Tag Archives: periods

menstrual diet: সুস্থ থাকতে পিরিয়ডের সময় কী খাওয়া উচিত আর কী নয়, পড়ুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ… – menstrual diet: expert tips, dos and don’ts for healthy and comfortable periods

হাইলাইটসপ্রতিটা মেয়ের মধ্যেই থাকে অপরিসীম সহনশীলতা, আর লড়াকু মানসিকতা, কোনো ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পায় আবার কখনো ছাই চাপা আগুন হয়ে থাকে। কিন্তু মেন্সট্রুয়াল সাইকেলের ওই চারটে দিন যেন সব মেয়েকেই কাবু করে দেয়। পেটে ব্যথা, মুড সুইং, বমিভাব-সহ বিভিন্ন উপসর্গ লেগেই থাকে এই চারদিনে। শুয়ে বসে থাকার ও যে উপায় নেই।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিটা মেয়ের মধ্যেই থাকে অপরিসীম সহনশীলতা, আর লড়াকু মানসিকতা, কোনো ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পায় আবার কখনো ছাই চাপা আগুন হয়ে থাকে। কিন্তু মেন্সট্রুয়াল সাইকেলের ওই চারটে দিন যেন সব মেয়েকেই কাবু করে দেয়। পেটে ব্যথা, মুড সুইং, বমিভাব-সহ বিভিন্ন উপসর্গ লেগেই থাকে এই চারদিনে। শুয়ে বসে থাকার ও যে উপায় নেই। তাই আজকের আলোচনার বিষয় কিভাবে সঠিক ডায়েট দ্বারা আমরা এই কয়েকদিনের কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে পারি। প্রথমে দেখি এই সাইকেলের তিনটি ভাগ-১) মেন্সট্রুআল বা ফলিকুলার ফেজ ২) ওভিউলাসন ফেজ৩) লিউটিয়াল ফেজপ্রথম ধাপ ফলিকুলার ফেজ এর সময় হলো পিরিয়ডের প্রথম তিন থেকে ছয় দিন।। এই সময় ক্লান্তিভাব, পেটে ব্যথা, মাসল ক্র্যাম্পিং ইত্যাদি দেখা যায় যার প্রধান কারণ হলো হরমোনের তারতম্য যেমন এই ফেজে প্রজেস্টেরন ও ইস্ট্রোজেনের মাত্রা দেহে সবচেয়ে কমে যায় যা ক্লান্তিভাবের প্রধান কারণ। ডায়েটের মাধ্যমে আমরা এই উপসর্গ গুলিকে সম্পূর্ণ নিরাময় করতে না পারলেও কিছুটা কমাতেই পারি।১. আয়রন: আয়রনের অন্যতম কাজ হলো দেহে লোহিত কণিকা তৈরি ও রক্তবাহের মধ্যদিয়ে সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করা। এই সময় রক্তক্ষরণের জন্য দেহে আয়রনের মাত্রা কিছুটা হ্রাস পায়, আর ভারতীয় মহিলারা এমনিতেই বেশিরভাগ সময়ে আয়রনের ঘাটতি জনিত রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগতে থাকে। তাই এই সময় আয়রন যুক্ত খাবার যেমন মাছ, মাংস, ডিম, বিভিন্ন বিনস, লেনটিল , সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি প্রচুর পরিমানে ডায়েটে রাখতেই হবে। আর লোহার কড়াইতে রান্নার কথা তো আমি সবসময়তেই বলি, বাকি দিন গুলো সম্ভব না হলেও এই কয়েকটা দিন লোহার কড়াইতে রান্নার চেষ্টা করুন, তফাৎ টা বুঝতে পারবেন নিজেরাই।২. ভিটামিন সি: আয়রনের শোষণে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে ভিটামিন সি, এছাড়াও এটি আন্টি অক্সিড্যান্ট যা শরীর থেকে ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যাল নিষ্কাশনেও সাহায্য করে। তাই ডায়েটে থাকুক প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যুক্ত খাদ্য যেমন সবুজ শাকসবজি, লেবু জাতীয় ফল, দিনে একটা করে আমলকি বা পেয়ারা, ক্যাপসিকাম ইত্যাদি।৩.ক্যাফিন : এই কয়েকটা দিন একদম দূরে থাক ক্যাফিন বা ট্যানিন যেমন চা ও কফি। এগুলোতে উপস্থিত পলিফেনল দেহে আয়রনের মাত্রা কিছুটা হলেও কমিয়ে দেয়। এছাড়াও ক্যাফিন হল একপ্রকার ভ্যাসোকোনস্ট্রিক্টর যা পেটে মাসল ক্র্যাম্পিংয়ের অন্যতম কারণ।৪. শাকসবজি ও ফল: ডায়েটে থাকুক প্রচুর শাকসবজি ও ফল যা শুধু প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করবে তাই নয়, প্রচুর ফাইবারের উপস্থিতির জন্য কনস্টিপেসন ও দূর করবে।৫. হালকা ব্যায়াম: শুনতে অবাক লাগলেও এই সময় হালকা ব্যায়াম বা হাঁটা কিন্তু আপনার মুডকে নিমেষে ঠিক করে দিতে পারে, বিভিন্ন স্ট্রেচিং, সূর্য নমস্কার, প্রাণায়াম সহ অল্প হাঁটা এন্ডডরফিন হরমোন নিঃস্বরণ করে যা মুড ভালো রাখতে বিশেষ উপযোগী৬. ড্রাই ফ্রুটস: বিভিন্ন ড্রাই ফ্রুটস যেমন খেঁজুর, কিসমিস ইত্যাদি যেমন আয়রন সরবরাহ করবে তেমনি দেহে এক্সট্রা ক্যালোরির চাহিদাও মেটাবে।তাই নির্ভাবনায় থাকুক ডায়েটে এই ড্রাই ফ্রুটস।এরপর বলব দ্বিতীয় ধাপ অর্থ্যাৎ অভিউলাসন ফেজের কথা, যা পিরিয়ডের ১৪-১৭দিন চলে। এই সময় একদম রোজের ব্যালান্সড ডায়েটে থাকুন, সঙ্গে চলুক নিয়মিত শরীরচর্চা। তৃতীয় ধাপ চলে ১৭ থেকে ২৮ দিন, এই সময় দেহে পরিণত ডিম্বাণু নিঃসৃত হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে আবার শুরু হয় প্রি মেন্সট্রুআল সিম্পটমস, যেমন- মুড সুইং, ব্রণের সমস্যা, তলপেটে টান ধরা ইত্যাদি।আরেকটি উপসর্গ ও দেখা যায় এই সময় তা হল কার্বোহাইড্রেট ক্রেভিং অর্থ্যাৎ দিনের বেশিরভাগ সময়ে কার্বোহাইড্রেট খাবার ইচ্ছে এর ফলে এই ফেজে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কিন্তু সবচেয়ে বেশি। তাই প্রচুর ফাইবার ও জল কিন্তু খেতেই হবে, এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সাথে শরীর আর্দ্র ও থাকবে। এই তিনটি ধাপেই উপরোক্ত খাবারগুলি ছাড়াও আরও যে কয়েকটি খাবার রাখতেই হবে সেগুলোও দেখে নিন-১: আদা: আদাতে রয়েছে এন্টি ইফেক্টিভ ধর্ম যা কিনা এই সময় দেহের প্রতিটা কোষ কে সজীব ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে২: হলুদ: হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন সাহায্য করে মাসল ক্র্যাম্পিং কমাতে, তাই উষ্ণ গরম দুধ বা হারবাল চা এর সাথে .রোজ ডায়েটে থাকুক হলুদ৩: ডার্ক চকলেট: এতে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রন। আয়রনের উপকারিতার সাথে সাথেই ম্যাগনিয়াম কিন্তু প্রি মেন্সট্রুআল উপসর্গ গুলি কমাতে সাহায্য করে।৪: হেলদি নাটস: বিভিন্ন হেলদি নাটস যেমন আলমন্ড, আখরোট ইত্যাদি তে রয়েছে গুড ফ্যাট, প্রোটিন, ও ম্যাগনেসিয়াম। তাই উপকারিতাও কিন্তু অপরিসীম।৫: রেড মিট ও ভাজাভুজি: রেড মিটে থাকে প্রচুর প্রোস্টাগ্ল্যানডিন হরমোন যা কিনা মাসল ক্র্যাম্পিং এর জন্য দায়ী। এছাড়াও অল্প ভাজাভুজিই কিন্তু এই কয়েক দিনে এসিডিটি তৈরি করতে পারে, যতটা সম্ভব বর্জন করুন তাই।বয়স বাড়লেই মেয়েদের এই ৬ রোগের ঝুঁকি বাড়ে! কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন? জানুন…৬: সিড সাইকেল: বর্তমানে মেন্সট্রুআল সাইকেল নিয়ে যতটা গবেষণা চলছে তার অন্যতম বিষয় হলো সিড সাইকেলের উপকারিতা এই সময়। সাইকেলের বিভিন্ন ফেজে বিভিন্ন সিড প্রয়োগ করা হয় হরমোনের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখতে।পিরিয়ডের প্রথম থেকে ওভিউলেশন পর্যন্ত প্রতিদিন : ১ টেবিল চামচ পাম্পকিন সিড + ১ টেবিল চামচ ফ্ল্যাক্স সিড-এই দুই সিডের মিশ্রণ দেহে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়ায় এবং ফ্ল্যাক্স সিডে উপস্থিত লিগন্যান ইস্ট্রোজেন বাইন্ডার হিসাবেও কাজ করে। ফলে সামঞ্জস্য থাকে হরমোনেরলিউটিয়াল ফেজ-প্রতিদিন এক টেবিল চামচ সান ফ্লাওয়ার ও এক টেবিল চামচ সিসেম সিড– এতে রয়েছে প্রচুর জিঙ্ক ও ভিটামিন ই, ও সেলেনিয়াম যা দেহে প্রোজেস্টেরণের মাত্রা বাড়িয়ে হরমোনের সামঞ্জস্যতা বজায় রাখে, এবং মূলত সেলেনিয়াম লিভারকেও অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেনের থেকে ডিটক্স করে।উপরোক্ত কয়েকটি সাধারণ বিষয় মাথায় রাখলেই কিন্তু মেন্সট্রুআল সাইকেলের এই কয়েকটা দিনেও প্রাণবন্ত থাকতে পারব আমরা।তথ্য: রাখী চট্টোপাধ্যায়, ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও ডায়াবিটিস এডুকেটর।টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Source link

periods: পিরিয়ডসের আগে মুড সুইং হয়? সমস্যা সামলাতে ট্রাই করুন এই ঘরোয়া টোটকা – natural remedies for pms symptoms

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: PMS বা প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম – কথাটা যাই বলুন না কেন প্রতি মাসে ঋতুস্রাবের দিনগুলোতে শারীরিক ও মানসিক কষ্টের শেষ নেই, তার উপরে আবার এই পি এম এস! অধিকাংশ মহিলাদের ক্ষেত্রে পিরিয়ড বা মাসিকের আগে আগে বেশ কিছু নেতিবাচক মানসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। প্রতি মাসের নির্দিষ্ট এই সময়ে অস্বস্তি, ক্রোধ, খিটখিটে মেজাজ থেকে শুরু করে মানসিকভাবে একদমই ভেঙে পড়তে পারে মেয়েরা। এই লক্ষণগুলোকে একসঙ্গে বলা হয় প্রিমিন্সট্রুয়াল সিনড্রোম, বা পিরিয়ড শুরু হওয়ার আগের সিন্ড্রোম। যা, সংক্ষেপে PMS নামে বেশি পরিচিত। পিরিয়ড সংক্রান্ত নানা রকম ঝামেলা, চিন্তায় সকলেই জর্জরিত। এই একটা বিষয়ে প্রায় সব মেয়েই একসঙ্গে গলা মেলান। মাসের ওই কয়েকটা দিন সকলকেই বিস্তর হ্যাপা পোহাতে হয়। PMS-এর সময়ে মহিলাদের তলপেট ব্যথা-ব্যথা করে, কারোর-কারোর আবার চাপ ধরে থাকে, যার ফলে কখনও কখনও একটু বিগড়ে যায়। কষ্ট লাঘব করার জন্য কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা রয়েছে, যা কাজে লাগতে পারে।মৌরি-পি এম এস-এর কষ্ট কমাতেও কিন্তু দারুণ উপকারী মৌরি। ঋতুস্রাব নিয়মিত করতে মৌরি খুব কাজে দেয়। সারা রাত এক গ্লাস জলে কাঁচা মৌরি ভিজিয়ে রেখে দিন। পরদিন সকালে খালি পেটে জল ছেঁকে খেয়ে নিন। আসলে মৌরিতে এমন কিছু কম্পাউন্ড থাকে যা PMS-এর সময়ে তলপেটের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। যতদিন না পিরিয়ডস হচ্ছে ততদিন খেয়ে যেতে হবে। শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে হলে মাথায় রাখুন এই পাঁচ গোপন চাবিকাঠি!করলা-এক চা চামচ মধু এবং একটি মাঝারি সাইজের করলা নিন। করলা ভালো করে ধুয়ে নিন, এর পর কেটে নিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে জুস বের করে নিন। এবারে তাতে মধু মিশিয়ে গিলে ফেলুন। এই ভাবে একদিন অন্তর একদিন খেয়ে নিন। স্নানের সময় Loofah-র ব্যবহার কি আদৌ করা উচিত? কী বলছে গবেষণা জানুন…কাঁচা পেঁপে-অনেক মহিলাই অনিয়মিত ঋতুস্রাবের সমস্যায় ভোগেন এবং ফলস্বরূপ তাঁদের পি এম এস-এর সময় প্রচণ্ডভাবে মুড সুইং করে। কাঁচা পেঁপে কিন্তু ঋতুস্রাব নিয়মিত করতে সাহায্য করে। তবে এই সময় খাবেন কী করে? কাঁচা পেঁপে যেভাবে খুশি খেতে পারেন। সেদ্ধ করে খেতে পারেন, অথবা ঝোল রেঁধে খেতে পারেন। যদি একান্তই কাঁচা পেঁপে না খেতে পারেন, তা হলে কম পাকা পেঁপে একটু টক দই দিয়ে খেতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে চিনি মেশাবেন না। প্রতিদিন বা এক দিন অন্তর একদিন অন্ত খেলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

periods: পিরিয়ডসের আগে মুড সুইং হয়? সমস্যা সামলাতে ট্রাই করুন এই ঘরোয়া টোটকায় – home remedies for mood swings during periods

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: PMS বা প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম – কথাটা যাই বলুন না কেন প্রতি মাসে ঋতুস্রাবের দিনগুলোতে শারীরিক ও মানসিক কষ্টের শেষ নেই, তার উপরে আবার এই পি এম এস! অধিকাংশ মহিলাদের ক্ষেত্রে পিরিয়ড বা মাসিকের আগে আগে বেশ কিছু নেতিবাচক মানসিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। প্রতি মাসের নির্দিষ্ট এই সময়ে অস্বস্তি, ক্রোধ, খিটখিটে মেজাজ থেকে শুরু করে মানসিকভাবে একদমই ভেঙে পড়তে পারে মেয়েরা। এই লক্ষণগুলোকে একসঙ্গে বলা হয় প্রিমিন্সট্রুয়াল সিনড্রোম, বা পিরিয়ড শুরু হওয়ার আগের সিন্ড্রোম। যা, সংক্ষেপে PMS নামে বেশি পরিচিত। পিরিয়ড সংক্রান্ত নানা রকম ঝামেলা, চিন্তায় সকলেই জর্জরিত। এই একটা বিষয়ে প্রায় সব মেয়েই একসঙ্গে গলা মেলান। মাসের ওই কয়েকটা দিন সকলকেই বিস্তর হ্যাপা পোহাতে হয়। PMS-এর সময়ে মহিলাদের তলপেট ব্যথা-ব্যথা করে, কারোর-কারোর আবার চাপ ধরে থাকে, যার ফলে কখনও কখনও একটু বিগড়ে যায়। কষ্ট লাঘব করার জন্য কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা রয়েছে, যা কাজে লাগতে পারে।মৌরি-পি এম এস-এর কষ্ট কমাতেও কিন্তু দারুণ উপকারী মৌরি। ঋতুস্রাব নিয়মিত করতে মৌরি খুব কাজে দেয়। সারা রাত এক গ্লাস জলে কাঁচা মৌরি ভিজিয়ে রেখে দিন। পরদিন সকালে খালি পেটে জল ছেঁকে খেয়ে নিন। আসলে মৌরিতে এমন কিছু কম্পাউন্ড থাকে যা PMS-এর সময়ে তলপেটের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। যতদিন না পিরিয়ডস হচ্ছে ততদিন খেয়ে যেতে হবে। শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে হলে মাথায় রাখুন এই পাঁচ গোপন চাবিকাঠি!করলা-এক চা চামচ মধু এবং একটি মাঝারি সাইজের করলা নিন। করলা ভালো করে ধুয়ে নিন, এর পর কেটে নিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে জুস বের করে নিন। এবারে তাতে মধু মিশিয়ে গিলে ফেলুন। এই ভাবে একদিন অন্তর একদিন খেয়ে নিন। স্নানের সময় Loofah-র ব্যবহার কি আদৌ করা উচিত? কী বলছে গবেষণা জানুন…কাঁচা পেঁপে-অনেক মহিলাই অনিয়মিত ঋতুস্রাবের সমস্যায় ভোগেন এবং ফলস্বরূপ তাঁদের পি এম এস-এর সময় প্রচণ্ডভাবে মুড সুইং করে। কাঁচা পেঁপে কিন্তু ঋতুস্রাব নিয়মিত করতে সাহায্য করে। তবে এই সময় খাবেন কী করে? কাঁচা পেঁপে যেভাবে খুশি খেতে পারেন। সেদ্ধ করে খেতে পারেন, অথবা ঝোল রেঁধে খেতে পারেন। যদি একান্তই কাঁচা পেঁপে না খেতে পারেন, তা হলে কম পাকা পেঁপে একটু টক দই দিয়ে খেতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে চিনি মেশাবেন না। প্রতিদিন বা এক দিন অন্তর একদিন অন্ত খেলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

ঋতুস্রাবের সময় ত্বকের সমস্যায় ভোগেন? এই পদ্ধতির মাধ্যমে হবে সমস্যার সমাধান | Tips To Take Care Of Your Skin During Period


পিম্পল পিরিয়ডস্ চলাকালীন অনেক মেয়েই পিম্পল বা ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে, পিম্পলের উপর অ্যালোভেরা জেল লাগান। অ্যালোভেরার জেল প্রয়োগ করলে আপনি জ্বালা, ব্যাথা এবং ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুখে মুলতানি মাটির ফেস প্যাক লাগাতে পারেন। শুষ্ক ত্বক পিরিয়ডের সময় ত্বকে শুষ্কতা দেখা যায়। শুষ্কতার কারণে ঠোঁট এবং ত্বক ফাটতে শুরু করে। এক্ষেত্রে, ত্বককে হাইড্রেটেড রাখা খুবই জরুরি। তাই, বেশি করে জল পান করা উচিত। এছাড়া, ডাবের জল এবং ফলের রসও পান করতে পারেন। শুষ্কতা কমাতে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা ডালনেস ঋতুস্রাবের সময় মুখের মধ্যে নিস্তেজতা বা নির্জীবতা ফুটে ওঠে। মুখের নির্জীবতা দূর করতে মুখে স্ক্রাব করুন। মুখে কফি দিয়েও স্ক্রাব করতে পারেন। এর ফলে মুখের ডাল স্কিন দূর হয়। ডার্ক সার্কেল এবং চোখ ফোলা এইসময় অনেকেই ঠিক মতো ঘুমাতে পারে না, যার ফলে চোখের নীচে কালি এবং ফোলা দেখা দেয়। তাই, ঋতুস্রাবের সময় সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং ভালোভাবে ঘুমান। চোখের ফোলাভাব কমাতে, ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ, মুখ ধোওয়া উচিত এবং শসার টুকরো চোখের উপর রাখতে পারেন।

Source link

ঋতুস্রাবের সময় ত্বকের সমস্যায় ভোগেন? এই পদ্ধতির মাধ্যমে হবে সমস্যার সমাধান | Tips To Take Care Of Your Skin During Period


পিম্পল পিরিয়ডস্ চলাকালীন অনেক মেয়েই পিম্পল বা ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে, পিম্পলের উপর অ্যালোভেরা জেল লাগান। অ্যালোভেরার জেল প্রয়োগ করলে আপনি জ্বালা, ব্যাথা এবং ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুখে মুলতানি মাটির ফেস প্যাক লাগাতে পারেন। শুষ্ক ত্বক পিরিয়ডের সময় ত্বকে শুষ্কতা দেখা যায়। শুষ্কতার কারণে ঠোঁট এবং ত্বক ফাটতে শুরু করে। এক্ষেত্রে, ত্বককে হাইড্রেটেড রাখা খুবই জরুরি। তাই, বেশি করে জল পান করা উচিত। এছাড়া, ডাবের জল এবং ফলের রসও পান করতে পারেন। শুষ্কতা কমাতে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা ডালনেস ঋতুস্রাবের সময় মুখের মধ্যে নিস্তেজতা বা নির্জীবতা ফুটে ওঠে। মুখের নির্জীবতা দূর করতে মুখে স্ক্রাব করুন। মুখে কফি দিয়েও স্ক্রাব করতে পারেন। এর ফলে মুখের ডাল স্কিন দূর হয়। ডার্ক সার্কেল এবং চোখ ফোলা এইসময় অনেকেই ঠিক মতো ঘুমাতে পারে না, যার ফলে চোখের নীচে কালি এবং ফোলা দেখা দেয়। তাই, ঋতুস্রাবের সময় সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং ভালোভাবে ঘুমান। চোখের ফোলাভাব কমাতে, ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ, মুখ ধোওয়া উচিত এবং শসার টুকরো চোখের উপর রাখতে পারেন।

Source link

ঋতুস্রাবের সময় ত্বকের সমস্যায় ভোগেন? এই পদ্ধতির মাধ্যমে হবে সমস্যার সমাধান | Tips To Take Care Of Your Skin During Period


পিম্পল পিরিয়ডস্ চলাকালীন অনেক মেয়েই পিম্পল বা ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে, পিম্পলের উপর অ্যালোভেরা জেল লাগান। অ্যালোভেরার জেল প্রয়োগ করলে আপনি জ্বালা, ব্যাথা এবং ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুখে মুলতানি মাটির ফেস প্যাক লাগাতে পারেন। শুষ্ক ত্বক পিরিয়ডের সময় ত্বকে শুষ্কতা দেখা যায়। শুষ্কতার কারণে ঠোঁট এবং ত্বক ফাটতে শুরু করে। এক্ষেত্রে, ত্বককে হাইড্রেটেড রাখা খুবই জরুরি। তাই, বেশি করে জল পান করা উচিত। এছাড়া, ডাবের জল এবং ফলের রসও পান করতে পারেন। শুষ্কতা কমাতে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা ডালনেস ঋতুস্রাবের সময় মুখের মধ্যে নিস্তেজতা বা নির্জীবতা ফুটে ওঠে। মুখের নির্জীবতা দূর করতে মুখে স্ক্রাব করুন। মুখে কফি দিয়েও স্ক্রাব করতে পারেন। এর ফলে মুখের ডাল স্কিন দূর হয়। ডার্ক সার্কেল এবং চোখ ফোলা এইসময় অনেকেই ঠিক মতো ঘুমাতে পারে না, যার ফলে চোখের নীচে কালি এবং ফোলা দেখা দেয়। তাই, ঋতুস্রাবের সময় সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং ভালোভাবে ঘুমান। চোখের ফোলাভাব কমাতে, ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ, মুখ ধোওয়া উচিত এবং শসার টুকরো চোখের উপর রাখতে পারেন।

Source link

ঋতুস্রাবের সময় ত্বকের সমস্যায় ভোগেন? এই পদ্ধতির মাধ্যমে হবে সমস্যার সমাধান | Tips To Take Care Of Your Skin During Period


পিম্পল পিরিয়ডস্ চলাকালীন অনেক মেয়েই পিম্পল বা ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে, পিম্পলের উপর অ্যালোভেরা জেল লাগান। অ্যালোভেরার জেল প্রয়োগ করলে আপনি জ্বালা, ব্যাথা এবং ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুখে মুলতানি মাটির ফেস প্যাক লাগাতে পারেন। শুষ্ক ত্বক পিরিয়ডের সময় ত্বকে শুষ্কতা দেখা যায়। শুষ্কতার কারণে ঠোঁট এবং ত্বক ফাটতে শুরু করে। এক্ষেত্রে, ত্বককে হাইড্রেটেড রাখা খুবই জরুরি। তাই, বেশি করে জল পান করা উচিত। এছাড়া, ডাবের জল এবং ফলের রসও পান করতে পারেন। শুষ্কতা কমাতে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা ডালনেস ঋতুস্রাবের সময় মুখের মধ্যে নিস্তেজতা বা নির্জীবতা ফুটে ওঠে। মুখের নির্জীবতা দূর করতে মুখে স্ক্রাব করুন। মুখে কফি দিয়েও স্ক্রাব করতে পারেন। এর ফলে মুখের ডাল স্কিন দূর হয়। ডার্ক সার্কেল এবং চোখ ফোলা এইসময় অনেকেই ঠিক মতো ঘুমাতে পারে না, যার ফলে চোখের নীচে কালি এবং ফোলা দেখা দেয়। তাই, ঋতুস্রাবের সময় সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং ভালোভাবে ঘুমান। চোখের ফোলাভাব কমাতে, ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ, মুখ ধোওয়া উচিত এবং শসার টুকরো চোখের উপর রাখতে পারেন।

Source link

ঋতুস্রাবের সময় ত্বকের সমস্যায় ভোগেন? এই পদ্ধতির মাধ্যমে হবে সমস্যার সমাধান | Tips To Take Care Of Your Skin During Period


পিম্পল পিরিয়ডস্ চলাকালীন অনেক মেয়েই পিম্পল বা ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে, পিম্পলের উপর অ্যালোভেরা জেল লাগান। অ্যালোভেরার জেল প্রয়োগ করলে আপনি জ্বালা, ব্যাথা এবং ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুখে মুলতানি মাটির ফেস প্যাক লাগাতে পারেন। শুষ্ক ত্বক পিরিয়ডের সময় ত্বকে শুষ্কতা দেখা যায়। শুষ্কতার কারণে ঠোঁট এবং ত্বক ফাটতে শুরু করে। এক্ষেত্রে, ত্বককে হাইড্রেটেড রাখা খুবই জরুরি। তাই, বেশি করে জল পান করা উচিত। এছাড়া, ডাবের জল এবং ফলের রসও পান করতে পারেন। শুষ্কতা কমাতে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা ডালনেস ঋতুস্রাবের সময় মুখের মধ্যে নিস্তেজতা বা নির্জীবতা ফুটে ওঠে। মুখের নির্জীবতা দূর করতে মুখে স্ক্রাব করুন। মুখে কফি দিয়েও স্ক্রাব করতে পারেন। এর ফলে মুখের ডাল স্কিন দূর হয়। ডার্ক সার্কেল এবং চোখ ফোলা এইসময় অনেকেই ঠিক মতো ঘুমাতে পারে না, যার ফলে চোখের নীচে কালি এবং ফোলা দেখা দেয়। তাই, ঋতুস্রাবের সময় সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং ভালোভাবে ঘুমান। চোখের ফোলাভাব কমাতে, ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ, মুখ ধোওয়া উচিত এবং শসার টুকরো চোখের উপর রাখতে পারেন।

Source link

ঋতুস্রাবের সময় ত্বকের সমস্যায় ভোগেন? এই পদ্ধতির মাধ্যমে হবে সমস্যার সমাধান | Tips To Take Care Of Your Skin During Period


পিম্পল পিরিয়ডস্ চলাকালীন অনেক মেয়েই পিম্পল বা ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে, পিম্পলের উপর অ্যালোভেরা জেল লাগান। অ্যালোভেরার জেল প্রয়োগ করলে আপনি জ্বালা, ব্যাথা এবং ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুখে মুলতানি মাটির ফেস প্যাক লাগাতে পারেন। শুষ্ক ত্বক পিরিয়ডের সময় ত্বকে শুষ্কতা দেখা যায়। শুষ্কতার কারণে ঠোঁট এবং ত্বক ফাটতে শুরু করে। এক্ষেত্রে, ত্বককে হাইড্রেটেড রাখা খুবই জরুরি। তাই, বেশি করে জল পান করা উচিত। এছাড়া, ডাবের জল এবং ফলের রসও পান করতে পারেন। শুষ্কতা কমাতে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা ডালনেস ঋতুস্রাবের সময় মুখের মধ্যে নিস্তেজতা বা নির্জীবতা ফুটে ওঠে। মুখের নির্জীবতা দূর করতে মুখে স্ক্রাব করুন। মুখে কফি দিয়েও স্ক্রাব করতে পারেন। এর ফলে মুখের ডাল স্কিন দূর হয়। ডার্ক সার্কেল এবং চোখ ফোলা এইসময় অনেকেই ঠিক মতো ঘুমাতে পারে না, যার ফলে চোখের নীচে কালি এবং ফোলা দেখা দেয়। তাই, ঋতুস্রাবের সময় সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং ভালোভাবে ঘুমান। চোখের ফোলাভাব কমাতে, ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ, মুখ ধোওয়া উচিত এবং শসার টুকরো চোখের উপর রাখতে পারেন।

Source link

ঋতুস্রাবের সময় ত্বকের সমস্যায় ভোগেন? এই পদ্ধতির মাধ্যমে হবে সমস্যার সমাধান | Tips To Take Care Of Your Skin During Period


পিম্পল পিরিয়ডস্ চলাকালীন অনেক মেয়েই পিম্পল বা ব্রণর সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে, পিম্পলের উপর অ্যালোভেরা জেল লাগান। অ্যালোভেরার জেল প্রয়োগ করলে আপনি জ্বালা, ব্যাথা এবং ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা মুখে মুলতানি মাটির ফেস প্যাক লাগাতে পারেন। শুষ্ক ত্বক পিরিয়ডের সময় ত্বকে শুষ্কতা দেখা যায়। শুষ্কতার কারণে ঠোঁট এবং ত্বক ফাটতে শুরু করে। এক্ষেত্রে, ত্বককে হাইড্রেটেড রাখা খুবই জরুরি। তাই, বেশি করে জল পান করা উচিত। এছাড়া, ডাবের জল এবং ফলের রসও পান করতে পারেন। শুষ্কতা কমাতে ময়েশ্চরাইজার ব্যবহার করুন। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন পান পাতা ডালনেস ঋতুস্রাবের সময় মুখের মধ্যে নিস্তেজতা বা নির্জীবতা ফুটে ওঠে। মুখের নির্জীবতা দূর করতে মুখে স্ক্রাব করুন। মুখে কফি দিয়েও স্ক্রাব করতে পারেন। এর ফলে মুখের ডাল স্কিন দূর হয়। ডার্ক সার্কেল এবং চোখ ফোলা এইসময় অনেকেই ঠিক মতো ঘুমাতে পারে না, যার ফলে চোখের নীচে কালি এবং ফোলা দেখা দেয়। তাই, ঋতুস্রাবের সময় সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং ভালোভাবে ঘুমান। চোখের ফোলাভাব কমাতে, ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ, মুখ ধোওয়া উচিত এবং শসার টুকরো চোখের উপর রাখতে পারেন।

Source link