Tag Archives: How fitness trackers can improve your health

weight loss tips in bengali: ফিট থাকতে সঙ্গী হোক ফিটনেস ট্র্যাকার! জেনে নিন ব্যবহার – how fitness trackers can improve your health

প্রতিদিন ঘড়ে ধরে এক্সারসাইজ করছেন। হাঁটছেন, মেপে খাবারও খাচ্ছেন। কিন্তু দিনের শেষে কতটা ক্যালরি ঝরালেন? প্রশ্ন করলে এই উত্তর অনেকেই দিতে পারেন না। এমনকী অনেকেই ওয়ার্কআউট শুরু করেন ওজন না দেখেই। পছন্দের জামা টাইট ফিটিং নাকি ঢিলেঢালা সেই দিয়ে বিচার করেন ফ্যাট কতটা কমল! কিন্তু কতটা ফিট? সেই উত্তর পাওয়া যায় না। আপনার ফিটনেস রেজিম আপনাকে কতটা ফিট থাকতে সাহায্য করছে, তার জন্যই প্রয়োজন ফিটনেস ট্র্যাকারের। এই ট্র্যাকারের সাহায্যে জানা যায় আপনি কতটা পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন করলেন। শুধু তাই নয়, কত কিমি হাঁটলেন এবং আরও কতটা হাঁটলে আপনার শরীরের পক্ষে ভালো তাও কিন্তু জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কটা স্টেপ হাঁটলেন, কতা সিঁড়ি ভাঙলেন আর এতে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান দেব। ফিট থাকতে এই তথ্যই কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে যেমন ডায়েট চার্ট তৈরি করা যাবে তেমনই মোটিভেশনও আসবে। প্রয়োজনে আপনি লাইফস্টাইলে বদলও আনতে পারবেন। ট্র্যাকার কীভাবে কাজ করেস্মার্ট ওয়াচের মধ্যেই থাকে ফিটনেস ট্র্যাকার। ব্যান্ড আকারেও পাওয়া যায়। এছাড়াও সকলেই এখন স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন। আর তাই সহজে ফোনেও ইনস্টল করে নিতে পারেন। তবে ফিটনেস স্মার্টব্র্যান্ড কিন্তু খুব ভালো কাজ করে। যাঁদের অনেকক্ষণ বসে বসে কাজ করা অভ্যেস, এই ব্যান্ড তাঁদের জানাবে চেয়ার ছেড়ে উঠে পাঁচ মিনিট পায়চারি করে আসার জন্য। রাতের ঘুমে আপনার গভীর ঘুম কতটা, মোট কত ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন, প্রায় নির্ভুল হিসেব দেবে আপনাকে। যাঁরা বিভিন্ন এক্সারসাইজ নিয়মিত করেন— সাঁতার, দৌড় বা সাইক্লিং, কত দূরত্বে গিয়েছেন, গড় গতিবেগ, প্রতিটা মুহূর্তে আপনার হার্টবিট কত ছিল, সব কিছু দেখা যাবে ফোনে।ওয়ার্কআউট সম্পর্কে তথ্য দেয়এই ফিটনেস ট্র্যাকার কিন্তু ঘুমের প্রয়োজনীয়তা থেকে হার্ট রেট সবই জানান দেয়। প্রতিদিন কত পা হাঁটলেন, জগিং করতে কতটা ক্যালোরি বার্ন হল কিংবা শরীরের চাহিদা অনুযায়ী আরও কতটা পরিশ্রম করার প্রয়োজন এই সবকিছুই জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কালকের তুলনায় আজকে যদি বেশি ক্যালরি বার্ন হয় তাও জানান দেবে। সারা সপ্তাহে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান যায় এই ট্র্যাকার থেকে। কীভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে এই ট্র্যাকারওজন কমানোর জন্য আমরা পরিশ্রম করি, ডায়েট করি। কিন্তু তারপরও দেখা গেল ঠিক ফল পাওয়া যাচ্ছে না। মিষ্টি, বিরিয়ানি থেকে দূরে থেকেও ওজন বাড়ছে। অনেকেই ভাবেন এতক্ষম শরীরচর্চা করে বিকেলে ভালো করে মুড়ি দিয়ে তেলেভাজা মেখে খেলে কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু এভাবেই অজান্তে শরীরের ক্ষতি হয়য়। যদি ফিটনেস ট্র্যাকার অন করে প্রতিদিন ওয়ার্কআউট করেন তাহলে জানতে পারবেন কতটৈ হাঁটা হল আর কতটা ক্যালরি ঝরল। সেই মত খাবারও খেতে পারবেন। এতে শরীর থাকবে সুস্থ। আর প্রতিদিন ক্যালরির পরিমাণ হিসেব করলে নিজেই উৎসাহ পাবেন। পরদিন আরও একটু সকালে ঘুম ভাঙবে আর ওয়ার্ক আউট বেশি হবে। অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়াএই ফিটনেস অ্যাপগুলি আরও একটি সুবিধা দেয়। সবসময় একা ওয়ার্ক আউট করার চেয়ে যদি একজন সঙ্গী পাওয়া যায় তাহলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। এমনকী মন দিয়েও ওয়ার্কআউট করা যায়। আর এই অ্যাপগুলিতে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি যেমন চিকিৎসকের পরামর্শ পাবেন, তেমনই আরনার অভিজ্ঞতা অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে। আপনি কতটা ক্য়ালরি খরচ করলেন বা আপনার ফিটনেস রেজিম যেমন অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন তেমনই বাকিদের কথাও শুনতে পাবেন। পাবেন ডায়াটেশিয়ানের টিপস। বিশেষজ্ঞরা কী বলছেনগত পাঁচ বছরে বেশ কয়েকটি জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে এই ফিটনেস ট্র্যাকার নিয়ে। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সবাইকেই এি ট্র্যাকার মেনে চলার কথা বলছেন। এছাড়াও এই ট্র্যাকারগুলির ফিচার্স আপডেট করে নেওয়ার সুযোগ নিয়েছে। তবে ট্র্যাকার দেখেই যে পা ফেলবেন এমন নয়। প্রতিদিন প্রয়োজন মতওয়ার্ক আউট করুন। সেই সঙ্গে ডায়েটও আবশ্যক।

Source link