Tag Archives: health tips for winter

Health Tips in Bengali: Diet Tips: Which Fruit Is Best In Winter In Bengali – সুস্থ থাকতে মন ভরে খান শীতকালে! রইল একডজন সুপারফুডের হদিশ

হাইলাইটসশীতের দিনে বিট রোজের খাদ্যতালিকায় রাখতেই হবে, এতে নাইট্রেটের পরিমান বেশি থাকায় ব্লাড প্রেসার ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে, উপস্থিত পেকটিন শর্করা কনস্টিপেশান দূর করেএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: “শীতের হাওয়ায় লাগল নাচন আমলকির এই ডালে ডালে”- কবিগুরুর গান যেমন আমাদের মন ভাল রাখে তেমনই শীতের কিছু সবজি ও ফল আমাদের শরীর ও মন দুটোই ভালো রাখতে সাহায্য করে। যদিও এখন সবরকম সবজি ও ফল সারাবছরই পাওয়া যায়, কিন্তু মরসুমি ফল বা সবজির পুষ্টিগুণ সর্বদাই বেশী। শীতকালে এমন কিছু সবজি ও ফল পাওয়া যায় যার পুষ্টিগুণ অপরিসীম, সেগুলোর কথাই আজ বলব। ১. প্রথমেই আসি এমন এক সবজির কথায় যাকে মিরাকল ট্রি বলা হয়, যার পাতা, ফল মূল, বীজ, ফুল সবটাতেই রয়েছে ভরপুর পুষ্টিগুণ। তা হল সজনে বা মরিঙ্গা। সজনে পাতায় রয়েছেপ্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, সি, বি কমপ্লেক্স ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, বিটা ক্যারোটিন ও অ্যামাইনো অ্যাসিড। isothiocyanate-এর উপস্থিতির জন্য সজনেতে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়্যাল ধর্ম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রূপে রয়েছে quercetin যা ব্লাড প্রেসার কমাতে সাহায্য করে। রয়েছে chlorogenic acid যার নিয়মিত গ্রহণে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিদিন সজনে পাতার রস বা মরিঙ্গা ট্যাবলেট খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়, এছাড়াও যাঁরা anti টিউবারকিউলসিস ওষুধ খান তাদের লিভার ড্যামেজ থেকেও রক্ষা করে।২.শীতের দিনে বিট রোজের খাদ্যতালিকায় রাখতেই হবে, এতে নাইট্রেটের পরিমান বেশি থাকায় ব্লাড প্রেসার ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে, উপস্থিত পেকটিন শর্করা কনস্টিপেশান দূর করে, ওজন কমাতেও সহায়ক এটি।ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের উপস্থিতি হাড়ের জন্য উপকারী।বিটে রয়েছে প্রচুর ফোলেট যা মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে, এছাড়াও ভিটামিন এ, লিউটিন ক্যারটিনওয়েড থাকে, যা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রূপে কাজ করে ইমিউনিটি বজায় রাখে।৩. বিটের সঙ্গী সর্বদাই গাজর,প্রচুর বিটা ক্যারোটিন, বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন কে এর উপস্থিতি রক্তে কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমায়, লো গ্লাসেমিক ইনডেক্স হওয়ায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করে, লিউটিন চোখের কার্যক্ষমতা ভালো রাখে, হার্টের কার্যক্ষমতা ভালো রাখতেও বিট উপকারী।এতে উপস্থিত পলি acetylene লিউকেমিয়ার জন্য উপকারী।৪. ফুলকপিকে কিন্তু সুপার ফুড বলাই যায়, এতে রয়েছে প্রায় ৯২%জল যা শরীরকে হাইড্রেট রাখে , প্রচুর পরিমাণ ফাইবার যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়াও এর মধ্যে উপস্থিত গ্লুকোসিনলেট লালা রসের সংস্পর্শে এসে আন্টি ক্যানসার যৌগ তৈরি করে। রোজকার ডায়েটের ১৭% ভিটামিন সি, ২০% ভিটামিন কে ও ফলিক অ্যাসিড আমরা ১০০ গ্রাম ফুলকপি থেকে পাই। যথেষ্ট পরিমাণে ফাইটোক্যামিক্যাল ও আন্টি অক্সিড্যান্ট এর উপস্থিতিই একে সুপারফুড বানিয়েছে, উপস্থিত কোলিন ব্রেন এর কার্যক্ষমতা উন্নতিতে সাহায্য করে।তবে যাদের হাইপো থাইরয়েডের সমস্যা আছে তারা খুব বেশি পরিমানে খাবেন না৫. শীত মানেই জলখাবারে কড়াইশুটির কচুরি আর আলুর দম। এই কড়াইশুটিকে বলা হয় ভিটামিনের পাওয়ার হাউস। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন কে, এছাড়াও থাকে ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম। কড়াইশুটি কিন্তু প্রোটিনেও ভরপুর। পলিফেনল এর উপস্থিতি ক্যানসার, হার্টের সমস্যা ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়াও স্যাপোনিনের উপস্থিতি ক্যানসারের প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে।তবে অনেক ক্ষেত্রে ফাইটিক অ্যাসিডের উপিস্থিতির জন্য অধিক গ্রহণে আয়রনের শোষন ব্যাহত হতে পারে।৬. ফুলকপির সহোদর বলা হয় যাকে তা হলো ব্রকোলি, যাতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন সি, যা কষ্ঠোকাঠিন্য দূর করে ও ইমিউনিটি রক্ষায় সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম এর উপিস্থিতি হাড়ের গঠনে সাহায্য করে । ভিটামিন কে হার্টের সমস্যা প্রতিরোধ করে। এছাড়াও যাঁদের অ্যানিমিয়া আছে তাঁদের জন্য ভালো ব্রকোলি। ৭. শীতকালে কমলালেবু হাতে রোদ পোহাতে ভালোবাসেনা এমন মানুষ বোধহয় কেউ নেই। ভীষণ উপকারী একটি ফল কমলালেবু। সাধারণত যাদের কিডনির সমস্যা আছে তারা লেবু জাতীয় ফল খেতে পারেন না, কিন্তু কমলালেবু তারা খেতে পারেন। এটি ওজন কমানোর জন্যও উপকারী, কম ক্যালোরি যুক্ত এই ফলে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, তাই শুধু ওজন নয় ব্লাড প্রেসার ও সুগার কমাতেও উপকারী এই ফল। সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের পরিমান কম থাকায় হার্টের রোগীরাও নির্ভয়ে খেতে পারেন। কোলিন ও জিয়ানথিনের উপস্থিতি নার্ভ, চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী।৮. ওজন, ব্লাড সুগার ও প্রেসার নিয়ন্ত্রণের জন্য শীতকালের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ফল হল পানিফল যা লিভারের টক্সিন কমানোর জন্যও বেশ উপযোগী। আয়োডিনের উপস্থিতি থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের কার্যকারিতা বাড়ায়। পলিফেনল ও ফ্ল্যাভিনয়েড আন্টি ভাইরাল যৌগ হিসাবে কাজ করে। পানিফল এর থেকে মিনারেল সমৃদ্ধ আটাও আমরা পেয়ে থাকি যা গ্লুটেন ফ্রি, তাই আইবিএস পেশেন্ট দের জন্য বেশ উপকারীআরও পড়ুন: এই নিয়মগুলি মানলেই সুস্থ থাকবেন শীতে! জেনে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ৯. শীতকালের আরেকটি সুপারফুড হলো বেদানা, যার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড। বেদানায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ গ্রীন টি-এর প্রায় দ্বিগুণ। atherosclerosis নিরোধে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ব্লাড প্রেসার ও সুগার কমাতে দেহের অক্সিজেন মাস্ক হিসাবে বেদানার কদর সর্বত্র।এছাড়াও কার্টিলেজের ইনজুরি কমিয়ে অর্থারটিস প্রতিহত করায়। নিয়মিত গ্রহণে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন ও উপকার পাওয়া যায়।১০. ভিটামিন সি এর আরেকটি উৎস হলো পালং শাক যাতে আরও রয়েছে ভিটামিন এ ও কে, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে ইমিউনিটি বজায় রাখে।১১. শীতের আরও একটি জনপ্রিয় ফল হল আঙুর। কালো ও নীল আঙুরে বেশি অন্থসায়ানীন থাকে। এছাড়াও বিটা ক্যারোটিন, লাইকোপিন, ইলজিক অ্যাসিড, quercetin , catechin ইত্যাদি অ্যান্টি ক্যানসার উপাদান থাকে। হার্টের সমস্যা থেকে কোলেস্টেরল সবই থাকে নিয়ন্ত্রণে। ১২. শীতে আমলকি ছাড়া চলেই না। অনেক বাড়িতেই এই সময় আমলকি কিনে রোদে শুকিয়ে সারা বছরের জন্য তৈরি করে রাখা হয়। সব ফলের মধ্যে একমাত্র আমলকিতে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি-এর উপস্থিতিই একে অনন্য করে তুলেছে। এছাড়াও রয়েছে পলিফেনল যা হজমশক্তি বৃদ্ধি, লিভার এর কার্য ক্ষমতা উন্নতিতে বিশেষ প্রয়োজনীয়।আর তাই শীতকালে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খেলে, ব্যায়াম করলে এবং একটা নিয়মের মধ্যে দিয়ে চললে এর ফল পাবেন সারা বছর। তথ্য: রাখী চট্টোপাধ্যায়, ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও ডায়াবিটিস এডুকেটরএই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Hot Or Cold Water Bath In Winter: শীতকালে স্নানের সঙ্গে আড়ি নয়! জানুন কীভাবে কনকনে ঠান্ডাতেও থাকবেন ফ্রেশ – tips to take shower the right way in winters!

নভেম্বরের শেষ থেকেই এবার জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। জেলার সব বাড়িতেই লেপ-কম্বল নেমেছে আলমারি থেকে। দুপুর গড়াতেই নামতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। প্রচুর মানুষ আছেন যাঁরা শীত পড়লেই স্নান করা বন্ধ করে দেন। বাথরুমে ঢুকতে হবে শুনলেই যেন গায়ে জ্বর আসে। স্নান না করেই সপ্তাহে দিন তিনেক অনায়াসে কাটিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন তাঁরা। গায়ের দুর্গন্ধ ঢাকতে প্রচুর পরিমাণে পারফিউম স্প্রে করলেও যত সমস্যা কিন্তু তেল-সাবানে। আবার উল্টোটাও অনেকে করেন। সারা বছরের মতো শীতেও গায়ে ঠান্ডা জল ঢেলে স্নান করেন। তবে শীতে গরম জলে স্নান করার অভ্যেস থাকে সিংহভাগের। বিশেষত যাঁদের শরীরে কোনও ব্যথা থাকে। তাঁদের প্রতিদিন হালকা গরম জলে স্নান করাই ভালো। কিন্তু প্রতিদিন গরম জলে স্নান করলে শরীর গরম হয়ে যায়। এছাড়াও চুল, ত্বকের ক্ষতি হয়। তবে শীতেও প্রতিদিন সাবান মেখে স্নান করতেই হবে। প্রয়োজন মত তেল বা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। পছন্দমতো ঠান্ডা বা গরমজল বেছে নিন। কিন্তু প্রতিদিন আবার গরম জলে স্নান করা চলবে না। দেখে নিন কীভাবে শীতেও থাকবেন ফ্রেশ। প্রতিদিন স্নান করতে হবেশীত মানেই স্নানকে ভয় নয়। স্নান নিয়মিত না করলে শীতে ঠান্ডা লাগা, ত্বকের সমস্যা এসব থাকবেই। তাই সুস্থ থাকতেই পরিষ্কার থাকতে হবে। এছাড়াও শীতে একটু বেশিই খাওয়া দাওয়া হয়। খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে নিয়মিত স্নান না করলেই পেট গরম হবে। আর শীতকালে আমাদের শরীরে বেশি জামাকাপড় থাকে। ফলে শরীরও গরম থাকে। আর তাই স্নান না করে গরম জামা পরে ঘুমোলে হৃদরোগের সম্ভাবনাও থেকে যায়। জলের তাপমাত্রাখুব ঠান্ডাও নয় আবার খুব গরমও নয়। যে তাপমাত্রায় গায়ে জল ঢাললে আরাম হবে সেই রকম জল নিন। যদি প্রতিদিন ঠান্ডা জলেই স্নান করার অভ্যেস থাকে তাহলে তাই করুন। একদম গরম জল গায়ে ঢালবেন না। হট ওয়াটার আর ওয়ার্ম ওয়াটারের মধ্যে কিন্তু ফারাক রয়েছে। প্রতিদিন গায়ে গরম জল ঢাললে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকের জল ধরে রাখার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। বডি ওয়াশসাবান আমাদের শরীরকে বেশি শুষ্ক করে দেয়, কিন্তু বডি ওয়াশ শরীরকে পরিষ্কার করার পাশাপাশি আর্দ্রতাও বজায় রাখে। তবে লোভাতে বডিওয়াশ নিয়ে গা-হাত-পা পরিষ্কার করুন। অ্যালকোহল যুক্ত কোনও বডি ওয়াশ ব্যবহার করবেন না। শীতের উপযোগী প্রচুর বডিওয়াশ পাওয়া যায়য়। সেগুলোই দেখে কিনুন। তবে বডি ওয়াশ লাগানোর আগে কিন্তু স্ক্রাবিং করে নিতে ভুলবেন না। টাওয়াল দিয়ে গা মুছতে হবেভেজা গায়েই বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসবেন না। নরম টাওয়াল দিয়ে ভালো করে গা মুছতে হবে। ফ্যানের হাওয়ায় গা শুকনো যেমন ক্ষতিকারক, তেমনই ত্বকের জন্যও খারাপ। কারণ স্নান করলে গা ঠান্ডা থাকে। বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে তা খাপ খায় না। তাই শুকনো করে মুছে তবেই ঘরে আসুন। তেল মাখুনআগেকার দিনে শীতকাল মানেই উঠোনে বসে সরষের তেল অথবা নারকেল তেল মাখার রেওয়াজ ছিল। ভালো করে রোদে বসে তেল মেখে তবেই সবাই স্নান করতেন। কিন্তু এখন তা কেউই করেন না। আর এভাবে বসে তেল মাখার সুযোগ নেই। তাই লাস্ট দুমগ জল ঢালা যখন বাকি থাকবে তখন দু ফোঁটা তেল মিশিয়ে নিন। অথবা যদি সাবান মাখার পর তেল মাখেন তখন দু মিনিট ম্যাসেজ করে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। ময়েশ্চারাইজার লাগানশুকনো করে গা মুছে তবেই ময়েশ্চারাইজার লাগান। পিঠে, হাতে, পায়ে ভালো করে লাগাবেন। কোনও ভাবেই যাতে খসখসে ভাব না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। ময়েশ্চারাইজার মেখে ভালো করে শীতের জামা পরে নিন। এতে ত্বক পরিষ্কার থাকবে আর ভালোও থাকবে। সেই সঙ্গে বজায় থাকবে আর্দ্রতা।

Source link