Tag Archives: health benefits

mustard oil: সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর ত্বকের গোপন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে সরষের তেলে, জানেন কি? – 7 promising benefits of mustard oil for skin, hair, and health

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সরষের তেল তো শুধু রান্নাতেই নয়, আরও কাজে আসে বাঙালির জীবনে। রাঁধাবাড়া, ত্বকের যত্ন, ঘর আলোকিত করা- সবেতেই সরষের তেলের অপার মহিমা! এতই তার সুখ্যাতি যে লোকে চুরি করেও নিয়ে যায়! বিশেষ করে শীতের দিনে!কেন না, রূপচর্চায় সরষের তেল যত কাজে আসে, তেমনটা আর কিছু দিয়েই হয় না! শরীরকে ভিতর থেকে যেমন, বাইরে থেকেও তেমন পুষ্টি জোগায় সরষের তেল। তাই এই শীতে যদি সুন্দর থাকতে হয়, কী ভাবে কাজে লাগাতে হবে সরষের তেলকে?উত্তর ভারতের প্রায় সব ঘরেই রান্না হয় সরষের তেলে। মাছ ভাজা থেকে কষা মাংস, সরষের তেল না হলে ঠিক যেন রান্নার স্বাদ ওঠে না। তবে সরষের তেলের জাদু শুধু রান্নাঘরেই আটকে নেই। সরষের তেল আপনার ত্বক ও চুলের জন্যও যথেষ্ট উপকারী। এমনকী আপনার দাঁত ঝকঝক করতেও সরষের তেলের জুড়ি মেলা ভার। মেক-আপ তুলতে সরষের তেল দারুণ উপকারী। দেখে নিন সেগুলি কী কী-শুকনো ত্বকের হাতিয়ারঅলিভ অয়েল নয়, এই শীতে হাতে তুলে নিন সরষের তেলের বাটি। স্নানের আধঘণ্টা আগে সারা গায়ে ভাল করে তেল মাসাজ করুন। দেখবেন, দিনে দিনে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ছে। পাশাপাশি, এই শীতে ত্বক থাকবে তরতাজাও। কোথাও যাওয়ার আগে হালকা করে এক-দু ফোঁটা সরষের তেল যদি মুখে মেখে, তার পরে সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে নেন, দেখবেন তা ফেসিয়ালের কাজ করছে। সরষের তেল আমাদের ঠান্ডার সমস্যাতেও কাজে লাগে। সামান্য রসুন বাটা দিয়ে সরষের তেল মিশিয়ে বুকে ও পিঠে মালিশ করলে আরাম লাগবে। এ ছাড়া স্টিমিং পদ্ধতিতে গরম জলের সঙ্গে সরষের তেলের ঝাঁঝ নিলেও সর্দি-কাশি থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া যায়।রূপটানের আগেমেক-আপকে যদি নিখুঁত করতে চান, তবে আগে মুখে একটু সরষের তেল মাসাজ করে নিন। তার পর তা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলে মেক-আপ শুরু করুন। এতে ত্বক নরম, কোমল হয়ে থাকবে। ফাউন্ডেশনও বসবে সুন্দর ভাবে। ব্রণ, ফুসকুড়ি হলে রোজ কয়েক ফোঁটা সরষের তেল নিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাল্কা ম্যাসেজ করুন। এরফলে ত্বক ভালো থাকবে ও ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়বে। রোজ মুখে সরষের তেল ম্যাসেজ করলে ট্যান কমবে। কালো ছোপ দূর হবে। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন সরষের তেলে বেসন বা ময়দা, এক চা-চামচ দই ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সরষের তেল ন্যাচারাল ক্লিনসার হিসেবে কাজ করে। মেক-আপ তুলতে সরষের তেল দারুণ উপকারী। শীতে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়? চামড়া খসখস করে। তাহলে অতি অবশ্যই মুখে ও সারা শরীরে স্নানের আগে ভালো করে সরষের তেল মাখুন। কয়েক মিনিট রেখে স্নান করুন।সরষের তেলতেলে চুল তাজাচুল শনের মতো শুকনো? কোনও চাপ নেই! ভরসা ওই সরষের তেল! নিয়মিত ভাবে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি ব্রহ্মতালুতে সরষের তেল মাসাজ করেন এবং পরের দিন সকালে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নেন, তবে চুল নরম থাকবে। হবে চকচকেও। পাশাপাশি, খুসকির মতো সমস্যাও দূর হবে যা শীতকালে বেশি করে জাঁকিয়ে বসে। হেয়ার স্টাইলিংয়ের জন্য কোনও কেমিক্যাল প্রোডাক্ট লাগিয়েছেন। চুলকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে হলে মাথায় গরম সরষের তেল ম্যাসেজ করুন। চুলের রুক্ষতা দূর হবে। আবার সরষের তেলের সঙ্গে মেথি ও জবা ফুলের পাপড়ি একসঙ্গে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে নিন। পরে সেই তেল দিয়ে চুল মাসাজ করলে চুলের রুক্ষ ভাব কেটে গিয়ে যেমন নরম হবে, তেমনই চুল হবে উজ্জ্বল। একই ভাবে খুসকি ও স্কাল্পের চুলকানি কমাতে সরষের তেল উপকারী। সরষের তেল ও নারকেল তেল সম পরিমাণে মিশিয়ে চুলে মাসাজ করতে হবে। তোয়ালে দিয়ে চুল মুড়ে অন্তত দু’ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। শেষে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এ ভাবে সপ্তাহে কয়েক বার সরষের তেল ব্যবহার করলেই খুসকি কমে যাবে।ঠোঁটের যত্ন নিনশীতের শুকনো, ফাটা ঠোঁটের যত্ন নিতে সরষের তেলের জুড়ি মেলা ভার! রোজ রাতে ঘুমাতো যাওয়ার আগে যদি নাভিতে একটু সরষের তেল দেন, দেখবেন ঠোঁট থাকছে আগের চেয়েও বেশি নরম! পাশাপাশি, শীতের ফাটা গোড়ালিকে সুন্দর চেহারায় ফিরিয়ে আনতেও সরষের তেলের মাসাজের বিকল্প নেই!আরও পড়ুন: তুলনায় কি নিরাপদ শিশুরা? COVID-19 নিয়ে কী বলছে নয়া গবেষণা, জানুন…ফর্সা রঙের চাবিকাঠিসরষের তেলের নিয়মিত মাসাজ এমনিতেই গায়ের রং উজ্জ্বল করে! পাশাপাশি আরও একটু যত্ন নিতে চাইলে বেসন, দই, কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস আর কয়েক ফোঁটা সরষের তেল মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরি করুন। কিছুক্ষণ তা ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। মুখে বা সারা শরীরেই। আধ ঘণ্টা মতো বাদে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে দেখবেন, রং ফর্সা হতে শুরু করেছে।দাঁত ঝকঝকসরষের তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস ও এক চিমটে নুন মিশিয়ে দাঁত মাজুন। দাঁত ঝকঝক করবে। দাঁতের যন্ত্রণা, হলদে ভাব কাটিয়ে সাদা রং ফিরিয়ে আনতে আধ চামচ সরষের তেল, এক চামচ হলুদ ও আধ চামচ নুন মিশিয়ে দাঁতে ঘষুন। রেহাই পাবেন দাঁতের সমস্যা থেকে।ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়সরষের তেলে ভাল পরিমাণে মোনোস্যাচিউরেটেড ও পলিআনস্যাচিউরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা থ্রি ও সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। ফলে ইসকেমিক হার্ট ডিসিজ হওয়ার প্রবণতা কমে যায় প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ। সরষের তেল শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল লেভেল কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে কার্ডিয়ো ভাস্কুলার ডিসিজের প্রবণতাও কমে। প্রাকৃতিক উদ্দীপক হওয়ার জন্য সরষের তেল খিদে বাড়ানো ও দ্রুত হজমে সাহায্য করে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Chilli: কাঁচা লঙ্কা দেখলেই আঁতকে ওঠেন? ঝালই বাড়াবে আপনার আয়ু, বলছে সমীক্ষা! – hate spicy food? eating chilli peppers can keep you alive longer

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ঝালের ভয়? লঙ্কা দেখলেই আঁতকে ওঠেন? ভয় ছেড়ে নিয়মিত খান ঝাল কাঁচালঙ্কা। ক্যানসার থেকে ডায়াবেটিস। ব্যথা থেকে জীবাণু সংক্রমণ। এক কামড়েই ম্যাজিক। অব্যর্থ লঙ্কার গুণ।কাঁচা লাল লঙ্কা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। তাই একে বলে শরীরের সুরক্ষাকর্মী। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরুষদের বেশি কাঁচা লঙ্কা খাওয়া উচিত। কারণ, পুরুষরাই বেশি প্রস্টেট ক্যানসারে ভোগেন। প্রস্টেট ক্যানসারের যম কাঁচা লঙ্কা। যাঁরা নিয়মিত ধূমপান করেন, তাঁদের বেশি করে কাঁচা লঙ্কা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কাঁচা লঙ্কার রয়েছে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক ক্ষমতা। ফুসফুসকে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে। লাং ক্যানসারের সম্ভাবনা কমায় কাঁচা লঙ্কা। গবেষণা বলছে, যাঁরা লাল লঙ্কা খান, তাঁদের শরীরে এই ধরনের রোগের সম্ভাবনা কমে যায়।গবেষকরা জানাচ্ছেন, লঙ্কার ক্যাপসাইসিনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান খাবারে স্পাইসি ফ্লেভার অ্যাড করে। আর এই অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানই শরীরে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে। এটি শরীরের মধ্যে থাকা কোনও টিউমারের বৃদ্ধি রোধ করে। এর পাশাপাশি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। বিষয়টি সুনিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রায় ৫,৭০,০০০ জন মানুষের স্বাস্থ্য ও ডায়েটসংক্রান্ত একাধিক দিক খতিয়ে দেখা হয়। চলে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষাও। আর সেই গবেষণা থেকেই জানা গিয়েছে যে, যথাযথ পরিমাণ লাল লঙ্কার একটা গুরুত্ব রয়েছে শরীরে। কাঁচা লঙ্কাএকজন সুস্থ মানুষের দিনে ঠিক কতটা পরিমাণ লাল লঙ্কা খাওয়া দরকার। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে এই বিষয়টি সম্পর্কে জল্পনা আরও কয়েক ধাপ বাড়িয়েছে। প্রতিবেদন সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণত এই ধরনের সবজি খুব একটা খান না ব্রিটিশরা, তবে এই লকডাউনে তাঁদের লঙ্কা খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। বেশিরভাগ মানুষজনই এই সময়টায় বাড়িতে রান্না করছেন। খাবার নিয়ে নানা ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করছেন। চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই লকডাউন পিরিয়ড নিজেদের ডায়েট বা খাদ্যতালিকাকে আরও সমৃদ্ধ করা, লঙ্কা বা অন্যান্য কার্যকরী ও পুষ্টিকর সবজি খাওয়ার উপযুক্ত সময়।কাঁচা লঙ্কাকাঁচা লাল লঙ্কায় ভরপুর ভিটামিন সি ও বেটা ক্যারোটিন। জিরো ক্যালোরি কাঁচা লঙ্কা। ওজন কমায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ত্বক ও চোখকে সুস্থ রাখে। রক্তে চিনি বা ব্লাড সুগার কমাতে সাহায্য করে। কাঁচা লঙ্কায় রয়েছে প্রচুর ফাইবার। খাবার হজম করতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কে এন্ডরফিন ক্ষরণ হয়। যা মুড ভাল রাখে। ব্যথা কমায়। বন্ধ নাক খুলে যায়। সর্দি বা সাইনাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। অধিকাংশ ভারতীয় মহিলা লোহার অভাবজনিত সমস্যায় ভোগেন। তাঁদের জন্য কাঁচা লঙ্কা খুব উপকারি। কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর প্রাকৃতিক লোহা।কাঁচা লঙ্কার রয়েছে প্রচুর ভিটামিন কে। ফলে, অস্টিওপোরোসিসের সম্ভাবনা কমায়। কেটে গেলে প্রচুর রক্তক্ষরণও হয় না।আরও পড়ুন: বাড়তি মেদ ঝরাতে চান? সুস্থ থেকে ওজন কমাতে ভরসা রাখুন এই খাবারে!গবেষকরা জানাচ্ছেন, কাঁচা লঙ্কা, শুকনো লঙ্কা এমনকি গোলমরিচ খাবারে ফ্লেভার বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরে নুনের চাহিদাও কমায়। প্রচুর পরিমাণে নুন খেলে ব্লাড প্রেসার বা হৃদরোগের সমস্যা হয়। এ ক্ষেত্রে লাল লঙ্কা বা অন্য যে কোনও লঙ্কা কিন্তু নুনের চাহিদা কমিয়ে রোগের সম্ভাবনা কমায়। তবে চিলি স্যস বা এই জাতীয় প্যাকেটজাত মশলা থেকে দূরে থাকতে হবে। কারণ এগুলিতে উচ্চমাত্রায় সোডিয়াম থাকে। যা শরীরের ক্ষতি করতে পারে। এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ওহিয়োর ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বো জু। তিনিও একই কথা জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, নিয়মিত পরিমিত মাত্রায় লাল লঙ্কা খেলে হৃদরোগ, ক্যানসার-সহ একাধিক রোগের ঝুঁকি কমে যায়। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজন মতো লঙ্কা খাওয়া যেতে পারে। তাতে শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির চাহিদা পূরণ হবে ও শরীর ভালো থাকবে। এই সমীক্ষার মাধ্যমে শুধুমাত্র লঙ্কার ভালো গুণকে তুলে ধরা হয়েছে। তার মানে এটা নয়, যে বেশি পরিমাণে লঙ্কা খেলে মৃত্যুর হার কমে যাবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

health benifit of apple: মাইগ্রেন সারিয়ে তোলে, দাঁতও সুস্থ রাখে! সুস্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী আপেল? জানুন… – this is how apple helps to relieve migraine know other benefits

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সভ্যতার শুরু থেকে মানুষের সঙ্গে যে ফলটির সম্পর্ক তা হল আপেল (apple)। আপনি আদম আর ইভের গল্প তো নিশ্চয়ই জানেন। আপেলে কামড় বসিয়ে তো সম্পর্কের শুরু। শুরু মনুষ্য জাতির। অন্তত ইতিহাস তো তেমন কথাই বলে। এমন একটি ফলকে অযথা হেলাফেলা করা চলে না। বড় যত্নে রাখতে হয়। তাই তো? টুকটুকে লাল হোক বা হালকা হলুদ, কখনও গায়ে লেগে থাকে সবুজের আভা। যেমনই হোক না কেন, আপেল শরীরের (Health) উপকারে লাগে। আপেলে থাকে প্রচুর ফাইবার, যা হজমে সাহায্য করে। রোজ আপেল খেলে ক্যানসারের আশঙ্কা কমে। পাশাপাশি নিয়মিত আপেল খেয়ে টাইপ ২ ডায়াবিটিসের আশঙ্কা কমে যায়। আপেল মূলত তার মিষ্টি স্বাদের জন্য জনপ্রিয়। সারা পৃথিবীব্যাপী আপেলের চাষ হয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশি চাষ হয় জেনাস ম্যলুস প্রজাতির আপেল। মধ্য এশিয়াকে আপেলের উৎপত্তিস্থল মনে করা হয়। এখন দেখে নিন কী কী উপকারে লাগে…মাইগ্রেনের সমস্যা মাইগ্রেনে যাঁরা ভুগছেন তাঁরা রোজ সকালে একটা করে আপেল খালি পেটে খেয়ে দেখুন। চাঁদনি রাতে আপেল কেটে বাইরে রাখুন। সকালে খেয়ে নিন। এতে মাইগ্রেন, মাথা ধরার মত নানা রোগ সেরে যায়। আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এর মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরের যে কোনও রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। আপেলের প্রায় ৭৫০০ টির বেশি পরিচিত জাত রয়েছে। মনে করা হয়, যে সমস্ত উদ্ভিদ সর্বপ্রথম চাষের আওতায় আসে, আপেল তাদের মধ্যে অন্যতম এবং হাজার বছর ধরে নির্বাচনের মাধ্যমে এর মান উন্নত হয়ে আসছে। ধরা হয় আলেকজাণ্ডার দি গ্রেট সর্বপ্রথম ৩২৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে কাজাখস্তানে খাটো প্রজাতির আপেল খুঁজে পান যেসব তিনি মেসিডোনিয়াতে নিয়ে যান।নার্ভের কার্যক্ষমতা বাড়ায়আপেলের মধ্যে রয়েছে বি কমপ্লেক্স ভিটামিন। এই ভিটামিনের কাজ হল শরীরে লোহিত রক্ত কণিকা সৃষ্টি করা। শরীরের নার্ভের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এই ভিটামিন। সব মিলিয়ে শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে। আপেলে প্রচুর আয়রন। তাই কেটে রাখলে কালো হয়ে যায়। যাঁরা অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন তাঁরা যদি রোজ আপেলের রস খান তবে উপকার পাবেন। আপেল সম্পর্কে একটা প্রবাদ আছে যে দিনে একটি আপেল খান, রোগ মুক্ত জীবন পান। লাল আপেলের চেয়ে সবুজ আপেলের গুণ বেশি। সবুজ আপেল লাল আপেলের মতো তেমন স্বাদযুক্ত না হলেও এই আপেলের রয়েছে অনেক উপকারিতা।কাশি হলেআপেলের রসে অল্প মিছরি আর গোল মরিচ মিশিয়ে রোজ খান। আর কাশি হবে না।চোখ ফুললে, লাল হলে বা কোনও সংক্রমণ হলে কাঁচা আপেল আগুনে রোস্ট করে তা থুপে থুপে চোখে লাগান। এতে অ্যালার্জি ও চোখের সমস্যা কমে যায়। বয়স বাড়লে মস্তিষ্কে নানা ধরনের সমস্যা হয়। এ জন্য আপেল খান। আবার দাঁত সুস্থ রাখতেও আপেল সাহায্য করে।আপেলে প্রচুর ফাইবার, তা হজমে সাহায্য করে।রোজ আপেল খেলে ক্যানসারের আশঙ্কা কমে। পাশাপাশি নিয়মিত আপেল খেয়ে টাইপ ২ ডায়াবিটিসের আশঙ্কা কমে যায়।দাঁত সুস্থ রাখেদাঁত ভালো রাখে আপেল। আপেলের রস আপনার দাঁতের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ফলে দাঁত ভালো থাকে এবং দাঁত শক্ত ও মজবুত করে থাকে। সবুজ আপেলে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে বোরন যা হাড়কে শক্ত রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত আপেল খেলে শরীরের হাড় শক্ত এবং মজবুত হয়। আপেলে আছে প্রচুর পরিমাণে ফ্লেভনয়েড ও পলিফেনল যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর প্রধান উপাদান । আর এই উপাদান দুটি আমাদের শরীরের DNA এর ক্ষতি রোধ করে এবং ক্যানসারও রোধ করতে সাহায্য করে থাকে।হার্ট ভালো রাখেআপেল খেলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা কমে। আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে তা রক্তে কোলোস্টরলের মাত্রা কমায়। ব্লাড প্রেশার কমে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পরিমাণ মতো আপেল খেলে ২০ শতাংশ স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে। ২৫ গ্রাম আপেল অর্থাৎ চার থেকে পাঁচ টুকরো আপেল প্রতিদিন খেলে ৯ শতাংশ স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে। আমাদের শরীরে মাসেল টোন করতে সাহায্য করে ও ওজন কমায়। এমনকি Gastric এর সমস্যা দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।ওবেসিটিআপনার অথবা আপনার কোনও পরিচিতর ওবিসিটির সমস্যা থাকলে তাকে আজ থেকেই প্রতিদিন একটা করে আপেল খাওয়ার পরামর্শ দিন। কারণ আপেলে ফ্যাট বাড়ে, অনেকের এই ভুল ধারণা রয়েছে। আসলে আপেল ওবিসিটি কমাতে সাহায্য করে। আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আর জল থাকে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে লাঞ্চের আগে একটা গোটা আপেল খেলে পেট অনেক ভর্তি লাগে। আপেলের জুস খেলে কিন্তু এটা হবে না। আবার দিনের প্রথম খাওয়াটাও আপেল দিয়ে শুরু করতে পারেন। তাতেও ঢের উপকার। প্রায় ৫০ জন ওভারওয়েট মহিলার ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গিয়েছে আপেল খেয়ে ১০ সপ্তাহে ১ কেজির বেশি ওজন কমেছে। একই ক্যালোরি এবং ফাইবার যুক্ত অন্য খাবার খেয়ে যা হয়নি।

Source link

Health benefits of thankuni leaves: কীভাবে ও কেন খাবেন থানকুনি পাতা? উপকারিতা জেনে নিন – everything you need to know about gotu kola (thankuni leaves)

হাইলাইটসপ্রাচীন আর্য়ুবেদ শাস্ত্রেও এই পাতার প্রচুর গুণাগুণ বর্ণিত রয়েছে। অনেক ওষুধও তৈরি হত এই পাতার রস থেকে। কিন্তু এখন এই পাতার দেখা আর প্রায় পাওয়াই যায় নাএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: আজ থেকে কয়েক বছর আগেও গ্রামের সব বাড়িতেই থাকত থানকুনি পাতার গাছ। পরবর্তীতে শহরতলির বেশ কিছু বাড়িতেও লাগানো হত এই গাছ। কারোর হাত কিংবা পা কেটে গেলে বা পেটের কোনও সমস্যা হলেই খোঁজ পড়ত থানকুনি পাতার। কোনও একটা ঘর থেকে নিশ্চিত পাওয়া যেতই। এমনকী প্রাচীন আর্য়ুবেদ শাস্ত্রেও এই পাতার প্রচুর গুণাগুণ বর্ণিত রয়েছে। অনেক ওষুধও তৈরি হত এই পাতার রস থেকে। কিন্তু এখন এই পাতার দেখা আর প্রায় পাওয়াই যায় না। এমনকী এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা থানকুনি পাতা চেনেও না। কিন্তু শরীরকে নানা দিক দিয়ে সুস্থ রাখতে এই পাতার জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিন এই পাতার রস খেতে পারলে অন্যরকম কোনও চিন্তা থাকবেই না। তবে শুধু আমাদের দেশেই নয়,খ্রিস্টপূর্ব ১৭ শতক থেকেই আফ্রিকা, জাভা, সুমাত্রাতেও ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই পাতা। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এই পাতা বাটা খুবই উপকারী। দেখে নিন (Gotu Kola) থানকুনি পাতার উপকারিতা। নিয়মিত থানকুনি পাতা খেতে পারলে তার উপকারিতা অনেক। কারণ প্রাকৃতুক এই সব উপাদানের কোনও বিকল্প হয় না। ক্ষত নিরাময়ে- খেলতে গিয়ে কোনও ভাবে চোট পেলে কিংবা যদি হাত কেটে যায়, দ্রুত রক্তপাত বন্ধ করতে থানকুনি পাতার কোনও জুড়ি নেই। থানকুনি পাতা বেটে কাটা জায়গায় লাগালে ব্যথা কম হবে আর রক্ত পড়াও বন্ধ হয়ে যাবে। এমনকী ক্ষত থেকে সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকে না। শরীরে রক্ত প্রবাহ ঠিক থাকে- অনেকের থ্রম্বোসিসের সমস্যা থাকে। এছাড়াও অনেকের দেহেই অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে রক্তপ্রবাহে সমস্যা হয়। থানকুনি পাতার রস খেলে রক্ত শুদ্ধ থাকে। ফলে শরীরের প্রতি কোশে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যায়। ফলে অনেক সমস্যার উপশম হয়। হাত ফুলে যাওয়া, পা ফুলে যাওয়া এসব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। রক্ত জমাট বেঁধে যায় না- থানকুনি পাতার মধ্যে থাকে নানা রকম খনিজ উপাদান, যা তাড়াতাড়ি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। যে কারণে অনেক জটিল রোগ থেকে খুব দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে দেওয়া একদম উচিত নয়। কারণ এর ফলে হার্ট, কিডনি ও মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়। অন্য অঙ্গও কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। তাই এই বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল করে রাখবেন। আরও পড়ুনউৎসবের মরশুমে মশলাদার খাবার খেয়ে অস্বস্তি? দেখে নিন কী করবেনশরীরের ভেতরের জ্বালা কমায়- কোনও কারণে শরীরের ভেতরে কোনও ক্ষত হলে নানা রকম সমস্যা হয়। জ্বর, ক্লান্তি এসব আসতেই পারে। এর সঙ্গে শরীরের অন্যান্য অঙ্গেরও ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এমনকী খিদে কমে যাওয়া, পেশির ব্যথা এগুলোও থাকে। থানকুনি পাতার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান। যার ফলে খুব তাড়াতাড়ি জ্বালা, যন্ত্রণা কমে যায়। এছাড়াও ক্লান্তি ভাব দূর হয়। সেই সঙ্গে অনেক রকম ইনফেকশন থেকেও দূরে রাখে। অলসারের নিরাময়ে- পেটের যে কোনও রোগে থানকুনি পাতা খুব ভালো। আমাশয় থেকে আলসার সেরে যায় এই পাতার গুণেই। আর নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। ক্রনিক আমাশয়ের ক্ষেত্রে খুবই ভালো থানকুনি পাতা। মানসিক অবসাদ কমায়- যাঁরা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের জন্য খুব ভালো থানকুনি পাতার রস। থানকুনি স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে মানসিক চাপ আর অস্থিরতা দুই কমে। এর ফলে অ্যাংজাইটির আশঙ্কাও কমে যায়। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে- নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পেন্টাসাক্লিক ট্রিটারপেনস নামের একটি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যে কারণে ব্রেনসেল ভালোভাবে কাজ করতে পারে। স্মৃতিশক্তির উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে বুদ্ধির ধারও বাড়ে চোখে পড়ার মতো। এই কারণেই তো ছোট বাচ্চাদের থানকুনি পাতার রস (Centella Asiatica) খাওয়ানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকী অ্যালঝাইমার্সের ওষুধও তৈরি হয় এই পাতার রস থেকেই। ঘুমের সমস্যা- ঘুম হয় না? রাতের পর রাত জেগে কাটান? তাহলে প্রতিদিন সকালে উঠে থানকুনি পাতা ভেজানো জল খান। স্নায়ু শিথিল হবে। ঘুম আসবেই। ডিটক্সিফিকেশন- গাজর কিংবা পাতিলেবুর রস শরীরের ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। কিন্তু থানকুনি পাতা যে খুব ভালো ডিটক্সিফিকেশন করে তা কি জানতেন? প্রতিদিন থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে এক চামচ মধু, মিশিয়ে খান। যাবতীয় টক্সিন বেরিয়ে যাবে। শরীর থাকবে ফুরফুরে। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Healthy Weight Loss Diet: Healthy Diet: সকালে খালি পেটে এক মুঠো ছোলাই হোক আপনার পরিবারের শক্তি! – Health Benefits Of Eating Raw Gram In The Morning

হাইলাইটসকাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে। উচ্চমাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ছোলা।এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে। উচ্চমাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা (raw gram) ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান (Healthy Diet) বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে লড়াই করে। ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে।উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা । কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা (raw gram) ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে লড়াই করে। জেনে নিন ছোলার (raw gram) কিছু স্বাস্থ্যগুণ-কাঁচা ছোলা১. ডাল হিসেবে: ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমত্‍কার উত্‍স। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।২. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: অস্ট্রেলিয়ার গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আঁশ, পটাসিয়াম, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায় হৃদরোগ থেকে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯% কমে যায়।৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে: আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে।৪. রক্ত চলাচল: অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ।৫. ক্যানসার রোধে: কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যানসার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়।আর তা্ই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্হ থাকুন।৬. হাড় মজবুত: রমজান মাসে ইফতারের সময় জনপ্রিয় খাবার হলো ছোলা। আমাদের দেশে ছোলার ডাল নানাভাবে খাওয়া হয়। দেহকে করে দৃঢ়, শক্তিশালী, হাড়কে করে মজবুত, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এর ভূমিকা অপরিহার্য। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে পটাশিয়াম।৭. কোলেস্টেরল: ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ।৮. কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর করে: ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। আরও পড়ুন: করোনাকালে বাড়ি থেকে কাজ? লিভার সুস্থ রাখুন এই ৫ টিপসে৯. ডায়াবেটিসে উপকারী: ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে।১০. যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে: যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে এর ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। শ্বাসনালিতে জমে থাকা পুরোনো কাশি বা কফ ভালো হওয়ার জন্য কাজ করে শুকনা ছোলা ভাজা। ছোলা বা বুটের শাকও শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। প্রচুর পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ রয়েছে এই ছোলায় ও ছোলার শাকে। ডায়াটারি ফাইবার খাবারে অবস্থিত পাতলা আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। তাই শুধু রমজান মাস নয়, ১২ মাসেই ছোলা হোক আপনার সঙ্গী।১১. রক্তের চর্বি কমায়: ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।১২. অস্থির ভাব দূর করে: ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।১৩. রোগ প্রতিরোধ করে: কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।১৪. জ্বালাপোড়া দূর করে: সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়।আরও পড়ুন: নিয়মিত একটু এলাচ খেলেই পাবেন উপকার! জেনে নিন গুণাগুণ…১৫. মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করে: এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ কমায় মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা।ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উত্‍স। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

health tips: Magical Benefits Of Onions That Keep The Doctor Away – পেঁয়াজের এই উপকারিতাগুলি আপনাকে চমকে দেবে! জানুন এক ক্লিকেই

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পেঁয়াজ কাটার সময়ে চোখে যতই জল আসুক না কেন, খাবার-দাবারের স্বাদ বাড়াতে পেঁয়াজ একেবারে অপরিহার্য উপাদান। কিন্তু জানেন কি, পেঁয়াজের মধ্যে রয়েছে বিশেষ কিছু ডাক্তারি গুণ? আয়ুর্বেদ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার দ্বারা প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে সম্প্রতি জানানো হয়েছে, পেঁয়াজে যে উপকারিতা রয়েছে তা জানলে আপনি অবাক হতে বাধ্য। প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের সঙ্গে এতে ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে, যা আমাদের শরীরে নানা উপকারে আসে। স্যালাদ থেকে স্যান্ডউইচ, কিংবা শুধু মুড়িতে মেখে যেমন নানা ভাবে পেঁয়াজ খাওয়া যায়, তেমনই এর রয়েছে নানাবিধ গুণ। অবিশ্বাস্য সব উপকারগুলো দেখে নিন -সংক্রমণ সারায়এর মধ্যে কার্মিনেটিভ, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল, অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় পদার্থ মজুত রয়েছে। তাই শরীরে কোথাও সংক্রমণ ঘটে থাকলে কাঁচা পেঁয়াজ একটু বেশি খান, চটজলদি উপকার পাবেন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন পরিমাণমতো পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে সর্দি–কাশির সমস্যা থাকে না। ঠান্ডা লাগার ফলে গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি, জ্বর, অ্যালার্জি বা সামান্য গা ব্যথায় দারুণ কাজ করে। সামান্য পেঁয়াজের রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে খান। জলদি সেরে উঠবেন। জ্বরে দেহের তাপমাত্রা বেশি থাকলে পাতলা করে কাটা পেঁয়াজ কপালে রাখলে কিছু ক্ষণের মধ্যে তাপমাত্রা কমিয়ে দেবে।পুষ্টিগুণে ভরপুরপ্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, সালফার, ভিটামিন B এবং C থাকে। নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক থাকে। যার ফলে হার্টের অসুখের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।ত্বকের সমস্যা মেটায়পোকামাকড়ের কামড় হোক, বা রোদে পোড়া ট্যান, কিংবা ব্রণ-ফুস্কুরি, এ সবের সমস্যা থাকলে সে সমস্ত জায়গায় একটু পেঁয়াজের রস লাগান। একটু কুটকুট করতে পারে, তবে দ্রুত কাজ করবে।হজমশক্তি বাড়ায়যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে তাঁরা রোজ একটু কাঁচা পেঁয়াজ খান। পেঁয়াজ খাবার হজমের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন এনজাইম বাড়াতে সাহায্য করে। যার ফলে দ্রুত খাবার হজম হয়।হৃদয় এবং হাড় ভালো রাখে হাড়ের কঠিন ব্যারাম অ্যাথেরসক্লেরোসিস এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের সঙ্গে লড়ে। তার সঙ্গে দেহে খারাপ কোলেস্ট্রল কমায়। যার ফলে আপনার হার্ট সুস্থ থাকে। দাঁতের সংক্রমণ রোধ করতেও পেঁয়াজের জুরি মেলা ভার। ২–৩ মিনিট পেঁয়াজ চিবিয়ে খান। ফলে দাঁতে লুকিয়ে থাকা জীবাণুগুলো মরে যাবে। সংক্রমণের সম্ভাবনাও কমবে। ডায়াবেটিকদের জন্য খুব ভালোদেহে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে পেঁয়াজ অত্যন্ত ভালো। যারা ডায়াবেটিক তারা চিকিত্স কের পরামর্শ নিয়ে রোজ পেঁয়াজ খান উপকার পাবেন। পেঁয়াজে ক্রোমিয়াম থাকে। যা ব্ল্যাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরকে ঠান্ডা রাখে। অনিদ্রার সমস্যারাতে যাদের অনিদ্রার সমস্যা রয়েছে তাঁরা শুতে যাওয়ার আগে একটি পেঁয়াজ কেটে গভীরভাবে পাঁচ থেকে দশ বার পেঁয়াজটির ঘ্রাণ গ্রহণ করুন। দেখবেন ঘুম চলে আসবে। ছাড়াও বিষণ্নতা এবং সাহায্য ঘুম এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে।চুল পড়া প্রতিরোধচুল পড়া নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেও কূল পাচ্ছেন না! শীতের শেষে পাতাঝরা গাছের মতো প্রতিদিনই পড়ছে চুল। কপালে চিন্তার ভাঁজ। রাতে হচ্ছে না ঘুম। চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে গিয়ে চুল পড়ছে আরও বেশি! চিন্তা করবেন না। চুলের বৃদ্ধিতে পেঁয়াজ দারুণ কাজ করে। কারণ এর মধ্যে প্রচুর সালফার রয়েছে, যা চুল পড়া রোধ করে। বিশেষ করে পেঁয়াজ চুলের ভেঙে যাওয়া রোধ করে প্রাকৃতিকভাবে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।শরীরকে বিষ মুক্ত করেপেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সালফার যৌগ আছে যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সালফারে এমিনো এসিড আছে যা রসুন ও ডিমে পাওয়া যায়। এই এমিনো এসিড গুলোকে মিথিওনাইন ও সিস্টাইন বলা হয়। এই উপাদান গুলো শরীরকে বিভিন্ন ক্ষতিকর ধাতুর থেকে মুক্তি দেয়। এমন কি এগুলো শরীর থেকে সীসা, আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়াম বের করে দেয়।

Source link

weight loss diet: Health Benefits Of Curd: These Reasons You Must Include Curd In Your Daily Diet – দ্রুত ওজন কমাতে চান? দুপুরে খাওয়ার পর ঘরে পাতা টক দই খেলেই মিলবে আশ্চর্য ফল!

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন নিয়ম করে যদি অন্তত এক বাটি ঘরে পাতা টক দই (curd) খাওয়া যায়, তাহলে একাধিক শারীরিক সমস্যাকে চিরকালের মতো দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব। দুপুরের খাবার খাওয়ার পর দই খাওয়া আমাদের শরীরের পক্ষে খুবই ভালো। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যে দরকারের থেকে বেশি যেন দ‌ই না খেয়ে ফেলি আমরা। দিনে ৩০০-৫০০ গ্রাম দই খাওয়া ভালো কিন্তু তার থেকে বেশি না খাওয়াই গ্রহণযোগ্য। বেশি দই খেলে আমাদের শরীরে অত্যাধিক ক্যালসিয়াম সৃষ্টি হতে পারে যা আমাদের স্বাস্থ্যের জটিলতা বাড়াতে পারে। মিষ্টি দইয়ের থেকে টক দই খাওয়া বেশি উপকারী। জেনে নেওয়া যাক টক দইয়ের আশ্চর্য কয়েকটি স্বাস্থ্যগুণ (Health benefits) সম্পর্কে…ফ্যাট কমটক দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে। ফলে ওজন কমাতে (weight loss) সাহায্য করে। এবং টক দই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম যা রক্তের কোলেস্টরল কমাতে বিশেষভাবে সহায়ক। আর এ কারণে কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা, স্ট্রোক এবং হৃদপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি কমায়। আগে প্রতিটি বাড়িতেই প্রায় দই পাতার অভ্যাস ছিল। এখন আর সেসব অভ্যাস অনেক ক্ষেত্রেই উঠে গিয়েছে। কিন্তু এই বাড়িতে পাতা দইয়ের গুণ অনেক। সেই কারণেই রোজ দই খাওয়ার অভ্যাস ছিল আগে। তাতে শরীরের অনেক উপকার হত। ওজন হ্রাসওজন কমানোর জন্য অনেক চেষ্টা করতে থাকেন অনেকেই। ওজন কমানোর মূল হাতিয়ার হিসেবে টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। টক দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে। এ ছাড়াও টক দইয়ের সঙ্গে ফল খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে খিদে খিদে বোধ কম হয়।কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করেকোষ্ঠকাঠিন্য খুবই যন্ত্রণাদায়ক একটি শারীরিক সমস্যা। টক দইয়ের ল্যাকটিক কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। এ ছাড়াও নিয়মিত টক দই খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। দই খেলে হজম ভাল হয়। স্বাভাবিক পাচন প্রক্রিয়া থাকলে এমনিতেই মানসিক অনেক সমস্যা দূর হয়। ফলে দই মানসিক চাপ এবং অ্যাংজাইটি কমতে শুরু করে। বাচ্চাদের পাচনতন্ত্র দুর্বল থাকে। সহজেই তারা সব খাবার খেয়ে হজম করতে পারে না। দই কিন্তু এমনই একটি খাদ্য যা সহজে বাচ্চারাও হজম করতে পারে। বদহজম দুর করেঅতিরিক্ত তেল ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে অনেকেই বদহজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যাও দূর করতে পারে টক দই। টক দইয়ের ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমে সহায়তা করে এবং বদহজম প্রতিরোধ করে। দই হজম করে দ্রুত। ফলে যাঁদের ওজন বেশি, তাঁদের জন্য দই খুবই উপকারী। নিয়মিত একবাটি করে দই খেলে ওজন কমে। গবেষণাতেও এই কথাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বলা হয়েছে, ওজন কমার সম্ভাবনা প্রায় ২২ শতাংশ।উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাউচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দূর করতেও টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। নিয়মিত টক দই খাওয়ার অভ্যাস কোলেস্টরল কমায় এবং সেই সঙ্গে কমায় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি। দইয়ে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে দেয়। এগুলি আসলে উপকারী ব্যাকটেরিয়া। এগুলি সংক্রমণ থেকে ভাইরাল ফিবার রোধ করে।হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখেদই আমাদের হার্টের মধ্যে ধমনীর মধ্যে কোলেস্টেরলকে হওয়া থেকে আটকায়। দুপুরের খাবার খাওয়ার পর দই খেলে অবশ্যই আমাদের হার্ট সুরক্ষিত থাকে এবং কার্ডিওভাস্কুলার সংক্রান্ত অসুখও দূরে থাকে।দাঁতকে মজবুত করে তোলেক্যালসিয়াম আমাদের হাড় এবং দাঁতের প্রধান উপাদান। বেশী করে মহিলাদের শরীরে ক্যালসিয়াম অত্যন্ত জরুরী। ৩০ বছর বয়সের পর থেকে অনেক মহিলাদের ক্ষেত্রে হাড়ের সমস্যা দেখা দেয়। আগেই যেমন লিখেছি যে দইয়ে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম থাকে যা আমাদের হাড়ের জন্য উপকারী। দই এর মধ্যে ক্যালসিয়াম থাকে যা বাচ্চাদের নরম হাড়কে শক্ত বানায় আর বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। দইয়ে যে প্রোটিন থাকে তা সহজেই বাচ্চারা হজম করতে পারে। তাই দই বাচ্চাদের জন্যও খুবই প্রয়োজনীয়।

Source link

Health Benefits Of Garlic And Honey – রসুন আর মধু খালি পেটে এক সপ্তাহ খেলেই ম্যাজিক!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রসুন এবং মধুর স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে কম বেশি আমরা সবাই জানি। রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের অভ্যন্তরীণ অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করে। এছাড়া রসুনের অ্যালিসিন উপাদান কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়, রক্তজমাট বাঁধতে সাহায্য করে। এটি দেহে অ্যান্টি-ক্যান্সার এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল প্রভাব ফেলে থাকে। শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, ঔষধি গুণের জন্য রসুনের কদর চিরকাল। কাঁচা রসুন খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে এড়ানো যায় অসংখ্য রোগভোগ। তবে জেনে রাখতে হবে তার সঠিক প্রয়োগ।প্রাচীন কাল থেকে রসুনের উপকারিতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী চর্চা। চিকিত্‍সাশাস্ত্রে রসুনের ব্যবহার বহু দিনের। নিয়মিত রসুন খাওয়া রপ্ত করতে পারলে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ এবং উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। হার্ট অ্যাটাক রুখতেও তার জুড়ি মেলা ভার। এমনকি সাধারণ সর্দি-কাশি, ফ্লু, ছত্রাক সংক্রমণ ও ডায়েরিয়া সারাতেও কাজে দেয় রসুন। বিশুদ্ধ মধুতেও প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এনজাইম, আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম এবং সেলিনিয়াম রয়েছে। রসুন এবং মধুর মিশ্রণ আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এর স্বাস্থ্যগুণ নীরোগ দীর্ঘজীবন পেতে সাহায্য করে।ডায়ারিয়া এবং পেটের সমস্যা দূর করতে রসুন মধুর মিশ্রণ খেতে পারেন। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দেহের ইনফেকশন দূর করে থাকে। শরীরের বিভিন্ন অংশের ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে থাকে এই মিশ্রণটি। রসুন, মধুর মিশ্রণ ধমনীতে জমে থাকা চর্বি কাটাতে সাহায্য করে যা হৃদযন্ত্রে রক্ত চলাচল সচল রাখে।এই দুটি উপাদান আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন রোগের সাথে লড়াই করার শক্তি যুগিয়ে থাকে। ঠান্ডাজনিত গলা ব্যথা দূর করতে রসুন মধুর মিশ্রণ বেশ কার্যকর।১) কাঁচা রসুন ও মধু: রসুনের ২-৩টি কোয়া কুঁচিয়ে নিন। তার সঙ্গে এক টেবিলচামচ মধু মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই মিশ্রণ খেলে শরীর ফিট ও এনার্জিতে ভরপুর থাকবে।২) রসুনের ফ্লু টনিক: অতিরিক্ত সংবেদনশীল ত্বক হলেল এই টনিক বানানোর সময় হাতে দস্তানা পরে নিন এবং চোখে হাতের ছোঁয়া এড়িয়ে চলুন। জোগাড় করে ফেলুন অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি, ৫ কোয়া রসুন কুচি, ২টি শুকনো লঙ্কা কুচি, ১ টেবিলচামচ আদা কুঁচি, একটি গোটা পাতিলেবুর রস এবং অ্যাপল সিডার ভিনিগার।ফ্লু সারাতে: প্রথমে একটি পাত্রে পেঁয়াজ-রসুন-আদা-শুকনো লঙ্কা কুচি মেশান। আলাদা পাত্রে লেবু চিপে রস তৈরি রাখুন। এবার কুচোনো উপকরণে লেবুর রস মেশান। সব শেষে ভিনিগার ঢেলে মিশিয়ে অন্তত ১ সেন্টিমিটার ফাঁক রেখে পাত্রটি ঢেকে রাখুন। সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা ও ফ্লু সারাতে নিয়মিত ব্যবহার করুন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link