Tag Archives: Pujo Fashion

durga visarjan 2020: সিঁদুর খেলা মানেই চিরাচরিত লালপাড়-সাদা শাড়ি, কেন জানেন? – durga visarjan dress code

হাইলাইটসপুজোর অন্যতম অংশ হল এই সিঁদুর খেলা। একে অপরের সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে স্বামী ও পরিবারের মঙ্গলকামনা করেন। আর সেই সিঁদুরই বাড়িতে থেকে যায় বছরভরএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: দেখতে দেখতেই কেটে গেল পুজোর পাঁচটা দিন। রাত পোহালেই বাপের বাড়ি ফিরে যাবে উমা। আবার এক বছরের প্রতীক্ষা। তবে এবারের পুজো অন্য বছরগুলোর তুলনায় একটু ভিন্ন। সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে গৃহবন্দি মানুষ। সেই সঙ্গে বেড়েছে করোনার আতঙ্ক। এবছর পুজো হলেও সবার মুখের হাসিটা আগের মতো নেই। পুজো প্যান্ডেলেও ছিল বহু রকম বিধিনিষেধ। অঞ্জলি থেকে প্যান্ডেল হপিং সবই এবার বাতিলের তালিকায়। এমনকী ভোগ খাওয়া, সিঁদুর খেলা, দলবেঁধে বিসর্জনে যাওয়া সেসবও এবার নেই। দশমীর ঘট বিসর্জনের পর উমার শ্বশুরবাড়ি ফিরে যাওয়ার পালা। তার আগে চলে বরণ। সিঁদুর-আলতা-পান-সুপুরিতে বাড়ির মেয়েরা বরণ করে নেয় উমাকে। আর তার পর বিবাহিত মেয়েরা মেতে ওঠেন সিঁদুর খেলায়। পুজোর অন্যতম অংশ হল এই সিঁদুর খেলা। একে অপরের সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে স্বামী ও পরিবারের মঙ্গলকামনা করেন। আর সেই সিঁদুরই বাড়িতে থেকে যায় বছরভর। মাকে মিষ্টিমুখ করিয়ে তবেই বাকিরা মিষ্টি খান। আর প্রতিমা বরণের ক্ষেত্রে সেই আদ্যিকাল থেকেই লালপাড় সাদা শাড়িতে সেজে আসছেন মহিলারা। সঙ্গে মানানসই সোনার গয়না। একেবারে সাবেকি সাজ। অন্য সব দিন পুজোর সাজে আধুনিকতার ছোঁওয়া থাকলেও দশমী কিন্তু একেবারেই ট্র্যাডিশন্যাল। ছেলেরা সাদা ধুতি-পাঞ্জাবি অথবা কুর্তা-পায়জামা। আর মেয়েরা শাড়ি। লালপাড় সাদা শাড়ি, লাল ব্লাউজ, সিঁথি ভরতি সিঁদুর আর গয়নায় এদিন প্রত্যেকেই হয়ে ওঠেন দশভুজা। পৃথিবীর যে প্রান্তেই পুজো হোক না কেন দশমীর এই সাজে কোনও অদল-বদল নেই। আর বরণের সময় অবশ্যই মাথায় থাকে ঘোমটা। বিজয়া মানেই লালপাড় সাদা শাড়ি আর সিঁদুর খেলা এখন একেবারেই সামাজিক পরবে পরিণত হয়েছে। সিঁদুর পরিয়ে দেবীর কাছে প্রার্থনা করে মেয়েরা বলেন, সর্বলোকের রঞ্জন পরমসৌন্দর্যযুক্ত সিন্দুর তিলক তোমার কপালকে মণ্ডিত করুক। মাকে বরণের পর রাজ-শুভশ্রীভবিষ্য পুরাণে বলা হয়েছে, সিঁদুর স্বয়ং ব্রহ্মার প্রতীক। বিবাহিত নারী সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে পরম ব্রহ্মকেই আহ্বান করে। গীতাতেও কাত্যায়নী ব্রত উপলক্ষ্যে গোপিনীদের সিঁদুর খেলার বিবরণ পাওয়া যায়। কিন্তু তা অবশ্যই কৃষ্ণের মঙ্গল কামনায়। মনে করা হয় পরমব্রহ্ম সংসারের সকল দুঃখ কষ্ট দূর করেন। দেবী রূপে মা পুজো পেলেও যখন তিনি বিদায় নেন, তখন ঘরের মেয়ে। আর এই বরণের সময় নতুন বস্ত্র পরতে পারলে সবচেয়ে ভালো। নইলে অবশ্যই শুদ্ধ বস্ত্র পরতে হয়। বরণ শেষে নুসরত এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Mimi Chakraborty: শাড়ি থেকে সালোয়ার, ট্র্যাডিশন্যালেই পুজোয় মাতলেন টলিউডের এই অভিনেত্রীরা – pujo lookbook: these tolly actress are pick up traditional for their pujo fashion

হাইলাইটসএছাড়াও এবার পুজোর ফ্যাশন কাঁপাচ্ছে ডার্ক শেড। মিমি চক্রবর্তী যেমন অষ্টমীর অঞ্জলি দিলেন কালচে সবুজ রঙের সালোয়ারেই। অন্যদিকে এই একই রঙের শাড়িতেও দেখা গিয়েছে তাঁকেএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শাড়ি ছাড়া পুজো? ভাবতেই পারেন না বাঙালি মেয়েরা। শুধু বাঙালিরাই নন, দুর্গাপুজো সবার। আর পৃথিবীর যে প্রান্তে যে ধর্মেরই মানুষ থাকুক না কেন এই কয়েকটা দিন সবাই সাজতে চান খাঁটি বাঙালি সাজেই। আর অষ্টমীর অঞ্জলি থেকে বন্ধুদের সঙ্গে গেটটুগেদার মেয়েদের ড্রেসকোড কিন্তু সেই শাড়িই। এবছর মহামারীর প্রকোপে পুজোর সেই আনন্দটা নেই। পুজোর সেই উত্তেজনা নেই। পুজোয় নতুন জামার গন্ধ নেই। তবুও পুজো…শুধুমাত্র নিজের জন্যই, নিজেকে ভালো রাখতে সাজুগুজু করেছেন অনেকে। একই পরামর্শ দিয়েছেন মনোবিদেরাও। যাবতীয় সতর্কতা অবলম্বন করে বাধা নেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আড্ডাতেও। এবার পুজোয় বেজায় ব্যস্ত সাংসদ অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ও নুসরত জাহান। সদ্য মুক্তি পেয়েছে মিমি অভিনীত এসওএস কলকাতা ও ড্রাকুলা স্যার। অন্যদিকে নুসরত জাহানও রয়েছেন এস ওএস কলকাতায়। দুই অভিনেত্রীই এই সপ্তাহে লন্ডন থেকে ফিরেছেন শ্যুটিং সেরে।মিমির শারদ সাজ পুজোর সাজে নুসরত রঙ্গোলির বিশেষ শাড়িতে ছবির প্রমোশনে সেখানেই ভিন্ন দুটি ছবির শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন তাঁরা। তবে পুজোর মধ্যে ছবির প্রিমিয়ার সবার দেখা মিলল শাড়িতেই। হলুদ এবং কালচে সবুজ এই দুটো রং এবার পুজোয় বেশ হিট। এছাড়াও এবার পুজোর ফ্যাশন কাঁপাচ্ছে ডার্ক শেড। মিমি চক্রবর্তী যেমন অষ্টমীর অঞ্জলি দিলেন কালচে সবুজ রঙের সালোয়ারেই। অন্যদিকে এই একই রঙের শাড়িতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। অন্যদিকে স্বামী নিখিল জৈনের রঙ্গোলির কালেকশন থেকে বিশেষ কাস্টমাইজড দুটি শাড়ি বেছে নিয়েছেন নুসরত জাহান। একটি হলুদ, অন্যটি স্কাই-পিংকের কম্বিনেশন। তবে শুধু শাড়িই নয়, কালো রঙের জমকালো সালোয়ারেও দেখা গিয়েছে নুসরতকে। হালকা সবুজ রঙের সিল্ক আর ঘটিহাতা ব্লাউজে এক্কেবারে ট্র্যাডিশন্যাল লুকে ধরা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। কোয়েল মল্লিকের পুজোর সাজ মধুমিতা সরকার পুজোয় সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত কোয়েল মল্লিক অভিনীত রক্তরহস্য মুক্তি পেয়েছে। ইতোমধ্যেই দর্শকের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে সেই ছবি। ঘন নীল রঙা শাড়ি আর সোনালি ঝুমকায় পুজো লুকে দেখা মিলল অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের। উৎসব মানেই আলো ঝলমল সবকিছু। আর সেই ঝলমলে রূপই ধরা পড়েছে মধুমিতার চোখে-মুখে। এবার পুজোর হিট রং হলুদ এবারের পুজোর ফ্যাশনের হিট রং সবুজেও দেখা গিয়েছে মধুমিতাকে। বিয়ের পর প্রথম পুজো সৃজিত ঘরণী রফিয়াৎ রশিদ মিথিলার। আগের বছর পুজোয় দুদিন কলকাতাতে থাকলেও এই বছরটা একদম অন্যরকম। বাংলাদেশের মেয়ে মিথিলা পুজোতেও বেছে নিলেন ট্র্যাডিশন্যাল ঢাকাই। সাদা ঢাকাইএর সঙ্গে মানানসই ব্লাউজে তিনি হয়ে উঠেছেন অনন্যা। সব মিলিয়ে জমজমাট সেলেবদের পুজোর সাজ। বাংলাদেশের ঢাকাইতেই সাজলেন মিথিলা এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Sampurna Lahiri Shares Her Pujo Special Look And Fashion Tips – মন ভালো রাখতেই পুজোয় সাজবেন সম্পূর্ণা, দেখুন ফটোশ্যুট

হাইলাইটসপুজো বাঙালির একটা আবেগ। এবছর পরিস্থিতি আলাদা। আমি কাউকেই বলবো না যে প্যান্ডেলে গিয়ে ভিড় জমান। প্রতিমা দর্শনে গেলেও সবরকম সাবধানতা অবলম্বন করুন। মাস্ক তো অবশ্যই পরবেন, সেই সঙ্গে মেনে চলবেন সামাজিক দূরত্বএই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: প্রতি বছর পুজোর ফ্যাশনে সনাতনী পোশাকের সঙ্গে থাকে থিমের ছোঁয়াও। কোনও বছর বাহা শাড়ি তো কোনও বছর পাখি সালোয়ার। কিন্তু, করোনাকালে এবার সেইসব নেই। কিন্তু, তাই বলে কি পুজোর নতুন জামা হবে না? এবছর যদিও সবাই কেনাকাটা অনলাইনেই সেরেছেন। দোকানে গিয়ে কেনাকাটার হিড়িক কম। খুব বেশি ভিড় নেই শহরের মলগুলোতেও। তবে পুজো মানেই লোকজনকে দেখানোর জন্য সাজ নয়। নিজের মন ভালো রাখতেই এবছর পুজোয় সাজতে চান অভিনেত্রী সম্পূর্ণা লাহিড়ী। সম্প্রতি পুজোর বিশেষ ফটো শ্যুট করলেন সম্পূর্ণা। আর সেই ছবি শেয়ার করলেন এই সময় ডিজিটালের সঙ্গে। শাড়ি পরতে খুবই ভালোবাসেন সম্পূর্ণা এবছর পুজোর পরিস্থিতি যে অন্যরকম তা মেনে নেওয়াই ভালোসম্পূর্ণা বললেন, ‘পুজো বাঙালির একটা আবেগ। এবছর পরিস্থিতি আলাদা। আমি কাউকেই বলবো না যে প্যান্ডেলে গিয়ে ভিড় জমান। প্রতিমা দর্শনে গেলেও সবরকম সাবধানতা অবলম্বন করুন। মাস্ক তো অবশ্যই পরবেন, সেই সঙ্গে মেনে চলবেন সামাজিক দূরত্ব বিধি। বন্ধুরা মিলে একসঙ্গে কোথাও বসে আড্ডা দেওয়ার প্ল্যান করে রাখুন। আর পুজো তে অবশ্যই সাজুন। আমরা নিজেরাই কিন্তু পারি নিজেকে সাজিয়ে তুলতে। সাজলে মন ভালো থাকে। এবছর আমাদের পুজোটা একটু অন্যরকম। আর সেটা সবাইকে মেনে নিতে হবে নিজেদের সুরক্ষার খাতিরেই। বিগত বছরগুলো যেমন কেটেছে এবছর তেমন কাটবে না। এটাও তো একরকম অভিজ্ঞতা। পরবর্তী প্রজন্মকে আমরা বলতে পারব’। মাস্ক-স্যানিটাইজার ভুললে চলবে না তবে এখনও পর্যন্ত পুজোর জন্য কোনও রকম কেনাকাটা হয়নি সম্পূর্ণার। আনলক পর্বে রেস্তোরাঁতে খেতে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনও শপিং মলে যাননি তিনি। কেনাকাটা অনলাইনেই সারতে চান। আর কিছু করতে চান বন্ধুদের বুটিক থেকেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই শাড়ি পড়তে শিখেছেন অভিনেত্রী। মা অফিসে চলে যাওয়ার পর মায়ের শাড়ি, গামছা এসব দিয়েই চলত চেষ্টা। কিন্তু বয়স যখন ১৫, তখন থেকেই বাড়ির যে কোনও অনষ্ঠানে শাড়ি পরতেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘শাড়ি আমি খুব ভালো ক্যারি করতে পারি, আর শাড়িতেই আমায় সবচেয়ে ভালো মানায়’। অষ্টমীর সকালে জানালা খুলেই পাহাড় বা সমুদ্র দেখতে চাইলকডাউনে দীর্ঘদিন বাদে বাড়িতে থাকার সুবাদে প্রচুর রান্না করেছেন সম্পূর্ণা। বিরিয়ানি, চিকেন চাঁপ, মটনকারি থেকে রসগোল্লা বাদ পড়েনি কিছুই। শুধু কেক বানাতেই বাকি রেখেছেন। তবে ফুচকা খাওয়ার অভিনব উপায় বের করেছেন সম্পূর্ণা। কয়েকদিন ধরে খুব ফুচকা খেতে ইচ্ছে করছিল তাঁর। অবশেষে সোমবার বাইরে থেকে ফুচকা এনে মাইক্রোআভেনে গরম করে নিয়েছেন। তারপর ঠান্ডা করে সোজা চালান করেছেন মুখে। এবছর তাঁর পুজো প্ল্যানিং কীরকম…প্রশ্ন করায় বললেন, ‘আমার বাড়ির উল্টোদিকে একটা পুকুর আছে। এই লকডাউনে জানালা খুলে শুধুই পুকুর দেখেছি। এবার আমি চাই পুজোতে জানালা খুলেই যেন সমুদ্র কিংবা পাহাড়ের দেখা পাই। কোথায় যাব এখনও ঠিক করিনি। কিন্তু অষ্টমীতে আমার চোখের সামনে কোনও একটা থাকছেই’। এর পর সেই প্রশ্ন করতেই হয়, ‘সঙ্গে কে’? না বিশেষ কোনও এক বন্ধুর সঙ্গে নয়, চার বন্ধু মিলেই এবার পুজোয় বেড়াতে যাবেন সম্পূর্ণা। আরও পড়ুন: ব্রেকফাস্টে তো খান, কিন্তু রূপচর্চায় ওটমিলের এই ব্যবহারগুলি জানতেন ?লকডাউনে যখনই খুব মন খারাপ করত, তখনই সম্পূর্ণা বেড়িয়ে পড়তেন লং ড্রাইভে। রাতের কলকাতার ফাঁকা রাস্তা ধরে শহর ছাড়িয়ে পাড়ি দিতেন ইচ্ছেমতো। সব শেষে আবারও মনে করিয়ে দিলেন, ‘এই কয়েক মাসে মানুষের মনে কিছুটা হলেও পরিবর্তন এসেছে। প্রকৃতিকে যে আমরাই নিজের হাতে ধ্বংস করেছি তার প্রভাব টের পেয়েছি। বাড়িতে বসেও কিন্তু খুব সুন্দর সময় কাটানো যায়। একটা বছর একটু চেষ্টা করে দেখুন’। সম্পূর্ণার পুজোর সাজের ভাবনায়- রুদ্র সাহাপোশাক- জিত সত্য, রুদ্র সাহামেকআপ এবং হেয়ার- চৈতি বিশ্বাসফটোগ্রাফি- আত্রেয়ী দাস এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link