Tag Archives: heavy rainfall in north bengal

weather forecast: চলতি মরসুমে ঝোড়ো ব্যাটিং বর্ষার, টানা বৃষ্টিতে ফুঁসছে উত্তরের সব নদী! – weather forecast: heavy rainfall in north bengal, boat landed in alipurduar after overnight rain

হাইলাইটসশহরের নিচু এলাকাগুলোয় উদ্ধার কাজে নৌকা নামায় প্রশাসন। সেচ দফতরের এক কর্তা জানান, রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে আটকে পড়েন বহু লোক। তাঁদের উদ্ধার করার জন্য নৌকা নামাতে হয়। টানা বৃষ্টির রেকর্ডে ২০১৯ সালকে ছাপিয়ে গেল ২০২০।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে পাহাড়ে প্রবল বৃষ্টি চলছিল। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারে ২৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা অন্যান্য বছরের সেপ্টেম্বরে হওয়া বৃষ্টির রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে। হাসিমারাতেও বৃষ্টি হয়েছে ১২০ মিলিমিটার। জল মগ্ন হয়ে পড়ে আলিপুরদুয়ার শহরের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ড। বৃষ্টির জল জমার ফলে পুরবাসী ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েন। জেলা প্রসাশন সুত্রে জানা গিয়েছে জলবন্দি হয়ে পড়েছেন শহরের প্রায় ৬ হাজার বাসিন্দা।শহরের নিচু এলাকাগুলোয় উদ্ধার কাজে নৌকা নামায় প্রশাসন। সেচ দফতরের এক কর্তা জানান, রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে আটকে পড়েন বহু লোক। তাঁদের উদ্ধার করার জন্য নৌকা নামাতে হয়। টানা বৃষ্টির রেকর্ডে ২০১৯ সালকে ছাপিয়ে গেল ২০২০। লকডাউনের পাঁচ মাসে তো বটেই, তার আগে-পিছেও টি-২০ ম্যাচের মতো ব্যাটিং করে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি। কোথাও কোথাও বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির পরিমাণ হাজার মিলিমিটারের বেশি। বর্ষার ঢের আগে থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল এ বছর। বর্ষা বিদায়েও তা হয়নি। শরতের গত কয়েক দিন রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে জলপাইগুড়ি-সহ উত্তরের বিভিন্ন জনপদে। আলিপুরদুয়ারে প্রায় ২৯২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে ফুঁসছে উত্তরের সব নদী-ঝোরা। জলপাইগুড়ি জেলা সদরেও করলা নদীর জল ঢোকার মুখে। বৃষ্টি হয়েছে শিলিগুড়ি শহরেও। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে গত মার্চ মাসের শেষ থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে। তখন থেকেই রাস্তায় যানবাহন চলাচল কমে যায়। কল-কারখানার বড় অংশ বন্ধ হয়ে যায়। বাতাসে সবরকম দূষণই কমতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, দূষণের কমে আসার সঙ্গে বৃষ্টিপাতের সরাসরি যোগ রয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকের মতে, এই বছর বেশি বৃষ্টি হওয়ার অন্যতম কারণ হল বঙ্গোপসাগরের বেশি পরিমাণ নিম্নচাপ তৈরি না হওয়া। বঙ্গোপসাগরে পরপর নিম্নচাপ তৈরি হতে থাকলে মৌসুমি অক্ষরেখা সরে যায়। এ বছর তা হয়নি। ফলে মৌসুমি অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপরে থাকায় বৃষ্টি বেশি হয়েছে।অতিরিক্ত বৃষ্টির সুফল মিলছে বলে কৃষকদের দাবি। এই সময় ধানের চারা মাথা তুলেছে। বৃষ্টির জল পেলে ধানের ফলন ভালই হবে বলে কৃষকদের দাবি। টানা বৃষ্টির জেরে মঙ্গলবার ফের নতুন করে ধস নামে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে। এর ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সিকিমের রংপোর কাছে ধস নামে বলে জানা গিয়েছে। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

West Bengal Weather: মৌসুমী অক্ষরেখার জের, সপ্তাহান্তে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা উত্তরবঙ্গে! – Weather Forecast: Predictions Of Heavy Rainfall In North Bengal From Thursday

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার থেকে দফায় দফার বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা ক্রমাগত হিমালয়ের পাদদেশীয় অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করেছে এই মৌসুমী অক্ষরেখা। আর এর ফলেই আগামী কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি চলবে গোটা উত্তরবঙ্গে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৯ তারিখ থেকে শুরু হবে ভারী থেকে অভিভারী বৃষ্টি। চলবে রবিবার পর্যন্ত। সূত্রের খবর, উত্তরের জেলাগুলিতে ইতোমধ্যে জারি হয়েছে অরেঞ্জ সতর্কতা। সূত্রের খবর, ওই চারদিন ধরে বৃষ্টির ফলে ভূমিধস নামতে পারে পাহাড়ি এলাকায়। মাটি আলগা হয়ে তার জেরে ধস হলে রাস্তাঘাট বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এর পাশাপাশি প্রবল বৃষ্টিতে নদীর জল অত্যধিক মাত্রায় বৃদ্ধি পেলে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইতে পারে উত্তরের অধিকাংশ নদী। যার জেরে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তবে দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি মাপের বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। প্রায় একই সঙ্গে দেশের দুই প্রান্তে হাজির হয়েছে দু’টি নিম্নচাপ। আর তার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন পূর্ব ও পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে জোরালো বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে দিল্লির মৌসম ভবন। সূত্রের খবর , মৌসুমি অক্ষরেখার অবস্থানের ফলে উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্য ভারতেও বৃষ্টি হবে।হাওয়া অফিস থেকে জানা গিয়েছে, হিমালয়ের পাদদেশের ৫ জেলা যথা দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে ৯ জুলাই ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে। আলিপুরের পূর্বাভাস বৃহস্পতিবার ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবার এবং শনিবার এই পাঁচ জেলাতেই ২০০ মিলিমিটার বা তার বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে হাওয়া অফিস। উত্তরের সব জেলাতেই রবিবার পর্যন্ত দুর্যোগ চলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তর পশ্চিম ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে ঘন্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সমুদ্রের ঢেউ ৪ মিটারের বেশি হতে পারে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে ৮ জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভুটানে বৃষ্টি শুরু হলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে জলপাইগুড়ি প্রশাসন। অন্যদিকে, বৃষ্টি হলেও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমান বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম রয়েছে কলকাতায়।

Source link