Tag Archives: health tips

health tips: ড্রাই ফ্রুট ভালো, তবে বেশি খেলে দাঁত এবং পেটের বিপদ ডাকে! জানতেন? – here are 5 problems that can caused after eating too many dried fruits

হাইলাইটসপ্রত্যেকের ড্রাই ফ্রুট খাওয়া উচিত। ডায়েট চার্টে পুষ্টিবিদরা অনেক সময়েই সযত্নে রাখেন এই খাবার। এগুলির অন্যতম কাজ খারাপ কোলেস্টেরলকে ভালো কোলেস্টেরলে পরিবর্তিত করা। এ ছাড়া শরীরের মেটাবলিজমের রেট বাড়িয়ে তা খিদে বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে। এতে উপস্থিত ফাইবার শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রত্যেকের ড্রাই ফ্রুট খাওয়া উচিত। ডায়েট চার্টে পুষ্টিবিদরা অনেক সময়েই সযত্নে রাখেন এই খাবার। এগুলির অন্যতম কাজ খারাপ কোলেস্টেরলকে ভালো কোলেস্টেরলে পরিবর্তিত করা। এ ছাড়া শরীরের মেটাবলিজমের রেট বাড়িয়ে তা খিদে বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে। এতে উপস্থিত ফাইবার শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি চিকিত্সকরা নিজেরাই সুস্থ থাকার জন্য শুকনো ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে, বেশি পরিমাণে ফাইবার সেবন করলে আপনার হজম ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যায়।সকলেই ড্রাই ফ্রুটসের উপকারিতা সম্পর্কে জানেন। তবে, আপনার এর অসুবিধাগুলিও জেনে রাখা উচিত। ড্রাই ফ্রুটস গরম, তাই কাঁচা খাওয়ার পরিবর্তে সেগুলি ভেজানো উচিত। এ ছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। এ জাতীয় পরিস্থিতিতে কিডনি, উচ্চ বিপি এবং উচ্চ কোলেস্টেরল আক্রান্ত রোগীদের চিকিত্সকের পরামর্শের পরেই খাওয়া উচিত। আপনার স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে, আজ আমরা আপনাকে ৫টি অসুবিধাগুলি সম্পর্কে বলব।পেটের সমস্যাফাইবার মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ এবং পেট ভালো রাখতে সহায়তা করে। শরীরে পুষ্টির অভাব ড্রাই ফ্রুটের মাধ্যমে সম্পন্ন করা যায়, তবে সেগুলি খাওয়ার ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। এটি আপনার পেটের পেটে বাধা, ফোলাভাব, পেটে ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। তাই সীমিত পরিমাণে শুকনো ফল খান। এটি আপনার স্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনও আপস না করে আপনার ফাইবার গ্রহণ বাড়িয়ে তুলবে।ওজন বাড়তে পারেশুকনো ফলের অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে আপনার ওজন বাড়িয়ে তুলতে পারে। আসলে, এগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে যা ওজন বাড়ানোর জন্য দায়ী। আপনি যদি প্রতিদিন শুকনো ফল খান তবে আপনি অল্প সময়ে স্থূল হয়ে উঠবেন।কেবল উপকারিতা নয়, পেয়ারার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও আপনার অবশ্যই জানা উচিত!দাঁতের ক্ষয়শুকনো ফলের মধ্যে ফ্রুক্টোজ আপনাকে স্বাস্থ্যকর করে তোলে। তবে খুব বেশি শুকনো ফল খেলে আপনার দাঁতে সমস্যা হতে পারে। আসলে শুকনো ফলগুলিতে অতিরিক্ত চিনি থাকে, যা দাঁতে আটকে থাকে। এর ফলে দাঁতের ক্ষয় হয়। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে শুকনো ফলগুলি সবসময় খাওয়ার পরে ব্রাশ করা উচিত। এ ছাড়া এই সমস্যাটি এড়াতে শুকনো ফল খাওয়ার পরে সবসময় জল পান করা উচিত।চিনি খাওয়ার আসক্ত হতে পারেনউল্লিখিত হিসাবে, অনেক শুকনো ফলে উচ্চ পরিমাণে চিনির পরিমাণ থাকে। এর মধ্যে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব বেশি। যা রক্তে শর্করার স্তরের ওঠানামার কারণ হয়ে থাকে। এই ড্রপ ডাউন এর কারণে, কোনও ব্যক্তি হঠাৎ করে চিনি খাওয়ার আসক্ত হয়ে যায় এবং চিনি বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করে।হাঁপানির সমস্যাঅতিরিক্ত শুকনো ফল খাওয়ার ফলে হাঁপানির কারণ হতে পারে। অনেকেই জানেন না যে শুকনো ফল সংরক্ষণে সালফার ডাই অক্সাইড ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সত্যই বিপজ্জনক উপাদান। এটি বৃহত স্তরে ব্লিচিং এজেন্ট এবং জীবাণুনাশক হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। একটি প্রতিবেদন অনুসারে, অল্প পরিমাণে খাওয়া গেলে সালফার ডাই অক্সাইড কোনও ক্ষতি করে না। তবে, আপনি যখন এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া শুরু করেন তখন অ্যালার্জির সঙ্গে হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁপানির রোগীদের সবসময় শুকনো ফলের অতিরিক্ত ব্যবহার এড়ানো উচিত।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Bathing mistakes: সর্তক হোন, স্নানের নিয়মে গলদ থাকলেও বাসা বাধে অসুখ! – common showering and bathing mistakes

হাইলাইটসরোজ স্নান করলে শুধু শরীরই চাঙ্গা হয় না। মগজও তরতাজা থাকে। তবে রোজ স্নান করলেই যে আপনার ত্বকের সমস্যা হবে না, এমন কোনও গ্যারান্টি নেই। তবে হ্যাঁ, স্নান করলে অবশ্যই পরিষ্কার থাকা যাবে।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রোজ স্নান করলে শুধু শরীরই চাঙ্গা হয় না। মগজও তরতাজা থাকে। তবে রোজ স্নান করলেই যে আপনার ত্বকের সমস্যা হবে না, এমন কোনও গ্যারান্টি নেই। তবে হ্যাঁ, স্নান করলে অবশ্যই পরিষ্কার থাকা যাবে। তাড়াহুড়োর কারণে অনেক সময় স্নানে থাকে না যত্নের ছোঁয়া। তড়িঘড়ি স্নান করলে যেমন তৈলাক্ত ত্বকের ঘাম–ময়লা পরিষ্কার হয় না, তেমনই জীবাণু বেড়ে সূত্রপাত হতে পারে চর্মরোগের৷ তাই স্নানের মূল যত্নটুকু বাদ দিয়ে শুধুই জীবাণুনাশক সাবান মেখে স্নান করলে বাড়ে বিপদ৷ ত্বক রুক্ষ হলে বার বার স্নান করলেও সমস্যা ৷ সমস্যা হয় গায়ের জোরে ঘষে ঘষে ময়লা, জীবাণু দূর করলে৷ কারণ অপকারীদের সঙ্গে কিছু উপকারী জীবাণু ধুয়ে গেলে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে৷ খুব রগড়ে স্নান করলে, গায়ে যে সূক্ষ্ম আঁচড় পড়ে, জীবাণু সেই ছিদ্রপথে ঢুকে সংক্রমণ ঘটাতে পারে৷ বেশি ঘষাঘষিতে ত্বকে পড়ে অকাল বলিরেখাও। তাই কোন জল, কোন তেল বা কোন সাবান ব্যবহার করবেন জেনে নিন…স্নানের জল কেমন হওয়া উচিতবেশি গরম জলে করলে ত্বক–চুল শুকিয়ে যায়৷ কম বয়সে বলিরেখাও পড়তে পারে৷ কাজেই ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করুন৷ হালকা গরমে রক্তসঞ্চালন ভালো হবে৷ তরতাজা লাগবে৷ এ ছাড়া নিয়মিত দীর্ঘদিন গরম জলে মুখ ধুলে মুখের ত্বকে কালচে ছোপ পড়তে পারে। বিশেষ করে যাদের সূর্যের আলোয় মুখে কালো ছোপ পড়ার সমস্যা রয়েছে, গরম জল ব্যবহারে তা আরও বাড়তে পারে। খর জলে স্নান করলে চুল লালচে, নির্জীব হয়ে যেতে পারে৷ ত্বকে আসতে পারে কালচে ভাব৷ সে ক্ষেত্রে জলে বাথ সল্ট মেশান৷ জল মৃদু হবে, ত্বকও পরিষ্কার হয়ে ত্বকের আর্দ্রতা থাকবে ঠিকঠাক৷ তবে রং–গন্ধ ও ডিটারজেন্ট থেকে স্পর্শকাতর ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে৷ তাই বাথ সল্ট বা বাথ অয়েল ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।রোজ ঘি খাওয়া কি ভালো? কী বলছেন বিশেষজ্ঞ? জানুন পরামর্শ…কেমন সাবান ব্যবহার করবেন?স্পর্শকাতর ত্বকে রং–গন্ধওয়ালা সাবানে সমস্যা হতে পারে৷ বেবি সোপেও অনেক সময় হয়৷ সে ক্ষেত্রে মাখুন গ্লিসারিন সাবান বা সোপ ফ্রি সোপ৷ তরল সাবানে অ্যালার্জি হলে সেটাফিল ক্লিনজিং লোশন বা অ্যাকোয়াডার্ম লিকুইড সোপ মেখে দেখুন৷ শাওয়ার জেলের মধ্যে সোপ ফ্রি জেল মোটামুটি নিরাপদ৷ ঘামাচি, ঘামের গন্ধ বা ত্বকের সমস্যায় দিন কয়েক মেডিকেটেড সোপ মাখতে পারেন৷ নিয়মিত মাখলে অ্যালার্জি বাড়তে পারে৷ ব্রণ হলে জীবাণুনাশক সাবানে বার বার মুখ ধুলে ব্রণ কমার বদলে বাড়ে৷ অন্য চামড়ার রোগেও সাবান কম মাখা ভালো৷দিনে দু’বারের বেশি সাবান মাখবেন না৷ হালকা করে ঘষে মাখুন৷হেভিওয়েট থেকে টোনড ফিগার, কীভাবে এত স্লিম অ্যান্ড ট্রিম হলেন নীতা আম্বানি? জানুন গোপন রহস্য..তেল কখন ব্যবহার করবেন?যাদের তৈলাক্ত ত্বকে দরকার নেই৷ শুষ্ক বা সাধারণ ত্বক হলে শীতকালে লাগবে তেলের ছোঁয়াচ৷ তবে আবহাওয়া উষ্ণ ও বায়ুতে আর্দ্রতা বেশি হলে তেল মাখার কারণে ঘামাচি বা ফোড়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে৷ তেল লাগান স্নানের পর৷ ত্বক বহু ক্ষণ সজীব থাকবে এতে৷ মালিশের সময় না থাকলে স্নানের জলে মিশিয়ে নিন৷ তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে হালকা করে মুছে নিলেই হবে৷ ভিটামিন মেশানো বা ওষধি তেল মেখে কোনও লাভ নেই৷ তেল মেখে রোদে বসে থাকলে ত্বক পুড়ে যেতে পারে৷ জন্ম হতে পারে অকাল বলিরেখারও। তাই এই বিষয়টি এড়িয়ে চলুন৷এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

sleeping more in winter: শীতে কেন বেশি ঘুম পায়? আলস্যি কাটিয়ে ঘুম ভাঙাতে কী করবেন? জানুন… – health tips: these reasons are behind sleeping more in winter know the tips to wake up easily

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ধে নামতে না নামতেই শিরশিরে উত্তরে হাওয়ায় খুব মালুম পড়ছে, শীত আসতে আর বেশি দেরি নেই। আর দিন পনেরোর মধ্যেই আলমারির তাক থেকে বেরিয়ে পড়বে গরম চাদর। শীতের দিনগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করে লেপ ও কম্বলের দোকানগুলো। বিভিন্ন মার্কেটের লেপ ও কম্বলের দোকানগুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের আনাগোনা। নতুন লেপ-কম্বল যেমন কেনা হচ্ছে, তেমনি পুরোনো লেপ নতুন করে বানিয়েও নিচ্ছেন অনেকে। কিন্তু কম্বল ছেড়ে ভোর বেলা উঠতে পারবেন তো? কিন্তু না উঠে বা উপায় কী? স্কুল-কলেজ-অফিস-কাছারি, কোথাওই তো আলাদা ছাড় দেবে না। সব কিছুই হবে নিজের নিয়মে। শীতে অনেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্তি অনুভব করেন এবং শক্তি কম পান। এ সময়টায় ক্লান্তি ও ঘুম ভাব যেন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এই ঘুমঘুম ভাবের জন্য কাজকর্মেরও কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতুভেদের সঙ্গে সঙ্গে শরীর ও মনে কিছু পরিবর্তন হবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে শীতের সময় এই বিষয়গুলো অনেক লোকের ক্ষেত্রেই কিছুটা বেড়ে যায়। তাই শীতের সময় ঘুম কেন বাড়ে? জানুন…সূর্যের আলোর অভাবশীতে দিন ছোট হয়ে যায়। এতে কাজের চক্রে পরিবর্তন আসে। এই দিন ছোট হওয়ার বিষয়টি বা সূর্যের আলোর ঘাটতি মস্তিষ্ক থেকে মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এই হরমোনের কারণে ঘুমঘুম ভাব বাড়ে। আলো ও আঁধারের সঙ্গে এই হরমোন তৈরির একটি যোগ রয়েছে। যেহেতু শীতে দিন ছোট, সূর্যের আলো কম পাওয়া যায় এবং রাত বড়, তাই আমাদের শরীর বেশি ঘুমাতে চায়। ঘুম থেকে ঘরে আলো প্রবেশের জন্য জানালা খুলে দিন। বেশিরভাগ সময় সূর্যের আলোর কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে কাজের সময় পরিবর্তন করুন। কাজের জায়গায় আলো বেশি রাখার চেষ্টা করুন।ভিটামিন-ডি’র অভাবসূর্যের আলো ভিটামিন-ডি’র অন্যতম উৎস। ভিটামিন-ডি পেতে সকালের আলোতে যেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। শীতে ঘর থেকে কম বের হওয়া হয় বলে ভিটামিন-ডি’র অভাব হতে পারে। এতে শরীর ক্লান্ত লাগে। তেলযুক্ত মাছ, স্যামন, সারডিন, ম্যাকরেল ইত্যাদি মাছ খেতে পারেন। ডিমও ভিটামিন-ডি’র আরেকটি উৎস। পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে কীভাবে ডিম খাবেন, জেনে নিন। এ ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন-ডি সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন।ঘুমের ঘাটতিভালোভাবে না ঘুমালেও কিন্তু বেশি ঘুম পায়। অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ব্যাপী ঘুমান। ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার সময় ঠিক রাখুন।প্রাচীনকালে মুনি ঋষিদের অবশ্য ব্রহ্ম মুহূর্তে ওঠার অভ্যেস ছিল। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও দেরিতে ঘুম ভাঙার সমস্যার একটি সমাধানের কথা বলা হয়েছে। সূর্যাস্তের ৪৫ মিনিট আগে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করার কথা বলা হয়েছে সেখানে | এই সময়টিকে বলা হয় ব্রহ্ম মূহুর্ত | ব্রহ্ম মূহুর্তে নিয়মিত ওঠার অভ্যাস তৈরি করতে পারা আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের মতে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো | এই সময়ে ঘুম থেকে উঠতে পারলে সূর্যের তরঙ্গের সঙ্গে মানবদেহের তরঙ্গ মিলে যেতে পারে | এই জন্য সারদিনই শরীর স্বাস্থ্য সতেজ ও চনমনে থাকে। এখন দেখে নিন ঘুম ভাঙার আগে কী করা উচিত-রাতে হালকা খাবার খেয়ে ঘুমোতে যান : রাতের খাবার হাল্কা হলে তা হজম হতে সুবিধা হয় | হজম হবার অসুবিধা হলে বা ভারী খাবার খেলে শরীর ভারী হয়ে যায় | ফলত সকালে ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছে করে না | অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার বা মিষ্টি খাওয়া যতটা সম্ভব বর্জন করুন | রাতের খাবার যত হাল্কা হবে শরীর তত হাল্কা বোধ হবে এবং বিছানা ছেড়ে উঠতে সুবিধা হবে |ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস জল খান : রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অন্তত এক গ্লাস জল খেলে মূত্রাশয়ে চাপ পড়বে | সকাল সকাল তাই আপনার বাথরুমে যাওয়ার দরকার হবে | সাথে ঘুমও বিদেয় হবে | কিন্তু তাই বলে ঘুমোনোর আগে অতিরিক্ত জল খাওয়া উচিত্‍ নয় | বিশেষত ডায়বেটিস থাকলে বেশি জল খেয়ে ঘুমোতে যাবেন না।অ্যালার্ম দেওয়া ঘড়িটিকে নিজের থেকে দূরে রাখুন : আমরা অনেকেই অ্যালার্ম সেট করে শুলেও হাতের কাছে থাকা ফোন বা ঘড়ির অ্যালার্ম বাজলেই তা বন্ধ করে আবার পাড়ি দিই ঘুমের দেশে | অ্যালার্ম দেওয়া ঘড়ি বা ফোনটিকে যদি আমর যেখানে ঘুমোচ্ছি তার থেকে খানিকটা দূরে রাখা যায় তাহলে অ্যালার্ম বন্ধ করতে তো বিছানা ছেড়ে উঠতেই হবে ! আর কিছু উপায় থাকবে না তখন | বিছানা থেকে একবার উঠে অ্যালার্ম বন্ধ করে আবার বিছানায় ফিরে ঘুমোনো সম্ভব হয় না | ফলত ঘুমঘোর কেটে যাবে |ঘুম ভাঙলেই বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ুন : ঘুম ভেঙে গেলেও আলস্যের জন্য আমরা বিছানায় শুয়ে থাকি | ঘুমের ঘোর ঘুম ভাঙার পরেও থাকে বলে বিছানায় থাকলে আবারও ঘুমিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে | তাই ঘুম ভাঙলে সাথে সাথেই বিছানার হাতছানি এড়িয়ে উঠে পড়তে হবে | গড়িমসি করবেন না।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: ফিট থাকতে সঙ্গী হোক ফিটনেস ট্র্যাকার! জেনে নিন ব্যবহার – how fitness trackers can improve your health

প্রতিদিন ঘড়ে ধরে এক্সারসাইজ করছেন। হাঁটছেন, মেপে খাবারও খাচ্ছেন। কিন্তু দিনের শেষে কতটা ক্যালরি ঝরালেন? প্রশ্ন করলে এই উত্তর অনেকেই দিতে পারেন না। এমনকী অনেকেই ওয়ার্কআউট শুরু করেন ওজন না দেখেই। পছন্দের জামা টাইট ফিটিং নাকি ঢিলেঢালা সেই দিয়ে বিচার করেন ফ্যাট কতটা কমল! কিন্তু কতটা ফিট? সেই উত্তর পাওয়া যায় না। আপনার ফিটনেস রেজিম আপনাকে কতটা ফিট থাকতে সাহায্য করছে, তার জন্যই প্রয়োজন ফিটনেস ট্র্যাকারের। এই ট্র্যাকারের সাহায্যে জানা যায় আপনি কতটা পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন করলেন। শুধু তাই নয়, কত কিমি হাঁটলেন এবং আরও কতটা হাঁটলে আপনার শরীরের পক্ষে ভালো তাও কিন্তু জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কটা স্টেপ হাঁটলেন, কতা সিঁড়ি ভাঙলেন আর এতে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান দেব। ফিট থাকতে এই তথ্যই কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে যেমন ডায়েট চার্ট তৈরি করা যাবে তেমনই মোটিভেশনও আসবে। প্রয়োজনে আপনি লাইফস্টাইলে বদলও আনতে পারবেন। ট্র্যাকার কীভাবে কাজ করেস্মার্ট ওয়াচের মধ্যেই থাকে ফিটনেস ট্র্যাকার। ব্যান্ড আকারেও পাওয়া যায়। এছাড়াও সকলেই এখন স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন। আর তাই সহজে ফোনেও ইনস্টল করে নিতে পারেন। তবে ফিটনেস স্মার্টব্র্যান্ড কিন্তু খুব ভালো কাজ করে। যাঁদের অনেকক্ষণ বসে বসে কাজ করা অভ্যেস, এই ব্যান্ড তাঁদের জানাবে চেয়ার ছেড়ে উঠে পাঁচ মিনিট পায়চারি করে আসার জন্য। রাতের ঘুমে আপনার গভীর ঘুম কতটা, মোট কত ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন, প্রায় নির্ভুল হিসেব দেবে আপনাকে। যাঁরা বিভিন্ন এক্সারসাইজ নিয়মিত করেন— সাঁতার, দৌড় বা সাইক্লিং, কত দূরত্বে গিয়েছেন, গড় গতিবেগ, প্রতিটা মুহূর্তে আপনার হার্টবিট কত ছিল, সব কিছু দেখা যাবে ফোনে।ওয়ার্কআউট সম্পর্কে তথ্য দেয়এই ফিটনেস ট্র্যাকার কিন্তু ঘুমের প্রয়োজনীয়তা থেকে হার্ট রেট সবই জানান দেয়। প্রতিদিন কত পা হাঁটলেন, জগিং করতে কতটা ক্যালোরি বার্ন হল কিংবা শরীরের চাহিদা অনুযায়ী আরও কতটা পরিশ্রম করার প্রয়োজন এই সবকিছুই জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কালকের তুলনায় আজকে যদি বেশি ক্যালরি বার্ন হয় তাও জানান দেবে। সারা সপ্তাহে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান যায় এই ট্র্যাকার থেকে। কীভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে এই ট্র্যাকারওজন কমানোর জন্য আমরা পরিশ্রম করি, ডায়েট করি। কিন্তু তারপরও দেখা গেল ঠিক ফল পাওয়া যাচ্ছে না। মিষ্টি, বিরিয়ানি থেকে দূরে থেকেও ওজন বাড়ছে। অনেকেই ভাবেন এতক্ষম শরীরচর্চা করে বিকেলে ভালো করে মুড়ি দিয়ে তেলেভাজা মেখে খেলে কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু এভাবেই অজান্তে শরীরের ক্ষতি হয়য়। যদি ফিটনেস ট্র্যাকার অন করে প্রতিদিন ওয়ার্কআউট করেন তাহলে জানতে পারবেন কতটৈ হাঁটা হল আর কতটা ক্যালরি ঝরল। সেই মত খাবারও খেতে পারবেন। এতে শরীর থাকবে সুস্থ। আর প্রতিদিন ক্যালরির পরিমাণ হিসেব করলে নিজেই উৎসাহ পাবেন। পরদিন আরও একটু সকালে ঘুম ভাঙবে আর ওয়ার্ক আউট বেশি হবে। অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়াএই ফিটনেস অ্যাপগুলি আরও একটি সুবিধা দেয়। সবসময় একা ওয়ার্ক আউট করার চেয়ে যদি একজন সঙ্গী পাওয়া যায় তাহলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। এমনকী মন দিয়েও ওয়ার্কআউট করা যায়। আর এই অ্যাপগুলিতে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি যেমন চিকিৎসকের পরামর্শ পাবেন, তেমনই আরনার অভিজ্ঞতা অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে। আপনি কতটা ক্য়ালরি খরচ করলেন বা আপনার ফিটনেস রেজিম যেমন অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন তেমনই বাকিদের কথাও শুনতে পাবেন। পাবেন ডায়াটেশিয়ানের টিপস। বিশেষজ্ঞরা কী বলছেনগত পাঁচ বছরে বেশ কয়েকটি জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে এই ফিটনেস ট্র্যাকার নিয়ে। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সবাইকেই এি ট্র্যাকার মেনে চলার কথা বলছেন। এছাড়াও এই ট্র্যাকারগুলির ফিচার্স আপডেট করে নেওয়ার সুযোগ নিয়েছে। তবে ট্র্যাকার দেখেই যে পা ফেলবেন এমন নয়। প্রতিদিন প্রয়োজন মতওয়ার্ক আউট করুন। সেই সঙ্গে ডায়েটও আবশ্যক।

Source link

health tips: Eating Walnuts On Daily Basis Is Good For Cardiac Health Due To Omega 3 Fatty Acid – রোজ দু’টো করে আখরোট চিবিয়ে খান, আর দেখুন ম্যাজিক!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ড্রাই ফ্রুট তো খাব, কিন্তু ঠিক কতটা খাব? কোন কোন ফলকে বেশি রাখব প্লেটে এ সব নিয়ে প্রশ্ন তো আছেই, সঙ্গে আরও একটি ধন্দ প্রায়ই মাথায় আসে কোনটা বেশি উপকারী, প্লেটে রাখলে শরীরের পক্ষে বেশি ভাল? আখরোট এমন এক প্রকার বাদাম যার মধ্যে পুষ্টিগুণ রয়েছে ভরপুর। শরীরের হাজারও সমস্যা দূরে রাখতে চিকিৎসকরা তাই আখরোট খাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, আখরোটের মধ্যে রয়েছে এমন কিছু পুষ্টিগুণ যা যা শরীরকে যেমন সুস্থ রাখে তেমনই কিছু নিত্য সমস্যারও সমাধান করে। যে-কোনও প্রকারে বাদামের মধ্যে আখরোটে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‍্যাডিকেলকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে যা হৃদরোগের ঝঁকি কম করে। এছাড়াও আখরোটে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড ওমেগা ৩, যা খারাপ কোলেস্টরল কমাতে এবং ভালো কোলেস্টরল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকেশরীরের জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুবই জরুরি। শরীরে ঘুরে বেড়ানো ফ্রি র‍্যাডিক্যালস হার্টের উপর চাপ ফেলে। আখরোটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকে। এটি শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। চিকিত্সকেরা জানাচ্ছেন, যে মহিলারা সপ্তাহে অন্তত পাঁচবার ৩০ গ্রাম করে আখরোট খান, তাঁদের টাইপ টু ডায়াবিটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। এই সমীক্ষা করেছে হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথ। ডাক্তারদের বক্তব্য, দেখা গিয়েছে আখরোট খাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর থেকে মানুষের শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে এবং ব্লাড ভেসেলের নমনীয়তা বেড়ে যায়।হৃদরোগের ঝুঁকি কম করেদেশ-বিদেশের নানা গবেষণা ও ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব রিসার্চ ইন মেডিক্যাল সায়েন্স’-এর করা একটি সমীক্ষার মতে, হৃদরোগ ঠেকানোর ক্ষমতা রয়েছে আমন্ড ও আখরোটের। অন্য ড্রাই ফ্রুটের তুলনায় এই দুই বাদাম জাতীয় ফল হৃদযন্ত্রের পক্ষে উপকারী।যে-কোনও প্রকারে বাদামের মধ্যে আখরোটে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‍্যাডিকেলকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে যা হৃদরোগের ঝঁুকি কম করে। এছাড়াও আখরোটে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড ওমেগা ৩, যা খারাপ কোলেস্টরল কমাতে এবং ভালো কোলেস্টরল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। অ্যালঝাইমার্স রোগে সঙ্গে লড়তেবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হলে বা অ্যালঝাইমার্স ডিজিজের সঙ্গে লড়তে চাইলে ওষুধপত্রের সঙ্গে পাতে রাখুন আখরোট। এই ফল স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ কার্যকরী। ইদানীং সহজ খাবারগুলিই আমাদের শরীরের জন্য বেশি উপকারী হয়ে উঠছে বলে জানাচ্ছেন চিকিত্সকেরা। সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে, বাদামজাতীয় খাবার শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। এদের মধ্যে সবচেয়ে উপকারী বাদামের তালিকায় রয়েছে আখরোটের নাম। ডাক্তারদের বক্তব্য, দেখা গিয়েছে আখরোট খাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর থেকে মানুষের শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে এবং ব্লাড ভেসেলের নমনীয়তা বেড়ে যায়।ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করেআখরোটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে, যা সুস্থ ত্বকের জন্য বিশেষ উপযোগী। ত্বকের বলিরেখা কমাতে এবং বয়সের ছাপ দূর করতে প্রতিদিন খান আখরোট। আখরোটে থাকা গামা, টোকোফেরল, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ইলেজিক-গ্যালিক অ্যাসিড শরীরে ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি থাকে, যা চামড়াকে বুড়িয়ে যেতে বাধা দেয়। বলা হয় ভিটামিন বি হল স্ট্রেস রিলিভার ও মুড ম্যানেজার। স্ট্রেস কম থাকলে আপনার চামড়া উজ্জ্বল হবে। ভিটামিন বি-এর সঙ্গে ভিটামিন ই মিশে তা শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে।ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে চিকিৎসকরা বলেন যে, যে-কেনও ধরণের বাদামই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। বিশেষত যাঁরা নিয়মিত আখরোট খান তাঁদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় অনেকটাই কম হয়। চিকিত্সকেরা জানাচ্ছেন, যে মহিলারা সপ্তাহে অন্তত পাঁচবার ৩০ গ্রাম করে আখরোট খান, তাঁদের টাইপ টু ডায়াবিটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। এই সমীক্ষা করেছে হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথ। পেট পরিষ্কার রাখতে শরীরে ফাইবার থাকা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত যে খাবারগুলি থেকে শরীরে প্রোটিন আসে, সেগুলিতে ফাইবারের পরিমাণ অত্যন্ত কম। আখরোটে থাকা ফাইবার হজমক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

Source link

coronavirus: কোভিডের পর কীভাবে ফেরাবেন স্বাদ, গন্ধ! জানুন ঘরোয়া উপায় – covid 19: how to regain the lost taste and smell naturally

হাইলাইটসঘ্রাণশক্তি আর স্বাদ চলে গেলেই তাই ধরে নেওয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত। জ্বর বা সর্দি খুব বেশি না থাকলেও আক্রান্ত হবার পাঁচ দিনের মাথায় চলে যাচ্ছে এই স্বাদ আর গন্ধের অনুভূতি। চিকিৎসাবিজ্ঞানে যার নাম ‘অ্যানোস্মিয়া’এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: যে কোনও ভাইরাসের আক্রমণেই মুখের স্বাদ চলে যায় অনেকখানি। আর সেরে উঠলেও স্বাদ ফিরতে সময় লাগে বেশ কিছুদিন। অন্য ভাইরাসগুলির মতো কোভিডও থাবা বসাচ্ছে শ্বাসযন্ত্রেই। আর যে কারণে করোনাতে চলে যাচ্ছে স্বাদ আর ঘ্রাণের অনুভূতি। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে কোশগুলি আমাদের ঘ্রাণশক্তিকে সক্রিয় রাখে কোভিডের ভাইরাস সেই কোশকেই আক্রমণ করছে। সেই কোশ তখন অন্য সংক্রমণ রুখতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। ফলে তাদের মূল কাজ থেকে সরে আসতে হচ্ছে। যে কারণে ঘ্রাণকোশগুলি আর কাজ করছে না। কোনও জিনিসের ঘ্রাণ পলেও সেই সংকেত মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌঁচচ্ছে না। ফলে কোভিড রোগীরা প্রাথমিক ভাবে হারাচ্ছেন ঘ্রাণশক্তি। ঘ্রাণশক্তি আর স্বাদ চলে গেলেই তাই ধরে নেওয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত। জ্বর বা সর্দি খুব বেশি না থাকলেও আক্রান্ত হবার পাঁচ দিনের মাথায় চলে যাচ্ছে এই স্বাদ আর গন্ধের অনুভূতি। চিকিৎসাবিজ্ঞানে যার নাম ‘অ্যানোস্মিয়া’। প্রাথমিক পর্বেই হারিয়ে যাচ্ছে ঘ্রাণশক্তি। মাত্র ১৬ শতাংশের ক্ষেত্রে কোভিড সেরে যাওয়ার পরও ফিরছে না ঘ্রাণশক্তি। এমনকী একটি গন্ধের সঙ্গে অন্য গন্ধকে গুলিয়ে ফেলছেন এমনটাও দেখা গিয়েছে। এছাড়াও যাঁদের কোনও শারীরিক সমস্যা থাকছে না তাঁদেরও ক্লান্তি কাটতে আর মুখের স্বাদ ফিরতে বেশ সময় লাগছে। কারণ কোভিডে খাবারের কোনও রুচি থাকে না, খুবই খিদে মন্দা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নেবেন। তার আগে রইল কিছু ঘরোয়া টোটকা। একবার প্রয়োগ করে দেখতেই পারেন। রসুন- রসুনের নিজস্ব একটা গন্ধ আছে। এছাড়াও রসুন খুবই উপকারী। রসুন স্বাদ ফেরাতে খুবই উপকারী। ২ থেকে ৩ কোয়া রসুন জলে ফেলে গরম করুন। একটু ঠান্ডা করে খেয়ে নিন। এই ভাবে দুবার খান। এতে ঘ্রাণকোশ ঠিকমতো কাজ করবে আর আল্প দিনের মধ্যে স্বাদও ফিরবে। লেবু- লেবুর মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। এছাড়াও লেবুর গন্ধ খুবই রিফ্রেশিং। ভাইরাল, ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে লেবু। আর তাই বন্ধ নাক খোলা, সর্দি কফ দূরেও উপশম হয় লেবু খেলে। করোনা আক্রান্তরা যদি প্রতিদিন সকালে ইষদুষ্ণ গরম জলে লেবু আর মধু দিয়ে খেতে পারেন তাহলে খুব ভালো উপকার পাবেন। তবে টানা ২ মাস খেতে হবে। সেই সঙ্গে ভাত বা রুটির সঙ্গেও লেবুর আচার খান। লেবুর আচার না পেলেও অন্য যে কোনও আচার চলবে। পুদিনা- পুদিনার বেশ সুন্দর একটি গন্ধ রয়েছে। যা মন আর শরীরকে ফ্রেশ রাখে, স্নায়ুকে শান্ত রাখে। সেই সঙ্গে স্বাদ ফেরাতেও সাহায্য করে। যখন চা বানাবেন তখন জলের মধ্যে চা পাতার সঙ্গে কিছু পুদিনা পাতাও দিয়ে দিন। এবার ছেঁকে নিয়ে খান। এতে স্বাদ, গন্ধ দুটোই ফিরবে। গ্রিন টিয়ের মধ্যে দিতে পারলে আরও ভালো। ভেপার নিন- একটি হাঁড়ি বা বড় মুখ কোনও পাত্রে জল গরম করতে বসান। এবার জল ফুটলে গ্যাস বন্ধ করে মাথা গামছা দিয়ে ঢেকে ভেপার নিন। মুখ খুলে ভালোভাবে শ্বাস নিয়ে নাক দিয়ে ছাড়ুন। এভাবে বেশ কয়েকবার করুন। তাতে যে সব ব্লকেজ আছে সব খুলে যাবে সেই সঙ্গে ভালো করে শ্বাসও নিতে পারবেন। জমে থাকা কফ, সর্দি দূর হলেই ফিরে আসবে গন্ধ। এই অভ্যেস সকলে যদি প্রতিদিন করতে পারেন তাহলে খুব ভালো। এমনকী বাচ্চাদেরও এই অভ্যেস করান। ইষদুষ্ণ জল খান- যত বারই জল খাবেন একদম ঠান্ডা জল না খেয়ে ইষদুষ্ণ জল খাওয়ার চেষ্টা করুন। তবে কখনই খুব গরম খাবেন না। শরীর সইতে পারে এমন জল খান। তবে গরম জল খেলে যদি অসুবিধে হয় তাহলে সাধারণ জল খেতে পারেন। কিন্তু অন্তত দুবার হলেও গরম জল খেতেই হবে। এই সংখ্যাটা ৫ থেকে ৭ হলে খুবই ভালো। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Home Remedies For Acidity problem: উপোস করেই পরদিন মাংস-পোলাও নয়! হতে পারে ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা, জানুন… – the right way to break the fast: what to eat when in bengali

হাইলাইটসযেহেতু আগের রাতে উপোস করেছেন তাই পরেরদিন জমিয়ে মাংস-ভাত খাওয়ার অভ্যেসও রয়েছে অনেকের। কিন্তু জানেন কি, উপোসের পর এই খাই খাই অভ্যেসের জন্যই বিগড়ে যেতে পারে আপনার শরীর?এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শাস্ত্রমতে অমাবস্যা তিথি এখনও শেষ হয়নি। বেশিরভাগ পুজোমণ্ডপে গভীররাতে শেষ হয়ছে অঞ্জলিপর্ব। আজও অনেকেই উপোস করে রয়েছেন।কেউ নির্জলা, কেউ আবার সামান্য ফল মিষ্টি এসব খান। কিন্তু সমস্যা হয় পুজোর পর। সারাদিন কিছু না খাওয়া, পুজোর ধকল সব মিলিয়ে শরীর ক্লান্ত থাকে। এরপর খিদে পেলে অনেকেই যেমন রাত্রে পেট ভরে খিচুড়ি ভোগ খেয়ে ফেলেন তেমনই অনেকে কিছু না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। ফলে গ্যাস, অম্বল, মাথা ধরে থাকা পেট খারাপ স্বাভাবিক। পুজোর পরদিনও অনেক বাড়িতে ভোগ খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকে। যেহেতু আগের রাতে উপোস করেছেন তাই পরেরদিন জমিয়ে মাংস-ভাত খাওয়ার অভ্যেসও রয়েছে অনেকের। কিন্তু জানেন কি, উপোসের পর এই খাই খাই অভ্যেসের জন্যই বিগড়ে যেতে পারে আপনার শরীর? আর তার জন্য তিন থেকে চারদিন ভুগতে হতে পারে। কারণ অতিরিক্ত সময়ের জন্য পেট খালি থাকলেই অ্যাসিড ক্ষরণ বেড়ে যায়। এছাড়াও জল কম খাওয়া, মনের মধ্যে দুঃশ্চিন্তা থাকলেও এই সমস্যা বাড়ে। এছাড়াও অনেকেই নিয়মিত বিভিন্ন ওষুধ খান। উপোস করলেও ছেদ পড়ে না সেই নিয়মে। সেখান থেকেও সমস্যা আসতেই পারে। আর পুজোর পর জল না খেয়ে অনেকেই মিষ্টি খান। সেই সঙ্গে পায়েসও থাকে। এই সব মিলিয়েই শরীরে জাঁকিয়ে বসে অ্যাসিডিটি। এভাবে পরপর উপোস করলে আসতে পারে গ্যাসট্রিকের সমস্যা। আর তাই উপোস করেই মাংস ভাত কিংবা খিচুড়ি খেতে না বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকী তার পরের দিনও খুব হালকা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন, যাতে শরীর ছন্দে ফিরতে পারে। যেদিন উপোস করবেন সেদিন আর তার পরেরদিন দুধ চা একেবারেই খাবেন না। বরং লিকার চা খেয়ে ভালো করে ব্রেকফাস্ট করুন। এরপর লাঞ্চে হালকা কিছু খান, ইচ্ছে না হলে কিছু খাবেন না। বিরিয়ানি, চিকেন, মাটন, পোলাও এসব খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে কিন্তু দুপুরের মধ্যেই খেয়ে নিন। রাতের মেনুতে এসব রাখবেন না। খেয়াল রাখবেন পেট যেন বেশিক্ষণ ফাঁকা না থাকে। পেট ফাঁকা থাকলেই আসবে গ্যাসের সমস্যা। দেখে নিন উপোস করার পরের দিন কী কী খাবেনসারাদিন খাওয়া নেই,তাই পরের দিন সকালে প্রথমে একগ্লাস জল খান। এরপর একগ্লাস গরম জলে লেবু দিয়ে খান। তারপর খান দুধ-চিনি ছাড়া লিকার চা। এসব খাওয়ার এক ঘন্টার মধ্যে ভালো করে ব্রেকফাস্ট করতেই হবে। ভুলেও দুধ বা দুধ চা খাবেন না। ব্রেকফাস্টে ফলের মধ্যে রাখতে পারেন কলা কিংবা খেজুর। এই দুটো ফল শরীরে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে এনার্জি দেয়। মিষ্টি বা পায়েস খুব বেশি খাবেন না। কারণ আগের দিন যেহেতু ঠিক করে খাওয়া হয়নি তাই এদিন বেশি মিষ্টি খেলে অ্যাসিড হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পেট ফেঁপে যায়। উপোসের পরেরদিন খুব বেশি ভাজা কিংবা মশলাদার খাবার খাবেন না। আগের দিন খাওয়া হয়নি মানেই পরের দিন পোলাও, মাংস, বিরিয়ানি, মাটন খেয়ে নেবেন এমনটা নয়। এদিন খুব হালকা খাবার খান। মাছ কিংবা মাংস খেলে পাতলা ঝোল খান। ডিম এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কারণ উপোস করলে প্রয়োজনের তুলনায় জল কম খাওয়া হয়। ডিহাইড্রেশনের সমস্যা থাকে। তার ওপর তেল-মশলাযুক্ত খাবার খেলে শরীর আরও জল টানবে। এতে শরীর খারাপ হবে।যা খাবেন পরিমাণে অল্প খান। খিদে পেয়েছে বলেই পেট ভরে খেয়ে নেবেন না। বেশি করে নুন-চিনির জল বানিয়ে খান। কারণ বেশি খেলে শরীর খারাপ করতে পারে। প্রতি দুঘন্টায় একবার করে জল অবশ্যই খাবেন। রাতের খাবারও তাড়াতাড়ি সেরে নেবেন। যাতে খাওয়ার পর অন্তত দুঘন্টা জেগে থাকতে পারেন। আগের রাতের উপোস, ক্লান্তিতে ঘুমও আসতে চায় না ঠিক করে। তাই প্রয়োজন হলে এক কাপ গরম দুধ খেতে পারেন। এতে ঘুম ভালো হবে। ঘুম ভালো হলে তবেই কাটবে ক্লান্তি। তবে বাসি খাবার খাবেন না। খেতে বসে ফোন ঘাঁটবেন না। যে খাবারই খাচ্ছেন, তা মন দিয়ে খান। ভালো করে চিবিয়ে খাবার খেতে হবে। সময় হাতে নিয়ে খেতে বসুন। কোনও রকমে খাবার গিলে নেবেন না। এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলেই শরীর থাকবে সুস্থ। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Health Tips in Bengali: Is There Any Harm In Consuming Raw Salt – খাবার বিস্বাদ লাগলেই কাঁচা নুন খান? ভুল করছেন! হতে পারে বিপদ…

হাইলাইটসকাঁচা নুন থেকেই আসে নানা শারীরির সমস্যা। আসে কিডনির মতো জটিল সমস্যাও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ৫ গ্রামের বেশি নুন কিছুতেই খাবেন নাএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: যে কোনও খাবারের স্বাদ খোলতাই হয় নুন আর চিনিতে। রান্নাতে নুনের পরিমাণ কম-বেশি হলেই সেই খাবারের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে নুনের ব্যবহার সবসময় মেপেই করা উচিত। পাতে নুন, লেবু আর কাঁচালঙ্কা না থাকলে অনেকেই খেতে পারেন না। কিন্তু এই ভাবে কাঁচা নুন খেয়ে আদৌ ঠিক কাজ করছেন কি? বিশেষজ্ঞরা কিন্তু সবসময় কাঁচা নুন এড়িয়ে যাওয়ার কথা বলেন। কারণ কাঁচা নুন থেকেই আসে নানা শারীরির সমস্যা। আসে কিডনির মতো জটিল সমস্যাও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ৫ গ্রামের বেশি নুন কিছুতেই খাবেন না। তবে ২ থেকে ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত চাহিদা মতো নুন খেতে হবে। কারণ নুনে থাকে আয়োডিন। যা শিশুদের মস্তিষ্কের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। মাংসপেশির ক্ষমতা বাড়ায়। এবার দেখে নিন তরকারি ছাড়া কাঁচা নুন কীভাবে আমাদের শরীরে প্রভাব ফেলে-রক্তচাপ বাড়ে- রক্তচাপ কম থাকলে নুন থেকে বলা হয়, কিন্তু কখনই তা কাঁচা নুন নয়। নুন খেলে রক্তচাপ বাড়ে। আর রক্তচাপ বাড়লেই চাপ পড়ে আর্টারিতে। সেখান থেকে বাড়ে হার্ট অ্যাটার্কের সম্ভাবনা। আরও পড়ুন: ব্রেকফাস্ট নয়, লাঞ্চের পরই খান এক গ্লাস কমলালেবুর রস! ওজন কমবে দ্রুতহার্টের সমস্যা- প্রয়োজনের থেকে অতিরিক্ত পরিমাম নুন শরীরে প্রবেশ করলে নানা রকম সমস্যা আসতে পারে। হার্ট অ্যাঠাক, হার্ট ফেলিওর সহ- একাধিক রোগের। তাই হার্টকে সুস্থ রাখতে আজই কাঁচা নুন খাওয়া বন্ধ করুন। এছাড়াও যাঁদের নানাবিধ সমস্যা রয়েছে তারাও নুন খাওয়া বন্ধ করুন। ক্যানসার- নুন বেশি খেলে ক্যান্সারের মত রোগও আসতে পারে। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে নুন বেশি খেলে পাকস্থলির ক্যানসার হতে পারে। কিডনির সমস্যায়- শরীরে ইলেকট্রোলাইটসের মাত্রা ঠিক রাখে নুন। কিন্তু তা বলে খুব বেশি পরিমাণে নুন খাওয়া একদমই ভালো নয়। কারণ বেশি করে নুন খেলে শরীরে বেশি লবণ প্রবেশ করবে। ফলে কিডনির কর্মক্ষমতা কমবে। সেই সঙ্গে বাড়বে রক্তচাপ। যা অজান্তেই শরীরকে ভেতর থেকে শেষ করে দেয়। আরও পড়ুন: অজান্তেই বাড়ছে সুগার? বুঝে নিন এই ১০ লক্ষণেই…আলসার- শরীরে বেশি মাত্রায় নুনের প্রবেশ ঘটলে পাকস্থলির আবরণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়, ফলে পাকস্থলি আলসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শরীরে জলের ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে নানা রকমের জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমবে- বেশি মাত্রায় নুন খেলে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি কমে যেতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং মনোযোগও কমে। আর এই সমস্যা হলে প্রতিদিনের জীবনও বিপন্ন হয়ে পড়ে। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Pneumonia symptoms in bengali: এই শীতে নিউমোনিয়া থেকে সাবধান থাকুন, রইল ঘরোয়া টোটকা – 6 detox drinks you must take this winter to cleanse your lungs naturally

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শীতে বাড়তে পারে করোনার সংক্রমণ এমন আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। করোনা থাবা বসাচ্ছে ফুসফুসে। করোনার প্রকোপে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফুসফুস। বুকে চাপ লাগা, ব্যথা, দম নিতে কষ্ট এসব তো আছেই, এছাড়াও জোরালো সংক্রমণ হচ্ছে ফুসফুসে। সেখান থেকে হয়ে যাচ্ছে নিউমোনিয়া। নিউমোনিয়া কি? নিউমোনিয়া হল ফুসফুসের সংক্রমণ। এই রোগে ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। অনেক ক্ষে‌ত্রে জলও জমতে পারে। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া কিংবা ভাইরাসের সংক্রমণে নিউমোনিয়া হয়। ভাইরাসের আক্রমণের ফলেও নিউমোনিয়া হয়, আবার ছত্রাক থেকেও নিউমেনিয়া হতে পারে। নিউমোনিয়ার প্রাথমিক লক্ষণ হল জ্বর। সেই সঙ্গে কাশি। পরে অল্প অল্প করে শাবাসকষ্ট শুরু হয়। সংক্রমণ যত বাড়ে, সমস্যা ও শ্বাসকষ্টও তত বাড়তে থাকে। বুকে ব্যথা হয়। এছাড়াও মাথা ব্যথা, শরীর দুর্বল লাগা. বমি এসব লেগেই থাকে। শীতকালে জীবাণুরা বেশি সক্রিয় থাকে। ফলে এই সময় প্রকোপ বেশি থাকে। এছাড়াও ঠান্ডা-গরমে সর্দি বসেও নিউমোনিয়া হতে পারে। তবে নিউমোনিয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করতে প্রতিদিন ঘরোয়া এই পানীয় খেতে পারেন। উপকারে আসবে।মধুঠান্ডা লাগা, সর্দি কাশির উপশম হয় মধুতে। মধুর মধ্যে থাকে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতা । প্রতিদিন গরম জলে মধু মিশিয়ে খেলে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা কমে। সেই সঙ্গে গলা ব্যথা, কাশি এসব সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। গ্রিন টি গ্রিন টি কিন্তু একপ্রকার ওষুধ। খেতে ভালো না লাগলেও শুধুমাত্র শরীরের কথা ভেবেই খান। গ্রিন টি অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে অ্যৈন্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। ফলে তা ফুসফুসকে যে কোনও সংক্রমণের থেকে বাঁচায়। তাই প্রতিদিন ২ থেকে ৩ কাপ গ্রিন টি খেতে পারলে খুবই ভালো। দারচিনিদারচিনি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়াও ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে। সুগার রাখে নিয়ন্ত্রণে। সম্প্রতি সমীক্ষায় উঠে এসেছে ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে দারচিনি। আর তাই ফুসফুসকে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিদিন সকালে আদা, দারচিনি, গোলমরিচ, লবঙ্গ দেওয়া জল খান। আদা-হলুদের পানীয়গলা খুশখুশ করলেই আমরা আদা খাই। আর হলুদ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এই দুটি একসঙ্গে হলে খুব ভালো কাজ করে। কফ, কাশি ইত্যাদির থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও এই দুটি উপাদানই অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর। আর তাই হলুদ দুধ, হলুদ-আদা-মধু গরমজলে দিয়ে খেতে বলা হয়। মুলেথিযে কোনও আর্য়ুবেদিক দোকানেই পেয়ে যাবেন মুলেথি। মুলেথি সর্দি, কফের ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। আর তাই গরম জলে মধু আর মুলেথি ভিজিয়ে খেলে কফ কাশি দূরে থাকে। মুলেথির চা হার্টের জন্যও ভালো।আপেল-গাজরের স্মুদি ইদানিং সুপার ফুডের আখ্যা পেয়েছে স্মুদি। শরীর ভালো রাখতে এখন সকলেই খাচ্ছেন স্মুদি। প্রতিদিন সকালে আপেল, গাজর কিংবা বিটের স্মুদি বানিয়ে খান। হার্টের অসুখ থেকে যে কোনও সংক্রমণের হাত থেকে পাবেন রেহাই। এর সঙ্গে পুদিনা পাতা মিশিয়ে দিতে পারলে খুবই ভালো। যাঁদের অ্যাজমা রয়েছে তাঁদের প্রতিদিন এই স্মুদি খাওয়ার পরামর্স দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Source link

green tea health benefits: সুস্থ থাকতে গ্রিন টি ছাড়ুন, বেছে নিন আদা চা! মত বিশেষজ্ঞের – ditch the green tea and go for ‘adrak wali chai’, says celebrity nutritionist rujuta diwekar

হাইলাইটসকরিনা কাপুরের নিউট্রিশনিস্ট রুজুতা এর আগেও অনেক পরিচিত ধ্যান ধারণা ভেঙে দিয়েছেন। এবারে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন গ্রিন টি-র উপকারিতা নিয়ে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: এক কাপ ধোঁয়া ওঠা গরম চা বা কফি ছাড়া আমাদের দিন শুরু হয় না। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল ওজন কমাতে হলে প্রথমেই আমাদের যে জিনিসটা ছাড়তে বলা হয়, তা হল দুধ, চিন মেশানো এই প্রিয় পানীয়টাই। যারা স্বাস্থ্য সচেতন তাঁরা ইতোমধ্যেই আমাদের দেশের চিরাচরিত মশলা চা ছেড়ে দিয়েছেন। আর তার বদলে বেছে নিয়েছেন গ্রিন টি বা গ্রিন কফি। গত কয়েক বছরে গ্রিন টি স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে গ্রিন টি-র মধ্যে প্রচুর পরিমাণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উপকারিতা রয়েছে। তবে মুম্বইয়ের বিখ্যাত পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবাকরের চিন্তাভাবনা একটু অন্যরকম। করিনা কাপুরের নিউট্রিশনিস্ট রুজুতা এর আগেও অনেক পরিচিত ধ্যান ধারণা ভেঙে দিয়েছেন। এবারে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন গ্রিন টি-র উপকারিতা নিয়ে। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে সম্প্রতি একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন রুজুতা। সেখানে তিনি বলেছেন যে গ্রিন টি শুধুমাত্র তাঁদের জন্যই উপকারী, যারা গ্রিন টি-র ব্যবসা করেন। এছাড়া অন্যদের জন্য় ভারতের চিরাচরিত মশালা চা অনেক বেশি উপকারী বলে দাবি করেছেন তিনি। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্রিন টি-র থেকে বেশি মশলা চাতে আছে বলে দাবি করেছেন তিনি। পরোটা থেকে ফলের রস, জেনে নিন ফিট থাকতে ব্রেকফাস্টে কী খান আলিয়া-দীপিকারা! তিনি বলেছেন যে, যাঁরা ইতোমধ্যেই গ্রিন টি বা গ্রিন কফি বেছে নিয়েছেন, তাঁরা জেনে রাখুন যে এই ধরনের পানীয় লাভদায়ক, কিন্তু স্বাস্থ্যকর নয়। বরং আমাদের দেশি চা অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর পানীয় বলে দাবি করেছেন তিনি। এর সঙ্গে চা এবং কফি সংক্রান্ত আরও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। * চা বা কফি কখন খাওয়া উচিত নয়?সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই এক কাপ চা বা কফি খাওয়া উচিত নয়। রাতে শুতে যাওয়ার আগেও চা বা কফি খেয়ে শুতে যাওয়া ঠিক নয়। কোনও মিল স্কিপ করে সেই জায়গায় চা বা কফি খেয়ে নেবেন না। * দিন কত কাপ চা বা কফি খাওয়া যেতে পারে?দিনে ২-৩ কাপ চা বা কফি চলবে। ওজন কমাতে এই শীতে রোজ খান কমলালেবু, ক’দিন পরে চমকে যাবেন! এটা ঘটনা যে গোটা বিশ্বজুড়ে গ্রিন টি এবং গ্রিন কফির বিশাল বাজার গড়ে উঠেছে। এমনকি অনেক জায়গায় ওজন কমার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় গ্রিন টি খাওয়া বলেও প্রচার করা হচ্ছে। নিজের ফেসবুক পেজে এই বিষয়ে লিখেছেন রুজুতা, ‘গ্রিন টি আপনাকে চিনাদের মতো স্লিম করবে না। চিনাদের মতো ৫.৩০ থেকে ৬টার মধ্যে ডিনার করে নেওয়া অভ্যেস করুন, তাহলে বরং চিনাদের মতো চেহারা পেতে পারেন।’এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link