে ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে, তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছে তবেই রাস্তায় বেরোন।অ্যালোভেরা হেয়ার মাস্কদুই চা চামচ ফ্রেশ অ্যালোভেরা জেল, এক চা চামচ মধু এবেং তিন চা চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। আধ ঘণ্টা মতো রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। শুকনো চুলের জন্য এই মাস্ক ভাল কন্ডিশনারের কাজ করবে। চুলে বাউন্স আসবে সহজে। শীতের স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় চুল ওঠার সমস্যা বেড়ে যায় তাই যতটা সম্ভব ঘষা লাগা এড়িয়ে চলুন। রাতে চুল বেঁধে শোন। রাস্তায় বেরোলেও চুল বেঁধে রাখুন। পার্টি চুল খোলা রাখতে পারেন কিন্তু সারা দিনের জন্য পিকনিকে গেলে চুল অবশ্যই বেঁধে রাখুন। জাঙ্ক ফুড যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো। এতে চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে। খুশকির মতো সমস্যা হলে তা ফেলে রাখবেন না। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।

Source link