Tag Archives: Skin Care Tips in Bengali

ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন কর্পূর ও মুলতানি মাটির ফেস প্যাক, দেখুন কীভাবে বানাবেন | Camphor And Multani Mitti Face Pack For Glowing Skin


মুলতানি মাটি ও কর্পূরের ফেস প্যাক দাগহীন ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে কর্পূর এবং মুলতানি মাটির ফেস প্যাক খুব কার্যকর। অনেক সময় ব্রণ সেরে গেলেও তার দাগ মুখ থেকে সহজে যেতে চায় না। আপনি যদি এই সমস্যায় পড়ে থাকেন তবে আপনি মুলতানি মাটি ও কর্পূরের ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। কীভাবে ফেস প্যাক তৈরি করবেন এই ফেস প্যাকটি তৈরি করতে প্রথমে কর্পূর এবং মুলতানি মাটি নিন। দুই চামচ মুলতানি মাটির সাথে এক টুকরো কর্পূর দিন, এর পরে এই পেস্টটিতে গোলাপ জল যোগ করুন। সমস্ত উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। আপনি কর্পূরের পরিবর্তে কর্পূর তেলও ব্যবহার করতে পারেন। এই পেস্টটি আপনার মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পরে পরিষ্কার জল দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন। তবে মুখে এই প্যাকটি লাগানোর আগে অবশ্যই আপনার মুখ ভালভাবে ধুয়ে নেবেন। কম খরচে উজ্জ্বল ত্বক পেতে চান? এই ঘরোয়া ফেস প্যাকগুলি অবশ্যই ব্যবহার করুন! কর্পূর এবং মুলতানি মাটির উপকারিতা কর্পূরের অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বক থেকে ব্রণ এবং ব্যাকটিরিয়া অপসারণ করতে কাজ করে। মুলতানি মাটির ব্যবহারের ফলে মুখের রিঙ্কেলস কমে। এছাড়াও, মুলতানি মাটির ব্যবহারে সানবার্নও কমে যায়। পুরুষদেরও এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করা উচিত ব্রণর সমস্যা কেবলমাত্র মেয়েদের নয়, ছেলেদেরও হতে দেখা যায়। তাই ছেলেরাও ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটি এবং কর্পূরের এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করতে পারে। ফেস প্যাক ব্যবহারের ফলে ত্বকের ময়লা দূর হয়।

Source link

ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন কর্পূর ও মুলতানি মাটির ফেস প্যাক, দেখুন কীভাবে বানাবেন | Camphor And Multani Mitti Face Pack For Glowing Skin


মুলতানি মাটি ও কর্পূরের ফেস প্যাক দাগহীন ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে কর্পূর এবং মুলতানি মাটির ফেস প্যাক খুব কার্যকর। অনেক সময় ব্রণ সেরে গেলেও তার দাগ মুখ থেকে সহজে যেতে চায় না। আপনি যদি এই সমস্যায় পড়ে থাকেন তবে আপনি মুলতানি মাটি ও কর্পূরের ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। কীভাবে ফেস প্যাক তৈরি করবেন এই ফেস প্যাকটি তৈরি করতে প্রথমে কর্পূর এবং মুলতানি মাটি নিন। দুই চামচ মুলতানি মাটির সাথে এক টুকরো কর্পূর দিন, এর পরে এই পেস্টটিতে গোলাপ জল যোগ করুন। সমস্ত উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। আপনি কর্পূরের পরিবর্তে কর্পূর তেলও ব্যবহার করতে পারেন। এই পেস্টটি আপনার মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পরে পরিষ্কার জল দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন। তবে মুখে এই প্যাকটি লাগানোর আগে অবশ্যই আপনার মুখ ভালভাবে ধুয়ে নেবেন। কম খরচে উজ্জ্বল ত্বক পেতে চান? এই ঘরোয়া ফেস প্যাকগুলি অবশ্যই ব্যবহার করুন! কর্পূর এবং মুলতানি মাটির উপকারিতা কর্পূরের অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বক থেকে ব্রণ এবং ব্যাকটিরিয়া অপসারণ করতে কাজ করে। মুলতানি মাটির ব্যবহারের ফলে মুখের রিঙ্কেলস কমে। এছাড়াও, মুলতানি মাটির ব্যবহারে সানবার্নও কমে যায়। পুরুষদেরও এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করা উচিত ব্রণর সমস্যা কেবলমাত্র মেয়েদের নয়, ছেলেদেরও হতে দেখা যায়। তাই ছেলেরাও ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটি এবং কর্পূরের এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করতে পারে। ফেস প্যাক ব্যবহারের ফলে ত্বকের ময়লা দূর হয়।

Source link

How To Use Silicone Face Scrub For Glowing Skin in bengali : শীতকালে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন সিলিকন ফেস স্ক্রাব, দেখুন ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি


অল্প সময়ে স্ক্রাব করুন সিলিকন ফেস স্ক্রাবার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সময় অনেক কম লাগে। সিলিকন স্ক্রাব দিয়ে মুখে ক্লিনজার করা অনেক সহজ। আঙুলের চেয়ে সিলিকন দিয়ে স্ক্রাব করা অনেক সহজ। সিলিকন ব্যবহারের ফলে ফেনা দ্রুত তৈরি হয়, যার ফলে মুখ দ্রুত পরিষ্কার হয়ে যায়। চোখের পাতা দীর্ঘ ও ঘন করতে এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি প্রয়োগ করুন ডিপ ক্লিনজিং আঙুল দিয়ে স্ক্রাব করলে মুখের ডিপ ক্লিনজিং হয় না। সিলিকন ফেস স্ক্রাবার ব্যবহার করলে মুখের ডিপ ক্লিনজিং হয়। যে মহিলারা প্রতিদিন মুখে মেকআপ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য সিলিকন স্ক্রাবার বেস্ট অপশন। বিভিন্নভাবে ব্যবহার করুন এটি বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। সিলিকন ফেস স্ক্রাবার আপনি মুখের পাশাপাশি বডি-তেও ব্যবহার করতে পারেন। মুখের সাথে শরীরের যত্ন নেওয়াও উচিত। শরীরকে এক্সফোলিয়েট করতে আপনি সিলিকন স্ক্রাবার ব্যবহার করতে পারেন।

Source link

শীতকালে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন সিলিকন ফেস স্ক্রাব, দেখুন ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি | How To Use Silicone Face Scrub For Glowing Skin In Winter In Bengali


অল্প সময়ে স্ক্রাব করুন সিলিকন ফেস স্ক্রাবার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সময় অনেক কম লাগে। সিলিকন স্ক্রাব দিয়ে মুখে ক্লিনজার করা অনেক সহজ। আঙুলের চেয়ে সিলিকন দিয়ে স্ক্রাব করা অনেক সহজ। সিলিকন ব্যবহারের ফলে ফেনা দ্রুত তৈরি হয়, যার ফলে মুখ দ্রুত পরিষ্কার হয়ে যায়। চোখের পাতা দীর্ঘ ও ঘন করতে এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলি প্রয়োগ করুন ডিপ ক্লিনজিং আঙুল দিয়ে স্ক্রাব করলে মুখের ডিপ ক্লিনজিং হয় না। সিলিকন ফেস স্ক্রাবার ব্যবহার করলে মুখের ডিপ ক্লিনজিং হয়। যে মহিলারা প্রতিদিন মুখে মেকআপ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য সিলিকন স্ক্রাবার বেস্ট অপশন। বিভিন্নভাবে ব্যবহার করুন এটি বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। সিলিকন ফেস স্ক্রাবার আপনি মুখের পাশাপাশি বডি-তেও ব্যবহার করতে পারেন। মুখের সাথে শরীরের যত্ন নেওয়াও উচিত। শরীরকে এক্সফোলিয়েট করতে আপনি সিলিকন স্ক্রাবার ব্যবহার করতে পারেন।

Source link

How to get rid of moles at home: আঁচিল নিয়ে চিন্তা? ঘরোয়া টোটকায় সমাধান মাত্র দু সপ্তাহেই! – 6 ways to get rid of moles at home

ত্বকেরই একরকম সমস্যা হল আঁচিল। একরকম ভাইরাসের আক্রমণে আঁচিল হয়। ত্বকের কোশে মেলানিনের সমস্যা হলে মেলানোসাইট নামের একটি উপাদান তৈরি হয়। যা সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এসে বাদামি হয়ে যায়। সেই সঙ্গে ত্বকে জ্বালাভাব থাকে। দাগ, ছোপ এসবও পড়ে। যে ভাইরাসের আক্রমণে আঁচিলের এই সমস্যা হয় তাকে বলে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। ত্বকের সর্বত্র আঁচিল ছড়িয়ে পড়ে এমন নয়। গলায়, আঙুলের ভাঁজে, চোখের পাতায় কিংবা শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় আঁচিল হয়। অনেক সময় আঁচিলে ব্যথা হয়। হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেলে যেমন আঁচিল সেরে যায় তেমনই খুব বেশি সমস্যা হলে অপারেশনও করাতে হয়। তবে আঁচিলের ধরন বুঝে তার চিকিৎসকা করেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু কিছু ঘরোয়া উপায়েও দূর করা যায় আঁচিল। তাই তাঁচিল হলে চিন্তা না করে বরং প্রয়োগ করে দেখুন এই ঘরোয়া উপাদান। কিছুটা ফল পাবেনই। ক্যাস্টর অয়েল ও বেকিং সোডাবেকিং সোডা যে কোনও দাগ-ছোপ তুলতে খুবই ভালো কাজ করে। একচামচ ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে হাফ চামচ বেকিং সোডা মিশয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার আঁচিলের উপর তা ১৫ মিনিট লাগিয়ে ম্যাসেজ করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো রাতে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে ধুয়ে নিন। অ্যাপেল সিডার ভিনিগারতুলোয় করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে আঁচিলে লাগান। দিনে দুবার লাগান। ভিনিগার লাগিয়ে মিনিট ১৫ রাখুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে নিন। টানা একমাস করতে পারলে আঁচিল ঝরে পড়বে। তবে এই ভিনিগার যেন চোখে ঢুকে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। টি ট্রি অয়েলটি ট্রি অয়েল ত্বকের জন্য খুবই ভালো। একটি তুলোয় টি ট্রি অয়েল লাগিয়ে আঁচিলের উপর ১০ মিনিট চেপে রাখুন। এইভাবে টানা দু সপ্তাহ করুন। এতেই আঁচিল ঝরে পড়বে। এছাড়াও মুখের কোশ ভালো থাকে টি ট্রি অয়েলে রসুনত্বকের ট্যান ওঠানো থেকে দাগ তোলা রসুন খুবই কার্যকরী। রসুন থেঁতো করে নিয়ে আঁচিলে লাগান। এবার শুকিয়ে গেলে ঘষে তুলে দিন। যদি আজ রাতে লাগান, তাহলে পরদিন সকালে মুখ ধোবেন। সবথেকে ভালো হয় যদি সারারাত রসুনের পেস্ট মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতে দাগ ছোপও উঠে যাবে। মুখ সুন্দর লাগবে। আঁচিলের জন্য খুব ভালো ওষুধ। অ্যালোভেরাঅ্যালোভেরার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বার করে আস্তে আস্তে মুখে লাগান। ভালো করে লাগানো হলে দুঘন্টা রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। তবে এই জেল লাগিয়ে কিন্তু জোরে ঘোষবেন না। আনারসআনারস অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। খেলেও যেমন ভালো কাজ করে তেমনই মুখেও লাগানো যায়। আনারসের জুস কিংবা আনারসের টুকরো থেঁতো করে তার সঙ্গে নুন মিশিয়ে পেস্ট বানান। এবার মুখে ১০ মিনিট ভালো করে ঘষুন। এরপর পাঁচ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে আঁচিলও উঠে যাবে, মুখও ভালো থাকবে।

Source link

Skin Care Tips in Bengali: ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারেও ত্বকে লাভ হচ্ছে না? রইল সমাধান – top tips for a great winter skincare routine

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: শীত মানেই ত্বক রুক্ষ খসখসে হয়ে যাওয়া। তেল, সাবান, ক্রিম, ময়েশ্চারাইজার নিয়ম করে সব লাগানো। নইলে ত্বক শুকনো হয়ে যা। সাদা দাগ পড়ে। আর যাঁদের ত্বক এমনিতেই শুষ্ক এই শীতে তাঁদের সমস্যা আরও বাড়ে। এছাড়াও ত্বক ফেটে যায়। ময়েশ্চারাইজার লাগিয়েও কোনও ফল হয় না। অনেকের ত্বক ফেটে রক্ত বেরোয়। অনেকের চামড়া ফুটো ফুটো হয়ে যায়। চিকিৎসকদের মতে এরকম কোনও সমস্যা হলে ধরে নিতে হবে ত্বকের অভ্যন্তরে কোনও সমস্যা হচ্ছে। আমাদের দেশে শীতকালে আবহাওয়া এমনিই শুষ্ক থাকে। অল্প আর্দ্রতা, ঠান্ডা বাতাস, সূর্যের আলোই এর প্রধান কারণ। বংশগত বা জিনগত কারণে ৪০ পেরোলেই ঘর্মগ্রন্থির সংখ্যা কমে যায়। ফলে ত্বকের তেলের পরিমাণ হ্রাস পায়। যার জন্য ত্বক এমনিই শুকনো হয়ে যায়। অনেকসময় ভিটামিন এ আর বি এর অভাবেও ত্বক শুকনো হয়ে যায়। থাইরয়েড, ডায়াবিটিস এসব সমস্যা থাকলেও ত্বক শুকনো হয়। এবারক দেখে নিন কীভাবে করবেন এই সমস্যার সমাধান। বাজার চলতি ফেসওয়াশের বদলে কাঁচা দুধ ব্যবহার করুনফেসওয়াশের মধ্যে নানা রকম কেমিক্যাল থাকে। যা ত্বকের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। বিশেষত শীত কালে। আর তাই প্রতিদিন কাঁচা দুধের সঙ্গে লেবুর রস, বেসন, মধু, চালগুড়ি মিশিয়ে নিয়ে মুখে আর হাতে পায়ে লাগান। ১০ মিনিট রেখে ভালো করে ঘষে ইষদুষ্ণ গরম জলে ধুয়ে নিন। এরপর সাবান মাখুন। সাবান মেখে ভালো করে ধুয়ে তেল মাখুন। এক্ষেত্রে অলিভ অয়েলই সবচেয়ে ভালো। তেল মেখে ভালো করে স্নান করুন। স্নান করে শুকনো করে গা মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগান। অলিভ অয়েল মাখুনঅলিভ অয়েল এক চামচ, ৫ চামচ নুন, ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে একটি স্ক্রাব তৈরি করুন। এবার এই স্ক্রাব মুখে শরীরে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। এতে মরা কোষ যেমন উঠে যাবে তেমনই শুষ্ক ভাব দূর হবে। ভেতর থেকে তেলের ক্ষরণ বজায় থাকবে। নারকেল তেল আর অ্যালোভেরা জেলনারকেল তেলের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। ভালো করে সাবান দিয়ে গা পরিষ্কার করে ওই জেল লাগান। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। এরপর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার লাগান। শীতকালে নিয়ম করে প্রতিদিন সাবান মাখবেন। নইলে ত্বক রুক্ষ্ম হয়ে যাবে। জলে ক্লোরিন থাকলেজলে ক্লোরিন থাকলে ত্বক অতিরিক্ত শুকনো হয়ে যায়। আর তাই শীতকালেও সাঁতার কাটলে বা অতিরিক্ত গরম জলে স্নান করলে ঠান্ডা লাগতে বাধ্য। তাই এর ফলে ত্বক শুকনো হয়ে যায়। এছাড়াও চা, কফি বেশি খেলে, বেশিক্ষণ এসির মধ্যে থাকলে ত্বক শুকনো হয়ে যায়। পুরনো চর্মরোগ থাকলেঅনেকেরই সোরিয়াসিস, একজিমা, ইকথায়সিস ইত্যাদি সমস্যা থাকে। এই সব সমস্যা শীতে আরও বেড়েযা। আর তাই এই সময়টা একটু সচেতন থাকতে হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো স্যালিসাইলিক অ্যাসিড অয়েনমেন্ট ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও ভিটামিন এ, সি বেশি করে খেতে হবে।

Source link

Skin Care Tips in Bengali: ফেসিয়াল শুরুর সঠিক বয়স কী? যা জানা জরুরি… – the age to start getting facials

হাইলাইটসফেসিয়াল করলে মুখের যে সব মরা কোশ থাকে তা উঠে যায়। কিন্তু কোনওভাবেই ফর্সা হওয়া যায় না। ত্বকের যে ম্যাসেজ হয় তার ফলে রক্তসঞ্চালন ভালো হয়এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ফেসিয়াল করলে ত্বক ভালো থাকে। গ্ল্যামার বাড়ে। আর এই গ্ল্যামারের লোভেই মাত্র ১৬ বছরের কন্যাও যখন ফেসিয়াল করে আসে তখন তাকে শুনতে হয় খুব বড় বয়ে গিয়েছিস! আমাদের সকলেরই ধারনা ১৬ বছর বয়সে ফেসিয়াল করা অপরাধের সমান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন তা জানেন কি? ঠিক কোন বয়স থেকে ফেসিয়াল শুরু করা উচিত এই উত্তর অনেকের কাছেই নেই। তবে তার আগে মনে রাখুন ফেসিয়াল করা মানেই কিন্তু ফর্সা হওয়া নয়। ফেসিয়াল করলে মুখের যে সব মরা কোশ থাকে তা উঠে যায়। কিন্তু কোনওভাবেই ফর্সা হওয়া যায় না। ত্বকের যে ম্যাসেজ হয় তার ফলে রক্তসঞ্চালন ভালো হয়। ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার থাকে। ইনস্ট্যান্ট একটা গ্লো আসে। কোন বয়স থেকে শুরু করা উচিতফেসিয়াল মানে যেহেতু মূলত ত্বককে পরিষ্কার করা,তাই ত্বককে পরিষ্কার রাখার জন্য,কেউ চাইলে ১৫ বা ১৬ বছর বয়স থেকে ফেসিয়াল শুরু করতে পারে।আবার এই সময় ব্রণর প্রবণতা দেখা যায়।তাই খুব ব্রণ হলে,তা থেকে মুক্ত থাকার জন্য করতে পারে ফেসিয়াল। তবে ৩০ এর কোঠায় পা রাখার আগে ফেসিয়াল না করাই ভালো। ক্লিনজিং-টেনিং-ময়েশ্চারাইজিং কিন্তু বাড়িতেও করা যায়। এছাড়াও হার্বাল প্রোডাক্ট কিনে এনে চলতে পারে হোম ফেসিয়াল। সেগুলি হবে স্পেশাল ট্রিটমেন্ট ফেসিয়াল।কিন্তু ফেসিয়াল করার আদর্শ সময় ৩০ বছর বয়সের পর,কারণ তার আগে অবধি ত্বক খুব কোমল, নরম থাকে। বাজার চলতি সব প্রোডাক্টেই কেমিক্যালের আধিক্য থাকে। এতে যেমন ত্বকের ক্ষতি হয় সেই সঙ্গে ত্বকের বয়সও বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও দ্রুত চামড়া কুঁচকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে মুখের স্বাভাবিক গ্লো নষ্ট হয়ে যায়। আর ওই গ্লো পরবর্তীকালে ফিরেও আসে না। বরং মুখ অনেক বেশি শুকনো লাগে। কেমন ফেসিয়াল করা যেতে পারেযদি ১৬ বছর বয়সেই কারোর ফেসিয়াল করার ইচ্ছে হয় তাহলে ফ্রুট ফেসিয়াল দিয়েই শুরু করা ভালো। কারণ এই সময় বাইরেই কাটে দিনের বেশিটা অংশ। ফলে মুখে ট্যান পড়ে। আর দূষণ তো রয়েইছে। আপেল সেদ্ধ করে চটকে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা কমলালেবুর রস, কাঁচা দুধ, এক চামচ কফি গুঁড়ো আর মূলতানি মাটির প্যাক বানিয়ে নেওয়াই ভালো। বাজার চলতি ফেসিয়াল প্যাকের থেকে বানানো প্যাক অনেক ভালো হয়। এছাড়াও চকোলেট ফেসিয়াল, চারকোল ফেসিয়াল করা যেতেই পারে। মেশিনের বদলে হাত দিয়েই ম্যাসাজ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়াও স্ক্রাবিংও হাত দিয়ে ভালো করে ঘষে করা দরকার। ৩০ বছরের পর যাঁরা ফেসিয়াল করবেন তাঁরা মূলতানি মাটি, চন্দন গুঁড়ো, গোলাপ জল আর কফি পাউডার গিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। সবসময় নামী ব্র্যান্ডের ম্যাসাজ ক্রিম ব্যবহার করবেন। আরও পড়ুন:বিবি ক্রিম নাকি সিসি ক্রিম! চটজলদি মেকআপ করতে কোনটা বাছবেন জানুন…যা যা মাথায় রাখবেন১৬ বছর বয়স থেকে ফেসিয়াল শুরু না করাই ভালো। প্রয়োজনে বাড়িতে ঘরোয়া উপায়েই রূপচর্চা করতে হবে। এতে দীর্ঘমেয়াদি ফল পাওয়া যাবে। যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করে হাত দিয়েই স্ক্রাবিং করতে হবে। ম্যাসাজ ক্রিম লাগাতে হবে। কোনও রকম কেমিক্যাল নয়, প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি এমন প্রোডাক্ট দিয়েই ফেসিয়াল করতে হবে। ট্যান রিমুভ ফেসিয়াল করবেন না। পার্ল ফেসিয়াল, গোল্ড ফেসিয়াল এসবও এড়িয়ে চলুন।৩০ বছরের পর মাসে একবার ফেসিয়াল করুন। ভুলেও দুবার করবেন না। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

face washing tips: ত্বক অনুযায়ী পালটে যায় মুখ ধোওয়ার ধরণ! জেনে নিন আপনি কী ভাবে মুখ ধোবেন – you must remember these tips while washing your face based on your skin type

হাইলাইটসআপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয়, তাহলে ফোম-বেসড ফেস ওয়াশ বেছে নিন। ফোম বেসড ফেস ওয়াশ আপনার ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার করবে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: প্রতিদিন ভালো করে মুখ পরিষ্কার করা খুবই জরুরি। কিন্তু ঠিক কী ভাবে মুখ ধুতে হয়, সেটা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। মনে রাখবেন সঠিক পদ্ধতি মেনে মুখ না ধুলে ত্বকের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। সব ধরনের ত্বকে এক ভাবে মুখ ধোওয়া যায় না। যার যেমন ত্বকের ধরন, তিনি সেভাবেই মুখ ধোবেন। জেনে নিন বিভিন্ন ত্বকে কী ভাবে মুখ ধোওয়া জরুরি। তৈলাক্ত ত্বকের জন্যআপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয়, তাহলে ফোম-বেসড ফেস ওয়াশ বেছে নিন। বা ক্লিনজিং জেল দিয়েও মুখ ধুতে পারেন। ফোম বেসড ফেস ওয়াশ আপনার ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার করবে। আর ত্বকে যদি অ্যাকনের সমস্যা থাকে তাহলে জেল ক্লিনজার দিয়ে মুখে ধুয়ে নিন। ত্বক হালকা হাতে মুছে নিয়ে অবশ্যই টোনার লাগাবেন। রুক্ষ শীতেও ঝলমলে ত্বক চাই? কয়েক ফোঁটা দুধেই হবে ম্যাজিক! শুষ্ক ত্বকের জন্যশুষ্ক ত্বক পরিষ্কার করার সময় একটু বেশি খেয়াল রাখা জরুরি। কারণ ভুল পদ্ধতিতে মুখ ধুলে শুষ্ক ত্বক আরও শুকনো হয়ে যেতে পারে। যার ফলে ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। মুখ ধোওয়ার জন্য অ্যালকোহল ফ্রি প্রোডাক্ট বেছে নিন। জেল ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে অনেকটা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। একটু ফেস অয়েল তুলোয় ভিজিয়ে মুখে লাগিয়ে অ্যালকোহল ফ্রি ওয়াইপ দিয়ে মুখ মুছে নিতে পারেন। ত্বক শুষ্ক হলে ক্লিনজারে কখনোই প্যারাবেনস বা সুগন্ধী থাকবেন না। প্রোডাক্ট কেনার সময় প্যাকেট ভালো করে দেখে নেবেন। ত্বকের যত্নে ক্লিনজিং-এর পর টোনিং মাস্ট, কিন্তু টোনার সম্পর্কে এই কয়েক কথা জানেন তো?মিশ্র ত্বকের জন্যআপনার ত্বক যদি মিশ্র প্রকৃতির হয়, তাহলে খুব কড়া কোনও প্রোডাক্ট মুখ ধোওয়ার জন্য ব্যবহর করা চলবে না। এর ফলে আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক তৈলাক্ত ভাব শুকিয়ে যেতে পারে। শুষ্ক ত্বক যাঁদের, তাঁদের মুখের টি-জোন তৈলাক্ত হয়, বাকি অংশ শুষ্ক। হালকা, জেল বেসড ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দু-বার মুখ ধোওয়ার পর মুখে স্ক্রাবিং করে নেবেন। স্ক্রাবার গোটা মুখে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে হালকা হাতে মুখ ঘসে তারপর ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোওয়ার পর তুলো অ্যালকোহল ফ্রি টোনারে ভিজিয়ে সারা মুখে বুলিয়ে নিন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Skin Care Tips in Bengali: দিদিমা থেকে আধুনিকা, রূপচর্চায় ভরসা বেসনেই! দেখে নিন ৫টি ফেসপ্যাক – 5 amazing face packs you can make with gram flour

আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে, তখন না ছিল ফেশওয়াশের ধুম, না সাবান কিংবা বডিওয়াশ। কিন্তু তাইবলে রূপচর্চায় কোনও খামতি ছিল না। ফেসিয়াল, ব্লিচ এসব না থাকলেও রূপচর্চা হত সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপকরণে। কাঁচা দুধ, দুধের সর, কাঁচা হলুগ, বেসন এসবই ছিল ভরসা। সারাবছর বাড়ির তৈরি দই আর বেসনের ফেসপ্যাক বানিয়েই মুখে মাখতেন তাঁরা। বিয়ের আগে হবু কনেদের মাখানো হত কাঁচা দুধ আর হলুদ। ঠাকুরবাড়ির বিভিন্ন গল্পেও উল্লেখ রয়েছে ঘরোয়া এই রূপচর্চার। দুধ, মধু, বেসন দিয়ে রূপচর্চার চল এখনও রয়েছে। বরং আগের থেকে তা অনেক বেশি। সবাই কেমিক্যাল ছেড়ে প্রাকৃতিক উপায়েই রূপচর্চা পছন্দ করছেন। দাগ ছোপ তুলে ত্বক উজ্জ্বল করতে বেসনের কোনও জুড়ি নেই। শুরু হয়েছে বিয়ের মরশুম। এছাড়াও শীত মানেই পার্টি অনুষ্ঠান। দেখে নিন বেসন দিয়ে তৈরি কয়েকটি ফেসপ্যাকের রেসিপি।বেসন, হলুদ ও দই এর তৈরি ফেসপ্যাকউপকরণ:বেসন ৩ চামচহলুদ ১ চামচদই ৩ চামচ পদ্ধতি:সব কটা উপাদান ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। যদি ট্যান থাকে সেখানেও লাগান।২০মিনিট মতো অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। স্নান করার আগে লাগাবেন।উপকারিতা:পোড়া দাগ, সান ট্যান উঠে যায়। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে দই এর মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড। এছাড়াও ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল থাকে।বেসন ও কেশর প্যাকউপকরণ:বেসন ২-৩ চামচকেশর ৩-৪টাকাঁচা দুধ-৩ চামচপদ্ধতি:কাঁচা দুধের সঙ্গে কেশর মিশিয়ে তাতে কয়েক চামচ বেসন দিন। এবার ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। মুখ ভালো করে ধুয়ে লাগিয়ে নিন এই ফেসপ্যাক। শুকিয়ে আসলে গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুবার করুন। বেসন ও দুধের সরের ফেসপ্যাকউপকরণ:বেসন ২টেবিলচামচ১ টেবিলচামচ দুধের সর১ টেবিলচামচ হলুদপদ্ধতি:সমস্ত উপকরণ দিয়ে মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন।১০-১৫মিনিট মতো অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক ক্লিনজারের কাজ করে এই প্যাক।বেসন ও কমলার ফেসপ্যাকউপকরণ:বেসন- ৩চামচপরিমান মতো কমলালেবুর রস (৪-৫টেবিলচামচ)কাঁচা দুধ- ১ চামচপদ্ধতি:বেসনের সাথে কমলালেবুর রস অল্প অল্প করে যোগ করে মেশাতে থাকুন। এরপর দুধ মিশিয়ে একটু পাতলা করে নিন। মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। তারপর জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। কমলার রসের পরিবর্তে লেবুর খোসা শুকনো করে বেটেও লাগাতে পারেন। বেসন টমেটোর প্যাকবেসন- ২ চামচএকটা গোটা টমেটোর পিউরিলেবুর রস- ১ চামচপদ্ধতি- এই সব কিছু একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক বানান। এবার মুখে লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ফেসিয়ালের ম্যাসাজ ক্রিমের বদলে এই প্যাক ব্যবহার করা যায়য। এরপর শুকিয়ে এলে গরম জল দিয়ে মুখ মুছে নিন। ব্যাস তাহলেই বাড়বে জেল্লা।

Source link

milk for skin care: রুক্ষ শীতেও ঝলমলে ত্বক চাই? কয়েক ফোঁটা দুধেই হবে ম্যাজিক! – what are the benefits of adding milk in beauty routine

হাইলাইটসকাঁচা দুধ হোক বা নষ্ট হয়ে যাওয়া দুধ, সবই ত্বকচর্চায় ব্যবহার করতে পারেন। দুধ ত্বককে মোলায়েম করে, বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে এবং রোদে পোড়া দাগছোপ কমায়।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: দুধ সবরকম ভাবেই আমাদের পরম উপকারী বন্ধু। স্বাস্থ্যের জন্য দুধ যে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং দুধ যে সম্পূর্ণ আহার, সে কথা তো আমরা সবাই জানি। তবে শুধু স্বাস্থ্য নয়, রূপচর্চাতেও দুধ দারুন উপকারী। কাঁচা দুধ হোক বা নষ্ট হয়ে যাওয়া দুধ, সবই ত্বকচর্চায় ব্যবহার করতে পারেন। দুধ ত্বককে মোলায়েম করে, বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে এবং রোদে পোড়া দাগছোপ কমায়। জেনে নিন দুধ কী ভাবে আপনার ত্বক ভালো রাখতে কাজ করে…বলিরেখা কমায়বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে বয়সের ছাপ তো পড়বেই। কিন্তু অনেক সময় আমরা বয়স হওয়ার আগেই বুড়িয়ে যাই। ঠিকমতো ত্বকের খেয়াল না রাখলে ত্বকে বলিরেখা পড়তে পারে। দুধে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বক নরম রাখতে এবং বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের যত্নে ক্লিনজিং-এর পর টোনিং মাস্ট, কিন্তু টোনার সম্পর্কে এই কয়েক কথা জানেন… সানবার্ন সারাতে উপকারীবেশি সময় রোদে থাকলে সূর্যের অতিরিক্ত অতি বেগুনি রশ্মি ত্বক কালো ছাপ ফেলতে পারে। সূর্যের চড়া রোদ ত্বকের জন্য মোটেও ভালো নয়। রোদো পোড়া দাগছোপ কমাতে খুব ভালো কাজ করে দুধের মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড। ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা দুধ তুলোয় ভিজিয়ে গোটা মুখে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। উপকার অবশ্যই পাবেন।ত্বক নরম রাখেদুধ সবথেকে ভালো প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার। শীতকালের রুক্ষ দিনে ত্বক নরম রাখতে ফেসপ্যাকে কয়েক ফোঁটা দুধ মিশিয়ে নিন। ত্বকের শুষ্কভাব নিমেষেই গায়েব হয়ে যাবে। দূষণ থেকে কী ভাবে বাঁচাবেন আপনার ত্বক? জানা থাকা সহজ টিপস… অ্যাকনে কমাতে সহায়কদুধের মধ্যে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন, যা ত্বকের জন্য খুবই ভালো। কাঁচা দুধ ত্বকে লাগালে অ্যাকনে কমে যাবে। ত্বক পরিষ্কার রাখতে ক্লিনজার হিসেবে দারুন কাজ করে দুধ। ত্বকে জমে থাকা অতিরিক্ত তেল ও ধুলোবালি পরিষ্কার করে দুধ।* ত্বক ভালো রাখতে একটু বেসন কাঁচা দুধে গুলে নিন। এর মধ্যে এক চিমটে হলুদ আর এক চামচ মধু মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে নিন। এই প্যাক সপ্তাহে দু-দিন করে ১৫ মিনিট ধরে মুখে লাগিয়ে রাখুন। দেখবেন ত্বক আলোর মতো ঝলমল করছে। * দুধের সঙ্গে চন্দনগুড়ো মিশিয়েও মুখে লাগাতে পারেন। এটি ত্বকে স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য এনে দেবে। এক চামচ ওটমিলের সঙ্গে একটু দুধ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন। দশ মিনিট পর হালকা হাতে প্যাকটা ঘসে নিয়ে জলে দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে ত্বকের মৃত কোষ তুলে ফেলে ত্বর মোলায়েম করে তুলবে। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link