Tag Archives: Hair Care Tips

চুল পড়া কমাতে চাইলে আজ থেকে এই খাবারগুলি খাওয়া বন্ধ করুন! | Worst Foods That Could Cause Hair Loss


অ্যালকোহল চুল মূলত প্রোটিন কেরাটিন দিয়ে তৈরি হয়। কেরাটিন এমন একটি প্রোটিন, যা আপনার চুলের গঠন করে। অ্যালকোহলের নেতিবাচক প্রভাব প্রোটিন সংশ্লেষণের উপর পড়ে এবং চুলের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়াও, অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণের ফলে পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা ঘটাতে পারে এবং চুলের গোড়ার ক্ষতি করতে পারে। জাঙ্ক ফুড জাঙ্ক ফুড সাধারণত স্যাচুরেটেড এবং মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ হয়, যা আমাদের শরীরকে মোটা করার পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় এবং চুলেরও ক্ষতি করে। এছাড়াও, তৈলাক্ত খাবারগুলি মাথার ত্বককে মসৃণ করতে, ছিদ্রগুলি বন্ধ করতে এবং ছিদ্রগুলি আরও ছোট করে তুলতে পারে। কাঁচা ডিমের সাদা অংশ এটি চুলের জন্য খুব উপকারি, তবে এটি কাঁচা খাওয়া উচিত নয়। কাঁচা ডিমের সাদা অংশ বায়োটিনের ঘাটতি তৈরি করতে পারে। কাঁচা ডিমের সাদা অংশে অ্যাভিডিন থাকে, যা বায়োটিনের সাথে মিশে অন্ত্রের শোষণে বাধা দেয়।

Source link

Benefits Of Ghee For Hair In Bengali : চুল পেকে যাচ্ছে? খুশকির সমস্যা? ঘি-এর ব্যবহারেই হবে সমস্যার সমাধান!


খুশকি থেকে মুক্তি মেলে খুশকি চুলের প্রচুর ক্ষতি করে। তাই খুশকি দূর করতে আপনি দেশী ঘি ব্যবহার করতে পারেন। দেশী ঘি দিয়ে ১৫ মিনিট চুলে ম্যাসাজ করুন। দেশী ঘি লাগালে কেবলমাত্র খুশকি কম হয় না, পাশাপাশি চুল সাদাও হবে না। চুল বৃদ্ধির জন্য ঘি লাগান চুলের বৃদ্ধির জন্য আপনি ঘি দিয়ে চুলে ম্যাসাজ করতে পারেন। ঘি-এর মধ্যে আমলকি বা পেঁয়াজের রস মিশিয়ে লাগাতে পারেন। এটি চুলের বৃদ্ধিতে উন্নতি করবে। দেশি ঘি দিয়ে চুলে ম্যাসাজ করলে, চুল পড়াও কমে যাবে। প্রতিদিন স্ক্যাল্পে ঘি ম্যাসাজ করলে মাথায় রক্ত চলাচল ভালো হয় এবং চুল বাড়তে সাহায্য করে। চুল পেকে যাচ্ছে? এই ঘরোয়া পদ্ধতিতেই হবে সমস্যার সমাধান! চুলকে হাইড্রেট করে চুলে আর্দ্রতার অভাবে চুল নিস্তেজ এবং ড্যামেজ হয়ে যায়। তবে ঘি-তে থাকা হেলদি ফ্যাটি অ্যাসিড মাথার ত্বককে পুষ্ট করে চুলের গোড়াকে ভিতর থেকে হাইড্রেট করে, যার ফলে চুল সফ্ট হয়। এইভাবে ঘি লাগান এক চামচ ঘি হালকা গরম করুন। তারপরে এটি আপনার আঙুলের সাহায্যে ধীরে ধীরে মাথার ত্বক ও চুলের গোড়ায় ভালভাবে লাগান। কয়েক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। গরম ঘি দিয়ে মাথা ম্যাসাজ করলে কেবলমাত্র মাথার রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়ে না, পাশাপাশি এর ফলে চুল ঘন ও লম্বাও হবে। আরেকটি পদ্ধতি হল, এক চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ২ চামচ ঘি নিয়ে চুল এবং স্ক্যাল্পে ভালো করে লাগান। আধঘণ্টা রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন!

Source link

hair care routine for women: চুলের যত্নে ভরসা এই ৫ ভিটামিনেই! জানুন – turn to these 5 vitamins as they will give you your best hair ever

হাইলাইটসত্বকের জন্য ভিটামিন A খুবই ভালো, একথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ভিটামিন a-এর মধ্যে থাকা রেটিনল চুলকেও ভালো রাখেএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: একঢাল কালো চুল পাওয়া কি মুখের কথা? ইদানিং চুল নিয়েই মাথার চুল ছেঁড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সবার অভিযোগ সারাবছরই এত চুল পড়ছে যে নতুন চুল গজানোর সুযোগ পাচ্ছে না। শ্যাম্পু, সিরাম, তেল, পেঁয়াজের রস লাগিয়েও কোনও উপকার পাওয়া যাচ্ছে না। সেই সঙ্গে কখনও খুসকি, কখনও ডগাফাটা রুক্ষ চুল, একের পর এক সমস্যা লেগেই থাকে! এ সব সমস্যা সামলানোর একাধিক উপায় রয়েছে ঠিকই, কিন্তু আজকের ব্যস্ত দিনে অত কিছু করার সময় কোথায়! কিন্তু জানেন কি এই কয়েকটি ভিটামিনের গুণেই দারুণ সুন্দর চুলের অধিকারী হতে পারেন আপনি!ভিটামিন Aত্বকের জন্য ভিটামিন A খুবই ভালো, একথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ভিটামিন a-এর মধ্যে থাকা রেটিনল চুলকেও ভালো রাখে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকে সেবাম। যা চুলকে ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। বায়োটিনবায়োটিন চুলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন। এটি ভিটামিন বি৭ নামে পরিচিত। বায়োটিনের জন্য চুলের ঘনত্ব বাড়ে। সেই সঙ্গে চুলের গ্রোথও বজায় থাকে। আরও পড়ুন: খুশকি থেকে চুল ঝরা, সমাধান এবার এক ক্লিকেই! বাড়িতেই বানিয়ে নিন হার্বাল শ্যাম্পুভিটামিন Cশরীরের জন্য ভিটামিন সি খুবই ভালো। তেমনই চুলের জন্যেও খুব ভালো। ভিটামিন সি চুলের উজ্জ্বলতা বজায় রাখে। সেই সঙ্গে চুলের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রন আসে ভিটামিন সি থেকে। এতে চুল পড়া কমে। তৈরি হয় নতুন কোলাজেন। ভিটামিন Eভিটামিন ই প্রাকৃতিক ভাবে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের কাজ করে। সেই সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের কাজও ঠিক রাখে ভিটামিন ই। ভিটামিন ই চুল বাড়তে সাহায্য করে, চুলের স্ক্ল্যাপও ভালো রাখে। ভিটামিন Dভিটামিন ডি হাড়ের গঠনের জন্য খুবই জরুরি। তেমনই চুলের গঠন, নতুন চুল গজানো এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Natural Ways To Moisturize Your Hair : চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে? স্বাভাবিক জেল্লা হারাচ্ছে? এই নিয়ম মেনে চললে উপকার মিলবে সহজেই!


চুল কেনো ময়শ্চারাইজ করবেন ঋতু অনুযায়ী আপনার চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতার মাত্রা পরিবর্তিত হয়, তার জন্য নিয়মিত চুলকে ময়েশ্চারাইজ করা প্রয়োজন। শীতকালে তাপমাত্ৰা কমার সঙ্গে সঙ্গে আপনার চুল শুকনো হয়ে যায়। ঠান্ডা বাতাসের পাশাপাশি ঘরে হিটার চালালে তা শুষ্ক এবং ক্ষতিগ্রস্থ চুলের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া যেসব কারণে চুল শুষ্ক-রুক্ষ হতে পারে ক) স্ক্যাল্প যথেষ্ট পরিমাণ তেল উৎপাদন করতে পারে না খ) হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেটনার, কার্লিং আয়রন চুলের ক্ষতি করে গ) হেয়ার কালার ও অন্যান্য কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট ঘ) চুলে বেশি শ্যাম্পু করা ঙ) শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার না করা চ) চুল বেশি ধোওয়া ছ) পরিবর্তিত আবহাওয়া জ) খারাপ কোয়ালিটির ব্রাশ, চিরুনি ব্যবহার এইসব কারণে আপনার চুল সতেজতা হারাতে পারে, জেল্লা হারিয়ে নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে চুল। তাই চুলের আর্দ্রতা ফিরে পেতে চুলকে ময়েশ্চারাইজ করা দরকার। জেনে নিন কোন জিনিসগুলো চুল ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। ১) নারকেল তেল নারকেল তেলে থাকা ময়েশ্চারাইজিং উপাদান চুলের প্রোটিন হারাতে দেয় না। এর ফলে চুল নরম ও কোমল থাকে। কীভাবে ব্যবহার করবেন নারকেল তেল নিয়ে চুল এবং স্ক্যাল্পে ভালো করে মাসাজ করুন। কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করার পর এক ঘণ্টার মতো রেখে দিন। কম খার যুক্ত কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোবেন। তারপর কন্ডিশনার দিন। সপ্তাহে ১-২ বার নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। ২) কলা এবং অলিভ অয়েল কলা এবং অলিভ অয়েলে থাকে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান, যা চুলকে হাইড্রেড রাখতে সাহায্য করে। চুল সফ্ট করে। কীভাবে ব্যবহার করবেন ১ টি পাকা কলা ১-২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল তেল ও কলা ব্লেন্ড করে নিন। পেস্টটা শুকনো চুলে ও স্ক্যাল্পে লাগান। ১৫ মিনিট রাখতে হবে। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে নিলেই হবে। সপ্তাহে ১ বার এই প্যাক লাগাতে পারেন। চুলের যত্নে ব্যবহার করুন ডিম, রইল ব্যবহারের পদ্ধতি ৩) কুমড়ো বীজের তেল ও মধু মধু খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার, হেয়ার কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে এটি। কুমড়ো বীজের তেল চুল পড়া কমায়। কীভাবে ব্যবহার করবেন ১ টেবিল চামচ কুমড়ো বীজের তেল ২ টেবিল চামচ মধু ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল সব জিনিস মিশিয়ে নিন ভালো করে। ভেজা চুলে লাগিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট। তারপর হালকা কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নেবেন। অবশ্যই কন্ডিশনার লাগান। সপ্তাহে ১-২ বার এটি লাগালে উপকার পাবেন। ৪) শিয়া বাটার শিয়া বাটার চুলের জন্য দারুন উপকারি। শুষ্ক ও ড্যামেজ চুল ভালো করতে সাহায্য করে এটি। কীভাবে ব্যবহার করবেন ১-২ টেবিল চামচ শিয়া বাটার গরম করে স্ক্যাল্প ও চুলে লাগান ভালো করে। আলতো করে ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট রেখে দিন। তারপর হালকা কোনও ক্লিনজার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এরপর লাগান কন্ডিশনার। সপ্তাহে ১-২ বার এটি করতে পারেন। ৫) অ্যালোভেরা ও ল্যাভেন্ডার অয়েল অ্যালোভেরায় থাকা ফটোপ্রোটেক্টিভ এফেক্ট চুলের ক্ষতি রোধ করে। ল্যাভেন্ডার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কীভাবে ব্যবহার করবেন ১/৪ কাপ অ্যালোভেরা জেল, ১ কাপ জল, ২-৩ ড্রপ ল্যাভেন্ডার অয়েল এক কাপ জলে অ্যালোভেরা জেল প্রথমে ব্লেন্ড করে নিন। তাতে মেশান ল্যাভেন্ডার অয়েল। মিশ্রণটি একটি স্প্রে বোতলে ঢেলে নিন। প্রয়োজনমতো চুলে এবং স্ক্যাল্পে এটি স্প্রে করুন। এই টিপসগুলি চুলের ক্ষতি রোধ করতে পারে। নিয়মিত ব্যবহার করলে দেখবেন আপনার শুষ্ক-রুক্ষ চুল নরম হয়ে গেছে।

Source link

সিল্কি এবং ঘন চুল পেতে ডায়েটে এই ভিটামিনগুলি অন্তর্ভুক্ত করুন | Use These Vitamins For Silky Hair In Bengali


ভিটামিন সি ভিটামিন সি স্বাস্থ্যের পাশাপাশি চুলের জন্যও অনেক উপকারি। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যার ফলে কোলাজেন বাড়ে এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়। ভিটামিন সি চুলকে হেলদি রাখতে ব্যবহৃত হয়। ভিটামিন সি-এর জন্য আপনি আপনার ডায়েটে লেবু, কমলা, আনারস এবং আঙ্গুর অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। ভিটামিন ডি ভিটামিন ডি চুলের পাশাপাশি হাড়কে শক্তিশালী করার জন্যও খুব উপকারি। ভিটামিন ডি-এর অভাবে চুলের ক্ষতি হয়। ভিটামিন ডি এর জন্য আপনি রোদে বসতে পারেন। এছাড়া ডিম, মাশরুম-এর মধ্যে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। ভিটামিন ই ভিটামিন ই চুল বৃদ্ধির জন্য খুব ভাল বলে মনে করা হয়। ভিটামিন-ই এর ব্যবহার চুলকে উজ্জ্বল করে। বায়োটিন বায়োটিনের ঘাটতির কারণে চুল শুষ্ক ও প্রাণহীন হয়ে যায়। তাই আপনার ডায়েটে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, বায়োটিন অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। চিনাবাদাম, মাছ এবং ডিমের মধ্যে বায়োটিন পাওয়া যায়।

Source link

ঘন-সিল্কি চুল পেতে বাড়িতেই চুলে স্টিম দিন, জানুন স্টিম দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি ও উপকারিতা | How To Steam Your Hair Right Ways At Home In Bengali


হেয়ার স্টিম কী হেয়ার স্টিম আমাদের চুলকে ময়েশ্চারাইজ করার কাজ করে। চুল পড়া, খুশকির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে আপনি চুলে স্টিম দিতে পারেন। এর ফলে চুল হাইড্রেট হয়। পাশাপাশি চুল সফ্টও হয়ে যায়। চুলে স্টিম দিলে আর্দ্রতা চুলের গভীরে যায়, এই কারণে চুল ঘন এবং উজ্জ্বল হয়। বাড়িতে চুলে স্টিম দেওয়ার পদ্ধতি প্রথমে চুলে তেল লাগিয়ে ভালভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপরে তোয়ালে কিছুক্ষণ গরম জলে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর তোয়ালে নিঙড়ে নিয়ে এটি আধঘণ্টা চুলে জড়িয়ে রাখুন। এটি করার ফলে তেল চুলের অনেক গভীরে পৌঁছায় এবং মাথার ত্বকে থাকা ময়লা বেরিয়ে যায়। ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করুন। দেখবেন আপনার চুল সিল্কি ও মজবুত হবে। তবে চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার একেরাবেই ব্যবহার করবেন না, কারণ হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহারের ফলে চুল রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়। চুলে ব্লিচ করেন? সাবধান, মারাত্মক ক্ষতি করছেন নিজের! এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন ক) চুলে স্টিম দেওয়ার সময় প্লাস্টিকের ক্যাপ ব্যবহার করা উচিত নয়। খ) স্টিম দেওয়ার সময় জল খুব বেশি গরম থাকা উচিত নয়। খুব বেশি তাপ নিলে তা চুলের ক্ষতি করতে পারে। গ) সপ্তাহে একবার চুলকে স্টিম দেওয়া উচিত। ঘ) বাড়িতে স্টিম দেওয়ার সময় সর্বদা মোটা তোয়ালে ব্যবহার করা উচিত, যাতে মাথার ত্বকে খুব বেশি তাপ না লাগে। চুলে স্টিম দেওয়ার উপকারিতা ক) এটি চুলের শিকড়কে শক্তিশালী করে। খ) স্টিম দেওয়ার ফলে মাথার ত্বকের ছিদ্রগুলি খোলে, যার ফলে সমস্ত ময়লা দূর হয়। গ) চুলে স্টিম গ্রহণের ফলে রক্ত ​​সঞ্চালন ঠিক থাকে। এটি চুল বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। ঘ) শুষ্ক চুল হাইড্রেট করার জন্য স্টিম অত্যন্ত কার্যকর। বাষ্প গ্রহণের ফলে মাথার ত্বকের কোলাজেন বৃদ্ধি পায়, যা চুলকে ভাল রাখে। ঙ) খুশকির সমস্যা দূর করতে সপ্তাহে একবার চুলে স্টিম দিন।

Source link

Natural Ways To Moisturize Your Hair : চুল রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে? স্বাভাবিক জেল্লা হারাচ্ছে? এই নিয়ম মেনে চললে উপকার মিলবে সহজেই!


চুল কেনো ময়শ্চারাইজ করবেন ঋতু অনুযায়ী আপনার চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতার মাত্রা পরিবর্তিত হয়, তার জন্য নিয়মিত চুলকে ময়েশ্চারাইজ করা প্রয়োজন। শীতকালে তাপমাত্ৰা কমার সঙ্গে সঙ্গে আপনার চুল শুকনো হয়ে যায়। ঠান্ডা বাতাসের পাশাপাশি ঘরে হিটার চালালে তা শুষ্ক এবং ক্ষতিগ্রস্থ চুলের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া যেসব কারণে চুল শুষ্ক-রুক্ষ হতে পারে ক) স্ক্যাল্প যথেষ্ট পরিমাণ তেল উৎপাদন করতে পারে না খ) হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেটনার, কার্লিং আয়রন চুলের ক্ষতি করে গ) হেয়ার কালার ও অন্যান্য কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট ঘ) চুলে বেশি শ্যাম্পু করা ঙ) শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার ব্যবহার না করা চ) চুল বেশি ধোওয়া ছ) পরিবর্তিত আবহাওয়া জ) খারাপ কোয়ালিটির ব্রাশ, চিরুনি ব্যবহার এইসব কারণে আপনার চুল সতেজতা হারাতে পারে, জেল্লা হারিয়ে নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে চুল। তাই চুলের আর্দ্রতা ফিরে পেতে চুলকে ময়েশ্চারাইজ করা দরকার। জেনে নিন কোন জিনিসগুলো চুল ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। ১) নারকেল তেল নারকেল তেলে থাকা ময়েশ্চারাইজিং উপাদান চুলের প্রোটিন হারাতে দেয় না। এর ফলে চুল নরম ও কোমল থাকে। কীভাবে ব্যবহার করবেন নারকেল তেল নিয়ে চুল এবং স্ক্যাল্পে ভালো করে মাসাজ করুন। কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করার পর এক ঘণ্টার মতো রেখে দিন। কম খার যুক্ত কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোবেন। তারপর কন্ডিশনার দিন। সপ্তাহে ১-২ বার নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। ২) কলা এবং অলিভ অয়েল কলা এবং অলিভ অয়েলে থাকে ময়েশ্চারাইজিং উপাদান, যা চুলকে হাইড্রেড রাখতে সাহায্য করে। চুল সফ্ট করে। কীভাবে ব্যবহার করবেন ১ টি পাকা কলা ১-২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল তেল ও কলা ব্লেন্ড করে নিন। পেস্টটা শুকনো চুলে ও স্ক্যাল্পে লাগান। ১৫ মিনিট রাখতে হবে। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে নিলেই হবে। সপ্তাহে ১ বার এই প্যাক লাগাতে পারেন। চুলের যত্নে ব্যবহার করুন ডিম, রইল ব্যবহারের পদ্ধতি ৩) কুমড়ো বীজের তেল ও মধু মধু খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার, হেয়ার কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে এটি। কুমড়ো বীজের তেল চুল পড়া কমায়। কীভাবে ব্যবহার করবেন ১ টেবিল চামচ কুমড়ো বীজের তেল ২ টেবিল চামচ মধু ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল সব জিনিস মিশিয়ে নিন ভালো করে। ভেজা চুলে লাগিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট। তারপর হালকা কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নেবেন। অবশ্যই কন্ডিশনার লাগান। সপ্তাহে ১-২ বার এটি লাগালে উপকার পাবেন। ৪) শিয়া বাটার শিয়া বাটার চুলের জন্য দারুন উপকারি। শুষ্ক ও ড্যামেজ চুল ভালো করতে সাহায্য করে এটি। কীভাবে ব্যবহার করবেন ১-২ টেবিল চামচ শিয়া বাটার গরম করে স্ক্যাল্প ও চুলে লাগান ভালো করে। আলতো করে ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট রেখে দিন। তারপর হালকা কোনও ক্লিনজার দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এরপর লাগান কন্ডিশনার। সপ্তাহে ১-২ বার এটি করতে পারেন। ৫) অ্যালোভেরা ও ল্যাভেন্ডার অয়েল অ্যালোভেরায় থাকা ফটোপ্রোটেক্টিভ এফেক্ট চুলের ক্ষতি রোধ করে। ল্যাভেন্ডার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কীভাবে ব্যবহার করবেন ১/৪ কাপ অ্যালোভেরা জেল, ১ কাপ জল, ২-৩ ড্রপ ল্যাভেন্ডার অয়েল এক কাপ জলে অ্যালোভেরা জেল প্রথমে ব্লেন্ড করে নিন। তাতে মেশান ল্যাভেন্ডার অয়েল। মিশ্রণটি একটি স্প্রে বোতলে ঢেলে নিন। প্রয়োজনমতো চুলে এবং স্ক্যাল্পে এটি স্প্রে করুন। এই টিপসগুলি চুলের ক্ষতি রোধ করতে পারে। নিয়মিত ব্যবহার করলে দেখবেন আপনার শুষ্ক-রুক্ষ চুল নরম হয়ে গেছে।

Source link

ঘন-সিল্কি চুল পেতে বাড়িতেই চুলে স্টিম দিন, জানুন স্টিম দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি ও উপকারিতা | How To Steam Your Hair Right Ways At Home In Bengali


হেয়ার স্টিম কী হেয়ার স্টিম আমাদের চুলকে ময়েশ্চারাইজ করার কাজ করে। চুল পড়া, খুশকির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে আপনি চুলে স্টিম দিতে পারেন। এর ফলে চুল হাইড্রেট হয়। পাশাপাশি চুল সফ্টও হয়ে যায়। চুলে স্টিম দিলে আর্দ্রতা চুলের গভীরে যায়, এই কারণে চুল ঘন এবং উজ্জ্বল হয়। বাড়িতে চুলে স্টিম দেওয়ার পদ্ধতি প্রথমে চুলে তেল লাগিয়ে ভালভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপরে তোয়ালে কিছুক্ষণ গরম জলে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর তোয়ালে নিঙড়ে নিয়ে এটি আধঘণ্টা চুলে জড়িয়ে রাখুন। এটি করার ফলে তেল চুলের অনেক গভীরে পৌঁছায় এবং মাথার ত্বকে থাকা ময়লা বেরিয়ে যায়। ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করুন। দেখবেন আপনার চুল সিল্কি ও মজবুত হবে। তবে চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার একেরাবেই ব্যবহার করবেন না, কারণ হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহারের ফলে চুল রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়। চুলে ব্লিচ করেন? সাবধান, মারাত্মক ক্ষতি করছেন নিজের! এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন ক) চুলে স্টিম দেওয়ার সময় প্লাস্টিকের ক্যাপ ব্যবহার করা উচিত নয়। খ) স্টিম দেওয়ার সময় জল খুব বেশি গরম থাকা উচিত নয়। খুব বেশি তাপ নিলে তা চুলের ক্ষতি করতে পারে। গ) সপ্তাহে একবার চুলকে স্টিম দেওয়া উচিত। ঘ) বাড়িতে স্টিম দেওয়ার সময় সর্বদা মোটা তোয়ালে ব্যবহার করা উচিত, যাতে মাথার ত্বকে খুব বেশি তাপ না লাগে। চুলে স্টিম দেওয়ার উপকারিতা ক) এটি চুলের শিকড়কে শক্তিশালী করে। খ) স্টিম দেওয়ার ফলে মাথার ত্বকের ছিদ্রগুলি খোলে, যার ফলে সমস্ত ময়লা দূর হয়। গ) চুলে স্টিম গ্রহণের ফলে রক্ত ​​সঞ্চালন ঠিক থাকে। এটি চুল বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। ঘ) শুষ্ক চুল হাইড্রেট করার জন্য স্টিম অত্যন্ত কার্যকর। বাষ্প গ্রহণের ফলে মাথার ত্বকের কোলাজেন বৃদ্ধি পায়, যা চুলকে ভাল রাখে। ঙ) খুশকির সমস্যা দূর করতে সপ্তাহে একবার চুলে স্টিম দিন।

Source link

ঘন-সিল্কি চুল পেতে বাড়িতেই চুলে স্টিম দিন, জানুন স্টিম দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি ও উপকারিতা | How To Steam Your Hair Right Ways At Home In Bengali


হেয়ার স্টিম কী হেয়ার স্টিম আমাদের চুলকে ময়েশ্চারাইজ করার কাজ করে। চুল পড়া, খুশকির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে আপনি চুলে স্টিম দিতে পারেন। এর ফলে চুল হাইড্রেট হয়। পাশাপাশি চুল সফ্টও হয়ে যায়। চুলে স্টিম দিলে আর্দ্রতা চুলের গভীরে যায়, এই কারণে চুল ঘন এবং উজ্জ্বল হয়। বাড়িতে চুলে স্টিম দেওয়ার পদ্ধতি প্রথমে চুলে তেল লাগিয়ে ভালভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপরে তোয়ালে কিছুক্ষণ গরম জলে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর তোয়ালে নিঙড়ে নিয়ে এটি আধঘণ্টা চুলে জড়িয়ে রাখুন। এটি করার ফলে তেল চুলের অনেক গভীরে পৌঁছায় এবং মাথার ত্বকে থাকা ময়লা বেরিয়ে যায়। ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করুন। দেখবেন আপনার চুল সিল্কি ও মজবুত হবে। তবে চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার একেরাবেই ব্যবহার করবেন না, কারণ হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহারের ফলে চুল রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়। চুলে ব্লিচ করেন? সাবধান, মারাত্মক ক্ষতি করছেন নিজের! এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন ক) চুলে স্টিম দেওয়ার সময় প্লাস্টিকের ক্যাপ ব্যবহার করা উচিত নয়। খ) স্টিম দেওয়ার সময় জল খুব বেশি গরম থাকা উচিত নয়। খুব বেশি তাপ নিলে তা চুলের ক্ষতি করতে পারে। গ) সপ্তাহে একবার চুলকে স্টিম দেওয়া উচিত। ঘ) বাড়িতে স্টিম দেওয়ার সময় সর্বদা মোটা তোয়ালে ব্যবহার করা উচিত, যাতে মাথার ত্বকে খুব বেশি তাপ না লাগে। চুলে স্টিম দেওয়ার উপকারিতা ক) এটি চুলের শিকড়কে শক্তিশালী করে। খ) স্টিম দেওয়ার ফলে মাথার ত্বকের ছিদ্রগুলি খোলে, যার ফলে সমস্ত ময়লা দূর হয়। গ) চুলে স্টিম গ্রহণের ফলে রক্ত ​​সঞ্চালন ঠিক থাকে। এটি চুল বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। ঘ) শুষ্ক চুল হাইড্রেট করার জন্য স্টিম অত্যন্ত কার্যকর। বাষ্প গ্রহণের ফলে মাথার ত্বকের কোলাজেন বৃদ্ধি পায়, যা চুলকে ভাল রাখে। ঙ) খুশকির সমস্যা দূর করতে সপ্তাহে একবার চুলে স্টিম দিন।

Source link

ঘন-সিল্কি চুল পেতে বাড়িতেই চুলে স্টিম দিন, জানুন স্টিম দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি ও উপকারিতা | How To Steam Your Hair Right Ways At Home In Bengali


হেয়ার স্টিম কী হেয়ার স্টিম আমাদের চুলকে ময়েশ্চারাইজ করার কাজ করে। চুল পড়া, খুশকির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে আপনি চুলে স্টিম দিতে পারেন। এর ফলে চুল হাইড্রেট হয়। পাশাপাশি চুল সফ্টও হয়ে যায়। চুলে স্টিম দিলে আর্দ্রতা চুলের গভীরে যায়, এই কারণে চুল ঘন এবং উজ্জ্বল হয়। বাড়িতে চুলে স্টিম দেওয়ার পদ্ধতি প্রথমে চুলে তেল লাগিয়ে ভালভাবে ম্যাসাজ করুন। তারপরে তোয়ালে কিছুক্ষণ গরম জলে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর তোয়ালে নিঙড়ে নিয়ে এটি আধঘণ্টা চুলে জড়িয়ে রাখুন। এটি করার ফলে তেল চুলের অনেক গভীরে পৌঁছায় এবং মাথার ত্বকে থাকা ময়লা বেরিয়ে যায়। ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করুন। দেখবেন আপনার চুল সিল্কি ও মজবুত হবে। তবে চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার একেরাবেই ব্যবহার করবেন না, কারণ হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহারের ফলে চুল রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়। চুলে ব্লিচ করেন? সাবধান, মারাত্মক ক্ষতি করছেন নিজের! এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন ক) চুলে স্টিম দেওয়ার সময় প্লাস্টিকের ক্যাপ ব্যবহার করা উচিত নয়। খ) স্টিম দেওয়ার সময় জল খুব বেশি গরম থাকা উচিত নয়। খুব বেশি তাপ নিলে তা চুলের ক্ষতি করতে পারে। গ) সপ্তাহে একবার চুলকে স্টিম দেওয়া উচিত। ঘ) বাড়িতে স্টিম দেওয়ার সময় সর্বদা মোটা তোয়ালে ব্যবহার করা উচিত, যাতে মাথার ত্বকে খুব বেশি তাপ না লাগে। চুলে স্টিম দেওয়ার উপকারিতা ক) এটি চুলের শিকড়কে শক্তিশালী করে। খ) স্টিম দেওয়ার ফলে মাথার ত্বকের ছিদ্রগুলি খোলে, যার ফলে সমস্ত ময়লা দূর হয়। গ) চুলে স্টিম গ্রহণের ফলে রক্ত ​​সঞ্চালন ঠিক থাকে। এটি চুল বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে। ঘ) শুষ্ক চুল হাইড্রেট করার জন্য স্টিম অত্যন্ত কার্যকর। বাষ্প গ্রহণের ফলে মাথার ত্বকের কোলাজেন বৃদ্ধি পায়, যা চুলকে ভাল রাখে। ঙ) খুশকির সমস্যা দূর করতে সপ্তাহে একবার চুলে স্টিম দিন।

Source link