Tag Archives: Health Care Tips in Bengali

Health Care Tips in Bengali: 5 Warning Signs You May Have A Hormonal Imbalance – চুল ঝরছে, মেজাজ খিটখিটে? যে লক্ষণগুলি দেখে বুঝবেন হরমোনের ব্যালান্স ঠিক আছে কিনা… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নানারকমের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, তার নানা রকমের কারণ আছে। সেই কারণ গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো হরমোনের ভারসাম্য ঠিক না থাকা। মেয়েদের শরীরে হরমোনের (hormones) পরিবর্তনের (অনেক রকম লক্ষণ (symptoms) দেখা যায়। চল্লিশ বা পঞ্চাশ বছর বয়সি মহিলাদেরও হরমোনের অসুখ হয়। রাতে গরম লাগা, হঠাৎ ঘাম, ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া, কালো ছোপ, খিটখিটে মেজাজ…এ সব দেখা দেয়। এই শারীরিক লক্ষণগুলি (symptoms) যদি আপনার মধ্যেও দেখা যায়, তাহলে অবহেলা না করে আজই চিকিৎসকের সাহায্য নিন।ওষুধ দিয়ে, ক্রিম লাগিয়ে সব সমস্যাই আয়ত্তে আনা যায়। প্রয়োজনে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি করা যায়। বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী যদি ওজন যথাযথ রাখেন, তবে হরমোনের ঝঞ্ঝাট চট করে বাঁধবে না। গড়পরতা ভাবে মেয়েদের ক্ষেত্রে যত সেন্টিমিটার উচ্চতা, তার থেকে ১০০ বাদ দিলে যা হয়, তত কিলোগ্রামই হল আদর্শ ওজন। অর্থাৎ ১৫৫ সেমি উচ্চতায় আদর্শ ওজন ৫৫ কিলোগ্রামের এ দিক ও দিক (৫২-৫৮ কিলোগ্রাম)। অনুরূপে ১৬৫ সেমি উচ্চতায় ওজনের লক্ষ্য রাখুন ৬৫ কেজির আশপাশে। হরমোনের ব্যালান্স ঠিক না থাকলে কী কী লক্ষণ দেখা যায় জেনে নিন।চুল পাতলা হয়ে যাওয়াঅল্প চুল তো সবারই ঝরে। কিন্তু যদি প্রতিদিন চুল ঝরতে থাকে এবং তার ফলে আপনার কপাল চওড়া এবং বড় হতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে যে হরমোনের (hormones) ভারসাম্য (balance) ঠিক নেই। অতিরিক্ত চুল পড়া কিন্তু রোগ নয়, রোগের উপসর্গ মাত্র। তাই আর যাতে বেশি ক্ষতি না হয়, সে জন্য সবার আগে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ নিন। রাসায়নিক দেওয়া বা প্রসেসড ফুড এড়িয়ে চলুন। প্লাস্টিকের পাত্রে খাওয়া, বা তাতে গরম খাবার রেখে খাওয়া কিংবা খাবার গরম করায় রাশ টানুন।এংজাইটি (Anxiety)আপনার শরীরের হরমোনগুলোর (hormones) মধ্যে ব্যালান্স (balance) ঠিক নেই, বোঝার আরও একটা উপায় হল, যদি আপনি সব সময়েই একটা উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকেন। অনেক চেষ্টা করেও এই এংজাইটির (anxiety) কোনো সঠিক কারণ আপনি খুঁজে পাচ্ছেন না। আপনার যদি অতিরিক্ত এংজাইটি (anxiety) হয় এবং আপনার মনে হয় যে আপনার অবসাদ (depression)আসছে, তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। হরমোনের অসুখ বাধানোর কারণগুলির অন্যতম মানসিক অশান্তি। সমীক্ষায় প্রকাশ, যে কোনও মারণ অসুখকে হঠাৎ ছ’গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে স্ট্রেস। কিন্তু একুশ শতকে স্ট্রেস থাকবেই। সুস্থতার জন্য নিজেকেই শুধরে নিতে হবে। মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ান। মানসিক বিশ্রামের অবকাশ খুঁজে নিন। দেখবেন, হরমোন লেভেল নিয়ন্ত্রণে আসবেই। শরীর থাকবে সুস্থ ও মজবুত।চোখের কোলে কালি পড়াচোখের কোলে কালি (dark circles) পড়লে সাধারণত তার জন্য স্ট্রেস, ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত পরিশ্রম কিংবা লিভারের সমস্যাকে আমরা দায়ী করে থাকি। কিন্তু আপনি কি জানেন যে testosterone এবং progesterone -এর ভারসাম্য (balance) ঠিক না থাকলে তখন ডার্ক সার্কেল (dark circles) দেখা যায় এবং ইনসোমনিয়ার (insomnia) মতো সমস্যা দেখা যায়। নিয়মিত হরমোনের রিস্ক ফ্যাক্টরগুলি চেকআপ করান। অর্থাৎ রক্তকণা ও চিনির পরিমাণ, রক্তচাপ, জরায়ু প্রাচীর স্বাভাবিক আছে কি না, খোঁজ রাখুন। একনে (Acne)অনেক সময় স্কিনের (skin) কিছু ছোটোখাটো সমস্যা দেখা যায় নানা কারণে যেরকম কোনো নির্দিষ্ট খাবার বা কিছু থেকে এলার্জি, ধুলো কিংবা দূষণ থেকে স্কিনের সমস্যা হয়। কিন্তু এই সমস্যা যদি মাঝে মাঝেই হয় এবং জেদি দাগ-ছোপ ছেড়ে যায় আপনার ত্বকে (skin) তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার শরীরে হরমোনের (hormones) ব্যালান্স (balance) ঠিক নেই। রমোনের সমস্যা দেখা দিলেই আগে ওজন কমান, ডায়েটে সংযম রাখুন। দিনের মধ্যে অন্তত আধ ঘণ্টা জোরে হাঁটুন। সময় না পেলে কিছুক্ষণ স্কিপিং করুন। যখনই পারবেন একটু হেঁটে নিন। হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোমর টানটান রাখুন।ব্রেস্টে পরিবর্তন (Changes in Breast)হরমোনের (hormones) ব্যালান্স (balance) বিগড়েছে এটা বোঝার আরো একটি শারীরিক লক্ষণ হলো আপনার ব্রেস্টে কিছু কিছু পরিবর্তন (changes) দেখা যায়; যেমন ব্রেস্টে মাঝে মাঝে ব্যাথা অনুভব করা কিংবা ব্রেস্ট নিচের দিকে নেমে আসা কিংবা লাম্প অনুভব করা – যে কোনোটাই কিন্তু হরমোনাল ইম্ব্যালান্সের (hormonal imbalance) ফলে কোনো রোগের উপসর্গ হিসেবে দেখা দিতে পারে। তলপেটে আলতো অথচ একনাগাড়ে ব্যথা, মাথা ধরা, মুড অফ বা হঠাৎ রেগে যাওয়া— এমন সব উপসর্গকে ‘ও কিছু নয়’ বলে অবহেলা করবেন না, চিকিৎসককে জানান। এগুলি হরমোন লেভেল ঠিক না থাকার লক্ষণ।

Source link

Health Care Tips in Bengali: How Aloe Vera Is A Boon For Diabetics – সুগার লেভেল কি বেড়েছে? জলের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে পান করুন, উপকার পাবেন… | Eisamay

হাইলাইটসডায়াবিটিস ইদানীং খুবই সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডায়াবিটিস সাধারণত দুই ধরনের। টাইপ ১ ডায়াবিটিস ও টাইপ ২ ডায়াবিটিস। টাইপ ১ ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় না। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক:ডায়াবিটিস ইদানীং খুবই সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডায়াবিটিস সাধারণত দুই ধরনের। টাইপ ১ ডায়াবিটিস ও টাইপ ২ ডায়াবিটিস। টাইপ ১ ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ইনসুলিন উৎপন্ন হয় না। অন্যদিকে, টাইপ ২ ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপন্ন হয় না অথবা উৎপন্ন হলেও সঠিকভাবে কাজ করে না। কিন্তু ডায়াবিটিসের লক্ষণ বুঝতে পারলে ঘরোয়া উপায়ে এর প্রতিকার সম্ভব। ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয়টি হল, ওষুধ, শরীরচর্চা এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ম মেনে করলে ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে বটে, কিন্তু তা কোনও ভাবেই পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়। ডায়াবিটিস এমন একটি রোগ, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অসুস্থতা বাড়িয়ে তোলে।ডায়াবিটিস পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়। তবে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা যায়। কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে আপনাকে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের কাছে অ্যালোভেরা জুস হল অমৃতের সমান। অ্যালোভেরা জুস বা জেল প্রাকৃতিক ভাবে রক্তে চিনির পরিমাণ কম করে। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খেলে কোনও ওষুধ বা অন্য জুস ছাড়াই ফাস্টিং-এ সুগার কাউন্ট অনেক কম আসে। এছাড়া অ্যালোভেরা বাড়তি মেদ কম করতে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে হলে মাথায় রাখুন এই পাঁচ গোপন চাবিকাঠি!কেমন করে খাবেন অ্যালোভেরা জেল?অ্যালোভেরা জেলে ফাইটোস্ট্যারলস নামক শক্তিশালী উপাদান থাকে যা ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ফাইটোস্ট্যারলসের অ্যান্টিহাইপার গ্লাইসেমিক প্রভাব আছে যা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য উপকারী। হলুদ, তেজপাতা ও অ্যালোভেরা জেল জলের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন। তবে নিজে থেকে অ্যালোভেরা জুস বা জেল সেবন না করে এই বিষয়ে আগে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া অবশ্যই দরকার। তিনি যেমন অনুপাত বলে দেবেন, সে রকমটাই মেনে চলা কাম্য। স্নানের সময় Loofah-র ব্যবহার কি আদৌ করা উচিত? কী বলছে গবেষণা জানুন…প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পরিসীমা নেই। রাস্তাঘাটে কিংবা বাজারে খুবই সহজলভ্য এটি। রস হিসেবে খাওয়া যায় আবার ত্বকের প্রদাহে প্রতিষেধক হিসেবেও লাগানো যায়। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিন-এ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি, যা স্বাস্থ্যরক্ষার বিভিন্ন কাজে লাগে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Care Tips in Bengali: What Is Gotu Kola: Information About Gotu Kola Plants – থানকুনি পাতার রস খালি পেটে রোজ, এক সপ্তাহ খেয়ে দেখুন! উপকার পাবেন… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: চটজলদি রোগ নিরাময়ের জন্য আমরা অনেকেই অ্যালোপ্যাথির দ্বারস্থ হয়ে যাই। কষ্ট লাঘবে তখন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টা মাথায় থাকে না। বিশেষ করে টাইফয়েড, ডায়রিয়া, কলেরার মতো পেটের রোগে অ্যান্টিবায়োটিকও চলে আকছার। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত ওই সব ওষুধগুলির দামও অনেক সময় নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে হয়ে যায়। অথচ আমাদের হাতের কাছেই কিছু ভেষজ গাছ রয়েছে, যেগুলি অত্যন্ত অল্প দামে বা একটু খুঁজলে বিনামূল্যেও পাওয়া যায়, আমরা জানি না। অনেক সময় জেনেও, বিশ্বাস হয় না। তেমনই একটি ভেষজ উদ্ভিদ হল থানকুনি।থানকুনি আমাদের অতিপরিচিত পাতা। পুকুরপাড় বা জলাশয়ে হামেশাই দেখা মেলে। কথায় বলে, পেট ভালো থাকলে মনও ফুরফুরে থাকে। চিকিত্‍সকরাই বলছেন, থানকুনি পাতার এমন ভেষজ গুণ রয়েছে, মিয়মিত খেতে পারলে, পেটের অসুখে কোনও দিনও ভুগতে হবে না। শরীর-স্বাস্থ্য তো সতেজ থাকেই, ছোট থেকে খাওয়াতে পারলে বুদ্ধিরও বিকাশ হয়। দেখে নেওয়া যাক, থানকুনি পাতার ভেষজ গুণগুলি।যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তিপেটের রোগ নির্মূল করতে থানকুনির বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলে যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একই সঙ্গে পেট নিয়ে কোনও দিনও সমস্যায় ভুগতে হয় না। Asiaticoside নামে একটি উপাদান রয়েছে থানকুনি পাতায়, যা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। সেই সঙ্গে স্টমাক আলসারের মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, পেট খারাপ বা ডায়রিয়ার চিকিৎসাতেও (Benefits of Thankuni Leaves) অনেক সময় এই পাতাটিকে কাজে লাগানো হয়ে যাকে কোথাও কেটে গেলে সেখানে যদি অল্প করে থানকুনি পাতা (Thankuni Leaf) থেঁতো করে লাগানো যায়, তা হলে দারুণ উপকার পাবেন। এই পাতায় রয়েছে Saponins নামে একটি উপাদান, যা ক্ষতস্থানে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়, যে কারণে ক্ষত শুকিয়ে যেতে সময় লাগে না। ক্ষতস্থানে কোনও ধরনের সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কাও কমে।ত্বকের সতেজতা বৃদ্ধি পায়শুধু পেটই নয়, আলসার, এগজিমা, হাঁপানি-সহ নানা চর্মরোগ সেরে যায় থানকুনি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে। ত্বকের ওজ্জ্বল্য বাড়ায় থানকুনি পাতা ৷ প্রতিদিন থানকুনি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করলে বড় বড় রোগের থেকে জয় পাওয়া সম্ভব ৷ অ্যাংজাইটি এবং মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমায়। এমন ধরনের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাদের নিয়মিত করে খেতে হবে থানকুনি পাতার রস, তা হলেই মিলবে উপকার। কারণ, এতে রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা Serotonin হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যে কারণে Cortisol, মানে স্ট্রেস হরমোনের প্রভাব কমতে শুরু করে। ফলে অ্যাংজাইটি এবং মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। এমনকী, স্ট্রেস লেভেলও যেমন কমে, তেমনই বারে-বারে অ্যাংজাইটি অ্যাটাকের কবলে পড়ার আশঙ্কাও কমে। মৃতকোষের ফলে চামড়ায় অনেক সময়ই শুষ্ক ছাল ওঠে। রুক্ষ হয়ে যায়। থানকুনি পাতার রস মৃতকোষগুলিকে পুনর্গঠন করে ত্বক মসৃণ করে দেয়।মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়েথানকুনি পাতায় থাকে Bacoside A ও B। Bacoside B মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে ও রক্ত চলাচল বাড়ায়। থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং Pentacyclic Triterpenes নামক একটি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যে কারণে ব্রেন সেলের ক্ষমতা এতটাই বেড়ে যায় যে স্মৃতিশক্তির উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে বুদ্ধির ধারও বাড়ে চোখে পড়ার মতো। এই কারণেই তো ছোট বাচ্চাদের থানকুনি পাতার রস (Centella Asiatica) খাওয়ানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। বয়স্ক মানুষরাও যদি নিয়মিত থানকুনি পাতার রস খান, তা হলে শেষ বয়সে অ্যালঝাইমার্স বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতেও সাহায্য করে।অনিদ্রার সমস্যা দূর হয়রাতে কি ঠিক মতো ঘুম হয় না? তা হলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন থানকুনি পাতা। দেখবেন, উপকার (মিলবে একেবারে হাতে-নাতে। কারণ, এতে রয়েছে একাধিক অ্যান্টিঅক্সিডান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা স্ট্রেস লেভেল কমায়। সঙ্গে নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত রাখে। ফলে অনিদ্রার মতো সমস্যা দূরে পালাতে সময় লাগে না। বয়স বাড়লেও, যৌবন ধরে রেখে দেয় থানকুনি পাতার রস। প্রতিদিন একগ্লাস দুধে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে, চেহারায় লাবণ্য চলে আসে। আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়। সকাল-সকাল খালি পেটে থানকুনি পাতার রস খেলে যেমন উপকার মেলে, তেমনই কাঁচা থানকুনি পাতা চিবিয়ে খেলেও সমান উপকার পাওয়া যায়। ইচ্ছে হলে খেতে পারেন থানকুনি পাতার পেস্ট অথবা বড়াও। আবার এই পাতা দিয়ে তৈরি পানীয় খেলেও একই উপকার মেলে।শরীরকে বিষমুক্ত করেনানা ভাবে আমাদের শরীরে প্রবেশ করা টক্সিক উপাদানদের যদি সময় থাকতে-থাকতে বের করে দেওয়া না যায়, তা হলে কিন্তু চিন্তার বিষয়। কারণ, সেক্ষেত্রে এই সব ক্ষতিকর উপাদানগুলির কারণে দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এখন প্রশ্ন হল, টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বের করবেন কীভাবে? এক্ষেত্রে ভরসা রাখতে পারেন, থানকুনি পাতার উপরে (Thankuni Pata)। প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠা মাত্র ২ চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে যদি ১ চামচ মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়, তা হলে রক্তে মিশে থাকা টক্সিক উপাদানগুলি প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Ginger Tea Benefits: 6 Health Benefits Of Ginger Tea – রোজ একটু আদা দিয়ে চা পান করলেই পাবেন উপকার! জেনে নিন গুণাগুণ… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিদিন দু’চার কাপ চা পান করতে কে না ভালোবাসেন? শত ব্যস্ততার মাঝে, ক্লান্তিতে অথবা আলসেমিতে, গল্পে-আড্ডায়, বাড়িতে অতিথি আপ্যায়নে কিংবা অফিসের ব্যস্ততায় এবং সাধারণভাবে দিনের যে কোনো সময় চায়ের কাপে ঠোঁট ছোঁয়াতে ভালোবাসেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। অনেকে তো এক কাপ চা পান না করে সকালটা শুরুই করতে পারেন না। কারণ এক কাপ চায়ের সঙ্গে দিনের শুরুটা যেমন সুন্দর হয়, তেমনি সারা দিনের কাজের মাঝে এক কাপ চা শরীরের সব ক্লান্তি দূর করে দেয়। চা তৈরির পদ্ধতি নিয়ে ইয়ত্তা নেই। কারও পছন্দ কড়া চা, কারও হালকা লিকার, কারও রং চা তো কারও দুধ-চিনি ছাড়া চা মুখেই রোচে না। কম-বেশি সব ধরনের চায়েই রয়েছে নানা উপকারিতা।হার্ট ভালো রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেনিয়মিত আদা দিয়ে যদি চা পান করা যায়, তাহলে আমাদের হার্ট ভালো থাকতে পারে। এছাড়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এই চা। এই চা রক্ত জমাট বাঁধা নিয়ন্ত্রণ করে কোলেস্টেরল কম করে এবং রক্ত সঞ্চালন আগের থেকে বৃদ্ধি করে। আদা অর্থাৎ জিনজার, যার অল্প একটু গুনে বেড়ে যায় রান্না র স্বাদ। সর্দি কাশির সময় সামান্য আদা র গুনে উপশম পাওয়া যায়। স্বাদে গন্ধে এবং গুণের দিক থেকে আদা খানিকটা সমসাময়িক হলুদ এবং এলাচের। আদা কেটে , অথবা গুড়ো করে রস বার করে খাওয়া যায়। তবে স্বাদ বাড়ানো ছাড়া অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে আদার। গরম চায়ের সঙ্গে আদা মিশিয়ে খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। আদাতে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এটি রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়া উন্নত করে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি আদার রস ধমনিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ফলে প্রতিদিন আদা-চা পান করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলেআদাতে এমন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা,আমাদের রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও আমাদের স্ট্রেস অনেক কমিয়ে দেয় আদা চা। গরম আদা চা পান করলে অনেকক্ষণ পেট ভর্তি থাকে। তাই আদা চা পান করলে অনেকটাই শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া ক্যান্সারের জন্য কেমোথেরাপি করলে অথবা গর্ভবতী অবস্থায় মর্নিং সিক থাকলে আদা চা পান করতে হয়। আদাতে প্রচুর ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম ও অন্যান্য খনিজ থাকে বলে শরীরের জন্য উপকারী।ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকেযাদের ডায়াবেটিস থাকে, তারা প্রতিদিন আদা চা পান করুন। আধার মধ্যে উপস্থিত বায় একটিভ উপাদান এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের ইনফ্লামেশন রোধ করে মস্তিষ্ক সচল এবং সক্রিয় রাখে। প্লেনে ট্রাভেল করলে অথবা পাহাড়ি জায়গায় গেলে অনেকেরই মাথা ঘোরা সমস্যা থাকে, তখন যদি আদা চা পান করেন, তাহলে মাথা ঘোরা অনেকটাই কমে যায়।বদহজমের সমস্যা দূর করেআমরা মাঝে মাঝেই বদ হজমের সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা দূর করার জন্য আপনি সেবন করতে পারেন আদা চা। অনেক সময় মহিলারা ঋতুস্রাবের সময় তলপেটে ব্যথা পান। এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাবার জন্য আপনি পান করতে পারেন আদা চা। তাছাড়া গরম জলে আদা দিয়ে সেই জলে তোয়ালে ভিজিয়ে তলপেটে ধরলেও ব্যথা অনেকটা কমে যায়। হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে আদা সরাসরি হজমের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। খাবারে অরুচি দূর করতে সাহায্য করে। হজমে সহায়ক এনজাইমগুলো নিঃসরণ ঘটিয়ে খাদ্য পরিপাকেও সহায়তা করে আদা। স্ট্রেস কম করেআমরা অনেকেই কমবেশি মানসিক অবসাদে ভুগে থাকি। ব্যস্ত কর্মজীবন এবং সাংসারিক চাপ থাকার ফলে আমাদের মানসিক অবসাদের শিকার হতে হয়। আদার করা গন্ধ এবং স্বাদ সেই টেনশন দূর করে দেয়। অম্লতার বিরুদ্ধে খুব ভালো লড়তে পারে আদা-চা। মাত্র এক কাপ আদা-চা মানসিক চাপ ও অস্থিরতা কমিয়ে দিতে পারে। মোশন সিকনেস বা গতিজনিত অসুস্থতার জন্য উপকারী হতে পারে এক কাপ আদা-চা। ভ্রমণের আগে আপনি যদি এক কাপ আদা-চা খেয়ে নেন, তাহলে মোশন সিকনেসের কারণে বমি বমি ভাব কমে যাবে। এ ছাড়া মাথাব্যথা কমাতে দারুণ কার্যকর এই চা।রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিআদা চা তে থাকে অ্যামিনো এসিড, ভিটামিন এবং মিনারেল। এগুলি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ধমনী চারিপাশে মেদ জমতে দেয়না। এছাড়া পেইন কিলার হিসেবে কাজ করে এই আদা চা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, চায়ের সঙ্গে যদি আদা যুক্ত হয়, তাহলে এর উপকারিতা বাড়ে কয়েক গুণ। কারণ আদায় রয়েছে জীবাণুরোধী উপাদান। রোগ-জীবাণু ঠেকায়। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে আদা-চা।

Source link

Health Care Tips in Bengali: These Techniques To Reduce Shortness Of Breath While Running – অল্প দৌড়েই কি হাঁপিয়ে পড়ছেন? দম বাড়াতে হলে মেনে চলুন কয়েকটি টিপস… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নিয়মিত দৌড়ানো এবং ব্যায়াম করা ওষুধের চেয়ে বেশি উপকারী। নিয়মিত দৌড়ালে যত উপকারীতা পাওয়া যায়, কোন ওষধ খেলে তত উপকারীতা পাওয়া যাবে না। একটা গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাত্র ৩০ মিনিট দৌড়ালেই আপনার বিষণ্ণতা যত বেশিই হোক না কেনো কমবে। আপনাকে খুব জোড়ে দৌড়াতে হবে না। হাঁটার চেয়ে একটু জোড়ে দৌড়ালেই হবে। ২০১৩ সালে করা আরেকটা গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বিষণ্ণতা ভালো করার জন্য দৌড়ানো, ঔষধের মতো কাজ করে। বিষণ্ণতার পাশাপাশি দৌড়ানো দুশ্চিন্তা এবং মানসিক চাপও কমাতে পারে। ২০১২ সালে করা একটা গবেষণায় দেখা গিয়েছে দৌড়ানো শেষ হওয়ার পরেও দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কম থাকে। ২০১২ সালে করা আরেকটা গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রতি সপ্তাহে তিন বার ৩০ মিনিট দৌড়ালে ঘুমের মান এবং মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।এ তো গেল দৌড়নোর উপকারিতা। কিন্তু অনেকেই আছেন, একটু দৌড়লেই অনকে হাঁফিয়ে ওঠেন। দৌড়নোর জন্য আমাদের পেশির প্রচুর পরিমাণে এনার্জি প্রয়োজন হয়। এ দিকে, এই সময়ে আমাদের শরীর বেশি মাত্রায় কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরি করে যার জন্য শরীরে বাড়তি অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। এই শ্বাস-প্রশ্বাসের হালকা পরিবর্তনের জন্য অনেকেই একটু দৌড়ে হাঁপিয়ে যান। দৌড়নোর সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করতে ও দম বাড়াতে কয়েকটি টিপস মেনে চলুন…দৌড় শুরুর আগে ওয়ার্ম আপ করে নিন – শুরুতেই দৌড়নো শুরু না করে, তার আগে শরীর একটু গরম করে নিলে পেশি ও টিস্যুতে রক্ত চলাচল সচল থাকে। এর জন্য দৌড়তে যাওয়ার আগে অল্প ব্যায়াম করে নিলে ভালো। মাঝে বিরতি নিন- দৌড়ে খুব হাঁপিয়ে গেলে মাঝে মাঝে ছোট ছোট বিরতি নেওয়া ভালো। এতে দৌড়ের জন্য যে স্ট্রেস তৈরি হয়, সেটা কমে যায়। পাশাপাশি আবারও শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়ে যায়। যদি কেউ বিরতি নিতে না চান, তা হলে তিনি গতি কমাতে পারেন। দৌড়ের গতি কমালেও হাঁপিয়ে যাওয়ার সমস্যা ঠিক হয়ে যায়।শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম – শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়মিত ব্যায়াম শর্টনেস অফ ব্রেথ অর্থাৎ হাঁপিয়ে যাওয়ার সমস্যা কমায়। এর ফলে ফুসফুস ও হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ে। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের ক্ষেত্রে সব চেয়ে সোজা হল, নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নেওয়া, তার পর ১০ সেকেন্ড থেমে গিয়ে ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে শ্বাস ছেড়ে দেওয়া। এই ব্যায়াম নিয়মিত অভ্যাস করলে সহজেই হাঁপিয়ে যাওয়ার সমস্যা কমতে পারে।চিকিৎসকের পরামর্শ-মাথায় রাখতে হবে, যদি একটুতেই হাঁপিয়ে যাওয়া বা বার বার এই সমস্যা হয়ে থাকে, তা হলে তা ফুসফুস বা হার্টের কোনও সমস্যার জন্য হতে পারে। যা বুঝতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ছাড়া শরীরে আয়রনের ঘাটতি, অ্যানিমিয়া ও অন্যান্য মেডিকেল ইস্যুর জন্যও শ্বাসের সমস্যা হতে পারে। তাই এমন হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Importance Of Selenium Rich Diet Health Benefits Of Consuming Selenium Rich Foods – শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ‘সেলেনিয়াম’, আপনার ডায়েট চার্টে আছে তো? | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দেহে ভিটামিন, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ছাড়াও সেলেনিয়ামও প্রয়োজন। আপনি কি কখনও সেলেনিয়াম শুনেছেন? যদিও সেলেনিয়াম সম্পর্কে খুব কম লোকই জানেন তবে এটি শরীরের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। সেলেনিয়াম আসলে মাটিতে পাওয়া একটি খনিজ। আমাদের দেহের খুব অল্প পরিমাণে সেলেনিয়ামের প্রয়োজন, তবে এটি আমাদের সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিপাক থেকে থাইরয়েড ফাংশন পর্যন্ত সেলেনিয়াম ছাড়া শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্ভব নয়। সেলেনিয়াম শরীরে আয়োডিন নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের দেহে কমপক্ষে সেলেনিয়ামের প্রয়োজন হয় তবে এটি আমাদের সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শরীরের অনেক প্রয়োজনীয় কাজগুলি সেলেনিয়াম যেমন থাইরয়েড ফাংশন বিপাকীয়তা ছাড়া সম্ভব নয়।যদিও সেলেনিয়াম শরীরে আয়োডিন নিয়ন্ত্রণ করে। সেলেনিয়ামযুক্ত ডায়েটে বিভিন্ন পুরো শস্য, দুগ্ধজাতীয় খাবার এবং তেল, শাকসবজি এবং ফলমূল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তথ্যের জন্য আসুন আমরা আপনাকে বলি যে শরীরে সেলেনিয়ামের অভাব বা অতিরিক্ত কারণে অনেক সমস্যা হতে পারে।কেন সেলেনিয়াম শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?ভিটামিন ই এর সঙ্গে সেলেনিয়াম একসাথে শরীরকে জারণ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। তাই এটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসাবে কাজ করে। সেলেনিয়াম আমাদের দেহে আয়োডিন নিয়ন্ত্রণ করে এবং ভিটামিন সি পুনর্ব্যবহারে সহায়তা করে যা কোষ উত্পাদন এবং মেরামত সম্ভব করে। গ্লুটাথিয়ন তৈরির জন্য সেলেনিয়ামও গুরুত্বপূর্ণ, একটি বিশেষ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে তৈরি। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করে সেলেনিয়াম অনেকগুলি ক্যানসারের ঝুঁকিও হ্রাস করে। গবেষণা পরামর্শ দেয় যে সেলেনিয়ামের ঘাটতি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ ডায়েট খাওয়া আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখে। ভাইরাস, ব্যাকটিরিয়া এবং পরজীবীর আক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করার জন্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সেলেনিয়াম সহায়ক।শরীরের সেলেনিয়াম কতটা প্রয়োজনীয়?বয়স অনুযায়ী দেহে সেলেনিয়ামের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অন্যদিকে জন্ম নেওয়া শিশু এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য পৃথক পরিমাণে সেলেনিয়াম প্রয়োজন। ডিমের মধ্যে সেলেনিয়াম ভালো থাকে। মাত্র ১ টি সিদ্ধ ডিম খাওয়ার মাধ্যমে আপনি ২০ মাইক্রোগ্রাম সেলেনিয়াম পাবেন। ডিমের সমস্ত খাবার আপনার জন্য উপকারী।কাপ সেদ্ধ ব্রাউন রাইসে ১৯ মাইক্রোগ্রাম সেলেনিয়াম থাকে। সূর্যমুখী বীজ সেলেনিয়ামের একটি ভাল উত্সও। চতুর্থাংশ কাপ বীজে ১৯ মাইক্রোগ্রাম সেলেনিয়াম থাকে। টুনা ফিশ, ঝিনুক, বাতা, চিংড়ি, সালমন, কাঁকড়া ইত্যাদি সামুদ্রিক খাবারে প্রচুর পরিমাণে সেলেনিয়াম পাওয়া যায়। পনির সেলেনিয়ামের একটি ভাল উৎস ও। এক কাপ কুটির পনির মধ্যে প্রায় ২০ মাইক্রোগ্রাম সেলেনিয়াম থাকে।এ ছাড়া মাশরুম, ওটস, পালং শাক, দুধ, দই, কাজু, মসুর, কলা ইত্যাদিতে সেলেনিয়ামের পরিমাণ ভালো থাকে। অতএব, আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে এগুলি খাওয়া উচিত।​কাদের কম সেলেনিয়াম খাওয়া উচিতসেলেনিয়াম খাবারগুলি প্রত্যেকের জন্য উপকারী। তবে কিছু রোগ এবং পরিস্থিতিতে আপনার শরীর সেলেনিয়াম হজম করতে অক্ষম হতে পারে। সুতরাং নিম্নলিখিত সমস্যাগুলির যদি আপনার কোনও সমস্যা থাকে তবে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার পরে আপনার কেবল সেলেনিয়াম খাবার খাওয়া উচিত। যদি আপনার কিডনি ডায়ালাইসিস হয়।আপনি যদি এইচআইভি পজিটিভ হন।আপনার যদি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা হয় । আপনি যদি হাইপোথাইরয়েডিজমের শিকার হন। ​সেলেনিয়ামের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াসেলেনিয়াম আমাদের প্রজনন, হার্ট, ইমিউনিটি, থাইরয়েড, ডিএনএ উত্পাদন এবং সংক্রমণের ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এটি শরীরে অ্যান্টিবডি বাড়াতে সাহায্য করে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এইভাবে সেলেনিয়াম ভাইরাস ব্যাকটিরিয়াজনিত সংক্রমণ দূর করতে সহায়তা করে। সেলেনিয়াম শরীরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসাবে কাজ করে যা হার্ট অ্যাটাক, হাঁপানি, ক্যানসার এবং এথেরোস্ক্লেরোসিসের মতো রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। সেলেনিয়াম যদি কারোর শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণে পৌঁছে যায় তবে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সুতরাং আপনার শরীরের যতটা সেলেনিয়াম খাওয়া উচিত। এর অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে ডায়রিয়া, অবসন্নতা, চুল পড়া, জয়েন্টে ব্যথা, ত্বকের সমস্যা অর্থাৎ ত্বকের রং পরিবর্তন, পেটের সমস্যা, বমি বমিভাব, শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Is It Safe To Delay Your Period For Your Holiday – ট্যাবলেটেও পিছিয়ে যায় পিরিয়ড! কতটা নিরাপদ? এক ক্লিকে সব তথ্য | Eisamay

Period Delaying Tablets আসলে কি?নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে যে ঋতুস্রাব পেছাতেই ব্যবহার করা হয় এই ট্যাবলেট। কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে বা বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান থাকলেই এই ওষুধ খাওয়ার কথা ভাবেন অনেকেই। এই ওষুধ খেলে মোটামুটি ১৭ দিন পর্যন্ত আপনি পিরিয়ডস নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। তবে এই ওষুধের প্রভাব কতদিন থাকবে, কতটা মাত্রার খাবেন তা একমাত্র চিকিৎসকই বলতে পারবেন। এই ওষুধগুলি কীভাবে কাজ করেপিরিয়ডসের উপর ইস্ট্রোজেন আর প্রোজেস্টেরন এই দুইয়ের প্রভাব থাকে। এই ডিলেয়িং ট্যাবলেটের মধ্যে Norethisterone নামের একটি যৌগ উপস্থিত থাকে যা কৃত্রিম ভাবে প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে পিরিয়ডস পিছিয়ে যায় পিরিয়ড ডিলেয়িং ট্যাবলেটের ধরনমূলত এই ট্যাবলেট দুরকমের হয়। এই ওষুধগুলির তিনটি ভাগ থাকে এবং খাওয়ার নিয়মও আলাদা।ফেজিক পিল- একটা প্যাকেটে ২১ টা করে ট্যাবলেট থাকে। প্রতি সাতটার রঙের তারতম্য থাকে। একটা একটা রং ভিন্ন হরমোনের জন্য। একটা ওষুধ আজ খেলে ঠিক সাতদিন পর একই সময় মেনে বাকি ওষুধ খেতে হবে। মোটামুটি এই রকম একটা নিয়ম থাকে। তবে কীভাবে খাবেন তা চিকিৎসকই বলে দেবেন। মিনি পিল- এই ওষুধে একটা পাতায় সাতটা ট্যাবলেট থাকে। আর এই ওষুধ ইস্ট্রোজেনের ক্ষরণ কমিয়ে দেয়। একটা পাতা শেষ হলে কোনও গ্যাপ না দিয়েই অন্য পাতা শুরু করা যেতে পারে। গর্ভনিরোধক বড়ির সঙ্গে ফারাকপিরিয়ড পিছিয়ে দেওয়ার ওষুধ আর গর্ভনিরোধক বড়ি এক নয়। এই পিছিয়ে দেওয়ার ওষুধ কিন্তু শুধুমাত্র ১৭ দিনের জন্য পিরিয়ড পিছিয়ে দেয়। আর গর্ভনিরোধক ট্যাবলেটে ডিম্বাশয় থেকে ডিম নির্গত হতেও দেয় না। আর তাই যদি মনে করেন যে কন্ডোম ছাড়াই সহবাস করে পিরিয়ড ডিলেয়িং ট্যাবলেট খাবেন, এরকম ধারণা রাখবেন না। এই ট্যাবলেট কিন্তু গর্ভবতী হওয়া থেকে আটকায় না। কখন খাবেনআপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে তবেই এই ওষুধ কিনুন। যাঁরা প্রতিদিন হরমোন, থাইরয়েডের ওষুধ খান তাঁদের ক্ষেত্রে এই পিল কতটা কাজ করবে তাও চিকিৎসকের কাছে জেনে নিন। সাধারণত পিরিয়ডসের নির্ধারিত দিনের তিনদিন আগে তিনবার ট্যাবলেট খেতে হয়। একটা সকালে একটা দুপুরে একটা রাতে খাওয়ার পর। তবে একসঙ্গে দুটো কখনই নয়। কোনও ট্যাবলেট সকালে ভুলে গিয়েছেন বলে পরে বা বিকেলে খাবেন এমন নয়।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Are You Suffering From Bad Breath? Here’s What You Can Do – মুখে দুর্গন্ধ নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগেন? জেনে নিন কিছু ঘরোয়া টোটকা | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মুখে দুর্গন্ধ, অস্বাস্থ্যকর নিশ্বাস যেমন লজ্জায় ফেলে দেয়, তেমনই ক্ষতি করে স্বাস্থ্যেরও। বেশির ভাগ সময়ই বড়সড় সমস্যা নয়, আমাদেরই ছোটখাট বদ অভ্যাস, অনিয়মের কারণে নিশ্বাসে দুর্গন্ধের সমস্যা দেখা দেয়। মুখে দুর্গন্ধ থাকলে কারও কাছাকাছি যাওয়ার আগে এর জন্য হীনমন্যতায় ভোগেন। কিছু বদঅভ্যাস বা শারীরিক কিছু গোলমালের জন্য মুখে দুর্গন্ধ হয়ে থাকে। কিন্তু কী কী কারণে মুখে গন্ধ হতে পারে? কী কী কারণে মুখে গন্ধ হতে পারে?১। দাঁতে ক্যাভিটি২। দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে থাকা৩। অগোছালো দাঁতের গঠন৪। অপরিষ্কার দাঁত৫। অপরিষ্কার জিভএ ছাড়াও অভ্যাসগত ও শারীরিক কিছু কারণের জন্যও মুখে গন্ধ হতে পারে। যেমন-১। অনেক ক্ষণ খালি পেটে থাকা২। খাবার ঠিক ভাবে না চিবনো৩। মাড়ির সমস্যা৪। ডিহাইড্রেশন৫। ভিটামিনের অভাব৬। ডায়াবেটিস৭। লিভারের অসুখ৮। হার্নিয়ামুখের দুর্গন্ধ দূর করার কিছু ঘরোয়া টোটকা জানুন।১। মৌরি- মুখশুদ্ধি হিসেবে খুব ভাল কাজ করে মৌরি। খাওয়ার পর এক চামচ মৌরি রাখুন মুখে। এতে মুখে দুর্গন্ধও হবে না, হজমও ভাল হবে। যদি আপনার মুখে বাজে গন্ধ হওয়ার প্রবণতা থাকে তবে এক কাপ গরম জলে এক চামচ মৌরি দিয়ে পাঁচ-১০ মিনিট রেখে এই জল দিনে দু’বার খান।২। দারচিনি- দারচিনির মধ্যে সিনামিক অ্যালডিহাইড থাকে। এই এসেনশিয়াল অয়েল মুখের ব্যাকটেরিয়া কমিয়ে বাজে গন্ধ রুখতে সাহায্য করে। এক কাপ জলের মধ্যে এক চামচ দারচিনি গুঁড়ো ফুটিয় সেই জল দিনে দু’বার মুখে ধুয়ে নিন। এই জলে তেজপাতাও মেশাতে পারেন।৩। মেথি- মুখের যে কোনও ইনফেকশন সারাতে অব্যর্থ মেথি। এক কাপ জলে এক চা চামচ মেথি দিয়ে ফুটিয়ে ছেঁতে নিয়ে এই চা দিনে এক বার খেলে মুখের গন্ধ দূর হবে।৪। লবঙ্গ- মুখের মধ্য কয়েকটা লবঙ্গ ফেলে রাখুন। চিবোতে থাকলে লবঙ্গের রস মুখের দুর্গন্ধ দূর করবে। এক কাপ জলে এক চা চামচ লবঙ্গ দিয়ে পাঁচ থেকে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। দিনে দু’বার এই লবঙ্গ চা খান।৫। পার্সলে- ক্লোরোফিল নিশ্বাসের দুর্গন্ধ রুখতে পারে। একটা-দুটো পার্সলে পাতা চিবিয়ে খান। ভিনিগারে ডুবিয়ে রেখেও পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। এই পাতার রস করে খেলেও দুর্গন্ধ কমবে, হজমও ভাল হবে।৬। লেবুর রস- এক কাপ জলে এক টেবিল চামচ লেবুর রস, নুন মিশিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। মুখ শুকিয়ে যাবে না, দুর্গন্ধও দূর হবে।৭। অ্যাপল সিডার ভিনিগার- খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস জলে এক টেবিল চামচ ভিনিগার মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেয়ে নিন। এতে হজম ভাল হবে, দুর্গন্ধও কাটবে। এই জল দিয়ে গার্গলও করুন।৮। বেকিং সোডা- এক গ্লাসে গরম জলে আধ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ভাল করে কুলকুচি করে মুখ ধুয়ে নিন। বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত মাজলেও উপকার পাবেন।৯। টি ট্রি অয়েল- টি ট্রি অয়েল যুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজুন। দাঁত মাজার সময় যে কোনও টুথপেস্টের সঙ্গে টি ট্রি অয়েল, পেপারমিন্ট অয়েল বা লেমন অয়েল মিশিয়ে নিলেও উপকার পাবেন।১০। চা- খুব ভাল অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের কাজ করে চা। দুধ ছাড়া চা বা হার্বাল টি খেলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Myokymia: 7 Reasons For Eye Twitching – চোখের পাতা কাঁপে কেন? জানুন আসল কারণ…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আপনার ডান চোখের পাতা লাফাচ্ছে! তাহলে আজ আর অফিসে যাবেন না। নির্ঘাত্‍ কোনও অঘটন ঘটবেই ঘটবে। আর যদি বাম চোখের পাতা লাফায়, তাহলে বিন্দাস বাইরে বেরোন। খোশমেজাজেই কাটবে সারাদিন।অনেকেই এই প্রচলিত কুসংস্কারে বিশ্বাস করে থাকেন। কিন্তু কেন চোখের পাতা লাফাচ্ছে, সেই কারণটা একবারও ভাবেন না। প্রধাণত পেশীর সংকোচনের ফলেই চোখের পাতা লাফায়। ডাক্তারি ভাষায় এই রোগটির নাম Myokymia। দিনে দু-একবার হলে সেটি স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। কিন্তু সেটা যদি মাত্রারিক্ত হয় ও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। চোখের পাতা যে কাঁপছে, তা হয়তো পাশের কোনও ব্যক্তি দেখে ফেলেছেন বলে অনেকের ভুল ধারণা থাকে। আদতে, চোখের পাতা এত দ্রুত কেঁপে ওঠে, তা আপনি ছাড়া দ্বিতীয় আর কেউ দেখতে বা বুঝতে পারেন না।চোখের পাতা কাঁপা বা লাফানোর পিছনে ৭টি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার লক্ষণ রয়েছে। তা হল,১। মানসিক চাপ: কোনও কঠিন মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে গেল শরীর বিভিন্ন উপায়ে তার প্রতিক্রিয়া দেখায়। চোখের পাতা লাফানো মানসিক চাপের লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পেতে পারে। ২। ক্লান্তি: পরিমিত ঘুমের অভাব বা অন্য কোনও কারণে ক্লান্তি থেকেও চোখের পাতা লাফানো শুরু হতে পারে। এর জন্য দরকার ঘুম। তাহলেই ঠিক সেরে যাবে। ৩। দৃষ্টি সমস্যা: দৃষ্টিগত কোনও সমস্যা থাকলে চোখের উপর চাপ পড়ে। অনেকক্ষণ ধরে টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনের স্ক্রীনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের দৃষ্টিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এই সব সমস্যা থেকে চোখের পাতা লাফানো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ৪। ক্যাফিন এবং এ্যালকোহল: অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, ক্যাফিন এবং এ্যালকোহল অতিরিক্ত সেবনে চোখের পাতা লাফাতে পারে। তাই এইসব বর্জন করাই শ্রেয়। ৫। চোখের শুষ্কতা: কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা, অতিরিক্ত এ্যালকোহলের প্রভাব, চোখে কন্ট্যাক্ট ল্যান্স ঠিকমতো না বসানো কিংবা বয়সজনিত কারণে চোখের মধ্যেকার নার্ভ দুর্বল হয়ে পড়ে। চোখের শুষ্কতার কারণে চোখের পাতা লাফায় বলে চক্ষু চিকিৎসকরা মনে করেন। ৬। পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা: পুষ্টির ভারসাম্যহীনতাকেও চোখের পাতা লাফানোর একটি কারণ হিসেবে দেখানো হয়।।বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাব জনিত কারণে এমনটি হতে পারে। ৭। এলার্জি: যাঁদের চোখে এলার্জি আছে, তাঁরা অনবরত চোখ চুলকান।ফলে চোখের জলের সঙ্গে হিস্টামিনও নির্গত হয়। এর কারণে চোখ কাঁপে বলে অনেকেই মনে করেন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Care Tips in Bengali: Red Apple Or Green Apple, Which One Is Healthier? – লাল আপেল না সবুজ, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ভালো কোনটা?

হাইলাইটসলাল আপেলের স্বাদ মিষ্টি, এটি রসালো এবং এর খোসা পাতলা। কিন্তু সবুজ আপেলের টক টক স্বাদ এবং এর খোসা মোটা। মিষ্টি স্বাদের জন্য সাধারণ ভাবে মানুষ সবুজ আপেলের থেকে লাল আপেল বেশি পছন্দ করেন। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একটা করে আপেল থারলে যে ডাক্তারের প্রয়োজন পড়ে না, সেতো ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি। কিন্তু সেটা কোন আপেল? আমাদের চেনাজানা লাল আপেল, নাকি সবুজ আপেল? আপেলের অনেক গুণ। তবে মনে করবেন না যে সবুজ ও লাল আপেলের মধ্যে একমাত্র পার্থক্য এদের খোসার রং। এই দুই ধরনের আপেলের মধ্যে স্বাদেও পার্থক্য আছে। আবার লাল ও সবুজ আপেলের মধ্যে পুষ্টিগুণেরও হেরফের রয়েছে। আপেলের হাই ফাইবার, সহজে হজম হওয়ার ক্ষমতা, প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খাদ্যগুণ আপেলকে ফলের রাজা বানিয়েছে। তবে সবুজ আর লাল আপেলের মধ্যে তুলনা টানলে জিতবে কে?লাল আপেলের স্বাদ মিষ্টি, এটি রসালো এবং এর খোসা পাতলা। কিন্তু সবুজ আপেলের টক টক স্বাদ এবং এর খোসা মোটা। মিষ্টি স্বাদের জন্য সাধারণ ভাবে মানুষ সবুজ আপেলের থেকে লাল আপেল বেশি পছন্দ করেন। অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম সবুজ আপেলের চাষ শুরু হয়। মারিয়া অ্যান স্মিথ নামে এক মহিলা প্রথম সবুজ আপেলের চাষ করায় এই ধরনের আপেলকে গ্র্যানি স্মিথ আপেলও বলা হয়। ফ্রান্সের ক্র্যাব আপেল এবং রোম বিউটির হাইব্রিড করে ১৮৬৮ সালে প্রথম সবুজ আপেল উত্‍পন্ন করা হয়। ঘ্রাণশক্তি হারিয়ে গেলে চিন্তা নয়, বরং ঝুঁকি কম করোনা রোগীদের দুই ধরনের আপেলেই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। এছাড়া আপেলে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, পেকটিন, কোয়ারেকটিন এবং ফ্ল্যাভোনয়েড। এর ফলে আপল আমাদের শরীরে কোষের ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করে, হার্টের অসুখ এবং লিভারের অসুখ থেকেও আমাদের বাঁচানোর ক্ষমতা আছে আপেলের মধ্য়ে। এছাড়া আপেলের ক্যালোরি কাউন্ট অত্যন্ত কম হওয়ায় ওজন কমানোর সহায়ক হিসেবেও কাজ করে আপেল। রোজের মেনু থেকে জাস্ট একটা খাবার বাদ দিয়েই ৫ মাসে ২০ কেজি ওজন কম! সবুজ ও লাল আপেলের মধ্যে পুষ্টিগুণ প্রায় এক। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে সবুজ আপেলে খাদ্যগুণ বেশি থাকে। সবুজ আপেলে সুগার ও কার্বের পরিমাণ কম থাকে। অন্যদিকে ফাইবার, প্রোটিন, পটাসিয়াম, আয়রন ও ভিটামিন কে বেশি মাত্রায় থাকে। তবে এই পার্থক্যটা খুবই সামান্য। কিন্তু লাল আপেলের সঙ্গে সবুজ আপেলের তফাত্‍ করিয়ে দেয় ভিটামিন এ। লালের তুলনায় সবুজ আপেলে দ্বিগুণ বেশি পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। তবে লাল আপেলে কিন্তু সবুজের থেকে অনেক বেশি পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। ভিটামিন এ বেশি থাকায় সবুজ আপেল দৃষ্টিশক্তি উন্নত, হাড়ের শক্তি বাড়ানো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর কাজে বেশি উপকারী। তবে সবুজের থেকে লাল আপেল বেশি পাওয়া যায় বলে এটিই বেশি খাওয়া হয়ে থাকে। আর লাল আপেল খেলেও উপকার কিছু কম পাবেন না।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link