Tag Archives: Health Tips in Bengali

Health Tips in Bengali: 5 Signs You Have A Weakened Immune System – আপনার শরীরের ইমিউনিটি কি কমে যাচ্ছে? বুঝে নিন এই ৫ লক্ষণে… | Eisamay

হাইলাইটসসাধারণত মানুষ কিছু ইমিউনিটি নিয়েই জন্মায়। একে বলে ইনেট ইমিউনিটি। আর প্রকৃতিতে থাকতে থাকতে অর্জন করে অ্যাডাপ্টিভ ইমিউনিটি। এই ইমিউনিটিও দু’ভাগে বিভক্ত। একটা হল ন্যাচারালি অ্যাকোয়ার্ড। পরিবেশে থাকতে থাকতে বিভিন্ন ভাইরাসের বিপক্ষে শরীর অনাক্রম্যতা তৈরি করে। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণত মানুষ কিছু ইমিউনিটি নিয়েই জন্মায়। একে বলে ইনেট ইমিউনিটি। আর প্রকৃতিতে থাকতে থাকতে অর্জন করে অ্যাডাপ্টিভ ইমিউনিটি। এই ইমিউনিটিও দু’ভাগে বিভক্ত। একটা হল ন্যাচারালি অ্যাকোয়ার্ড। পরিবেশে থাকতে থাকতে বিভিন্ন ভাইরাসের বিপক্ষে শরীর অনাক্রম্যতা তৈরি করে। একে বলে ন্যাচারালি অ্যাকোয়ার্ড অ্যাডাপ্টিভ ইমিউনিটি। অন্যটি হল আর্টিফিশিয়ালি অ্যাকোয়ারড বা কৃত্রিম ইমিউনিটি। ইমিউনিটি সক্রিয় হলে তা সারাজীবন সুরক্ষা দিতে পারে। করোনাকালে ওষুধের দোকান বা অনলাইন মার্কেট… সর্বত্রই বিকোচ্ছে ইমিউনিটি বুস্টার। খাদ্যতালিকাও সাজানো হচ্ছে ইমিউনিটি বর্ধক খাবারে। রোজই বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাকটিরিয়ার সম্মুখীন হই সকলে। শরীর নিজের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় তার সঙ্গে যুঝতেও সক্ষম। তাই ইমিউনিটি হেলাফেলার নয়, তা জরুরিও বটে! শরীরে ইমিউনিটি কি কমে যাচ্ছে কিনা তা বুঝবেন কী করে?অ্যালার্জির সমস্যা-অনেকেরই মাঝে মাঝে নানা রকম অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দেয়। আবহাওয়ার পরিবর্তনে জ্বর, সর্দি-কাশিতেও ভুগতে হয়। যদি কোনও খাবার থেকে ত্বকে জ্বালা, চুলকানির মতো অস্বস্তি শুরু হয়, যদি চোখ থেকে অনবরত জল পড়তে থাকে বা হঠাৎ করে পেটের সমস্যা বেড়ে যায়, তবে তা দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।রোগ সারাতে ম্যাজিকের মত কাজ করে বেদানা চা, গুনাগুণ জানলে চমকে যাবেন আপনিও…ক্ষত সারতে সময় লাগে- যদি শরীরের কোনও অংশে কেটে বা ছড়ে যায় তা সারতে অনেক বেশি সময় লাগে বা সর্দি-কাশি, জ্বর অথবা কোনও রকম সংক্রমণ নিরাময় হতে অনেক বেশি সময় লাগে, তাহলে তা দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতার লক্ষণ বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। তবে ক্ষত সারতে সময় লাগলে তা ডায়াবেটিসের লক্ষণও হতে পারে।পেটের সমস্যা- যদি বারবার পেটের সমস্যা দেখা দেয়, কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের সমস্যা বা গ্যাস অম্বোলে ঘন ঘন ভুগতে হয়, তাহলে তা দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতার লক্ষণ বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে আন্দাজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই জরুরি।ওমলেট, সিদ্ধ না পোচ? ডিমের পদই বলবে ব্যক্তি হিসেবে আপনি কেমনঅবসন্ন, ক্লান্ত লাগলে-শরীর যদি বেশির ভাগ সময় অবসন্ন, ক্লান্ত লাগে বা পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও যদি শরীরে ঝিমুনি ভাব থেকে যায়, তাহলে বুঝতে হবে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা হয়তো সঠিক ভাবে কাজ করছে না। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।সর্দি-কাশি, জ্বর-যদি দেখেন, বছরের অধিকাংশ সময় সর্দি-কাশি, জ্বর-জ্বালা-সহ নানা শারীরিক সমস্যায় ঘন ঘন ভুগতে হচ্ছে বা অসুস্থ হলে সেরে উঠতে দীর্ঘদিন সময় লেগে যাচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা সঠিক ভাবে কাজ করছে না। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই জরুরি।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: How And When To Eat Cucumber To Lose Weight – সস্তার এই ফলের হাজার গুণ, উপকার পেতে কখন এবং কীভাবে খাবেন শসা? জানুন… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকালটা ভেজিটেরিয়ানদের জন্য আনন্দের মাস। এ সময়টায় যেন সবজি ভোজের উৎসবে মেতে থাকা। সারা বছরের খেদ মিটিয়ে দিতে এ তিন মাসের একদিনও কার্পণ্য করেন না। শুধু নিরামিষভোজীরাই নয়, আমিষ প্রিয়রাও শাকসবজির দিকে ঝুঁকেন এ সময়। সহজলভ্য শিশিরে ভেজা তাজা শাকসবজিই খাবারের প্রধান প্রসঙ্গ হয়ে ওঠে। অনেকে তো কাঁচাই খেয়ে ফেলেন এসব সবজি। শসা এমনই একটি সবজি যা শীত ও গরমের সব সময়ই পাওয়া যায়। ওজন হ্রাসেও দুর্দান্ত কাজ করে। শসাগুলিতে প্রচুর পরিমাণে জলের পরিমাণ থাকে এবং এতে ভিটামিন সি এবং কে এবং অন্যান্য গুণাবলী সহ প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকে যা ওজন হ্রাসকে সহায়তা করতে পারে। শসাতে অন্তত ৯৫ শতাংশ জল থাকে। শসাতে ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে প্রচুর পরিমাণে যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। চিকিৎসকরা বলেন, শসা মূত্রের পরিমাণ বাড়িয়ে রক্তচাপের পরিমাণও নিয়ন্ত্রণ করে। দেহে টক্সিন দূর করতে শসা ডায়েটে রাখা জরুরি।কীভাবে শসা ওজন কমাতে সহায়তা করতে পারেদিনে দিনে ফুলছেন বলে কি কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে? তা হলে সকাল-বিকাল একটু হাঁটহাঁটি করছেন না কেন শুনি! আরে মশাই, হাজার ঝামেলা। সকালে নটার মধ্যে অফিস ছুটতে হয়। তার আগে এক এক জনের এক এক রকমের ব্রেকফাস্ট। তা ছাড়াও রয়েছে ছোট-বড় হাজার রকমের কাজ। এত সব ঝক্কি সামলে প্রতিদিন হাঁটবো কখন বলুন? তাই শনি-রবিবার ছাড়া হাঁটাহাঁটির তেমন একটা সুযোগই মেলে না। আচ্ছা বলতে পারেন সপ্তাহে মাত্র দু’দিন কসরত করে কি আদৌ ওজন কমিয়ে (weight lose) ফেলা সম্ভব? আলবাত সম্ভব! শসা প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। তাই রোজ খেতে কোনও অসুবিধা নেই। থাকতে পারে স্যালাডে বা রায়তায়। শশায় জলের ভাগ থাকে অনেক বেশি। তাই এটি শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। রোজ খেলে ঝরে যায় মেদ। ৫২ গ্রাম শসায় ক্যালোরির পরিমাণ মাত্র ৮।ওজন কমানোর জন্য শসা খাওয়ার সেরা উপায়শসার স্যুপ খেতে পারেন। ওজন কমানোর জন্য শসার সুপ (cucumber soup) খেলেই ফল মিলবে! কীভাবে এমনটা সম্ভব? চারটে শসা, এক বাটি দই, ২-৩ চামচ মৌরি, এক কাপ ঠান্ডা জল এবং এক চামচ পাতি লেবুর রসের।পদ্ধতি-প্রতিটা শসার খোসা ছাড়িয়ে সেগুলি টুকরো করে নিয়ে ব্লেন্ডারে রাখুন। তারপর তাতে এক এক করে বাকি উপাদানগুলি যোগ করে মিনিটদুয়েক ব্লেন্ড করে নিন। যখন দেখবেন প্রতিটি উপাদান একে অপরের সঙ্গে ভাল করে মিশে গেছে, তখন ব্লেন্ডারটা বন্ধ করে দিন। যদি দেখেন মিশ্রণটা খুব ঘন হয়েছে, তাহলে আরও এক কাপ ঠান্ডা জল মিশিয়ে নিতে পারেন, তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে সুপ (cucumber soup)। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও ত্বকের পরিচর্যায়শসাতে অন্তত ৯৫ শতাংশ জল থাকে। দেহ ঠান্ডা শসাতে ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে প্রচুর পরিমাণে যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। চিকিৎসকরা বলথেন শসা মূত্রের পরিমাণ বাড়িয়ে রক্তচাপের পরিমাণও নিয়ন্ত্রণ করে। দেহে টক্সিন দূর করতে শসা ডায়েটে রাখা জরুরি। শসা ত্বকের ট্যান নির্মূলে দারুণ সাহায্য করে। শসার রস দই অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে চামড়ায় ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ট্যানিং-এর মাত্রা লঘু হয় একটি শসার টুকরো মুখের রাখলে তা ব্যকটেরিয়া নাশকের কাজ করে ফলে দুর্গন্ধ কমে।প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করেপ্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে। শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ জন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়।হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়কশসায় উচ্চমাত্রায় জল ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ ও সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।

Source link

Health Tips in Bengali: Covid-19 Recovery Diet: Home-Cooked Food Rich In Protein And Calories Key For Boosting Immunity – সদ্য করোনামুক্ত? ফিরতে চান পুরনো ডায়েটে? পড়ুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ | Eisamay

হাইলাইটসকরোনা আক্রান্ত হওয়ার আগে অনেকেই কড়া ডায়েটে থাকতেন। কিন্তু করোনার পর তাঁদের সেই ডায়েট পুরোপুরি পালটে ফেলতে হয়েছিল। কারণ অতিমারীর সঙ্গে মোকাবিলায় বেশি প্রোটিন আর ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার কথা বলা হয়েছিলএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: করোনার বেড়াজাল কাটিয়ে উঠে আসতে আসতে ছন্দে ফিরছে গোটা বিশ্ব। এই অতিমারী লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়েছে। যাঁরা জয় করেছেন করোনাকে, সুস্থ হওয়ার পরও তাঁদের শরীরে দেখা দিচ্ছে একাধিক সমস্যা। যাঁদের কোনও কালেই ডায়াবিটিস ছিল না, তাঁদের রক্তে একলাফে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি। এছাড়াও দুর্বল লাগা, বুকে ব্যথা, দীর্ঘমেয়াদি পেটখারাপ এসব তো আছেই। আর এই সবই প্রভাব পড়ে লাইফস্টাইলে। করোনা আক্রান্ত হওয়ার আগে অনেকেই কড়া ডায়েটে থাকতেন। কিন্তু করোনার পর তাঁদের সেই ডায়েট পুরোপুরি পালটে ফেলতে হয়েছিল। কারণ অতিমারীর সঙ্গে মোকাবিলায় বেশি প্রোটিন আর ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আর এর ফলে ওজনও বেড়েছিল ভালোই। সেই সঙ্গে ব্লাড সুগারের মাত্রাও বেড়েছে। আবার অনেকের একদম কমে গিয়েছে। ফলে আবারও অনেকেই ফিরতে চাইছেন হেলদি ডায়েট প্ল্যানে। তাহলে এখন উপায়? করোনা আক্রান্তের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রকম নতুন উপসর্গ দেখা যায় আক্রান্তের শরীরে, অনেক ক্ষেত্রে ওজনের তারতম্য, খিদে কমে বা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া, মাংস পেশির দুর্বলতা ইত্যাদি। এগুলো থেকে বাঁচতে উপায় কিন্তু হেলদি ডায়েট ও যোগাসন।যোগাসন ও এক্সারসাইজ এর ক্ষেত্রে বলি যাদের রক্ত তঞ্চন জনিত সমস্যা দেখা গেছিলো তারা ৪-৫ দিন পর থেকে কম ইন্টেনসিটি এর ব্যায়াম করুন। যা তাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াবে , সঙ্গে রক্ত সংবহন ও ভালো রাখবে।যারা নিউমোনিয়ার সমস্যায় ভুগছিলেন তারা মোটামুটি এক সপ্তাহ পর থেকে যোগাসন শুরু করতে পারেন, ভারী কিছু ব্যায়াম না করাই ভালো, তবে নিয়মিত রেসপিরাশন রেট ও হার্ট রেট মনিটর করতে হবে যদি কারুর হার্টের সমস্যা থাকে তাহলে হালকা প্রাণায়াম ছাড়া ১০-১২ দিন অন্য কিছু করা যাবে না। তারপর প্রতিদিন ১০ -১৫ মিনিট করে শুরু করতে হবেপ্রসঙ্গ খাওয়া দাওয়াকরোনার ট্রিটমেন্ট এর ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়তেই ব্যবহার করা হয় স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ, যা ব্লাড সুগার বাড়িয়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যাঁদের আগে ডায়াবিটিস- এর সমস্যা ছিল না তাদেরও করোনা থেকে সেরে ওঠার পরে ব্লাড সুগার কিন্তু বেশি থাকছে। তাই তাঁদের জন্য বলবো বেশি করে প্রোটিন, প্রচুর শাকসবজি, মরসুমি ফল,ও প্রচুর পরিমানে জল- এগুলোই দিতে পারে তাঁদের একটা হেলদি লাইফস্টাইল। ভাজাভুজি যতটা সম্ভব কম খেতে হবে, কারণ করোনা পরবর্তী সময়ে ডায়রিয়া হওয়ার বেশ সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই যে কোনো মানুষ যাঁদের আগে ডায়াবিটিস, হাই প্রেসার ইত্যাদির মতো কোনো লাইফস্টাইল ডিজিজ নেই তারা সেরে ওঠার ৪-৫দিন পর থেকেই হেলদি ডায়েটপ্ল্যানে আস্তে পারেন, সঙ্গে অবশ্যই চলবে যোগাসন ও প্রাণায়ম।যাঁরা আগে থেকেই ইমিউনো কম্প্রোমাইজড অর্থাৎ ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা , সি ও পি ডি বা ক্যানসার এ আক্রান্ত তাদের কিন্তু খুব সাবধানে থাকতে বলা হচ্ছে। কারণ আক্রান্ত হলে তাদের সেরে উঠতে বেশ সময় লাগছে। একই কথা প্রযোজ্য যারা বয়স্ক তাদের ক্ষেত্রেও। কোনো বয়স্ক বা ডায়াবেটিক পেশেন্ট সেরে ওঠার পর থেকেই শুরু করুন ডায়াবেটিক ডায়েট অর্থাৎ কম কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার। হোল গ্রেন সিরিয়ালস, শাকসবজি, ফল, লিন প্রোটিন যেমন চিকেন, ডিম, মাছ , সয়াবিন, ইত্যাদি, কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ও লোড যুক্ত খাবার থাকুক ডায়েটে।প্রতিদিন থাকুক টক দই, যা প্রোটিনের চাহিদা মেটাবে আবার ইনফেকশন কমাতেও সাহায্য করবে। নতুন বছরে সুস্বাস্থ্যের অঙ্গীকার ! জেনে নিন হেলদি ডায়েট টিপস…হেলদি নাটস যেমন আমন্ড, আখরোট খান একটু করে, হার্টের কার্যক্ষমতা ভালো রাখবে। দুটো মিল এর মাঝে বেশিক্ষন গ্যাপ দেবেন না, অঙ্কুরিত ছোলা খেতে পারেন রোজ। প্রোটিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দুই এরই চাহিদা মিটবে।ব্লাড সুগার মনিটর কিন্তু খুব ইম্পরট্যান্ট। এই সময় ডায়াবেটিক পেশেন্ট দের চোখ ও কিডনির সমস্যা দেখা যেতে পারে, তাই সেগুলোও মনিটর করা খুব দরকার। দেখতে হবে যেন এই সময় কোনো কাটা ছড়া না হয়, তাহলে কিন্তু সারতে বেশ সময় লাগবে।হেলদি ডায়েট ও যোগাসন এই দুই এর দ্বারা কিন্তু করোনা ও তার পরবর্তী সময় কে খুব সহজেই জয় করা সম্ভব। তথ্য: রাখী চট্টোপাধ্যায়, ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও ডায়াবিটিস এডুকেটরএই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Diabetes Management: Tips To Maintain Healthy Blood Sugar Levels During Winter – কেন শীতেই বাড়ে ব্লাড সুগার? জেনে নিন ঘরোয়া প্রতিকার… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা জরুরি। এই সময়ে তো আরও বেশি সচেতন হওয়া উচিত। পিঠাপুলির স্বাদ, বড়দিন আর বর্ষবরণের আমেজে কী খাব আর কী খাব না, সেটা আসলে মাথায় থাকে না। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, নির্দিষ্ট কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিলে এই দুনো শীতেও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এর মধ্যে আসছে পৌষ সংক্রান্তি। শুরু হবে পিঠাপুলি খাওয়ার ধুম। উপাদেয় সব খাবারের সমারোহ। জিবে জল চুকচুক করছে। কিন্তু রক্তে চিনির পরিমাণটা মেপে দেখেছেন তো, মানে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে তো?বছরের এ সময়টা উৎসবের। মানুষ এ সময় ঘুরতে বেরোয়। বাড়ি বাড়ি মিষ্টি পিঠাপুলি তৈরির সাজ সাজ রব পড়ে যায়। এদিকে চিকিৎসকেরা বলছেন, বছরের এ সময়ে ডায়বেটিসের সঙ্গে বসবাসকারীদের রক্তে ‘এইচবিএওয়ানসি’-এর পরিমাণ বেড়ে যায়। মানে রক্তের লোহিত কণিকায় যে রক্তবর্ণ হিমোগ্লোবিন, তা যে পরিমাণ শর্করা বহন করে, তার পরিমাপই এইচবিএওয়ানসি। এর মাত্রা পাঁচের নিচের হলে স্বাভাবিক। কিন্তু সাড়ে ৬ শতাংশ কিংবা তার বেশি হলেই ডায়াবেটিস! গরমকালের তুলনায় শীতের এই সময়ে রক্তের হিমোগ্লোবিনে সেই এইচবিএওয়ানসির মাত্রাটা বেড়ে যায়। ডায়াবেটিক রোগীদের ডায়েট পরিবর্তন করা জরুরী। কারণ, তাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাধারণ মানুষের চেয়ে দুর্বল এবং বিপাকটি রক্তে শর্করার মাত্রাকেও প্রভাবিত করে। তাই শীতের মরসুমে ডায়াবিটিস রোগীদের ডায়েট চার্টে কী কী খাবার রাখা যেতে পারে-ডায়েটে অ্যাড করুন ফক্স নাটস, শীতের বিভিন্ন ফল বা স্যালাডহট চকোলেট, চিক্কি বা বিভিন্ন মিষ্টি এই সময়ে খেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু মাঝে মাঝেই এই ধরনের খাবার খেলে ব্লাড সুগারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। রোজ এগুলো না খেয়ে স্ন্যাক্সে অ্যাড করা যেতে পারে ফক্স নাটস, শীতের বিভিন্ন ফল বা স্যালাড। খাওয়া যেতে পারে সিদ্ধ ডিম বা বিভিন্ন সবজিও।শীতে ঠান্ডা লাগানো যাবে নাডায়াবিটিসের ফলে পায়ের পাতার অনেক সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যা শীতকালে অনেক বেশি হয়। ফলে পায়ের বাড়তি যত্ন নিতে হবে। পাশাপাশি ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না। এর জন্য গরম জামা পড়ুন। ভালো করে কান-মাথা ঢাকা দিয়ে রাখুন।হৃদরোগ থেকে লিভার সমস্যা, সর্দি-কাশিতেও সক্রিয় এই ভেষজ! জানুন কালমেঘের গুণ…শীতে ব্যায়াম বা শরীরচর্চা একেবারেই বন্ধ নয়যতোই ব্যস্ততায় সময় কাটুক, প্রতি দিন নিয়ম করে এক্সারসাইজ করে যেতে হবে। এতে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে। পাশাপাশি হঠাৎ ব্যায়াম বা শরীরচর্চা বন্ধ করলে তা সুগার লেভেলেও পরিবর্তন ঘটাতে পারে। তাই নিয়মিত যোগ অভ্যাস বা ব্যায়াম করা অত্যন্ত জরুরি।মানসিক চাপ ম্যানেজ করতে শিখুনওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু হওয়ার ফলে কাজের চাপ অনেক বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, এতে মানসিক চাপও বেড়েছে। এই মানসিক চাপের সঙ্গে ব্লাড সুগারের যোগসূত্র রয়েছে। মানসিক চাপ বাড়লে ব্লাড সুগারও বেড়ে যেতে পারে। ফলে স্ট্রেস, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিয়মিত সুগার পরীক্ষা করানব্লাড সুগারে কী রকম পরিবর্তন আসছে, কতটা ওঠানামা করছে, তা দেখার জন্য নিয়মিত ব্লাড সুগার লেভেল পরীক্ষা করে দেখা উচিৎ। চিকিৎসকরা বলছেন, যদি হঠাৎ কমে যায় সুগার বা বেড়ে যায়, তাতে পরীক্ষা করলে বোঝা যাবে। যদি পরীক্ষা অনেক গ্যাপ দিয়ে করা হয়, তা হলে সমস্যা হতে পারে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Cold Or Hot Water Bath In Winter: Which Is Better – ঠান্ডা না গরম জলে স্নান, শীতকালে কোনটা বেশি উপকারি? জানুন… | Eisamay

শীতের সারা দিনে সবচেয়ে কঠিন সমস্যা হয় দুটো কাজ করতে হলে। এক, ঘুম থেকে উঠে বিছানা ছাড়া। দুই, স্নান করা। বিশেষত যাঁদের ঠান্ডার ধাত রয়েছে, তাঁরা ভাবছেন স্নান করলেই আরও জাঁকিয়ে বসবে ঠান্ডা। আর যারা এমনিই স্নান করতে পছন্দ করেন না, তাঁরাও এই শীতের গুঁতোকে বেশ ভালোই কাজে লাগান। কিন্তু প্রতিদিন স্নান না করে খুব ভুল করছেন। এতে শরীরের উপকারের থেকে অপকার অনেক বেশি। যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত রয়েছে তাঁদের প্রতিদিন সকাল ১০টার মধ্যে স্নান সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। আর সকাল সকাল স্নান করলে এড়ানো যায় নানা সমস্যা। এখন প্রশ্ন হল, স্নান যদি একান্তই করতে হয়, তবে তা গরম জলে করবেন না ঠান্ডা জলে?অতিরিক্ত গরম জলে স্নানের অভ্যাস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকরশীতকাল এলে অনেকে ঠান্ডার ভয়ে স্নান করতে বাথরুমে ঢুকেও গায়ে জল না ঢেলেই বেরিয়ে আসেন। অনেকেই আবার শীতকালে নিয়মিত গরম জলে স্নান করেন। তবে এমনও কিছু মানুষ রয়েছেন যাঁদের শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা— স্নানের জন্য ঠান্ডা জলেই ভরসা! কিন্তু শীতকালে ঠান্ডা নাকি গরম জলে স্নান। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত গরম জলে স্নানের অভ্যাস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে। অতিরিক্ত গরম জলে স্নানের ফলে ত্বকের ফলিকলগুলি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। চুল ও ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া, নিয়মিত গরম জলে স্নানের অভ্যাসের ফলে ধীরে ধীরে নানা হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। পেটের সমস্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে পারে ত্বকের নানা সমস্যাও। মুখে ব্রণর সমস্যা দেখা দিতে পারে।জলের তাপমাত্রাও খেয়াল রাখা জরুরিগবেষকদের মতে, নিয়মিত স্নান করাটা অনেকটাই একটা সামাজিক রীতি বা অভ্যাস। রোজ স্নানের অভ্যাস আসলে শরীর পরিচ্ছন্ন রাখার প্রয়োজনেই। কিন্তু স্নানের সময় জলের তাপমাত্রাও খেয়াল রাখা জরুরি। অতিরিক্ত গরম জলে স্নানের অভ্যাস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে। অতিরিক্ত গরম জলে স্নানের ফলে ত্বকের ফলিকলগুলি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। চুল ও ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। গরম জলে স্নানের অভ্যাসের ফলে ধীরে ধীরে নানা হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। পেটের সমস্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে পারে ত্বকের নানা সমস্যাও। মুখে ব্রণর সমস্যা দেখা দিতে পারে।গরম জল নাকি ঠান্ডা জলঠান্ডা জলে স্নান করবেন নাকি গরম জলে সেই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি আপনার। তবে যদি ঠান্ডা লাগার ধাত থাকে তাহলে গরম জলেই স্নান করুন। নইলে সর্দি বসে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও যাঁদের পায়ে ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা এসব রয়েছে তাঁরা অবশ্যই সারা বছর হালকা গরম জলে স্নান করবেন। তবে যাঁদের হাঁপানির সমস্যা থাকে তাঁদের ঠান্ডা জলে স্নান করার পরামর্শ দেওয়া হয়। সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শকেই প্রাধান্য দেবেন।কার্ডিওভাসকুলার সমস্যাইষদুষ্ণ গরম জলে সপ্তাহে তিনদিন যদি কোনও অয়েল মিশিয়ে স্নান করেন তাহলে ক্যালোরিও কমবে। যে কারণে জিমে স্টিম বাথের ব্যবস্থা থাকে। তবে শরীর যদি একদম সুস্থ থাকে তাহলে প্রতিদিন গরম জলে স্নান এড়িয়ে চলুন। সপ্তাহে তিনদিন ঠিক আছে। সেই সঙ্গে স্পঞ্জও করে নিতে পারেন। এতে শরীর ভালো থাকবে। তবে জল যেন খুব বেশি গরম না হয়। যাঁদের হার্টের সমস্যা রয়েছে, নিয়মিত গরম জলে স্নানের অভ্যাস তাঁদের মধ্যে কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।সামান্য উষ্ণ জলে স্নান করুন সারা বছরতাহলে কি শীতকালে ঠাণ্ডা লাগলেও কনকনে ঠাণ্ডা জলেই স্নান করতে হবে? একেবারেই নয়! শীতকালে কনকনে ঠাণ্ডা জলে স্নান সর্দি-কাশি, টনসিলের সমস্যা, বাতের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। স্নায়ুর সমস্যাও দেখা দিতে পারে। স্নানের জলের সঙ্গে সামান্য গরম জল মিশিয়ে সেটির তাপমাত্রা স্বাভাবিক করে নিন। তার পর স্নান করুন। সামান্য উষ্ণ জলে সারা বছর স্নান করা যেতেই পারে। তবে প্রচণ্ড গরম জল বা খুব ঠাণ্ডা জলে স্নান নানা রকম শারীরিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে। শীতকালে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের পেশির রিল্যাক্সেশনের ক্ষেত্রে, এর থেকে ভালো উপায় আর নেই। এতে শরীরের রক্ত চলাচলের বৃদ্ধি ঘটে, অনিদ্রাজনিত সমস্যা দূর হয়। সর্দি, কাশি বা টনসিলের উপশম ঘটে। সমগ্র শরীর, স্বাভাবিক তাপমাত্রায় থাকে।

Source link

Health Tips in Bengali: These Signs That Our Work Is Adversely Affecting Our Mind – নিজের এই পরিবর্তনগুলো চোখে পড়েছে? কাঠগড়ায় কি অতিরিক্ত কাজ! জানুন… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা নতুন কিছু নয়। কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপের পাশাপাশি আরও নানা কারণে চাপ বাড়তে থাকে। নিজের জীবনের নানারকম মানসিক চাপের পাশাপাশি এই চাপটি আরও বেশি যন্ত্রণার উদ্রেক করে। কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে গেলে এইসব চাপ আপনাকে কিছুটা সহ্য তো করতেই হবে। কিন্তু আপনি কতটুকু গুরুত্ব দেবেন তা নির্ভর করছে আপনার উপরেই৷ যদি কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপের সম্মুখীন হন, তাহলে সামলে নিতে হবে নিজেকেই। কাজের চাপে অনেককেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু দীর্ঘকালীন মেয়াদে বড়সড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে এটি। শারীরির অসুস্থতার পাশাপাশি মানসিক অসুস্থতার কারণও হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের কথায়, কাজকে উপভোগ করতে হবে। কিন্ত এই কাজের জায়গা থেকে স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব পড়ে। যা থেকে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে কিছু বিষয় রয়েছে, যেগুলি দেখা দিলেই বুঝতে হবে, এ বার ব্যক্তিগত জীবন ও স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে কাজের জায়গা বা সংশ্লিষ্ট কাজটি। আসুন, দেখে নেওয়া যাক সেই লক্ষণগুলো!ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী খাবেন? ভাত না রুটি? জানুন…কাজে অনীহা বাড়তে পারে-কাজে অনীহা কাজের তেমন ইচ্ছে নেই। ছুটি হলেই যেন প্রাণে বাঁচা যায়। কিংবা রোজ দেরিতে অফিস পৌঁছনো একটা অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। এগুলি কিন্তু ভালো লক্ষ্মণ নয়। এর অর্থ ব্যক্তি কর্মক্ষেত্রে উপভোগ করছেন না। তবে, একঘেয়েমি কাটাতে কোথাও গিয়ে ঘুরে আসা যেতে পারে। কোনও অভ্যন্তরীণ সমস্যা থাকলে, মন খুলে কথা বলতে হবে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র বা অফিস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। এতে কর্মক্ষেত্রের হারিয়ে যাওয়া ইচ্ছে বা উৎসাহ ফিরে আসতে পারে।অল্পতেই বিরক্ত -অনেকে আবার অল্পতেই বিরক্ত হয়ে যান। তাঁদের অর্থহীন রাগ বা খারাপ ব্যবহারের শিকার হন আশপাশের প্রিয়জন, বন্ধু-বান্ধব বা সহকর্মীরা। ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ আর অবসাদ কাজের চাপ বাড়লে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এর জেরে একসময়ে গভীর অবসাদে ভোগার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে প্রায়শই অযথা মাথা গরম হয়ে যাওয়া কিংবা সহকর্মীদের সঙ্গে অযথা ঝামেলা হতে পারে। কথা কাটাকাটি হতে পারে। আর এগুলি হওয়া মানেই বুঝতে হবে সংশ্লিষ্ট চাকরিটি ধীরে ধীরে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছে। ওজন কমাতে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ নয়, ভরসা রাখুন জলেই…নিরাশা-কাজের চাপ থেকে জন্ম নেওয়া এই মানসিক অবসাদ থেকেই দুঃখ, নিরাশা টেনে আনে। এমনকি আত্মহত্যার মনোভাবও জন্মায়। এই ধরনের কোনও উপসর্গ দেখলেই তড়িঘড়ি মানসিক রোগবিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ভালো কোনও কাউন্সেলিং সেশনে যোগ দেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজনে কাজ থেকে ছুটি নিয়ে কয়েকদিনের জন্য বাইরে থেকে ঘুরে আসা যেতে পারে। আর নিতান্ত খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হলে, ব্রেক নেওয়াটাই শ্রেয়। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Glycerin For Face: The Wonder Ingredient You Need Right Away! – এই প্রাকৃতিক উপাদানেই হবে বাজিমাত! শীতে ফাটবে না ত্বক, থাকবে নরম ও উজ্জ্বল | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকালে ত্বকের অনেক বেশি যত্ন নিতে‌ হয়। শীতে রূপচর্চার জন্যে খুব উপকারী এই প্রাকৃতিক উপাদান। যা সরাসরি কিংবা ফেস প্যাকের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়। বাজারচলতি ময়শ্চারাইজারের উপর ভরসা করতে গেলে অনেক সময়ই ত্বকের ক্ষতি হয়। এ ছাড়া অনেকরই প্রোডাক্ট ব্যবহারের পর র্যাশ হয়ে যায় ত্বকে। তাই প্রচলিত ক্রিমে মিশে থাকা রাসায়নিক এড়াতে পছন্দ করেন অনেকেই।এ ক্ষেত্রে ভরসা হতে পারে প্রাকৃতিক উপাদান গ্লিসারিন। এর প্রভাবে আপনার ত্বকের সমস্যাগুলি কমাতে সাহায্য করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। বর্ণহীন ও গন্ধহীন এই তরল আদতে উদ্ভিদ থেকে মেলে। গ্লিসারিনের প্রভাবে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই কমতে পারে ত্বকের নানা সমস্যা। শীত এলে বিভিন্ন প্রসাধনী সংস্থা নিজস্ব ব্যানারে গ্লিসারিন মিশ্রিত নানা প্রসাধনীই বাজারজাত করে। তবে সেখানেও ভয় থাকে রাসায়নিকের। তাই ত্বকের যত্ন নিতে এই সব রাসায়নিকবিহীন খাঁটি গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। কী কী উপকার মিলতে পারে এই গ্লিসারিন থেকে? জেনে নিন-ক্লিনজিং করতে খুবই ভালো-গ্লিসারিন ত্বকের ওপর থেকে ময়লা পরিষ্কার করতে অর্থাৎ ত্বক ক্লিনজিং করতে খুবই ভালো। গোলাপ জলের সঙ্গে অল্প পরিমাণ গ্লিসারিন মিশিয়ে ত্বক পরিষ্কার করুন। এটা নিয়মিত রাতে শোয়ার আগে করলে ত্বক পরিষ্কার থাকে ও বন্ধ কোষগুলি পুনরায় খোলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখে জমে থাকা তেল, ধুলো-ময়লা দূর করতে বাড়ি ফিরে গ্লিসারিন ব্যবহার করে ধুয়ে নিন মুখ। গভীর ভাবে ত্বক পরিষ্কার করার ক্ষমতা আছে গ্লিসারিনের। ক্লিনজিং মিল্কের পরিবর্তে এই উপাদানেই দূর করতে পারেন মুখের যাবতীয় ক্লেদ।ওজন কমাতে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ নয়, ভরসা রাখুন জলেই…ত্বককে আর্দ্র রাখে-ত্বকের পুষ্টি জোগাতে গ্লিসারিনের জুড়ি মেলা ভার। সেজন্যেই যে কোনও প্রসাধনীতে গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয়। তবে উপকার আরও বেশি পেতে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজারের সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করুন। ত্বক থেকে জলকে সহজে সরে যেতে দেয় না গ্লিসারিন। ত্বকের কোষে জল ধরে রেখে ত্বককে আর্দ্র রাখে।কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই-এছাড়াও ফেস প্যাকে গ্লিসারিন যোগ করতে পারেন। এর ফলে ত্বক পর্যাপ্ত পুষ্টি পায়। ফলস্বরূপ ত্বক কোমল থাকে। এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই বিভিন্ন ধরনের ত্বকের ক্ষেত্রেই এটি বিশেষ কার্যকর। ত্বকের ছোটখাটো সমস্যা, ফুসকুড়ি বা জ্বালাভাব কমাতে গ্লিসারিন কাজে আসে।রাতে এক গ্লাস জলে এক চামচ মৌরি ভিজিয়ে রাখুন, এক সপ্তাহ খেয়ে দেখুন! উপকার পাবেন…ব্রণ কমাতে সাহায্য করে-ব্রণ কমাতেও সাহায্য করে গ্লিসারিন। মুখে ব্রণর জায়গায় অল্প তুলোয় করে গোলাপ জল ও গ্লিসারিন মিশিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে শুধু নতুন ব্রণ কমবে না। ধীরে ধীরে পুরনো ব্রণের দাগও উঠে যাবে। কমলতা ফিরিয়ে আনে-রুক্ষ ও খসখসে ত্বকের চিকিৎসায় বেশির ওষুধে গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয়। ঠান্ডা, দূষণ ও আরও অন্যান্য কারণে ত্বক কমলতা নষ্ট হয়ে যায়। এই সময় গ্লিসারিন ব্যবহার করলে রোগ নির্মূল হয়ে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে স্বাস্থ্যবান।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: These Pain Of Neck Shoulders And Waist Are Signs Of Spondylitis Disease Know Its Symptoms And Prevention – ঘাড় ঘোরাতে পারছেন না, কোমরে টান? ওষুধ না খেয়ে সারাবেন যেভাবে… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনও না কোনও সময় কোমর ও পিঠের ব্যথায় কষ্ট পান। এই অসহ্য ব্যথার হাত থেকে রেহাই পেতে ব্যথার ওষুধকে অনেকেই বরাবরের সঙ্গী করে নেন। কিন্তু এর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার কথা সবার-ই জানা। বর্তমানে মানুষ যে রোগগুলো নিয়ে বেশি ভুগছেন তার মধ্যে অন্যতম স্পনডিলাইটিস। তবে এই রোগ নিয়ে চিন্তাভাবনা করার দিন এবার অতীত৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগটি সারাতে কোনও একজন ভালো যোগা প্রশিক্ষকের সাহায্য নিয়ে নিয়মিত যোগ ব্যায়াম অভ্যাস করলেই মিলবে মুক্তি৷স্পনডিলাইটিস কি?স্পনডিলাইটিস কথার অর্থ কশেরুকা (ভার্টিব্রা)। কশেরুকার সন্ধিস্থলে ক্রমশ প্রদাহের ফলে ব্যথাকেই এক কথায় স্পনডিলাইটিস বলা হয়। স্পনডিলাইটিস কেন হয়? আমাদের দেশের আর্দ্র আবহাওয়াই সাধারণত এই রোগের জন্য দায়ী। ঘাড়ে, কোমরে বা মেরুদন্ডে যদি হঠাৎ চোট লাগে৷ বা ঘাড় সামনের দিকে ঝুঁকে দীর্ঘক্ষণ কাজ করলে। কিংবা নরম বিছানায় শোওয়ার অভ্যাস থাকলে এই রোগ আপনার সরীরে বাসা বাঁধতে পারে। আমাদের দেশে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদেরই বেশি এই রোগটি দেখা যায়। অনিয়মিত ঋতুশ্রাব ও হরমোন জনিত কারণেও মেয়েদের স্পনডিলাইটিস হতে পারে। অ্যানক্লোইজিং স্পনডিলাইটিস হাড় সম্পর্কিত একটি রোগ যা মূলত খাঁটি এবং নিতম্বের হাড়গুলিতে ব্যথা সৃষ্টি হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এটিকে বাতের এক রূপ হিসাবে বর্ণনা করেছেন যা মেরুদণ্ড থেকে ঘাড়ে ব্যথা করে। আসলে ঘাড়, কোমর বা পিঠের ব্যথার প্রধান কারণ মেরুদণ্ডের অসুবিধে। এই প্রসঙ্গে একটা কথা জেনে রাখা দরকার, শিরদাঁড়ার ব্যথা প্রচলিত চিকিৎসায় এবং ফিজিওথেরাপিতে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যথার তীব্রতা এতোটাই বেশি হয় যে স্বাভাবিক জীবনযাপন করা দুষ্কর হয়ে পড়ে। এই সমস্যার কারণে, অনেক লোক সঠিকভাবে বসতে পারেন না। এই ব্যথার কারণে অনেক রোগীও হতাশার শিকার হতে পারেন। অ্যাঙ্কোলোজিং স্পনডিলাইটিসের কারণে শরীরের নমনীয়তা নষ্ট হয়। এই রোগে, সর্বদা পিছনে এবং ঘাড়ে ব্যথা থাকে যার কারণে পাঁজরগুলিও আক্রান্ত হয়। এই কারণে কখনও কখনও শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়।অ্যাঙ্কিলোসিং স্পনডিলাইটিস লক্ষণচিকিৎসকের মতে, জিন, সংক্রমণ, পরিবেশগত কারণ ইত্যাদি একটি ব্যক্তিকে অ্যাঙ্কিলোসিং স্পনডিলাইটিস হতে পারে। আপনি ঘাড় থেকে পিছনে ব্যথা অনুভব করলে এর লক্ষণগুলি শনাক্ত করা হয়। যার কারণে আপনি এই অঙ্গগুলি সঠিকভাবে সচল হতে পারেন না। মেরুদণ্ডের অবিরাম ব্যথা, কোমর ব্যথা, ঘাড়ে ও নিতম্বের ব্যথা দীর্ঘ সময় হওয়ার ফেল বসে থাকাও কঠিন হয়ে যায়। এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা বেশি দিন দাঁড়াতে পারেন না। শারীরিক কাজ করতে অসুবিধা হয়।কী কারণে এই রোগ হয়এই রোগের একটি সাধারণ দিক হ’ল জন্ম থেকেই উপস্থিত এইচএলএ-বি ২৭ নামক একটি জিনের উপস্থিতি। ঘাড়ে, পিঠে, কোমরে ব্যথা। এমনকি বহুদিন ব্যথায় ভুগলে মেরুদন্ড বাঁকা হয়ে রোগী কুঁজো হয়ে যায়। রক্তে ইএসআর বেশি থাকে। কখনও কখনও চোখের রোগ দেখা দেয়৷ এছাড়া রক্তাল্পতাও এই রোগের উপসর্গ হতে পারে। কী কী করলে আপনি খুব সহজেই স্পনডিলাইটিস থেকে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিন এক ঝলকে৷সাবধান! ঘুম থেকে উঠে ভুলেও এই কাজগুলি করবেন না…১. সোল্ডার এক্সারসাইজ: ঘাড়ে, পিঠে স্পনডিলাইটিস হলে এই যোগ ব্যায়াম উপকার দিতে পারে৷এই যোগ ব্যায়াম করার প্রক্রিয়া- দাঁড়িয়ে বা বসে হাত দু’পাশে সমান রেখে শরীর একটুও না নড়াচাড়া করে কাঁধ দু’টোকে উপরে এবং নিচে তোলা ও নামানো। প্রথম প্রথম পাঁচ ছয় বার করতে হবে। এই ব্যায়াম করার সময় নিঃশ্বাস প্রশ্বাস থাকবে স্বাভাবিক।২. ফ্লেক্সন এক্সটেনশন: সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দু’টো হাতকে কাঁধের সমান সামনে একবার সোজা করতে হবে। তারপর যতটা পারা যায় পিছনে সমান করে পাঠিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রেও নিঃশ্বাস প্রশ্বাস থাকবে স্বাভাবিক।সকালে খালি পেটে জিরে-জল খেলেই হবে সমস্যার সমাধান! উপকার জানলে আজ থেকেই খাবেন…৩. নেক এক্সারসাইজ ও ব্যাক বেল্ড: দু’টো হাতকে ঘাড়ের কাছে জোড়া করে আটকে নিঃশ্বাস ধীরে ধীরে নিয়ে সমান ভাবে কাঁধকে পেছনে ঠেলতে হবে। আবার ধীরে ধীরে ঘাড় সোজা করতে হবে। এই সময় হাতের দু’টো তালুতে সমান ভাবে চাপ দিতে হবে।৪. সাইড টানিং: সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দু’কোমরে দু’হাত দিয়ে শরীর সোজা করে একবার ডানদিকে ঘোরা আবার বাঁ দিকে ঘোরা৷ এভাবে এই ব্যায়াম করতে হবে।৫. অ্যাডপশন: প্রথমে সোজা হয়ে শুয়ে দুই পাশে দুই পা এক একবার করে ছয় ইঞ্চি উঁচুতে তুলতে ও নামাতে হবে।যদিও এটি একটি চিকিত্সা অঞ্চল, তবে জীবনধারা বাদে কিছু কারণ রয়েছে যা এই রোগের কারণ cause উদাহরণস্বরূপ, শোবার সময় শরীরের দুর্বল অঙ্গবিন্যাসের কারণে মেরুদণ্ডের সারিবদ্ধতা আরও খারাপ হয় এবং ব্যথার জন্ম দেয়। স্ট্রেসের আঘাত, জয়েন্ট এবং টিস্যুতে ফোলাভাব, অনুশীলন না করা, সঠিকভাবে ডায়েট না নেওয়া এবং স্থূলত্ব বৃদ্ধি করা।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

sabudana health benefit: শুধু উপোস করলে নয়, সুস্থ থাকতে রোজের ডায়েটে থাক সাবুদানা – sabudana health benefits: reasons why you must include sabudana in your diet

হাইলাইটসসাবুদানা প্রধানত স্টার্চ জাতীয় খাবার হওয়ায় এর মধ্যে প্রচুর ক্যালোরি থাকে। তবে এই স্টার্চ হল কমপ্লেক্স কার্ব, যার মধ্যে থাকে গ্ল‌ুকোজ মলিকিউলস, যা শরীরকে এনার্জি দেয়।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: সাবুদানা ছাড়া ভারতীয়দের কোনও উপোস সম্পূর্ণ হয় না। সাবুদানা বা সাগুর খিচুড়ি হোক বা সাগুর ক্ষীর, এই পদ আপনার উপোসকে শুধু সুস্বাদুই করে তোলে না, সঙ্গে রীতিমত স্বাস্থ্যকর বানায়। সাবুদানা বা সাগু অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাদ্য। যা শুধু উপোস করলে নয়, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আপনি রাখতে পারেন। পাম গাছের গোড়ার যে অংশ খাওয়া যায়, তার থেকেই তৈরি হয় সাবুদানা। ট্রপিক্যাল দেশে যারা থাকেন, তাঁদের স্টেপল ফুডের মধ্যে অন্তর্গত সাবুদানা। সাবুদানা প্রধানত স্টার্চ জাতীয় খাবার হওয়ায় এর মধ্যে প্রচুর ক্যালোরি থাকে। তবে এই স্টার্চ হল কমপ্লেক্স কার্ব, যার মধ্যে থাকে গ্ল‌ুকোজ মলিকিউলস, যা শরীরকে এনার্জি দেয়। তবে এর মধ্যে প্রোটিন ও ভিটামিন খুব বেশি থাকে না। তাই সাবুদানা একবারে খুব বেশি পরিমাণে খাবেন না। ওজন কমাতে চাইলেও বেশি সাবুদানা খাওয়া উচিত নয়। ১০০ গ্রাম সাবুদানায় থাকে ৩৩২ ক্যালোরি, ১ গ্রাম প্রোটিন, ১ গ্রাম ফ্যাট, ৮৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম ফাইবার এবং RDI-এর ১১ শতাংশ জিংক। সব সময় হাই ওঠে? সাবধান, হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে!যদিও অন্য় শস্যদানার তুলনায় সাবুদানায় পুষ্টিগুণের পরিমাণ কম, কিন্তু অন্য সবজির সঙ্গে মিশলে এটি অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। প্রি-ওয়ার্কআউট মিল হিসেবেও সাবুদানা বেশ ভালো। এটি শরীরকে এনার্জি দেয় বলে সাবুদানা অল্প পরিমাণে খেয়ে ব্যায়াম করলে অনেকক্ষণ করে ওয়ার্ক আউট করা যায়। যাঁরা খেলাধুলো করেন, তাঁদের জন্যও সাবুদানা অতিরিক্ত এনার্জি দেয়। করোনা হলে অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন যে সব খাবার…অত্যন্ত রোগা চেহারা যাদের, ওজন বাড়াতে চাইলে রোজ সাবুদানা খেতে পারেন। সাবুদানা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্যাট টিস্যুর পরিমাণ বাড়ায়। তাই যাঁরা আন্ডারওয়েট, তাঁদের জন্য সাবুদানা খুবই ভালো। গর্ভবতী মহিলারা রোজের ডায়েটে সাবুদানা রাখলে গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি ভালো হয়। সাবুদানায় আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি6। এটি গর্ভস্থ সন্তানের জন্য খুবই ভালো। হজমের সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাঁদের জন্যও সাবুদানা উপকারী। এর রেজিট্যান্ট স্টার্চ কনস্টিপশনের সমস্যাও দূর করে। সাগুর ছোট ছোট মুক্তোর মতো দানা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। শরীরে নানা অসুখবিসুখ সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর ফ্রি মলিকিউলকে প্রতিরোধ করে এটি। শরীরে ফ্রি মলিকিউলের সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে গেলে ক্যানসারের মতো গুরুতর অসুখ হতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় সাবুদানা এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

excessive yawning: সব সময় হাই ওঠে? সাবধান, হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে! – be alert! excessive yawning can be a warning sign of an impending heart attack

হাইলাইটসচিকিত্‍সা বিজ্ঞান বলছে যে আমাদের কেন হাই ওঠে সেই প্রশ্নের মীমাংসা এখনও পুরোপুরি হয়নি। অনেকের মতে হাই তোলা ভেগাস নার্ভের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এই নার্ভ সোজা আমাদের মস্তিষ্ক থেকে বেরিয়ে হৃদযন্ত্রণ এবং পাকস্থলীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: হার্ট অ্যাটাক। কথাটা শুনলেও সবার বুক ভয়ে কেঁপে ওঠে। খুবই গুরুতর এই মেডিক্যাল এমার্জেন্সিতে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন। হার্ট অ্যাটাক হলে হার্টের যাওয়া রক্তের প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এর ফলে ঠিকমতো অক্সিজেন পৌঁছয় না এবং হার্টের মাসলগুলো এক এক করে মরে যেতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিত্‍সা হলে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পরেও রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যেতে পারে।সমস্যা হল কোনও কোনও ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক হলে তার লক্ষণে স্পষ্ট বোঝা যায়। বুকে ব্যাথা এবং মাটিতে পড়ে যাওয়া হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ বলে আমরা সবাই জানি। বিভিন্ন সিনেমায় আমরা দেখেছি যে হার্ট অ্যাটাক হলেই বুক চেপে ধরে মাটিতে পড়ে যেতে। কিন্তু এ ছাড়াও হার্ট অ্যাটাকের আরও অনেক লক্ষণ আছে। যেগুলি সম্পর্কে আমরা যথেষ্ট ওয়াকিবহাল না হওয়ায় সেই সব লক্ষণ দেখেও সেটি হার্ট অ্যাটাকের কেস কি না তা বুঝতে পারি না। করোনা হলে অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন যে সব খাবার…জেনে রাখুন, খুব ঘন ঘন হাই ওঠা কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের একটা লক্ষণ। সাধারণত আমরা জানি ঘুম পেলে হাই ওঠে। আগের দিন রাতে ভালো ঘুম না হলে পরের সারাদিন আমরা হাই তুলি। কিন্তু রাতে সাউন্ড স্লিপের পরেও যদি বারবার হাই ওঠে, তাহলে চিন্তার কারণে আছে বৈকি। রাতে ঘুমনোর পরেও যদি সব সময় ক্লান্ত লাগে তাহলে সাবধান। ভেতরে ভেতরে হয়তো আপনার মধ্যে কোনও গুরুতর শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সুস্থ থাকতে পিরিয়ডের সময় স্নান সারবেন যে ভাবে…চিকিত্‍সা বিজ্ঞান বলছে যে আমাদের কেন হাই ওঠে সেই প্রশ্নের মীমাংসা এখনও পুরোপুরি হয়নি। অনেকের মতে হাই তোলা ভেগাস নার্ভের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এই নার্ভ সোজা আমাদের মস্তিষ্ক থেকে বেরিয়ে হৃদযন্ত্রণ এবং পাকস্থলীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। অনেক সময় হার্টের ভেতরে রক্তক্ষরণ হলেও ঘন ঘন হাই ওঠে। স্ট্রোকের আগে এবং পরে বারবার হাই উঠতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে ওয়ার্ক আউট করতে করতে যাদের বারবার হাই ওঠে, তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আছে। হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক ছাড়াও ব্রেন টিউমার, এপিলেপ্সি, লিভারের সমস্যা থাকলেও ঘন ঘন হাই ওঠে। তাই হঠাত্‍ করে হাই ওঠার বেড়ে গেলে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া ভালো। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link