Tag Archives: health benefits

health benefits of ayurvedic gem triphala: শুধু রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নয়, জানুন ত্রিফলার আশ্চর্যগুণ – health benefits of ayurvedic gem triphala

হাইলাইটসসকালে ঘুম থেকে উঠে ত্রিফলা ভেজানো জল খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এমনিতেও বলা হয় যে ত্রিফলার মধ্যে রয়েছে হাজার গুণ। এই ত্রিফলার মধ্যে রয়েছে আমলকি, বিভিতকা এবং হরিতকি। প্রতিটি ফলের মধ্যেই আলাদা করে রয়েছে অনেক পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য গুণ। প্রতিরোধ ক্ষমতা সুদৃঢ় করতে ত্রিফলা কাজে লাগে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সকালে ঘুম থেকে উঠে ত্রিফলা ভেজানো জল খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এমনিতেও বলা হয় যে ত্রিফলার মধ্যে রয়েছে হাজার গুণ। এই ত্রিফলার মধ্যে রয়েছে আমলকি, বিভিতকা এবং হরিতকি। প্রতিটি ফলের মধ্যেই আলাদা করে রয়েছে অনেক পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য গুণ। প্রতিরোধ ক্ষমতা সুদৃঢ় করতে ত্রিফলা কাজে লাগে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা মতে ত্রিফলা সেবন হজমের জন্য খুব ভালো ফল দেয়। এটি একটি দুর্দান্ত অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ফলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই এর কাজ। বর্তমানে করোনাকালে এটা অনেক সহায়তা করতে পারে আমাদের। ত্রিফলা বাজারজাত একটি দ্রব্য। এটা পাউডার, জুস, ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়। ত্রিফলা সেবন হজম প্রক্রিয়া ছাড়াও বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর বিষয়ে আমাদের সহায়তা করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে ত্রিফালার নিয়মিত সেবন টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। একনজরে ত্রিফলা- র বিভিন্ন গুণহজমশক্তি ভালো রাখে- হজমশক্তি ভালো রাখতে কাজে লাগে এই ত্রিফলা। তাই সাতসকালে ত্রিফলা বা ত্রিফলা ভেজানো জল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরাও একথা বলে থাকেন।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সুদৃঢ় করতে-মানশরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে ত্রিফলা। The Indian Journal of Pharmaceutical Sciences- এর একটি প্রতিবেদনে এমনটা বলা হয়েছে। বিভিন্ন ইনফেকশনে সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে ত্রিফলা। অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করতে এবং বিভিন্ন অ্যালার্জির নিয়ন্ত্রণেও কাজে লাগে এই ফল।দাঁতের সু-স্বাস্থ্য বজায় রাখতে- দাঁতের সু-স্বাস্থ্য বজায় থাকে ত্রিফলার প্রভাবে। দাঁতের হলদে ছোপ দূর করা থেকে, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করা, মুখের দুর্গন্ধ দূর করা, দাঁট এবং মাড়ী শক্ত করতে দারুণ ভাবে কাজ দেয় ত্রিফলা। ২০১৬ পেরিওডন্টোলজির জার্নালে প্রকাশিত সমীক্ষা অনুসারে , ত্রিফলা দাঁতের ভাল স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ত্রিফলা ভেজানো জল দিয়ে মুখ ধুলে, মুখের গন্ধ ও নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে- অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে ত্রিফলা ভেজানো জল। কারণ ত্রিফলা খেলে মেটাবলিজমের হার ঠিক থাকে। শরীরে যাবতীয় দূষিত পদার্থও বের করে দেয় এই ত্রিফলা। শরীরের অতিরিক্ত ওজন কিছু দিনের মধ্যেই কমিয়ে ফেলতে পারে ত্রিফলা। এটি যেহেতু হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, সেহেতু ওজন কম করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শরীরের টক্সিন বের করতে সাহায্য করার পাশাপাশি গ্যাসট্রোইনটেস্টিনাল ট্র্যাক্ট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।এনহ্যান্স ভিশন-চোখের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে চাইলে প্রতিদিন ত্রিফলা ভেজানো জল খান।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

benefits of jamun seeds: ডায়াবিটিসের রক্ষা কবচ কালো জামের বীজ, কেমন করে ব্যবহার করবেন? জানুন … – health benefits of jamun seeds: you won’t throw away the seeds after reading this

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: জেট জীবনের ঘরে ঘরে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে ডায়াবিটিস। বয়সের কোনও বাছবিচার নেই। আট থেকে আশি, অনেকেই ভুগছেন এই রোগে। ডায়াবিটিসের সমস্যা থাকলে বাড়তে থাকে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি৷ সেই সঙ্গেই বাড়তে থাকে কিডনির সমস্যার সম্ভাবনাও৷ সুস্থ থাকতে তাই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি৷ চিকিত্সকের পরামর্শে তা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নিষ্কৃতি পাওয়া প্রায় অসম্ভব। ডায়াবেটিস মোকাবিলায় অব্যর্থ কালোজাম৷ এই গরমে প্রতিদিন কালোজাম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা৷ কালো জামে সুক্রোজ একেবারেই থাকে না৷ ফলে কালো জাম রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে৷ তবে কালোজামের শাঁসের থেকে অনেক বেশি উপকারি কালোজামের বীজ৷ এটি কিভাবে কাজ করে দেখে নিন…খাবারের স্টার্চকে ভেঙে দেয়ডায়াবিটিসে জাম বিশেষ উপকারী। জামের মধ্যে থাকা একটি বিশেষ উপাদান খাবারের স্টার্চকে ভেঙে দেয়। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক থাকে। সুগার রোগীদের ঘনঘন প্রস্রাব ও তৃষ্ণার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। কালোজামের বীজে থাকে জাম্বোলিন৷ যা স্টার্চ সুগারে পরিণত করতে সাহায্য করে৷ ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে কালোজাম৷ রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে তাই ডায়াবেটিকদের প্রতিদিন কালোজাম খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা৷ শুধু তাই নয়৷ ছোটবেলা থেকেই যদি নিয়মিত কালোজাম খাওয়া হয় তাহলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে৷রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করেডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে জামের বীজ খুবই উপকারী। ফল ও বীজ উভয়েই উপস্থিত জাম্বোলাইন ও জাম্বোসাইন নামক পদার্থ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। জামের বীজও রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। জাম খাওয়া উপকারী। বীজগুলো শুকিয়ে গুঁড়ো করে প্রত্যেকদিন খালি পেটে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়জামে থাকা পলিফেনল উপাদান ক্যানসার প্রতিরোধ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। নির্দিদ্ধায় একজন সুগার রুগী এই ফলটি খেতে পারেন। কালোজাম সুগার রুগীর রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। মূলত কালোজামের বীজকে গুঁড়ো করে দিনে একবার যদি হাফ চামচ খাওয়া যায় সেটি এই রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর।কিভাবে জামের বীজ ব্যবহার করবেন?জাম পরিষ্কার করে একটি পাত্রে রাখুন। ফল থেকে বীজ ছাড়িয়ে নিয়ে অন্য একটি কাচের জারে রেখে দিন। বীজগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন যাতে গায়ে শাঁস না লেগে থাকে। পরিষ্কার কাপড়ে বীজগুলো ছড়িয়ে ৩ থেকে ৪ দিন রোদে শুকোতে দিন। শুকিয়ে গেলে বাইরের খোসা ছাড়িয়ে ভিতরের সবুজ অংশ বার করুন। সবুজ অংশটি সহজেই আঙুলের চাপে ভাঙতে পারবেন। সবগুলি ভেঙে আরও কিছুদিন রোদ্রে শুকোতে দিন। এবার শুকনো বীজগুলো মিক্সিতে ভালো করে গুঁড়ো করে নিন। ভালো করে গুঁড়ো করার পর চালুনিতে চেলে নিন। তারপর জামের বীজের গুঁড়ো একটি বায়ু-নিরোধক কাচের জারে রেখে দিন এবং প্রয়োজন মতো ব্যবহার করুন। এক গ্লাস জলে এক চা-চামচ জামের বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে রোজ সকালে খালি পেটে পান করুন।

Source link

maha shivaratri 2021: মহাদেবের প্রিয় এই ফল, ডায়াবিটিস-সহ অন্যান্য রোগে ‘সঞ্জীবনীর’ মত কাজ করে! জানতেন… – maha shivaratri 2021: vrat bel patra and its fruit health benefits offered to shiv ji controls diabetes blood pressure

হাইলাইটসবেলপাতায় আছে ভিটামিন B1, B6 এবং B12, যা শরীরের সার্বিক বৃদ্ধির পক্ষে একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। আয়ুর্বেদে আমাদের শরীরের তিনটি দোষকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এরা হল বাত, পিত্ত এবং কফ। নিয়মিত বেলপাতার সেবন এই তিন দোষ থেকে শরীরকে মুক্তি দেয়। শীতের শেষ ও গরমের শুরু এই সময় আবহাওয়ার পরিবর্তন খুব তাড়াতাড়ি প্রভাব ফেলে শরীরে। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রীষ্মে এই পাতার রস পান করা খুব উপকারী। এটি কেবল শরীরকেই শীতল করে না, ভালো রাখে। বেল এমন একটি ফল, যা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। খুব কম লোকই আছেন এই ফল সম্পর্কে জানেন। বেল গাছ হিন্দু ধর্মগ্রন্থে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি শিবের প্রিয় গাছ হিসাবে পরিচিত। শিবের উপাসনা করার সময়, বেলপাতাই মূলত অর্পণ করা হয়।বেলপাতায় আছে ভিটামিন B1, B6 এবং B12, যা শরীরের সার্বিক বৃদ্ধির পক্ষে একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। আয়ুর্বেদে আমাদের শরীরের তিনটি দোষকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এরা হল বাত, পিত্ত এবং কফ। নিয়মিত বেলপাতার সেবন এই তিন দোষ থেকে শরীরকে মুক্তি দেয়। শীতের শেষ ও গরমের শুরু এই সময় আবহাওয়ার পরিবর্তন খুব তাড়াতাড়ি প্রভাব ফেলে শরীরে। ডায়াবিটিস, হাইপার টেনশন নিবারণ করে বেলপাতা। ভালো রাখে হার্ট। পাশাপাশি, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কাজে আসে। আসুন জেনে নিন বেল পাতা ও বেলের উপকারিতা…কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করেবেল কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এই ফলটি শরীর থেকে এএমএ টক্সিনগুলি সরিয়ে দেহকে ডিটক্সাইফাই করে। এটি ট্রাইগ্লিসারাইড, সিরাম এবং লিপিড প্রোফাইল নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক। এটি বিপাকের উন্নতি করে এবং ওজন হ্রাস করাও সহজ করে তোলে।হার্টের ঝুঁকি হ্রাস করেপ্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং কার্ডিও সুরক্ষায় দেওয়ায় বেল হৃৎপিণ্ডের জন্য খুব উপকারী। এটি কেবল হৃৎপিণ্ডের পেশীই মজবুত করে না, রক্ত কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতেও এটি পরিচিত। এটি হার্ট ব্লকস, হার্ট অ্যাটাক এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি হ্রাস করতে অনেক সাহায্য করে।স্যানিটারি ন্যাপকিনে লুকিয়ে ক্যানসার? কেনার সময় কোন কোন বিষয় মাথায় রাখবেন জানুন…ত্বকের জন্য উপকারীবেল ত্বকের অ্যালার্জি এবং ত্বকের ব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করা যায়। অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে, এই ফলটিতে ত্বকের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা বেশি । এটি ত্বকের ব্যাধি নিরাময় করে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো করে।কানের ব্যথায় উপশম করেআপনার কানে ব্যথা হলে এর পাতা খুব উপকারী। পাতায় উপস্থিত অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলি সংক্রমণের চিকিত্সা করতে এবং কানের হিমায়িত মোমটিকে সরাতে সহায়তা করে। এটি কেবল ব্যথা দূর করে না, শ্রবণশক্তি হ্রাসের সমস্যাও হ্রাস করে।ডায়রিয়া এবং কলেরার জন্য উপকারীবেল পাতা ডায়রিয়া ও কলেরার অবস্থায় খুব উপকারী। অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টিপ্যারাসিটিক বৈশিষ্ট্য ছাড়াও এর পাতা ট্যানিনের উপস্থিতি শিগেলোসিস নামক সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, রস হিসাবে পাকা পাতা সেবন করলে কলেরা এবং ডায়রিয়া পুরোপুরি নিরাময় হয়।ডায়াবেটিসে উপকারী বেলডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য বেল খুব উপকারী বলে জানা যায়। এতে উপস্থিত ‘ফেরোনিয়া গাম’ নামে উপাদানটি চিনি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। এটি কোষ থেকে রক্ত প্রবাহে ইনসুলিন উত্পাদন নিয়ন্ত্রণ করে। বেলের কম গ্লাইসেমিক সূচক রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখে।হজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেনিয়মিত বেলের পানা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমজনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে বেল হজমজনিত সমস্যার চিকিত্সার জন্য সেরা ফল। পেটের আলসারজনিত লোকদের প্রায়শই এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এক চিমটি নুন এবং গোলমরিচ দিয়ে নিয়মিত বেলের পানা খেলে দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন

Source link

health benefits of cinnamon tea: রোগ সারাতে ম্যাজিকের মত কাজ করে দারুচিনি চা, গুনাগুণ জানলে চমকে যাবেন আপনিও… – ceylon cinnamon tea health benefits and how to make it

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আমরা সবাই দারুচিনির সঙ্গে পরিচিত। এটি প্রায় প্রতিটি ভারতীয় রান্নাঘরে সহজেই পাওয়া যায়। এটি খাবারের দেওয়া হলে স্বাদ দ্বিগুণ হয়ে যায়। দারুচিনি অনেক রোগের জন্য সেরা ঘরোয়া প্রতিকার। তাই একে মশালার রানীও বলা হয়। এই সাধারণ মশলা সম্পর্কে আমরা সকলেই অনেক কিছু জানি, তবে খুব কম লোকই জানেন যে দারুচিনি এক নয়, বহু প্রকারের। সিলোন দারুচিনি (মেক্সিকান দারুচিনি), কোরান্তে দারুচিনি, ক্যাসিয়া দারুচিনি এবং সাইগন দারুচিনি।ক্যাসিয়া দারুচিনি সহজেই পাওয়া যায় তবে সিলোন দারুচিনি অন্যান্য প্রজাতি থেকে কিছুটা আলাদা। এটি দারুচিনি লরেল পরিবারের সদস্য। ওষুধ তৈরি করতে এর ছাল ব্যবহার করা হয়। এর বিশেষ আকৃতি, হালকা রঙ এবং উপাদেয় গন্ধ এটিকে অন্যান্য দারুচিনি থেকে আলাদা করে তোলে। এর আকারটি কোয়েল (পাতলা স্তর) এর মতো, তাই এটি এটি ভাঙ্গা বেশ সহজ। ভাল জিনিস হ’ল সিলোন দারুচিনিতে খুব কম পরিমাণে কুমারিন থাকে। এই প্রাকৃতিক উদ্ভিদটি রাসায়নিক, যা লিভারের ক্ষতির জন্য দায়ী। কেন সিলোন দারুচিনি আপনার জন্য উপকারী জানুন…দারুচিনি চা উপকারীআপনি নিশ্চয়ই অনেক লোক দারচিনি চা খেয়েছেন। বিভিন্ন রোগ এড়াতে এটি একটি ভালো ডিটক্স পানীয়, যা ওজন হ্রাস করতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞরা সকালে এটি খালি পেটে গ্রহণ করার পরামর্শ দেন। কেমন করে করবেন দারুচিনি চা? প্রথমে একটি প্যানে জল ঢালুন। দারুচিনি এবং কিছু তুলসী পাতা যোগ করুন। মাঝারি আঁচে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট ধরে জল সিদ্ধ করুন। প্যানটি ঢাকা দিয়ে দিন। অর্ধেক না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে জল ফোটাতে হবে। এবার কাপে জল ঢেলে স্বাদ অনুযায়ী লেবুর রস দিন। এর সঙ্গে একটু মধুও দিতে পারেন। এর পর পান করুন।গলস্টোন অপারেশন করিয়েছেন? কী কী নিয়ম মানলে দ্রুত সেরে উঠবেন, জানুন…ক্যাসিয়া বা সিলোন দারচিনিডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সিলোন দারচিনি একটি ভালো চিকিৎসা। এটি ইনসুলিন ক্রিয়াকলাপ উদ্দীপনা দ্বারা দেহে ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে। ইনসুলিন থেরাপির বিকল্প। ক্যানসার রোগে প্রতিকারএখন পর্যন্ত ক্যানসারের কোনও প্রতিকার নেই, সিলোন দারুচিনি ক্যানসার রোগীদের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ঘরোয়া প্রতিকার। এটিতে ক্যানসার-বিরোধী এনজাইমগুলির পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, অ্যান্টিআইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। এই গুণাবলী থাকা মানে আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টগুলি এনজাইমের ক্রিয়াকলাপ বাড়ায়, যা নির্দিষ্ট ধরণের ক্যানসার প্রতিরোধে ভালো নিরাময় হিসাবে প্রমাণিত হতে পারে।রক্তচাপ কমাতেপ্রতিটি জাতের দারুচিনিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যাসিড থাকে। গবেষণা অনুযায়ী সিলোন দারুচিনি গ্রহণ রক্তচাপ কমাতে উপকারী। এটি হার্টের সমস্যাগুলির জন্য সর্বোত্তম চিকিত্সা।দারুচিনি কোমরের মেদ গলাতে সাহায্য করেসিলোন দারুচিনি অনেক রোগের নিরাময়ের পীড়া। রোগা হতেও সাহায্য করে। তবে, এই দারুচিনি খাওয়ার আগ আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই খান।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

drinking hot milk: রাতে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধ, এক সপ্তাহ খেয়ে দেখুন! উপকার মিলবে… – health benefits of drinking hot milk everyday

হাইলাইটসদুধ নিজেই একটি সম্পূর্ণ খাদ্য হিসাবে বিবেচিত হয়। এতে থাকা প্রোটিন, ফ্যাট, ক্যালরি, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন D -২, B -12, পটাসিয়াম, ফসফরাস এবং সেলেনিয়াম জাতীয় পুষ্টিকর খাবারের গুণমানকে বাড়ায়। দুধটি যদি ঠান্ডার পরিবর্তে গরম খাওয়া হয় তবে এর বৈশিষ্ট্যগুলি আরও বেড়ে যায়।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক:দুধ নিজেই একটি সম্পূর্ণ খাদ্য হিসাবে বিবেচিত হয়। এতে থাকা প্রোটিন, ফ্যাট, ক্যালরি, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন D -২, B -12, পটাসিয়াম, ফসফরাস এবং সেলেনিয়াম জাতীয় পুষ্টিকর খাবারের গুণমানকে বাড়ায়। দুধ যদি ঠান্ডার পরিবর্তে গরম খাওয়া হয় তবে এর বৈশিষ্ট্যগুলি আরও বেড়ে যায়।গরম দুধ যে কোনও সময় খাওয়া হতে পারে। এটিকে স্বাদযুক্ত করতে আপনি এতে কিছু মশলা ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিটি কাপ উষ্ণ দুধে প্রায় ১২ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি থাকে, যা আপনার পেশী এবং মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করে। এছাড়াও ৮ গ্রাম সম্পূর্ণ প্রোটিন রয়েছে, এতে সমস্ত অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এটি আপনার পেশীগুলিকে শক্তি এবং শক্তি দেয়। শুধু তাই নয়, গরম দুধ পান করলে শরীরের শক্তিও বাড়বে। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক গরম দুধ পান করার আরও কিছু উপকারিতা …রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেরাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মিষ্টি ছাড়াই এক কাপ গরম দুধ পান করুন। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করবে। মূলত টাইপ -১ ডায়াবেটিস। যাদের রক্তে শর্করায় ওঠানামা রয়েছে তাদের অবশ্যই এই কাজটি করা উচিত।ভালো ঘুমাতে সহায়তা করবেউষ্ণ দুধ আপনার মন এবং শরীরকে শিথিল করতে সহায়তা করে। বিছানায় যাওয়ার আগে এক গ্লাস উষ্ণ দুধ সেবন করা ঘুমের গুণকে প্ররোচিত এবং উন্নতি করতে সহায়তা করে। এটি ট্রিপটোফেন নামক পদার্থের উপস্থিতির কারণে ঘটে।ওজন কমাতে সহায়তা করেএক গ্লাস গরম দুধ পান করা, বিশেষত শোয়ারসময়, পেট দীর্ঘকাল ভরা রাখে। এটি আপনাকে গভীর রাতে অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকিং এড়াতে সহায়তা করতে পারে যা ওজন বাড়ানোর জন্য কাজ করে।চা বা কফির আগে জল পান কিন্তু মাস্ট! জানুন কারণ…মহিলাদের হাড় মজবুত করেগরম দুধ পান করা দুধে পুষ্টি বাড়ায়। গরম করার প্রক্রিয়া দুধে উপস্থিত এনজাইমগুলিকে সক্রিয় করে এবং এগুলি শরীর দ্বারা আরও ভালোভাবে শোষিত হয়, যার ফলে হাড়ের ঘনত্ব উন্নত হয়। উষ্ণ দুধ পান করা হাড়-সংক্রান্ত রোগ যেমন অস্টিওপেনিয়া, অস্টিওপোরোসিস এবং ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি হ্রাস করে।দাঁত শক্ত করতে সাহায্য করেদাঁতের ক্ষয় এবং দুর্গন্ধের কারণে যদি আপনি সমস্যায় পড়ে থাকেন তবে প্রতিদিন গরম দুধ পান করলে সত্যিই সাহায্য করতে পারে। দুধ আপনার দাঁতকে শক্তিশালী করবে, দাঁতে ক্ষয়ে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করবে। দুধে বায়োঅ্যাকটিভ উপাদান রয়েছে, যা অণুজীবকে বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।কীভাবে গরম দুধকে সুস্বাদু করা যায়আপনি যখন এটি কিছু বিশেষ মশলা দিয়ে নিয়ে যান, এটি আরও প্রভাব বাড়িয়ে তুলবে। আপনার হজম সুস্থ রাখুন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলুন, তাই ২ চিমটি হলুদের সঙ্গে গরম দুধ পান করুন। দারুচিনি ও আদা এর মতো হলুদেও উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি প্রদাহ দূর করতেও সহায়তা করে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

yellow vegetables: সব ফল-সবজি নয়, রং-ভেদে বিশেষ কিছু খেলে সুস্থ থাকবেন গোটা বছর! জেনে নিন তালিকা… – the power of yellow fruits and vegetables for health

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ডায়েটে হলুদ রঙ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সব রঙের ফল এবং সবজিতে উপস্থিত পুষ্টিগুলি আপনার স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। তবে আজ আমরা বিশেষ করে হলুদ ফল এবং সবজির বৈশিষ্ট্যগুলি নিয়ে আলোচনা করব। আপনার ডায়েটে হলুদ ফল এবং শাকসবজি যেমন কুমড়া, লেবু, পেঁপে, কমলা, আমের, তরমুজ, ক্যাপসিকাম, কর্ন, আনারস ইত্যাদি যোগ করে আপনি কেবল আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারবেন না তবে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, ডায়াবেটিস এবং নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন অন্যান্য রোগ থেকে আপনি কি হলুদ জিনিস খেতে পারেন তা এখানে জানুন …আনারসআনারসে পটাসিয়াম এবং এনজাইমযুক্ত একটি ফল রয়েছে যা দেহের ফোলাভাব হ্রাস করে এবং ভিতরে ডিটক্সাইফাই করতে সহায়তা করে। এটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সহ লোড করা হয়, যার ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ফাইটিং প্রপার্টি রয়েছে, তাই অসুস্থ হওয়ার সময় এটি বিশেষত ভাল। এটি খেলে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, চোখের আলো বাড়ায় এবং ছানি প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়াও, ডায়েটে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি আমাদের ত্বকের মান উন্নত করে।কুমড়োএই সবজিতে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। এটি ক্যালরির পরিমাণ খুব কম। ডায়েট করা আপনার পক্ষে ভাল বলে বিবেচিত হয়। এটি ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকিও রোধ করে। কুমড়োতে এমন একটি পুষ্টি থাকে যা আমাদের চোখকে তীক্ষ্ণ রাখে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।হলুদ বেল পেপারহলুদ ক্যাপসিকামে সবুজ রঙের চেয়ে বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে। এগুলির মিষ্টি স্বাদও রয়েছে। মরিচে উচ্চ পরিমাণে ফোলেট হোমোসিস্টাইন স্তর নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে, হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়াও, হলুদ মরিচে সবুজ তুলনায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে।আমআম ভিটামিন-এ এর একটি স্টোরহাউজ এবং ত্বকে সুর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করে। এটিতে পলিফেনল রয়েছে, যা বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে রক্ষা করে। আমের কুইরেসটিন, ফিসেটিন, আইসোকেরিট্রিন, ইস্ট্রাগালিন, গ্যালিক অ্যাসিড এবং মিথাইল গ্যালেটের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলি আমাদের শরীরকে স্তন ক্যান্সার, পেটের ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার এবং লিউকেমিয়া থেকে রক্ষা করে।ডায়াবিটিসে মধু খাবেন নাকি খাবেন না? বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন, জানুন…লেবুলেবুতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এতে ভিটামিন-সি এবং সাইট্রিক অ্যাসিড প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। স্ক্রিনে প্রয়োগ করা হলে ত্বকের গ্লোস এবং ত্বকের দাগও দূর হয়। এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগগুলি রক্তে শর্করার মাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং ইনসুলিন প্রতিরোধের উন্নতি করে, যা টাইপ 2 ডায়াবেটিসের বিকাশের প্রধান দুটি কারণ।কলাএটি ভিটামিন এ, বি, সি, ই, জিঙ্ক, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের স্টোরহাউস। এটিতে অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে যা অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে। কলাতে উপস্থিত বি 6 এর উপস্থিতি দ্বারা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় থাকে। এটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা অকালকালীন বৃদ্ধির জন্য অক্সিজেন মুক্ত র‌্যাডিক্যালগুলির বৃদ্ধিকে বাধা দেয় এবং এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

jujube fruit: সরস্বতী পুজোর আগে বাজার ছেয়েছে এই ফলে, স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী টোপা কুল! জানতেন… – 7 health benefits of jujube fruit, you must know

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আগে সরস্বতী পুজো ছিল কুল খাওয়ার ছাড়পত্র। তার আগে মুখে তুললেই নির্ঘাৎ ফেল! এখন অবশ্য সেই বিশ্বাস বা ছেলেমানুষি সবটাই হারিয়েছে। যদিও এই লোকাচারের পিছনে। বসন্ত শুরু হওয়ার সময় থেকে পেটের রোগ, জ্বর, সর্দি-কাশির প্রকোপ বাড়ে। আর এই সময়েই কুলে পাক ধরে। তার আগে কাঁচা কুল খেলে পেট খারাপের সম্ভাবনা থাকে।এ ছাড়া কাঁচা কুলের মারাত্মক টক স্বাদ দাঁতকে একপ্রকার কষ্ট দেওয়া।এখন বাজারে বিক্রি হয় হাইব্রিড কুল। স্কুলগেটের বাইরে কুল লাল-হলুদ কাসুন্দি মাখিয়ে বিকতো দেদার। এখন ছোটরা ভুলেই গিয়েছে চুরি করে ঢিল ছুড়ে দেশি কুল পেরে, শিলনোড়ায় থেঁতো করে নুন-লঙ্কা মাখিয়ে খাওয়া। টক-মিষ্টি স্বাদের ছোট্ট এই ফল প্রায় সবারই খুব প্রিয়। তবে শুধু কাঁচা বা পাকা নয়। কুলের রয়েছে নানা রকমের উপকারিতা। ভিটামিন সি- টক-মিষ্টি স্বাদের ছোট্ট এই ফল কুল প্রায় সবারই খুব প্রিয়। তার সঙ্গে কুলের রয়েছে নানাবিধ উপকারিতা। কুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ফলে এটি সংক্রামক রোগ দূর করতে সহায্য করে। এর ফলে টনসিলাইটিস, ঠোঁটের কোণে ঘা, জিহ্বায় ঘা, ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দূর করে।জ্বর, সর্দি-কাশি দূর করে-মরসুমের বদল হওয়ার জন্য এই সময় জ্বর, সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। এই সমস্যা থেকে প্রতিরোধ করে কুল। এছাড়া স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করে। হজমশক্তিও উন্নত করতে সাহায্য করে এই ফল। শরীরে শক্তি জোগায়-কুলে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। কুল লিউকেমিয়া ও টিউমারের মতো মারণ রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। কুল শরীরে শক্তি জোগায় বলে অবসাদ কাটাতে সাহায্য করে। তাই যারা অবসাদে ভুগছেন, তাঁরা অবশই খান এই ফল।উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য উপকারী- উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কুল অত্যন্ত চমৎকার। এটি একটি রক্ত বিশুদ্ধকারক। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য টক বরই উপকারী ফল বলে পরামর্শ দিয় থাকেন। ডায়রিয়া,ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া, রক্তশূন্যতা, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি রোগ নিরাময়ে কাজ দেয় এই ফল।ফিট থাকতে ডায়েটে রাখুন শিলে বাটা চাটনি! শেখাচ্ছেন করিনা কাপুর খানের ডায়েটিশিয়ান রুজুতাফল বয়সের ছাপ পড়তে বাধা দেয়-কোষ্ঠকাঠিন্য-সহ অন্যান্য হজমজনিত সমস্যার সমাধান করে এই ফল। ত্বকের রুক্ষতা দূর করে ত্বককে কোমল করে। রোদে পোড়া ত্বক সুরক্ষার কাজেও কার্যকর করে টোপা কুল। কুল অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যার জন্য বয়সের ছাপ পড়তে বাধা দেয়।লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে-কুল ক্যানসাররোধী হিসেবে বলে মনে করেন চিকিৎসকরা করা হয়। এই ফলের রয়েছে ক্যানসার কোষ, টিউমার কোষ ও লিউকেমিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার অসাধারণ ক্ষমতা।পেটের সমস্যায় সমাধান-পেটের সমস্যায় সহজেই সমাধান করে কুল। এ ছাড়া ক্রমাগত মোটা হয়ে যাওয়া, পেটের সমস্যা, রক্তশূন্যতা, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি রোগ নিরাময়ে কুলের জুরি মেলা ভার।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

tomato ketchup: শুধু স্বাদে অসামান্য নয়, রোজ একটু করে খেতেই পারেন টমেটো কেচাপ! জানুন গুণাগুণ… – tomato ketchup nutrition facts and health benefits

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যে কোনও মজাদার স্পাইসি খাবার রান্না করার আগে দরকার পরে সস। সুস্বাদু রান্না করার সঙ্গে নিজেদের স্বাস্থ্যের চিন্তা করে মনের সুখে খাওয়া যেতেই পারে এই সস। টমেটো সস এমন এক খাবার যা আমরা সবাই কম বেশি সকলেই পছন্দ করি৷ যদিও বাজারচলতি যে সমস্ত সস পাওয়া যায় তার বেশির ভাগটাই ভেজাল থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ নয়। তবে, যে কোনও মজাদার স্পাইসি খাবারে একটু সস দিয়ে দিলেই স্বাদ হয়ে যায় দ্বিগুণ। আমেরিকাতে প্রথম টম্যাটো সস্ জনপ্রিয় হলেও বিষয়টির সূত্রপাত এশিয়ায়। চিনা নাবিকরা ‘কি-চুপ’ নামের একটি বিশেষ সস বানাতেন।আমেরিকাতে প্রথম টম্যাটো সস্ জনপ্রিয় হলেও বিষয়টির সূত্রপাত এশিয়ায়। চিনা নাবিকরা ‘কি-চুপ’ নামের একটি বিশেষ সস বানাতেন।তবে, শুধু স্বাদ নয় স্বাস্থ্যের জন্যও বিশেষ উপকারী এই কেচাপ। এক সময় এই সুস্বাদু টমেটো সস শুধুমাত্র ওষুধ হিসাবে ব্যবহার হত! জানেন? তবে, শুনে নিন গল্পটা, ১৮৩০ সাল নাগাদ টমেটো কেচাপ মূলত বিক্রি হত ডাইরিয়া, বদহজম, জন্ডিস ইত্যাদি অসুখের ওষুধ রূপে। পশ্চিমের এক প্রসিদ্ধ চিকিৎসক টমেটো কেচাপ কে ‘টমেটো পিলস’ নামক ওষুধের মোড়কে রোগীদের ব্যবহার করার উপদেশ দিতেন। এখন দেখে নিন এর কি গুণ রয়েছে…খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে- একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে টমেটো কেচাপে এমন গুণ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে হার্ট সতেজ ও চাঙ্গা থাকে।স্টেট ক্যানসারের ক্ষেত্রে উপকারি-বর্তমান সময়ের অন্যতম একটি সমস্যা ক্যানসার। আর এমন মারণ রোগের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দেয় টমেটো সস বা কেচাপ। প্রস্টেট ক্যানসারের ক্ষেত্রেও এটি সমান উপকারী।ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা নেই- টমেটো সসের মধ্যে কোনওরকম চর্বি জাতীয় উপাদান থাকে না। তাই এটি খেলে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা থাকে না। উলটে শরীরে ভিটামিন সি’র জোগান বাড়বে।ডালগোনা, চা বোমাকে পিছনে ফেলে ঝড়ের গতিতে ভাইরাল ‘Gay Burgers’! চেখে দেখবেন নাকি…রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়-এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় এই ক্ষমতা বাড়ানো খুব দরকার।ত্বকের জেল্লাও বাড়াতে- টমেটো খাওয়া শরীরের জন্য ভালো। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। পাশাপাশি ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।এ প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য, টমেটো সস খাওয়ার সময় ভুল করে অতিরিক্ত খেয়ে নেবেন না। এতে হিতের বিপরীতও হতে পারে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

bone broth or soup: দিনে এক বাটি গরমাগরম এই স্যুপ, কয়েক চুমুকেই চাঙ্গা হয়ে উঠবেন! – health benefits of bone broth or soup know how to make it

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে কমেছে তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বিগত ১০ বছরে এটাই শীতলতম ফেব্রুয়ারি। এই সময়ে দিনে হোক বা রাতে, আপনাকে আরাম দিতে পারে একমাত্র একবাটি ইষদুষ্ণ, হালকা স্যুপ। তা সে রকমারি সবজিরই হোক কিংবা মাশরুম বা চিকেন – কয়েক চুমুকেই চাঙ্গা হয়ে উঠবেন অনায়াসে। আর তার মধ্যে যদি বোন স্যুপ হয়, তাহলে তো কথাই নেই। বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে হাড়ের স্যুপ। হাড়ের এই স্যুপ তৈরি হয় প্রাণীর অস্থি ও তরুণাস্থি দিয়ে। হাড়ের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের মিনারেল থাকে এবং এর পাশাপাশি জেলাটিন ও কোলাজেন থাকে। এ কারণেই হাড়ের স্যুপের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর। এই স্যুপের অভ্যন্তরে থাকে প্রচুর পুষ্টি এবং খনিজ। যা আপনাকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এ ছাড়া হাড়ের স্যুপ ব্যবহারেও অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।প্রোটিন এবং ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়আপনাকে বলি যে, ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ছাড়াও হাড়ের স্যুপের অভ্যন্তরে রয়েছে আরও অনেক পুষ্টি উপাদান। এ ছাড়াও হাড় থেকে প্রস্তুত এই স্যুপে সংযোজক টিস্যু অর্থাৎ সংযুক্ত টিস্যু এবং কোলাজেন রয়েছে। কোলাজেন রান্নার পরে জেলটিনে রূপান্তরিত হয়। জেলটিন শরীরে অ্যামিনো অ্যাসিড সরবরাহ করে যা প্রোটিনের ঘাটতি মেটায়।আয়রন, দস্তা, ভিটামিনের সম্ভারবোন স্যুপের ভিতরে আপনার মধ্যে আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, ফ্যাটি অ্যাসিড, ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। এমন অনেক লোক আছেন যারা বিশ্বাস করেন যে এই সমস্ত উপাদানকে হজম করতে এবং হজম করার জন্য হাড়ের স্যুপ একটি ভাল বিকল্প। হাড়ের স্যুপ প্রস্তুত করতে আপনি যদি আরও কিছু শাকসবজি বা অন্যান্য উপাদান যুক্ত করেন তবে এটির পুষ্টি বৃদ্ধি পাবে।জয়েন্টে ব্যথায় উপকারীশরীরে ডিহাইড্রেশন হয়েগেলে চটজলদি নিরাময়ের কাজ করে। কারণ, এই স্যুপে থাকে প্রচুর পরিমানের পটাশিয়াম। এ ছাড়া ত্বকের বলিরেখা-সহ বিভিন্ন সমস্যা দুর করে এক নিমিষে। হাড়ের স্যুপের ভিতরে আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন A, ভিটামিন K, ফ্যাটি অ্যাসিড, ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। এমন অনেক লোক আছেন যারা বিশ্বাস করেন যে এই সমস্ত উপাদানকে হজম করতে এবং হজম করার জন্য হাড়ের স্যুপ একটি ভাল বিকল্প। হাড়ের স্যুপ প্রস্তুত করতে আপনি যদি আরও কিছু শাকসবজি বা অন্যান্য উপাদান যুক্ত করেন তবে এটির পুষ্টি বৃদ্ধি পাবে।অন্ত্রের সমস্যা থেকে নিষ্কৃতিআপনি যদি অন্ত্র সম্পর্কিত যে কোনও ধরণের রোগে ভুগছেন তবে হাড়ের স্যুপ আপনার পক্ষে উপকারী হতে পারে। এছাড়াও হাড়ের স্যুপের ভিতরেও অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায় যা আপনার হজমে উন্নতি করতে পারে। এছাড়াও গ্লুটামিন নামক একটি উপাদানও খুব উপকারী। ২০১৭ সালে, ক্লিনিকাল নিউট্রিশন এবং বিপাকীয় তার নিবন্ধে বলেছে যে হাড়ের স্যুপের ভিতরে থাকা গ্লুটামিনের মাধ্যমে কেবল মানুষই নয়, প্রাণীও অন্ত্র সম্পর্কিত সমস্যাগুলি সমাধান করতে সহায়তা করতে পারে। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বিশেষ উপকারী এই স্যুপ। গর্ভাবস্থায় মহিলাদের দরকার হয় প্রোটিনের। তা নিসন্দেহে পাওয়া যায় এই স্যুপটিতে। হার্টের সমস্যা থেকে নিষ্কৃতি দিতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই স্যুপ।ওজন কমাতে সাহায্য করেপেটের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে অনেক কিছুই করে থাকেন আপনি। এই অতিরিক্ত চর্বি কমাতে খেতে পারেন স্পেশাল স্যুপ। কম ক্যালরির স্যুপ পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। শীতের সময় এক বাটি গরম স্যুপ শরীর যেমন গরম করে, তেমনি মেটায় পুষ্টির চাহিদা। আর স্যুপ কম ক্যালরির হলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করে।

Source link

Sara Ali Khan: ছিপছিপে শরীরে বলিউডে ঝড় তুলছেন সারা, কীভাবে নিজেকে ফিট রাখেন সইফ-কন্যা? দেখুন VDO – sara ali khan aerial yoga video know what is aerial yoga and what are the health benefits

হাইলাইটসবয়সের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে টোনড করেছেন সারা আলি খান৷ টিন এজেও তিনি বেশ স্থুল ছিলেন৷ তারপর থেকে শুরু হয়েছে তাঁর ডায়েট৷ মা বাবার মতোই একসময়ে বলিউডে অভিনয় করার স্বপ্ন দেখতেন সইফ-অমৃতার কন্যা। মা অমৃতা সিংকে সে কথা জানিয়েওছিলেন কেদারনাথ-এর অভিনেত্রী।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে টোনড করেছেন সারা আলি খান৷ টিন এজেও তিনি বেশ স্থুল ছিলেন৷ তারপর থেকে শুরু হয়েছে তাঁর ডায়েট৷ মা বাবার মতোই একসময়ে বলিউডে অভিনয় করার স্বপ্ন দেখতেন সইফ-অমৃতার কন্যা। মা অমৃতা সিংকে সে কথা জানিয়েওছিলেন কেদারনাথ-এর অভিনেত্রী। আর সে কথা শোনা মাত্র প্রথমেই সারাকে ওজন কমানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন অমৃতা। সারা কিন্তু এমন ছিপছিপে ছিলেন না। ১০০ কেজির কাছাকাছি তাঁর ওজন ছিল। সেই ওজন কমিয়ে ছিপছিপে হতে অনেক কাল ঘাম ছুটেছে সারার। তবে সারা একা নন বলিউডের অর্জুন কাপুর, করিনা কাপুর, জারিন খান এরা সকলেই এক সময়ে বেশ মোটা ছিলেন। সেই সারা আলি খান এই ভিডিয়োতে শেয়ার করেছেন যে, নিজের শরীরকে ভালোবাসুন সবসময়, যে কোনও রূপে৷ কারণ সারার মতে শরীরের গঠন নয়, মনের জোরেই মানুষ এগিয়ে চলে ৷ আত্মবিশ্বাসই প্রয়োজন বিশ্বজয় করার জন্য ৷ তাই তো মোটা হন বা রোগা, সব সময় নিজেকে ভালোবাসাই, ভালো থাকার মূলমন্ত্র৷ শরীরকে ফিট রাখতে কী কী করতেন তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। কখনও নিজেই জিমে মন দিয়ে করছেন প্র্যাকটিস, কখনও বাড়িতেই ভাই ইব্রাহিমকে সঙ্গী করে চলছে ওয়ার্কআউট। সে সবই ধরে এই ভিডিয়ো ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নায়িকা। তিনি কিভাবে যোগা করেন? দেখুন… এরিয়েল যোগাকায়িক পরিশ্রম কম করে শরীর সুস্থ রাখার মোক্ষম উপায় যোগা। বায়ুর সঙ্গে যোগার সামঞ্জস্য রেখে এটি করতে হয়। তবে, এটি করার সময় দড়ির উভয় দিকটি ভালো করে বেঁধে নিতে হবে এবং গদিটি তার নীচে রাখুতে হবে যাতে কোনও আঘাত না লাগে। এই যোগা করতে হলে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। এই যোগে আপনি দোলার মতো দুলছেন। তবে, এটি শুরুতে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়ার চেষ্টা করুন, এটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ এবং সহায়তা ছাড়াই শুরু করবেন না।৪৭-এও সুন্দরী প্রীতি জিন্টা, কেমন করে রূপচর্চা করেন বলিউডের এই ডিম্পল কুইন? জানুন…লোকেরা এরিয়েল যোগাকে গ্রেটিভিটি বিরোধী যোগ হিসাবেও চেনে। এর কারণ হ’ল বাতাসে ঝুলিয়ে যোগ অনুশীলন করা হয়। এই জন্য একে এরিয়াল বা মহাকর্ষ বিরোধী যোগফল বলা হয়। এই যোগব্যায়ামটি করার জন্য প্রথমে তার উপরে একটি কাপড় বেঁধে দেওয়া হয় এবং তারপরে এটি শরীরে জড়িয়ে দেওয়া হয়। নিয়মিত বায়ু যোগ করার ফলে অনেকগুলি স্বাস্থ্য উপকার হয়, তবে এটি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে করার পরামর্শ দেওয়া হয়।কী কী উপকার পাওয়া যায়এই যোগব্যায়াম করলে পিঠে ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী হয়।স্নায়ুর পক্ষে উপকারী।এই যোগব্যায়াম ওজন কমাতে সহায়তা করে।ওজন কমানোর পাশপাশি দেহ টনড হয় এবং দেহের সৌন্দর্য বাড়ায়।এই যোগব্যায়াম করার মাধ্যমে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা সঠিক থাকে এবং রক্ত প্রবাহও সঠিক থাকে।বায়ু যোগব্যায়াম হতাশা, স্ট্রেস এবং টেনশন কমাতে খুবই সহায়ক।পেশীও শক্তিশালী করে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link