Tag Archives: Health Tips in Bengali

Health Tips in Bengali: Drinking Tea Of Coffee In Paper Cups May Be Eco-Friendly But It May Harm Your Health – চায়ের দোকানে কাগজের কাপে চুমুক? শরীরের ক্ষতি করছেন! আজই জানুন

হাইলাইটসকাগজের কাপে নিয়মিত চা পান করেন নাকি! তা হলে আজই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই অভ্যেস আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, কাগজের কাপ তৈরিতে হাইড্রোফোবিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। সেই কাপে চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে প্রবল ক্ষতিকারক। আইআইটি খড়গপুরে হওয়া এই গবেষণায় জানা গিয়েছে, কাগজের কাপ তৈরিতে হাইড্রোফোবিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। সেই কাপে চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে প্রবল ক্ষতিকারক।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কাগজের কাপে নিয়মিত চা পান করেন নাকি! তা হলে আজই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই অভ্যেস আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, কাগজের কাপ তৈরিতে হাইড্রোফোবিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। সেই কাপে চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে প্রবল ক্ষতিকারক। আইআইটি খড়গপুরে হওয়া এই গবেষণায় জানা গিয়েছে, কাগজের কাপ তৈরিতে হাইড্রোফোবিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। সেই কাপে চা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে প্রবল ক্ষতিকারক। দিন যত পালটাচ্ছে, সময় যত এগোচ্ছে, পরিবর্তন হচ্ছে প্রায় সব কিছুর। অত্যাধুনিক জিনিস আসছে বাজারে। যা প্রভাব ফেলছে আমাদের লাইফস্টাইলে। কিছু দিন আগেও চায়ের দোকানে কাচের গ্লাস, মাটির ভাঁড় বা চিনা মাটির কাপে চা খাওয়ার প্রচলন ছিল। আজকাল প্রায় সব জায়গাতেই কাগজের কাপ ব্যবহার হয়। বিশেষ করে, অনুষ্ঠান-বাড়ি, রাস্তার কোনও চায়ের দোকান বা অফিসে এর ব্যবহার আরও বেশি হয়। শুনলে অবাক হবেন, এই কাগজের কাপে চা আদতে আমাদের শরীরে একাধিক ক্ষতি করছে। এই কাপে চা বা জল খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে হাজার হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক ঢুকে যায়। গবেষণা সূত্রে জানা গিয়েছে, কাগজের কাপে গরম চা পড়ার পর সেই হাইড্রোফোবিক ফিল্ম গলতে শুরু করে। এর পরই প্লাস্টিকের কণা চায়ে মিশতে শুরু করে। কাগজের কাপে ১০ মিনিট গরম চা থাকলেই প্লাস্টিকের কণা মিশতে শুরু করে। গরম জল বা চা, কোনওটাই তাই কাগজের কাপে খাওয়া উচিত নয়। আরও পড়ুন: আপনার কি অ্যাংজাইটি অ্যাটাক হচ্ছে? কী ভাবে সামলাবেন? জানুন…সম্প্রতি একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, কাগজের এই কাপগুলিতে গরম পানীয় ঢাললে তাতে কয়েক মিনিটেই কাপের প্লাস্টিক পার্টিকলস মিশে যায়। যা অজান্তেই আমরা পান করি এবং তা শরীরে সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শুধু প্লাস্টিক পার্টিকলসই নয়, এই কাপগুলিকে ওয়াটারপ্রুফ বানাতে যে প্রলেপ দেওয়া হয় ভিতরের অংশে, গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে তা-ও শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এগুলিকে পরিবেশবান্ধব বলা হলেও এই ওয়াটারপ্রুফ প্রলেপের জন্য এগুলি রিসাইকেল হতেও সমস্যা হয় বলে দেখা গিয়েছে। আইআইটি খড়গপুরের ড. সুধা গোয়েল এ বিষয়ে জানাচ্ছেন যে, কেউ যদি প্রতি দিন অন্তত তিন কাপ চা বা কফি এমন কাগজের কাপে খান, তা হলে তিনি প্রতি দিন ৭৫ হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে ঢোকাচ্ছেন। যা খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ক্রোমিয়াম, ক্যাডমিয়াম, প্যালাডিয়ামের মতো ক্ষতিকর ধাতু শরীরে প্রবেশ করে এই সব মাইক্রোপ্লাস্টিকের হাত ধরে। রোজ এই ধরনের ধাতু শরীরে গেলে তা শরীরে গুরুত্বর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে, খাবার প্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও প্রমাণ মেলেনি।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: 8 Essential Medical Tests To Be Started In Your 30s And Continued Through To Your 50s – ৩০ বছরে পা দিয়েছেন? এই ৮ বার্ষিক পরীক্ষাই সুস্থ রাখবে আপনাকে!

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খাবার এবং রুচি দুটোই পরিবর্তন হয়। বয়স যখন ৩০ ছুঁয়েছে তখন আর আগের মতো ফুচকা, বিরিয়ানি, রসগোল্লা খেয়ে ফেলার উপায় নেই। ৩০-এর ক্লাবে নাম লেখালেই মেনে চলতেহবে কিছু নিয়ম। এছাড়াও এখন মেয়েদের গড় বিয়ের বয়স ৩০। ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই মা হতে হবে সেই মিথও এখন ভেঙে দিয়েছেন মেয়েরা। বয়স ৩০ হলেই যে বিয়ে করতে হবে এমন ভাবনাও এখন নেই মেয়েদের মধ্যে। ৩০ পেরোলেই কিন্তু জাঁকিয়ে বসে ডায়াবিটিস, ব্লাড প্রেসার, থাইরয়েড, অ্যানিমিয়া ইত্যাদি। আর তাই ৩০ পেরোলেই ক্যালোরি একচু হিসেব করে খেতে হয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ইত্যাদির ব্যাপারে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। মাছ, মাংস, ডাল, শাকসবজি এসব খাদ্য তালিকাতে রাখতেই হবে। সেই সঙ্গে শারীরিক পরিশ্রমও করতে হবে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ হল ৩০ পেরোলেই বেশ কিছু রক্তপরীক্ষা নিয়মিত করতে হয়। সেই সঙ্গে বছরে অন্তত একবার চিকিৎসকের পরামর্শও প্রয়োজন। দেখে নিন কী কী পরীক্ষা করাবেন। কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (CBC)অ্যানিমিয়া, ইনফেকশন বা কোনও রকম ক্যান্সার শরীরে থাবা বসাতে পারে কিনা তা বোঝা যায় এই রক্তপরীক্ষা করলেই। এমনিই মেয়েদের অ্যানিমিয়ার একটা ধাত থাকে। কারণ কমবেশি সব মেয়েই আয়রনের স্বল্পতায় ভোগেন। তাই বছরে একবার নিয়মমাফিক এই পরীক্ষা করাবেন। ব্লাড প্রেসারপ্রতি ছ’মাস অন্তর প্রেসার অবশ্যই মাপিয়ে নেবেন। অনেকের প্রেসার লো থাকে। আবার পারিবারিক কারণেই অনেকের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকে। এছাড়াও ভেতরে কোনও টেনশন থাকলেও রক্তচাপ বেড়ে যায়। তাই এই ব্যাপারে প্রথম থেকেই যত্নবান হতে হবে। প্রেসার কম থাকলে সেই রকম খাওয়া দাওয়া করতে হবে আর বেশি থাকলে মেনে চলতে হবে কিছু বিধি নিষেধ। ব্লাড সুগার টেস্টএখন খুব কম বয়সেই ডায়াবিটিস আসছে। আর তাই ২৫ পেরোলেই সবার সুগার টেস্ট করানো দরকার। ১২ ঘন্টা খালিপেটে থাকার পর এবং ভাত খেয়ে এই দুই পদ্ধিতেই সুগার টেস্ট করুন। ১২ ঘন্টা খালিপেটে থাকার পর সুগার যদি ৯৯ এর মধ্যে থাকে তাহলে চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু কিন্তু ১০০ থেকে ১১০ এর মধ্যে থাকামানেই আপনি ডায়াবিটিসে আক্রান্ত। তবে চিন্তার কিছু নেই। ওষুধ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন ব্লাডসুগার। এরকম সমস্যায় প্রতি তিনমাস অন্তর টেস্ট করাবেন। লিপিড প্রোফাইলহার্ট কেমন আছে, ট্রাইগ্লিসারাইড, কোলেস্টেরল, HDL ও LDL ঠিকঠাক আছে কিনা, তা জানতেই কিন্তু লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষার কথা বলা হয়। মনে করে বছরে একবার অবশ্যই এই পরীক্ষা করান। লিভার ফাংশন টেস্টজীবনযাত্রার কারণেই এখন লিভারের সমস্যা আসছে। অনিয়মিত খাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত খাওয়া, তেল-মশলা ঝাল বেশি খাওয়া এসব কারণে এখন ফ্যাটি লিভার আসছে। যাঁদের অ্যালকোহল খাওয়ার অভ্যেস রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও বেশি। এছাড়াও হেপাটাইটিস সি, বি হওয়ারও সম্ভাবনা থেকে যায়।থাইরয়েড টেস্টথাইরয়েডের সমস্যা অনেকেরই হয়, কিন্তু কেউ বুঝতে পারেন না। অনিয়মিত ঋতুচক্র, চুল পড়ে যাওয়া, চামড়া খসখসে হয়ে যাওয়া এই সবই কিন্তু থাইরয়েডের লক্ষণ। খাওয়া কন্ট্রোল করেও যদি ওজন বেড়ে যায় তাহলে আগেভাগেই সতর্ক হতে হবে। তাই বছরে একবার T3, T4, TSH এর পরীক্ষা অবশ্যই করাবেন। ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্সিপায়ে ব্যথা, কোমর ব্যথা, অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগা এসব মেয়েদের লেগেই থাকে। কিন্তু এর পেছনে কারণ কি জানেন? তা হল ভিটামিন ডি-এর অভাব। শরীরে ভিটামিন ডি এর অভাব হলে কিন্তু অনেক রকম সমস্যা আসে। যা আপাতদৃষ্টিতে বোঝা দায়। আর তাই বছরে একবার এই টেস্ট করান। ৩০ পেরোলে এই সমস্যা আসবেই। প্যাপ স্মেয়ার টেস্ট৩০ পেরোলেই সব মেয়েদের এই পরীক্ষা অত্যাবশ্যকীয়। Pap Smear Test করার কারণ হল জরায়ুমুখ ক্যানসারের সম্ভাবনা আছে কিনা। আজকাল মেয়েদের মধ্যে এই ক্যানসারের প্রবণতা অনেক বেশি। চিকিৎসকদের মতে বর্তমানে মেয়েদের ২১ বছর জীবনেই যৌন জীবন (sexually-active) শুরু হয়ে যায়। যা খুবই স্বাভাবিক। আর তাই ২১ পেরোলেই এই পরীক্ষা করানো দরকার। এছাড়াও প্রতি তিনবছর অন্তর এই পরীক্ষা করান। সেই সঙ্গে HPV টেস্টও প্রয়োজন।

Source link

Health Care Tips in Bengali: 4 Simple Practice Of Concentration – দিনের শুরু হোক মন্ত্রপাঠে! এই সামান্য অভ্যাসেই বাড়বে একাগ্রতা, বদলে যাবে জীবন…

হাইলাইটসমুনি-ঋষিরা মনে করতেন, ভগবান তুষ্ট হন মন্ত্রে। যে কারণে প্রতিদিন মন্ত্রপাঠ করলে জীবনে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। মন থেকে যাবতীয় চিন্তা দূর হয়ে যাবেএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ভারতীয় সংস্কৃতিতে মন্ত্রের চর্চা সেই প্রাচান থেকেই। সকালে ঘুম থেকে উঠে ঋষিরা দিন শুরু করতেন মন্ত্রে। এমনকী পরবর্তীতে তাঁরা যে শিষ্যদের তৈরি করতেন তাঁরাও এই অভ্যেস করতেন। তাঁদের বিশ্বাস ছিল মন্ত্রোচ্চারণে যেমন স্মৃতিশক্তি বাড়ে, তেমনই একাগ্রতাও বাড়ে। তবে বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সেই বিশ্বাসেও ভাঁটা পড়েছে। সকলেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন নিজের জীবনে। পাঁচালি, মন্ত্রপাঠ অনেকেই এসব অভ্যাসকে অধুনা অপ্রচলিত বলে মনে করেন। মুনি-ঋষিরা মনে করতেন, ভগবান তুষ্ট হন মন্ত্রে। যে কারণে প্রতিদিন মন্ত্রপাঠ করলে জীবনে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। মন থেকে যাবতীয় চিন্তা দূর হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে মন হবে উদার। আর তাই শুধুমাত্র ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই নয়, সুস্থ থাকতে জোর দেওয়া হচ্ছে কিছু অভ্যেসে। আর এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা ফিরে যাচ্ছেন সেই প্রাচীন পন্থাতেই। বর্তমানের টালমাটাল পরিস্থিতি ছাপ ফেলেছে সকলের মনেই। দীর্ঘদিন গৃহবন্দি, অফিসের চাপ এসব আছেই। আর সেখান থেকে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, রাতের পর রাত ঘুম না হওয়া, অল্প কথাতেই মাথা গরম হয়ে যাওয়া, কাজে মনযোগ না থাকা এসব নানা সমস্যা আসছে। ৮ থেকে ৮০ এই সমস্যায় জর্জরিত। বাধ্য হয়ে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শও নিয়েছেন। আর সেখান থেকেই জীবনে বেশ কিছু অভ্যাসে পরিবর্তনের উপদেশ দিয়েছেন তাঁরা। তাঁর মধ্যে একটি হল সকালে ঘুম থেকে ওঠা এবং কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখা। আর এই সময়টাতে যাবতীয় চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে। যেমনপ্রকৃতির সঙ্গে কিছুটা সময় কাটান- ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠলে প্রকৃতির যে স্নিগ্ধ রূপ চোখে পড়ে, তা কিন্তু অন্য সময় সেইভাবে পাওয়া যায় না। ভোরের আলো, পাখির ডাক এসব কিন্তু প্রভাব ফেলে আমাদের মনে। তাই সুযোগ থাকলে ঠান্ডা হাওয়ায় কিছুক্ষণ হেঁটে আসুন। বাড়িতেই সূর্যপ্রণাম করুন। কিংবা কোনও মন্ত্র চালিয়ে চোখ বন্ধ করে ১০ মিনিট বসে থাকুন। এতেই ভেতর থেকে শান্তি পাবেন। নিজেই তা উপলব্ধি করতে পারবেন। তাই মন্ত্র শুনতে শুনতেই প্রকৃতির সঙ্গে খানিক সময় কাটান। যোগাভ্যাস করুন- যাঁরা প্রতিদিন সকালে যোগাভ্যাস করেন তাঁদের কিন্তু স্নায়বিক উত্তেজনা অন্যদের থেকে কম। খুব ঠান্ডা মাথায় তাঁরা সবটা সামলে নিতে পারেন। এটা কিন্তু প্রমাণিত। সকালে যখন শরীরচর্চা করবেন তখন কোনও মন্ত্র বা হালকা কোনও মিউজিক শুনুন। কিংবা শুধু ভেতর থেকে ‘ওঁ’ বলুন। ধ্যানের ভঙ্গীমায় বসুন। দুটো চোখ বন্ধ রাখবেন। কিংবা কোনও একটি বস্তুর দিকে একদৃষ্টি তাকিয়ে থাকুন। মনোসংযোগ বাড়বেই। আরও পড়ুন: ওয়ার্ক ফ্রম হোমে ক্লান্ত? মিউজিক থেরাপির মাধ্যমে মন হালকা করুন! জানুন উপায়লম্বা শ্বাস নিন- প্রাণায়ম করতেই হবে এমন নয়। কিন্তু যদি একান্ত করেন, তাহলে সঠিক পদ্ধতি মেনে করুন। নইলে ক্ষতি আপনারই। এর চেয়ে কোনও সমতলে পদ্মাসনে বসুন। এবার বুক ভরে শ্বাস নিন। আবার ছাড়ুন। এরকম ৫ মিনিট করুন। এরপর ১ মিনিট চোখ বন্ধ রেখে বসে আবার করুন। এভাবে ১৫ মিনিট করলেই বাড়বে মনোসংযোগ। মন্ত্রপাঠ- কোনও মন্ত্রপাঠ কিন্তু কখনই নিঃশব্দে হয় না। সবসময় উদাত্ত কন্ঠে মন্ত্রপাঠ কিংবা স্তোত্রপাঠের কথা বলা হয়। ভোরবেলা ফ্রেশ হয়ে মন্ত্র শুনুন। মন্ত্রের নিজস্ব ছন্দ আছে। যা আমাদের স্নায়ুর উত্তেজনা কমায়। একাগ্রতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে এনার্জিও বাড়ায়। মন্ত্রের ধ্বনি স্নায়ুকে উজ্জীবিত করে। যে কারণে জিম বা হাসপাতালে সকালে কিন্তু মিউজিক সিস্টেমে মন্ত্রই বাজানো হয়। আর এই মন্ত্র কানে শুনলে একাগ্রতা বাড়ে। ধৈর্য বাড়ে। যে কারণে লক্ষ্মী পাঁচালি সপ্তাহে একদিন পাঠ করার কথা বলা হয়। এসবই কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব ভালো। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Miraculous Benefits Of Keeping ‘Garlic’ Under Pillow! – আজ থেকেই বালিশের নীচে রাখুন এক কোয়া রসুন ! ফল মিলবে হাতে নাতে…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: খাবারে স্বাদ বাড়াতে হলে রসুন ছাড়া কোনও গতি নেই। তার উপরে যদি কষা মাংস বা কোনও মুখরোচক খাবার তৈরি করতে চান তাহলে রসুনের কোনও বিকল্প হয় না। কিন্তু রসুন শুধু স্বাদ বাড়াতেই নয়। স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী। রসুনের নানা গুণ রয়েছে। খেলে সেই উপকারগুলি পাওয়া যায়। কিন্তু শুধুমাত্র শরীরের সংস্পর্শে রাখলেও রসুনের নানা উপকার পেলে। তাই রোজ রাতে বালিশের তলায় এক কোয়া কাঁচা রসুন রাখুন। হতাশা দূর হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যাঁরা অনিদ্রায় ভোগেন, তাঁদের জন্যও এই রসুন বিশেষ উপকারী। কারণ রসুন মন সুস্থ ও সতেজ রাখতে পারে। বিছানার তলায় বা বালিশের তলায় রেখে ঘুমোলে স্বস্তি পাবেন।কিন্তু শুধু খেয়েই নয়, রসুনের সংস্পর্শে থাকলেও এমন অনেক উপকার পাওয়া যায়। তাই রাতে ঘুমনোর সময়ে বালিশের তলায় এক কোয়া কাঁচা রসুন রেখে ঘুমোন। অনিদ্রায় ভুগলেও এই টোটকা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। বাতের ব্যথা থেকে দূরে থাকতেও বালিশের নীচে এক কোয়া রসুন রেখে ঘুমোলে ফল পাওয়া যায়। রসুনে কী কী উপকার পাবেন- যাঁদের ঠান্ডা লেগে যায় তাঁরা রাতে ঘুমনোর আগে একটু কাঁচা রসুন খেলে উপকার পাবেন। নাক বন্ধ থাকলে এই টোটকা কাজে দেবে।সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খান। এতে হজমের সমস্যা থাকলে উপকার পাবেন। বাতের ব্যথাতেও উপকার পাবেন। এছাড়া লিভারের সমস্যা হলেও সঠিক পরিমাণে কাঁচা রসুন খেতে পারেন। রসুনে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টি বায়োটিক থাকে। নিজের যৌবন চিরকাল ধরে রাখতে চান? তা হলে রসুন খান। কারণ রসুনে আছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা স্কিনকে সতেজ রাখে। স্কিন এজিং-এর একটা বড় কারণ হল ক্ষতিকর সূর্যরশ্মি। রিঙ্কেল, ফাইন লাইনস, এজ স্পট, ডার্ক স্পট থেকে স্কিনকে দূরে রাখে রসুন। শুধু কাঁচা রসুন ১ কোয়া মধু ও লেবুর সাথে চিবিয়ে খেতে হবে। তা হলেই দেখতে পাবেন রসুনের কেরামতি।রসুন যেমন চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, তেমনই অতিরিক্ত চুল পড়াও নিয়ন্ত্রণ করে। কয়েকটা রসুনের কোয়া কেটে নিয়ে স্ক্যাল্পে ঘষুন। বা রস ও করে নিতে পারেন। এই রস সপ্তাহে দু’দিন লাগান। এক মাসের মধ্যেই ফল পাবেন। এ ছাড়া অলিভ অয়েলের মধ্যে রসুন ভালো করে ফুটিয়ে সেই তেলটা স্ক্যাল্পে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। চুল পড়া বন্ধ হতে বাধ্য।অল্প বয়সেই চুল পেকে যাচ্ছে? বাঁচার একমাত্র উপায় রসুন। কারণ রসুন এই অকালপক্কতা কমাতে দারুণ উপকারী। এর কারণ এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যেটা অকালপক্কতা নিয়ন্ত্রণ করে। এর জন্য কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলে তো ভালোই। সঙ্গে আরেকটি পদ্ধতিও দেখতেও পারেন। নারকেল তেলের মধ্যে কয়েক কোয়া রসুন ও একটু গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এবার কম আঁচে ফুটিয়ে নিন। তেল ঠান্ডা হলে এটা ভিজে চুলে লাগান। ২০ মিনিট পর চুল ধুয়ে নিন। চুল থাকবে কালো ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Winter fitness tips in bengali: এই নিয়মগুলি মানলেই সুস্থ থাকবেন শীতে! জেনে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ – winter fitness: do and don’ts during winter season

হাইলাইটসবিশেষজ্ঞদের মতে, এইরকম আবহাওয়ায় কিন্তু সর্দি জ্বর-সহ বিভিন্ন রকম অ্যালার্জির সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সেই সঙ্গে রয়েছে করোনার প্রকোপওএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শেষের পথে পা রেখেছে নভেম্বর। অঘ্রাণ মাসও পড়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও তেমনভাবে শীতের দেখা নেই। এদিকে গত দুদিন ধরে মেঘলা আকাশ। সকালে ঠা ঠা রোদ এখনও আরামদায়ক হয়ে ওঠেনি। মাঝেমধ্যে ফ্যানও চালাতে হচ্ছে। কোনওদিন একটু উত্তুরে হাওয়ায় গা শির শির করলেও পরের দিন আবার সেই গরম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এইরকম আবহাওয়ায় কিন্তু সর্দি জ্বর-সহ বিভিন্ন রকম অ্যালার্জির সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সেই সঙ্গে রয়েছে করোনার প্রকোপও। আর তাই সুস্থ থাকতে গেলে মেনে চলতেই হবে কয়েকটা বিষয়। যেমন-১. প্রতিদিন সকালে উঠে নিয়ম মাফিক হোক শরীরচর্চা, সেটা মর্নিং ওয়াক হতে পারে বা বাড়ির কোনো খোলা জায়গায় যোগাভ্যাস, তবে ২টোর ক্ষেত্রেই মনে রাখতে হবে ভোরবেলা কিন্তু আবহাওয়া কিছুটা হলেও ঠান্ডা থাকে, তাই মোটা জামা, টুপি ইত্যাদি যেন বাদ না যায়। মোটকথা মাথায় ঠান্ডা লাগানো চলবে না। ২.শরীরচর্চার সাথে দিনের শুরু থেকেই হোক সুষম খাদ্যাভ্যাস, সকালটা শুরু হোক তুলসীপাতা, অঙ্কুরিত ছোলা বা মুগের সঙ্গে ২-৪টে আমন্ড বাদাম দিয়ে। এই কয়েকটা জিনিস কিন্তু শুধু শীতকাল নয় সারা বছর আপনাকে সুস্থ রাখবে৩.শরীরচর্চার আধ ঘন্টা থেকে ৪০মিনিটের মধ্যে সেরে নিন ব্রেকফাস্ট। সকালে দুধ চা- টা এড়িয়েই চলুন। হোল গ্রেন সিরিয়ালস (রুটি, ওটস, ডালিয়া)এর সাথে থাকুক যে কোনও প্রোটিন উপাদান যেমন দুধ, ডিম বা ছানা এবং সঙ্গে অবশ্যই সবজি বা স্যালাড।৪.প্রত্যেকদিন ডায়েটে থাকুক একটা করে মরশুমি ফল৫. অর্ধেক আমলকি যদি রোজ ডায়েটে রাখা যায় কাছে আসবেনা রোগব্যাধি, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যা ইমিউনিটি ভালো রেখে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আমলকির জুস কিংবা কাঁচাই চিবিয়ে খান। ৬.শীতকাল মানেই সবজির সমারোহ, তাই প্রচুর পরিমাণে সবজি ও স্যালাড দিয়ে প্লেটকে করে তুলুন রঙিন।তবে অবশ্যই বাজার থেকে এনে ভালো করে ধুয়ে নেবেন। বাড়িতেই করতে পারেন কিচেন গার্ডেন, যা থেকে পাবেন টাটকা শাক সবজি, এতে মন ও ভালো থাকবে৭. শীতকালে ভাত খাওয়ার পর হালকা ঘুমের অভ্যেস কিন্তু অনেকেরই আছে, এটা কিন্তু নৈব নৈব চ। কারণ ভাতঘুম কিন্তু শুধুই আলস্য আনে দৈনিন্দিন রুটিনে।৮.শীতকাল মানেই নলেন গুড়ের মিষ্টি। সারা বাংলায় একটা সার্ভেতে দেখা গেছে শীতকালে ডায়াবেটিক পেসেন্টদের সুগার কিন্তু অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে থাকে না, এর প্রধান কারণ প্রিয় নলেন গুড়ের মিষ্টি, তাই তাদের জন্য বলি নিয়ম ভেঙ্গে ইচ্ছেমতো মিষ্টি খাবেন না, বাড়িতে ছানার সাথে অল্প গুড় দিয়ে মিষ্টি করে নিতে পারেন, তবে তা অবশ্যই সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকলে। কিংবা চিঁড়ে দিয়েও বানিয়ে নিতে পারেন নাড়ু। ৯.যত্ন নিন ত্বক ও চুলের ও, এই সময় শুস্কতা কিন্তু সারাক্ষণ এর সঙ্গী, তাই ব্যবহার করুন যথাযথ ময়েশ্চারাইজার। ১০. প্রচুর জল খান সারাদিনে প্রায় ৩-৪লিটার, যা আপনার শরীরকে আর্দ্র রাখবে। এই কয়েকটা নিয়ম মানলেই কিন্তু শীত কোনোভাবেই আপনাকে কাবু করতে পারবে না।তথ্য: রাখী চট্টোপাধ্যায়, ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও ডায়াবিটিস এডুকেটরএই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: 5 Perimenopause Symptoms Every Woman Should Know – ঘুমে সমস্যা, ঘামছেনও বেশি? যে ৫ লক্ষণে বুঝবেন পেরিমেনোপজ কিনা…

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মেনোপজ আর কিছুই নয়, একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যা প্রত্যেক মহিলার জীবনেই আসবে। মেনোপজ মানেই বুড়িয়ে যাওয়া নয়। মেনোপজ হতে হতে ৪৮ থেকে ৫০। তার আগে সাধারণত ৪০ বছরের আশেপাশে এলেই মেয়েদের শরীরে মেনোপজের কিছু লক্ষণ ফুটে উঠতে থাকে। যাকে বলা হয় পেরিমেনোপজ। চিকিৎসাবিজ্ঞান এই একটা ব্যাপারে মোটামুটিভাবে একমত যে মেনোপজ বা পেরিমেনোপজ কবে হবে বা কতদিন পর্যন্ত চলবে, তা বংশগতির ধারার উপর নির্ভর করে। তবে আপনি যদি খুব ফিট হন, তা হলে প্রক্রিয়াটি খানিক পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব। উলটোদিকে আবার যাঁরা আনফিট বা হরমোনের সমস্যা আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ঘটতে পারে সময়ের আগেই। অনেক মহিলাই আছেন, যাদের মেনোপজের সময় এগিয়ে আসছে এবং এটা নিয়ে তাদের মধ্যে একটা চাপা আতঙ্ক বা দুশ্চিন্তা কাজ করে। অনেকে আবার এটা নিয়ে কুসংস্কারে ভোগেন। এই সময়টা সব মহিলাকেই ফেস করতে হবে, তাই অহেতুক চিন্তা না করে, এই সময় কী কী হতে পারে এবং তার বিপরীতে কী কী করা যেতে পারে, সেগুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে অনেক সহজ হয়ে যাবে। একজন মহিলার শরীরে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিম্বাণু থাকে। যেগুলো তাঁর জরায়ুতে সংরক্ষিত থাকে। জরায়ু মহিলাদের শরীরের ইসট্রোজেন এবং প্রজেসটেরন হরমোন তৈরি করে, যেটা প্রতিমাসের পিরিয়ড এবং ওভাল্যুশনকে নিয়ন্ত্রণ করে। যখন জরায়ু থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণ বন্ধ হয়ে যায় এবং পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়, তখনই মেনোপজ হয়।এখন দেখে নেওয়া যাক পেরিমেনোপজের লক্ষণগুলি- পিরিয়ড কি অনিয়মিত হয়ে গিয়েছে?অনিয়মিত পিরিয়ড বলতে আমরা অত্যধিক বেশি বা কম দু’ ধরনের স্রাবকেই বোঝাচ্ছি। কারও কারও মাসে একাধিকবার ব্লিডিং শুরু হয়ে যায়, কারও খুব কম ব্লিডিং হয়। কারও ক্ষেত্রে আবার তিন-চার মাস দেখাই মেলে না পিরিয়ডের। টানা ১২ মাস ঋতুস্রাব না হলে বুঝতে হবে যে আপনার ঋতুবন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে পিরিয়ড না হলে একবার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন এবং প্রেগন্যান্সি টেস্ট করিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি গর্ভবতী নন। অতিরিক্ত রক্তপাত হলে কিন্তু শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে, তাই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন নিয়মিত।রাতে ঘাম হয়ে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে কী?মাঝরাতে আচমকা ঘামে ভিজে ঘুম ভেঙে গেল, এমন কখনও হয়েছে কী? বা হঠাৎ করেই প্রবল গরমে কান, মাথা জ্বলতে আরম্ভ করে? এটাও পেরিমেনোপজের লক্ষণ এবং এটা মেনোপজের পরও চলতে পারে।ত্বক আর চুল ক্রমশ শুকনো হয়ে যাচ্ছে কী?নিয়মিত যত্ন নেওয়ার পরেও যদি ত্বক আর চুলের স্বাস্থ্যের বিন্দুমাত্র উন্নতি না হয়, তা হলে বুঝতে হবে যে আপনার শরীরে স্ত্রী হরমোনের যে ঘাটতি হচ্ছে, তার কারণেই চুল যাচ্ছে শুকনো হয়ে। ত্বক হারাচ্ছে লালিত্য। আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করতে আরম্ভ করুন, ফল পাবেন। হয়তো হরমোন তৈরি হবে না, কিন্তু ব্যায়ামের ফলে ত্বক-চুল ভালো থাকে, এ কথাও ঠিক। আর ব্যায়াম করলে কমবে ওজন বাড়ার হারও।ভ্যাজাইনার শুষ্কতা ভোগাচ্ছে?পেরিমেনোপজ স্তরে অনেকেই ভ্যাজাইনার আশপাশ শুকনো হয়ে গিয়েছে এমন অভিযোগ করেন। হয়তো যৌন মিলনের সময় অসুবিধে হতে পারে, সেক্ষেত্রে লুব্রিক্যান্ট ব্যবহার করতে হবে। তবে অনেকেই এই অসুবিধে টের পান না এবং মিলনের আনন্দ চুটিয়ে উপভোগ করেন, এ কথাও ঠিক।মুড বদলাচ্ছে ঘন ঘন?মেনোপজের সময় বা তার আশপাশে যে মন খারাপের একটা সমস্যা হয়, এ কথা পরীক্ষিত ও প্রমাণিত। যদিও অনেকেই তার কিছুমাত্র টের পান না, তবু বহু মহিলা ডিপ্রেশনের শিকার হন। তাই মনের কোণে মেঘ জমছে মনে হলেই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।মনে রাখবেন, মেনোপজের পর আপনি স্রেফ প্রজননক্ষমতা হারাবেন -তার মানে জীবনের গতি স্তব্ধ হয়ে যাওয়া নয় কিন্তু! চুটিয়ে বাঁচুন, নিজের খেয়াল রাখুন, পেটে, কোমরে চর্বি জমতে দেবেন না, তাতে অন্য নানা জটিলতা এড়ানো সম্ভব।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Have You Choosen Bread Over Roti? This Is The Most Foolish Thing You Are Doing – রুটি ছেড়ে পাঁউরুটি বেছে নিয়েছেন! বোকামো নয়তো? জানুন

হাইলাইটসদেখতে যতই লোভনীয় হোক না কেন, মনে রাখবেন ব্রাউড ব্রেড হোক বা মাল্টিগ্রেইন ব্রেড, এই সবই আমাদের পেট ভরায় শুধু চিনি, মাখন আর ময়দা দিয়ে। প্যাকেটে যাই লেখা থাক না কেন, আপনার ওজন বাড়ার পেছনে সবথেকে বড় খলনায়ক কিন্তু এই পাঁউরুটি। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে দেখা ছবি থেকে স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট বলতেই যে ছবিটা আমাদের চোখে ভেসে ওঠে, তা হল ডিশে সাজানো কয়েক পিস টোস্ট। কখনও তার সঙ্গে ডিমসেদ্ধ, কখনও ডিমের পোচ। কিন্তু আমাদের দেশে গড়পরতা সাধারণ ঘরে সকালের জলখাবার বলতে বোঝায় হাতে গড়া আটার রুটি, তার সঙ্গে ঘরে তৈরি তরকারি। মনে রাখবেন সেই খাবার থেকে সরিয়ে এনে আমাদের ব্রেড-মুখো করে তোলাটা ব্যবসায়িক চাল ছাড়া আর কিচ্ছু না। দেখতে যতই লোভনীয় হোক না কেন, মনে রাখবেন ব্রাউড ব্রেড হোক বা মাল্টিগ্রেইন ব্রেড, এই সবই আমাদের পেট ভরায় শুধু চিনি, মাখন আর ময়দা দিয়ে। প্যাকেটে যাই লেখা থাক না কেন, আপনার ওজন বাড়ার পেছনে সবথেকে বড় খলনায়ক কিন্তু এই পাঁউরুটি। কখনও ভেবে দেখেছেন, ব্রাউন ব্রেড বা মাল্টিগ্রেইন ব্রেড যে আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো, তা কে বলেছে? বিজ্ঞাপনদাতারা। তাই নয় কি? তারা তাদের কাজটা খুব ভালো ভাবে করেছে। তাই অনেকেই এখন ব্রেকফাস্টে রুটি তরকারির বদলে ব্রেড বেছে নিয়েছেন। এপিলেপসি দিবস ২০২০: মৃগী রোগের লক্ষ্মণ কী? কী ভাবে সামলাবেন মৃগীতে আক্রান্ত শিশুদের! বিভিন্ন কোম্পানির তৈরি যে ব্রেড বাজারে পাওয়া যায় তার বেশিরভাগগুলিতেই থাকে রং, ট্র্যান্স ফ্যাট, এগ স্টেবিলাইজার, সোডা এবং ইয়েস্ট। এগুলি যতই আটা, মাল্টিগ্রেইন, ওটস বা দালিয়া দিয়ে তৈরি বলে দাবি করুক না কেন, আসলে এগুলিতে রং মেশানো থাকে। আর যে উপকরণের টানে আপনি ওই ব্রেড কিনছেন, তা হয়তো আসলে থাকে সামান্য ছিটেফোঁটা। রোজ বিকেলে এই ৫ কাজ করুন, ঝরঝরিয়ে কমবে ওজন এছাড়া সুপারমার্কেটের তাকে এক প্যাকেট ব্রেড বেশিদিন টাটকা দেখানোর জন্য এতে প্রচুর পরিমাণে প্রিজারভেটিভস মেশানো থাকে। হাতে গড়া রুটি একদিনের পুরনো হলে শক্ত হয়ে যায়, গন্ধ হয়। কারণ তার মধ্যে কোনও প্রিজারভেটিভস থাকে না। পাঁউরুটি কিন্তু বেশ কয়েকদিন তাজা থাকে। সেই কারণেই এটি ক্ষতিকর। তাই বিজ্ঞাপনে চমকে ভুলে পাঁউরুটি ছাড়ুন। হাতে গড়া রুটি বেছে নিন। আমাদের বাবা কাকারা হাতে গড়া রুটি ও ঘরে তৈরি তরকারি খেয়েই দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচেছেন। ওজন বাড়ার সমস্যাও যতটা আজকের দিনে দেখা যায়, ততটা আগেকার দিনে দেখা যেত না। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Is There Any Harm In Consuming Raw Salt – খাবার বিস্বাদ লাগলেই কাঁচা নুন খান? ভুল করছেন! হতে পারে বিপদ…

হাইলাইটসকাঁচা নুন থেকেই আসে নানা শারীরির সমস্যা। আসে কিডনির মতো জটিল সমস্যাও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ৫ গ্রামের বেশি নুন কিছুতেই খাবেন নাএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: যে কোনও খাবারের স্বাদ খোলতাই হয় নুন আর চিনিতে। রান্নাতে নুনের পরিমাণ কম-বেশি হলেই সেই খাবারের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে নুনের ব্যবহার সবসময় মেপেই করা উচিত। পাতে নুন, লেবু আর কাঁচালঙ্কা না থাকলে অনেকেই খেতে পারেন না। কিন্তু এই ভাবে কাঁচা নুন খেয়ে আদৌ ঠিক কাজ করছেন কি? বিশেষজ্ঞরা কিন্তু সবসময় কাঁচা নুন এড়িয়ে যাওয়ার কথা বলেন। কারণ কাঁচা নুন থেকেই আসে নানা শারীরির সমস্যা। আসে কিডনির মতো জটিল সমস্যাও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ৫ গ্রামের বেশি নুন কিছুতেই খাবেন না। তবে ২ থেকে ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত চাহিদা মতো নুন খেতে হবে। কারণ নুনে থাকে আয়োডিন। যা শিশুদের মস্তিষ্কের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। মাংসপেশির ক্ষমতা বাড়ায়। এবার দেখে নিন তরকারি ছাড়া কাঁচা নুন কীভাবে আমাদের শরীরে প্রভাব ফেলে-রক্তচাপ বাড়ে- রক্তচাপ কম থাকলে নুন থেকে বলা হয়, কিন্তু কখনই তা কাঁচা নুন নয়। নুন খেলে রক্তচাপ বাড়ে। আর রক্তচাপ বাড়লেই চাপ পড়ে আর্টারিতে। সেখান থেকে বাড়ে হার্ট অ্যাটার্কের সম্ভাবনা। আরও পড়ুন: ব্রেকফাস্ট নয়, লাঞ্চের পরই খান এক গ্লাস কমলালেবুর রস! ওজন কমবে দ্রুতহার্টের সমস্যা- প্রয়োজনের থেকে অতিরিক্ত পরিমাম নুন শরীরে প্রবেশ করলে নানা রকম সমস্যা আসতে পারে। হার্ট অ্যাঠাক, হার্ট ফেলিওর সহ- একাধিক রোগের। তাই হার্টকে সুস্থ রাখতে আজই কাঁচা নুন খাওয়া বন্ধ করুন। এছাড়াও যাঁদের নানাবিধ সমস্যা রয়েছে তারাও নুন খাওয়া বন্ধ করুন। ক্যানসার- নুন বেশি খেলে ক্যান্সারের মত রোগও আসতে পারে। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে নুন বেশি খেলে পাকস্থলির ক্যানসার হতে পারে। কিডনির সমস্যায়- শরীরে ইলেকট্রোলাইটসের মাত্রা ঠিক রাখে নুন। কিন্তু তা বলে খুব বেশি পরিমাণে নুন খাওয়া একদমই ভালো নয়। কারণ বেশি করে নুন খেলে শরীরে বেশি লবণ প্রবেশ করবে। ফলে কিডনির কর্মক্ষমতা কমবে। সেই সঙ্গে বাড়বে রক্তচাপ। যা অজান্তেই শরীরকে ভেতর থেকে শেষ করে দেয়। আরও পড়ুন: অজান্তেই বাড়ছে সুগার? বুঝে নিন এই ১০ লক্ষণেই…আলসার- শরীরে বেশি মাত্রায় নুনের প্রবেশ ঘটলে পাকস্থলির আবরণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়, ফলে পাকস্থলি আলসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শরীরে জলের ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে নানা রকমের জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমবে- বেশি মাত্রায় নুন খেলে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি কমে যেতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং মনোযোগও কমে। আর এই সমস্যা হলে প্রতিদিনের জীবনও বিপন্ন হয়ে পড়ে। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Flat shoes: শুধু হিল নয়, অত্যন্ত ক্ষতিকর ফ্ল্যাট জুতোও! জানুন আর সাবধান হোন – know why your flat shoes are also dangerous

হাইলাইটসফ্ল্যাট জুতো পায়ের পক্ষে আরামদায়ক হলেও দীর্ঘদিন ধরে ফ্ল্যাট জুতো পরে থাকলে পায়ে মারাত্মক ব্যাথা হতে পারে। এমনকি বরাবরের মতো আর্থারাইটিস ধরে যেতে পারে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: উঁচু হিল জুতো যে স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ সে তো আমরা প্রায় সকলেই জানি। মেরুদণ্ডে সমস্যা সহ পায়ের হাড়ক্ষয়ের মতো সমস্যা হয় হিল জুতো পরলে। হাঁটু, পিঠ এবং মেরুদণ্ডে গুরুতম সমস্যা দেখা দিতে পারে হাই হিল জুতো পরলে। সেই কারণে অনেকেই এখন হাই হিল জুতো ছেড়ে ফ্ল্যাট জুতো বেছে নিয়েছেন। কিন্তু জানেন কি ফ্ল্যাট স্যান্ডেল বা জুতোতেও রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি।ফ্ল্যাট জুতো পায়ের পক্ষে আরামদায়ক হলেও দীর্ঘদিন ধরে ফ্ল্যাট জুতো পরে থাকলে পায়ে মারাত্মক ব্যাথা হতে পারে। এমনকি বরাবরের মতো আর্থারাইটিস ধরে যেতে পারে। এছাড়া ফ্ল্যাট জুতো পড়লে পা মাটি বা রাস্তার খুব কাছাকাছি থাকে। এতে করে খুব সহজেই পায়ের নখ এবং আঙুল ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হতে পারে। খুব সহজেই পায়ে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে। সুতরাং একেবারে ফ্ল্যাট জুতো পড়ার ব্যাপারে দ্বিতীয়বার চিন্তাভাবনা করুন। অন্তত বর্ষাকালে।সুস্থ থাকতে গ্রিন টি ছাড়ুন, বেছে নিন আদা চা! মত বিশেষজ্ঞের বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে দীর্ঘদিন ধরে হিল জুতো পরলে পায়ের ভরকেন্দ্র পরিবর্তিত হয়ে যায়। এর ফলে পায়ের কাফ এবং থাইয়ের মাসল শক্তিশালী হয়ে যায়। সেই কারণে যাঁদের রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা আছে, এক ইঞ্চি উঁচু হিল জুতো পরলে উপকার পেতে পারেন। খুব বেশি হিল জুতো না পরে এক বা দেড় ইঞ্চি উঁচু হিল জুতো পরলে অপকাররের থেকে বরং উপকার পাওয়া যেতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে পাতলা সোলের জুতো পরার ফলে পায়ের পাতার স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। হ্যামার টো নামক সমস্যা অর্থাৎ পায়ের পাতা বাঁকা হয়ে যাওয়ার প্রবণতা ফ্ল্যাট জুতো পরার কারণেই মূলত হয়ে থাকে। ফ্ল্যাট জুতো পড়লে পায়ের পুরো চাপ পাতার উপরেই পড়ে। এতে সামনে চাপ কিছুটা কমলেও পায়ের পেছনের অংশের উপরেই চাপটা বেশি পড়ে থাকে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পায়ের পেশি।ওজন কমাতে এই শীতে রোজ খান কমলালেবু, ক’দিন পরে চমকে যাবেন! এছাড়া পায়ের পাতা ছড়িয়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দেয় ফ্ল্যাট জুতোর ব্যবহারে। আপনি যখন ফ্ল্যাট জুতো পরেন তখন পা ফেলার সময় পুরো পায়ের পাতা সমানভাবে পড়ে। ব্যাল্যান্স ধরে রাখার জন্য পায়ের পাতা যতটা সম্ভব ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ফ্ল্যাট জুতো ব্যবহারের কারণে পায়ের পাতার আকৃতি নষ্ট হয়ে যায়। সারাদিন হাঁটাচলা করতে হলে অনেকেই ফ্ল্যাট জুতো বেছে নেন। তবে আমরা যখন সারাদিন হেঁটে বা দাঁড়িয়ে কাজ করে থাকি তখন হাঁটাহাঁটি করার ফলে আমাদের পায়ের পাতার নীচের অংশের সঙ্গে জুতোর ঘর্ষণ বেশি হয় এবং এর ফলে পায়ের পাতায় জ্বলুনি ও ফোসকার সৃষ্টি হয়।তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে একেবারে ফ্ল্যাট স্যান্ডেল বা জুতো না পড়ে সাধারণ এক থেকে দেড় ইঞ্চির হিল জুতো পড়ুন। আর দীর্ঘক্ষণ ফ্ল্যাট না পড়ে জুতো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পরার অভ্যাস করুন। পায়ের যত্নে একটু সতর্ক হলেই অনেক সমস্যা এড়ানো যাবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Allergy problem in bengali: অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে? বিপদ এড়াতে এখনই সাবধান হন! জানুন… – allergy: symptoms & signs

হাইলাইটস কোন খাবার থেকে সমস্যা হচ্ছে বা তাঁর আদৌ অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে কিনা, সঠিক ভাবে অনেকেই জানেন না। শ্বাসকষ্ট, বমি, ডায়েরিয়া, র‍্যাশ, গ্যাসের সমস্যাকে অনেকেই সেভাবে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু এগুলোই হতে পারে অ্যালার্জির কারণএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: গত কয়েকমাস ধরেই দেশ জুড়ে টালমাটাল স্বাস্থ্য পরিষেবা। করোনার সঙ্গে লড়াই করে হাঁপিয়ে উঠছেন দেশের স্বাস্থ্যকর্মীরা। আর এই মহামারির সময় অন্য কোনও সমস্যা হলেও বিপদ। কারণ চিকিৎসার জন্য হাতের সামনে ডাক্তার চাইলেই পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়ও সব হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে কোভিডের, ফলে প্রয়োজনে বেডও পাওয়া যাচ্ছে না। সুস্থ শরীর নিয়ে হাসপাতালে গেলেও থেকে যাচ্ছে ভয়। কারণ সামান্য কোনও পরীক্ষা থেকেও হতে পারে করোনার সংক্রমণ। আর সে কারণে সকলে বাড়িতেই সাবধানে থাকতে বলছেন চিকিৎসকরা। প্রয়োজনীয় ওষুধ সবসময় সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। অ্যালার্জির সমস্যা অনেকেরই আছে। কিন্তু কোন খাবার থেকে সমস্যা হচ্ছে বা তাঁর আদৌ অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে কিনা, সঠিক ভাবে অনেকেই জানেন না। শ্বাসকষ্ট, বমি, ডায়েরিয়া, র‍্যাশ, গ্যাসের সমস্যাকে অনেকেই সেভাবে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু এগুলোই হতে পারে অ্যালার্জির কারণ। আর তাই এ ব্যাপারে নিজেকেই সতর্ক হতে হবে। দেখে নিন অ্যালার্জির হাত থেকে কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন। আপনি যদি আগেই অ্যালার্জি টেস্ট করিয়ে থাকেন, তাহলে আপনি ইতোমধ্যে জেনে গিয়েছেন কোন কোন খাবারে সমস্যা হয়। সেক্ষেত্রে সেই সব খাবার এড়িয়ে চলুন। জোর করে কেউ মুখে ঢুকিয়ে দিলেও খাবেন না। মনে রাখবেন অ্যালার্জি কিন্তু মারাত্মক, প্রাণহানিরও আশঙ্কা থাকে সঠিক সময়ে সচেতন না হলে। অ্যালার্জির লক্ষণ সবার ক্ষেত্রে সমান নয়। কারোর বিশেষ কোনও খাবারে ডায়েরিয়া হয়, কারোর আবার র‍্যাশ বেরোয়। আবার কারোর পেট ফাঁপা, হজমের সমস্যা এসব হয়। এসব সমস্যা হলে আগে দেখুন কোন খাবার খাওয়ার পর এই অসুবিধে গুলি আসছে। বুঝতে পারলেই খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিন সেই খাবার গুলি। বিশেষ ফুড গ্রুপেও অনেকের অ্যালার্জি থাকে। আর তা কিন্তু পারিবারিক সূত্রে প্রাপ্ত। এমন নয় যে তা সারাজীবন থাকে। বেশ কয়েকবছর পর তা চলেও যেতে পারে। সেই বিশেষ খাওয়ার পর হঠাৎ শ্বাসনালী ফুলতে শুরু করে। সেই সঙ্গে যেন দম বন্ধ হয়ে আসে। এরকম পরিস্থিতি বেশ সমস্যার। সঙ্গে সঙ্গেই তখন কাছাকাছি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে রোগীকে।আরও পড়ুন: চুলের পুষ্টি থেকে শরীরের শক্তি, যা কিছু উপকারিতা রয়েছে ফেনা ভাতের! অবশ্যই জানুনবেশ কিছু ওষুধেও অনেকের সমস্যা থাকে। হয়তো সামান্য প্যারাসিটামল, সবাই খেতে পারেন। কিন্তু আপনি প্রয়োজনে খেতেই দেখলেন মুখ ফুলে গেল। তার মানে এই ওষুধে আপনার সমস্যা রয়েছে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে আগেই জেনে রাখুন কী কী ওষুধ আপনি সবসময় সঙ্গে রাখবেন। এছাড়াও অ্যান্টি অ্যালার্জির জন্য কী ওষুধ খাবেন তাও জেনে রাখুন।অনেক বাচ্চার দুধে সমস্যা থাকে। দুধ খেলেই পেট ফেঁপে যাওয়া, বমি, ডায়েরিয়া এসব লেগেই থাকে। এক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে বাবা-মাকেই। বাচ্চার দুধ খেয়ে সমস্যা হচ্ছে বুঝলেই তা বন্ধ করতে হবে। পরিবর্তে আমন্ড মিল্ক বা সোয়া মিল্ক চলতে পারে। যে সব খাবার থেকে মূলত অ্যালার্জি হয়দুধ, ডিম, বাদাম, সরষে, সূর্যমুখীর তেল, গম, ডাল, সোয়াবিন, সামুদ্রিক মাছ ও প্রাণী (তার মধ্যে চিংড়িও পড়ে)। যাঁদের দুধে অ্যালার্জি থাকে, তাঁদের অনেকেরই গমের প্রোটিন থেকেও সমস্যা হয়। যাঁদের সোয়াবিন সহ্য হয় না, তাঁরা রাজমাও হজম করতে পারেন না। প্রথমদিকে হয়তো স্রেফ দুধে অসুবিধে হবে, তার পর দেখবেন ঘি-মাখন-ছানা-মিষ্টি দই খেলেও কষ্ট হচ্ছে। আর দুধের খাবার থেকে অ্যালার্জি হলে ডায়ারিয়া হবেই।একটানা হরমোনের ওষুধ খেলেও অ্যালার্জির সমস্যা হয়। আর তাই সবসময় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন। ওষুধ থেকে সমস্যা হলে ততক্ষনাৎ জানান। সুতরাং নিজের খেয়াল নিজেই রাখুন। সবার আগে যা করতে হবে তা হল লোভ সংবরণ করুন। দুধে সমস্যা এদিকে সবাই খাচ্ছে বলেই আপনিও রসমালাই খেয়ে ফেললেন এমন করবেন না। কিংবা খুব ইচ্ছে হলে চিংড়ির মালাইকারিও নয়। একবার শ্বাসকষ্ট হলে ভোগান্তি আপনার। এই সময়ে সঠিক চিকিৎসা বা অক্সিজেন পাবেন এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। তাই যদি আগেভাগে জেনে থাকেন যে অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে বা ওষুধ খান তাহলে নিজেই সাবধান হোন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link