Tag Archives: Skin Care Tips

why not to use body lotion on face : বডি লোশন ভুলেও ফেস ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করবেন না! মুখের ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে


দেহ এবং মুখের ত্বকের পার্থক্য আমাদের মুখ ও দেহের ত্বক আলাদা হয়। শরীরের বাকি অংশের ত্বক মোটা এবং মুখের ত্বক পাতলা হয়। শরীরের বাকী অংশের তুলনায় মুখের ত্বক বেশি কোমল হয়। মুখে প্রচুর সিবাম উৎপন্ন হয়, তবে শরীরের বাকি অংশে সিবাম খুব বেশি উৎপন্ন হয় না। তাই, আরও বেশি করে মুখের ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। অ্যালার্জি বডি লোশন ব্যবহারের ফলে মুখে অ্যালার্জি হতে পারে। বডি লোশনে এমন কেমিকেল ব্যবহার করা হয় যা মুখের ত্বকের জন্য খুবই খারাপ। যাদের ত্বক সেনসিটিভ তাদের বডি লোশন মুখে ব্যবহার করা উচিত নয়। ত্বকের ছিদ্র আটকে যেতে পারে যদি আপনি মুখে বডি লোশন প্রয়োগ করেন, তবে ত্বকের ছিদ্র আটকে যেতে পারে এবং মুখে ধুলো-ময়লা জমতে পারে। যা ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই মুখের ত্বকে ফেস ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। বডি লোশনে বেশি কেমিকেল থাকে বডি লোশনে ফেস ক্রিমের চেয়ে অনেক বেশি কেমিকেল থাকে, যা ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কখনও কখনও বডি লোশন প্রয়োগ করার ফলে ত্বকে জ্বালা এবং লালচে ভাবও দেখা দিতে পারে।

Source link

Banana Face Pack For Winter Dry skin : শীতে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে? কলার ফেস প্যাক ব্যবহারেই হবে সমস্যার সমাধান


কলার ফেস স্ক্রাব এই ফেস স্ক্রাব ব্যবহার করে মুখের ময়লা সহজেই পরিষ্কার করা যায়। শীতকালে ত্বকে ডেড স্কিন ত্বককে নিস্তেজ করে তোলে। যার কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়। ডেড স্কিন পরিষ্কার করতে আপনি কলার খোসা ব্যবহার করতে পারেন। কলাতে ভিটামিন বি-৬ এবং বি-১২ পাওয়া যায়, যা মুখের দাগ এবং ব্রণ কমায়। কীভাবে তৈরি করবেন কলার স্ক্রাব? ১ টেবিল চামচ মিল্ক পাউডার, ১ টেবিল চামচ সুজি, হাফ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ অলিভ অয়েল এবং কলার খোসা নিন। একটি পাত্রে এই সমস্ত উপকরণ ভাল মিশ্রিত করুন। কলার খোসাকে চৌকো করে কেটে তার উপর স্ক্রাব মিশ্রিত করুন। এবার কলার খোসা মুখে লাগিয়ে স্ক্রাব করুন। কয়েক মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। কলার ম্যাসাজ ক্রিম কলার স্ক্রাব করার পরে কলার ম্যাসাজ করুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে কলার ম্যাসাজ খুবই উপকারি। এছাড়াও, ফেস ম্যাসাজ ত্বকে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ায়। কলার ম্যাসাজ ক্রিম তৈরির জন্য – হাফ কলা, এক চামচ মধু, ২ চামচ লেবুর রস, সামান্য হলুদ গুঁড়ো এবং আধা চামচ দই নিন। এই সবগুলি একটি পাত্রে ভাল করে মিশিয়ে নিন। পেস্ট প্রস্তুত হয়ে গেলে এটি আপনার মুখে লাগান এবং সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করুন। অভিনেত্রীদের মতো উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন কিউই ফেস মাস্ক, দেখুন তৈরির পদ্ধতি কলার ফেস প্যাক কলা ফেসিয়ালের এটি শেষ ধাপ। মুখে এই ফেস প্যাক প্রয়োগ করলে শুষ্কতা এবং ব্রণ দূর হবে। কলার ফেস প্যাক তৈরির জন্য – এক চামচ বেসন বা এক চামচ চন্দন পাউডার, হাফ কলা, এক চামচ মধু, দুই চামচ লেবুর রস, সামান্য হলুদ এবং এক চামচ দই নিন। একটি পাত্রে কলা, মধু, লেবুর রস, হলুদ গুঁড়ো এবং দই ভাল করে মিশিয়ে নিন। এর পরে এতে বেসন এবং চন্দন পাউডার মেশান। ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। আধ ঘণ্টা পরে পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কলা ফেসিয়াল করার উপকারিতা কলার ফেসিয়াল ড্রাই স্কিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কলার ফেসিয়াল ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সহায়তা করে। এতে ত্বক নরম থাকে। কলাতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে যা মুখের ব্রণ এবং দাগ কমায়। পাশাপাশি কলার ফেসিয়াল রিঙ্কেলস কমাতেও খুবই কার্যকর।

Source link

শীতে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে? কলার ফেস প্যাক ব্যবহারেই হবে সমস্যার সমাধান | Banana Face Pack For Dry Skin In Winter


কলার ফেস স্ক্রাব এই ফেস স্ক্রাব ব্যবহার করে মুখের ময়লা সহজেই পরিষ্কার করা যায়। শীতকালে ত্বকে ডেড স্কিন ত্বককে নিস্তেজ করে তোলে। যার কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়। ডেড স্কিন পরিষ্কার করতে আপনি কলার খোসা ব্যবহার করতে পারেন। কলাতে ভিটামিন বি-৬ এবং বি-১২ পাওয়া যায়, যা মুখের দাগ এবং ব্রণ কমায়। কীভাবে তৈরি করবেন কলার স্ক্রাব? ১ টেবিল চামচ মিল্ক পাউডার, ১ টেবিল চামচ সুজি, হাফ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ অলিভ অয়েল এবং কলার খোসা নিন। একটি পাত্রে এই সমস্ত উপকরণ ভাল মিশ্রিত করুন। কলার খোসাকে চৌকো করে কেটে তার উপর স্ক্রাব মিশ্রিত করুন। এবার কলার খোসা মুখে লাগিয়ে স্ক্রাব করুন। কয়েক মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। কলার ম্যাসাজ ক্রিম কলার স্ক্রাব করার পরে কলার ম্যাসাজ করুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে কলার ম্যাসাজ খুবই উপকারি। এছাড়াও, ফেস ম্যাসাজ ত্বকে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ায়। কলার ম্যাসাজ ক্রিম তৈরির জন্য – হাফ কলা, এক চামচ মধু, ২ চামচ লেবুর রস, সামান্য হলুদ গুঁড়ো এবং আধা চামচ দই নিন। এই সবগুলি একটি পাত্রে ভাল করে মিশিয়ে নিন। পেস্ট প্রস্তুত হয়ে গেলে এটি আপনার মুখে লাগান এবং সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করুন। অভিনেত্রীদের মতো উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন কিউই ফেস মাস্ক, দেখুন তৈরির পদ্ধতি কলার ফেস প্যাক কলা ফেসিয়ালের এটি শেষ ধাপ। মুখে এই ফেস প্যাক প্রয়োগ করলে শুষ্কতা এবং ব্রণ দূর হবে। কলার ফেস প্যাক তৈরির জন্য – এক চামচ বেসন বা এক চামচ চন্দন পাউডার, হাফ কলা, এক চামচ মধু, দুই চামচ লেবুর রস, সামান্য হলুদ এবং এক চামচ দই নিন। একটি পাত্রে কলা, মধু, লেবুর রস, হলুদ গুঁড়ো এবং দই ভাল করে মিশিয়ে নিন। এর পরে এতে বেসন এবং চন্দন পাউডার মেশান। ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। আধ ঘণ্টা পরে পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কলা ফেসিয়াল করার উপকারিতা কলার ফেসিয়াল ড্রাই স্কিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কলার ফেসিয়াল ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সহায়তা করে। এতে ত্বক নরম থাকে। কলাতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে যা মুখের ব্রণ এবং দাগ কমায়। পাশাপাশি কলার ফেসিয়াল রিঙ্কেলস কমাতেও খুবই কার্যকর।

Source link

Skin Care Tips in Bengali: This Coconut And Turmeric Anti-Ageing Drink Is A Recipe For Healthy Skin – দিন দিন মুখের ‘শ্রী’ হারাচ্ছে? ত্বকে পড়ছে বয়সের ছাপ! জেল্লা ফেরাবে বিশেষ এই পানীয়

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মুখে বয়সের ছাপ পড়া প্রতিরোধ করতে হলে সবার আগে জানা দরকার বয়সের দাগ আদৌ পড়ে কেন। আমাদের ত্বকে কোলাজেন নামে একটি যৌগ তৈরি হয়। এই কোলাজেন ত্বককে টানটান, কোমল রাখে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে কোলাজেন তৈরির স্বাভাবিক ক্ষমতা কমে আসে, ফলে ত্বক বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। পাশাপাশি নানা বাহ্যিক কারণেও ত্বক (skin) খারাপ হয়ে যেতে পারে। খুব বেশি রোদে থাকলে, জল কম খেলে, ধূমপানের অভ্যেস থাকলে, মানসিক চাপ বা পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবেও ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ এমনকী, মুখের নানা ভঙ্গিমা, ঘুমের সময় বালিশের কারণেও ত্বকে বলিরেখা, দাগছোপ দেখা দিতে পারে৷ত্বকের যত্ন (skin care) নিতে কম-বেশি সবাই সচেতন। তবে শীতকালে এই ত্বকের যত্নই যেন বাড়তি মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। অনেকের পা, হাতের বেশ কিছু অংশ ফেটে যায়। জ্বালা-জ্বালা ভাব অনুভূত হয়। তাই ত্বকের যত্ন নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। বাইরের পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ভিতরের নানা হরমোনগত পরিবর্তনের জেরেও প্রভাবিত হয় ত্বক। অনেকেই নানা ধরনের দামি প্রসাধনী দ্রব্য ব্যবহার করেন। তবে ত্বক বাঁচাতে ঠিকঠাক ডায়েট ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন প্রয়োজনীয়। আর সেই ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে নারকেল ও হলুদের এক বিশেষ পানীয়। ত্বক সুন্দর-সতেজ করার পাশাপাশি দ্রুত বয়সবৃদ্ধি রোধ করতে পারে এই পানীয়।দেখে নিন, কেমন করে তৈরি করবেন এই পানীয়-নারকেল ও হলুদের এই পানীয় তৈরিতে কী কী লাগবে: তিসি বীজ বা ফ্ল্যাক্স সিড, কলা, আনারস, নারকেল, নারকেল তেল, আদা, দারচিনি ও হলুদ। তিসি বীজে থাকে প্রচুর পরিমাণে Omega-3, ফ্যাটি অ্যাসিড। এর পাশাপাশি দ্রুত বয়সবৃদ্ধি রোধ করে আদা ও হলুদ। একই কাজ করে দারচিনিও। ত্বক ফুলে যাওয়া, ফেটে যাওয়া বা এই জাতীয় সমস্যা দূর করতে পারে এই উপাদানগুলি।প্রথমে কলা ও আনারস ছোট-ছোট করে কেটে নিতে হবে। এ বার একটি বড় আয়তনের পাত্রে কলা ও আনারসের টুকরো রেখে, তাতে ফ্ল্যাক্স সিড, আদা, নারকেল তেল, দারচিনি ও হলুদগুঁড়ো মিশিয়ে দিতে হবে। একটু নারকেলের দুধ দিয়ে পুরো মিশ্রণটিকে ভালো করে নাড়িয়ে নিতে হবে।পানীয়টিতে অল্প মধু যোগ করা যায়। এতে স্বাদ বাড়বে। যদি সপ্তাহে একবার বা মাসে নির্দিষ্ট সময় অন্তর এটি পান করা যায়, তা হলে সতেজ ও সুন্দর থাকবে ত্বক।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Honey Face Pack For Glowing Skin : শীতে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন মধুর ফেস প্যাক, দেখুন পদ্ধতি


মধুর ফেস প্যাক এই ফেস প্যাকটি প্রয়োগ করতে সর্বপ্রথমে এক চামচ মধু নিয়ে তা পুরো মুখে লাগান। আধ ঘণ্টা পরে হালকা গরম জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি করলে মুখের ত্বক উজ্জ্বল হবে। ডিম ও মধুর ফেস প্যাক এই ফেস প্যাক তৈরি করতে নিন একটি ডিমের কুসুম, এক চামচ দই, এক চামচ মধু এবং আধা চামচ আমন্ড অয়েল। বাটিতে সবকটি উপাদান একসঙ্গে নিয়ে ভাল করে মেশান। তারপর এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এবার পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার করলেই দেখবেন ত্বকের আর্দ্রতা ফিরবে। ব্রণ কমাতে মধু ব্যবহার করুন ব্রণ থেকে মুক্তি পেতেও আপনি মধু ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ মধু এবং অলিভ অয়েল নিন। দুটি উপাদান ভালভাবে মিশিয়ে নিন এবং এই পেস্টটি আপনার মুখে লাগান। ২০ মিনিট পরে হালকা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রয়োগ করলে ব্রণ দূর হবে এবং ত্বক উজ্জ্বল হবে। ডেড সেল অপসারণে সহায়ক ত্বকের মৃত কোষ অপসারণে বাদাম পাউডার এবং মধু মেশান। এই মিশ্রণটি দিয়ে স্ক্রাব করুন। এরপর পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং বাদাম ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে সহায়তা করে। উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি শুষ্ক ত্বক শুষ্ক ত্বকের জন্য এক চামচ মধু এবং এক চামচ অলিভ অয়েল নিন। এই মিশ্রণে লেবুর রস মেশান। কয়েক মিনিটের জন্য এটি লাগিয়ে রাখুন। এতে মুখের ড্রাইনেস কম হবে। মধু ও কলার ফেস প্যাক এটি তৈরির জন্য একটি পাত্রে আধা চামচ মধু, একটি পাকা কলা ও ২ টেবিল চামচ দুধ নিন। সমস্ত উপাদান ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে আপনার ত্বকে লাগান। হাতে, পায়ে, মুখে লাগাতে পারেন। নিয়মিত এটি ব্যবহার করলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হবে।

Source link

Skin Care Tips in Bengali: ট্যান থেকে দাগছোপ, নিমেষেই উধাও হবে বাড়িতে বানানো সাবানেই! দেখুন পদ্ধতি – how to make soaps at home in bengali

বেশ কয়েক বছর আগেও স্কুলে ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে থাকত হাতের কাজ। সেখানে কিন্তু শেখানো হত বাড়িতে সাবান থেকে ফিনাইল তৈরির কায়দা। অনেকেই বেশ মন দিয়ে তখন শিখতেন সাবান তৈরির পদ্ধতি। আজ থেকে বছর ১৫ আগেও বাড়িতে তৈরি তেল, সাবানের এত কদর ছিল না। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে সবাই বাড়িতে বানানো জিনিসের উপরই বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বাজার চলতি সাবানে খারের পরিমাণ থাকে বেশি। এছাড়াও মেশানো হয় কেমিক্যাল। যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক। যে কারণে প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি তেল, শ্যাম্পু, সাবানের এত কদর। রইল কিছু সাবান বানানোর সহজ পদ্ধতি। বাড়িতে থাকা উপকরণ দিয়ে কম খরচাতেই বানানো যাবে এই সাবান। এছাড়াও এর উপকারিতা অনেক বেশি। বজায় থাকবে ত্বকের আর্দ্রতা। সেই সঙ্গে ত্বকে রোগ-জীবানু বাসা বাঁধতে পারবে না। শীতকালে সবাই বাড়িতে প্রায় গ্লিসারিন সাবান ব্যবহার করেন। এবার গ্লিসারিন দিয়ে সাবান তৈরি হোক বাড়িতেই। দুধ-মধুর সাবানসাবান তৈরির জন্য প্রাথমিক যে উপকরণ তা অনলাইনেই পেয়ে যাবেন। দেখে শুনে ভেষজ বেস কিনে রাখুন। এবার একটা পাত্রে সাবানের বেস আর হাফ কাপ দুধ দিয়ে ঢিমে আঁচে নাড়তে থাকুন। সাবানের বেসটা না গলা পর্যন্ত ভালো করে নাড়তে থাকুন। বেস গলতে শুরু করলে তিন চামচ মধু মেশান। এবার সব মিশলে পছন্দসই সাবানের ছাঁচে সবটা ভরে ফেলুন। মিশ্রণ ঠান্ডা হয়ে জমলে সাবান বের করে নিন। অ্যালোভেরা সাবানএকটা পাত্রে ২০০ এমএল মিনারেল ওয়াটার নিন। এবার ওর মধ্যে তিন চামচ সাবানের বেস মিশিয়ে নাড়তে থাকুন। অন্য একটি পাত্রে অলিভ অয়েল গরম করতে বসান। ওর মধ্যে সামান্য Beeswax মিশিয়ে গরম করে নিন। এবার যখন মিশ্রণ টা থকথকে হয়ে আসবে তখন ওর সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল আর এসেন্সিয়ল অয়েল মেশান। এবার মিনিট দুয়েক গরম করে ছাঁচে ভরে নিন। ঠান্ডা হলেই সাবান তৈরি। ওটমিল সাবানএকটা কাঁচের বাটিতে সাবানের বেস (২৮০ গ্রাম) নিয়ে অল্প আঁচে গলিয়ে নিন। এবার ওর মধ্যে মধু, ভিটামিন ই অয়েল, আর একবাটি ওটস ভালো করে মেশান। মিশলে পছন্দের কোনও এসেন্সিয়ল অয়েল ক.েক ফোঁটা দিয়ে দিন। কয়েক মিনিট নাড়তে থাকুন। মিনিট পাঁচেক নাড়ার পর মিশ্রণটি ছাঁচে ভরে নিন। ঠান্ডা হলেই রেডি সাবান। চকোলেট সাবানসাবানের বেসটা একটা ছোট কাঁচের বাটিতে নিন। এবার মাইক্রোওয়েভে ৫০ সেকেন্ড ঘুরিয়ে নিন। তাহলেই বেস গলতে শুরু করবে। এবার একে একে চার চামচ অলিভ অয়েল, চার চামচ নারকেল তেল, এক চামচ কোকো বাটার, ৩৪০ গ্রাম চকোলেট পাউডার ও হাফ কাপ ফুল ফ্যাট মিল্ক ভালো করে মিশিয়ে নিন। পুরো মিশ্রণ বেশ গরম অবস্থাতেই ছাঁচে ঢালুন। ছাঁচ থেকে একদিন পর বের করে দেখে নিন শক্ত হয়েছে কিনা। আলু-গ্লিসারিন সাবানআলু ভালো ভাবে গ্রেট করে রস বের করে নিন। এবার একটি কাঁচের বাটিতে সাবানের বেস গলিয়ে নিন। একে একে ওর মধ্যে আলুর রস, গ্লিসারিন, এক চামচ অ্যালোভেরা জেল আর এক চামচ আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণ গরম অবস্থাতেই ছাঁচের মধ্যে ঢেলে নিন। ঠান্ডা করুন ছ’ঘন্টা। ব্যাস রেডি সাবান। এই সাবান কিন্তু মুখের সব ট্যান তুলে দেবে। সেই সঙ্গে ত্বক থাকবে কোমল। সানফ্লাওয়ার অয়েল সাবানএকটা পাত্রে দশ চামচ মিনারেল ওটার নিয়ে ওর মধ্যে সাবানের বেস মিশিয়ে গরম করুন। এবার ওই মিশ্রণ ২০ মিনিট রেখে ওর মধ্যে পাতিলেবুর খোসা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। অন্য একটি পাত্রে কোকো বাটার গরম করে ওর মধ্যে দশ চামচ নারকেল তেল , পাঁচ চামচ অলিভ অয়েল, আট চামচ সানফ্লাওয়ার অয়েল মিশিয়ে নাড়তে থাকুন। তিনটে তেল ভালো করে মিশে গেলে ওর মধ্যে সাবানের মিশ্রণ ঢালুন। সব ভালো করে মিশলে পছন্দের এসেন্সিয়ল অয়েল মিশিয়ে দু মিনিট মতো নাড়ুন। এবার একটা পাত্রে ভালো করে ছেঁকে নিয়ে ছাঁচে ভরে ফেলুন। তিন দিন পর ছাঁচ থেকে সাবান তুলে নিলেই তৈরি।

Source link

pollution effect on skin: দূষণ থেকে কী ভাবে বাঁচাবেন আপনার ত্বক? জানা থাকা সহজ টিপস… – protect your skin from pollution with these skin care tips

হাইলাইটসত্বক ভালো রাখার প্রথম কথাই হল ত্বক পরিষ্কার রাখা। আপনার ত্বকের উপযুক্ত এরকম ক্লিনজার দিয়ে দিনে অন্তত দু-বার ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করুন। ত্বক পরিষ্কার না থাকলে সমস্ত ত্বকচর্চাই মাঠে মারা যাবে।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: দোরগোড়ায় শীত, এই সময় পরিবেশে দূষণের মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। আবার দীপাবলিতেও বায়ু দূষণের পরিমাণ অনেকটাই বাড়ে। দূষণের প্রভাব আমাদের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আমাদের ত্বকের ওপরেও পড়ে। এই সময় ত্বক ভালো রাখতে একটু যত্ন নেওয়া জরুরি। আপনি যখনই বাড়ি থেকে বেরোন, দূষণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব আপনার শরীরের যে অংশে পড়ে, তা হল আপনার মুখ। এর ফলে আপনার মুখের ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। ধোঁয়াশা বা স্মগ যাকে বলে তার প্রভাবে আপনার চেহারায় সময়ের আগে বয়সের ছাপ পড়তে পারে। এছাড়া অ্যাকনে এবং অ্যাালার্জি দেখা দিতে পারে। বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা আপনার ত্বকের সংস্পর্শ এসে ত্বকের কোষ বন্ধ করে দিতে পারে। এর ফলে অ্যাকনে, ত্বক লাল হয়ে চুলকানি, ডার্মাটাইটিস এবং এগজিমার মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। এখন দেখে নিন এই হাত থেকে ত্বক বাঁচাতে ত্বকের যত্ন নেবেন কী ভাবে। ঠোঁট কেন ফাটে? সারাবেন কী ভাবে! জেনে নিন এক ক্লিকে ক্লিনজিংত্বক ভালো রাখার প্রথম কথাই হল ত্বক পরিষ্কার রাখা। আপনার ত্বকের উপযুক্ত এরকম ক্লিনজার দিয়ে দিনে অন্তত দু-বার ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করুন। ত্বক পরিষ্কার না থাকলে সমস্ত ত্বকচর্চাই মাঠে মারা যাবে।এক্সফোলিয়েশনত্বকের মরা কোষ ত্বক থেকে সরিয়ে দেওয়া খুব জরুরি। তাই নিয়মিত ত্বক এক্সফোলিয়েট করি। সপ্তাহে অন্তত একবার ত্বক স্ক্রাবিং করুন। এর জন্য আপনার ত্বকের উপযুক্ত স্ক্রাবার বেছে নিন। ধনতেরসে কী কিনবেন বুঝতে পারছেন না? রইল ট্রেন্ডিং গয়নায় হালহদিশফেস মাস্কদূষণের প্রভাব থেকে ত্বক রক্ষা করতে ত্বকে সপ্তাহে অন্তত দু-বার ফেস মাস্ক লাগানো জরুরি। ফেস মাস্ক ত্বকের অনেক সমস্যা মেটাতে উপযোগী। পাশাপাশি ত্বককে নরম ও উজ্জ্বল রাখে ফেস মাস্ক। ডায়েটে থাক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টত্বক ভালো রাখতে ভিটামিট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেলে ত্বক ভালো থাকে। নিয়মিত এমন খাবার খান, যাতে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ওমেগা ৩ এবং বেটা ক্যারোটিন থাকে। কমলালেবু, আমন্ড, ফ্ল্যাক্সসিড এবং পালংশাক খান নিয়মিত। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Ways to Remove Tan from the Back : পিঠের কালো দাগ দূর করতে এই পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করুন, সমস্যার সমাধান হবে দ্রুত!


অ্যাপেল সিডার ভিনিগার বাটিতে দু’চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ও একদম অল্প জল ভালভাবে মেশান৷ তুলোর সাহায্যে পিঠে লাগান ভাল করে৷ শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন৷ এভাবে বেশ কয়েকদিন করার পর উপকার পাবেন৷ চিনি, লেবু ও কলা পিঠের ট্যান দূর করতে চিনি, লেবু এবং কলা দিয়ে তৈরি স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। লেবু, কলা এবং চিনি ভালভাবে মিশিয়ে পেস্ট বানান। তারপর তা দিয়ে পিঠে স্ক্রাব করুন। চন্দন, টমেটো ও শসার পেস্ট পিঠের ট্যান দূর করতে আপনি এই পদ্ধতিও অনুসরণ করতে পারেন। ২ চামচ চন্দন পাউডার, ২ চামচ টমেটো পেস্ট, ২ চামচ শসার পেস্ট ভালভাবে মিশিয়ে নিন (টমেটো ও শসার রসও ব্যবহার করতে পারেন)। এরপর এই পেস্টটি পিঠে ভালো করে লাগান। ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন। ওটমিল এবং দুধ ট্যান অপসারণ করতে আপনি ওটমিল এবং দুধও ব্যবহার করতে পারেন। ওটমিল ত্বককে নরম ও ফ্রেশ করতে সাহায্য করে। ওটমিল এবং দুধের মিশ্রণটি দিয়ে পিঠে স্ক্রাব করুন, এতে পিঠের ট্যান দূর হবে এবং ত্বকও নরম হবে। আলুর রস অনুজ্জ্বল পিঠ দ্রুত উজ্জ্বল করে তুলতে পারে আলুর রস৷ একটি পাত্রে আলুর রস নিয়ে তা পিঠে ভালভাবে লাগান৷ দেখবেন ত্বক উজ্জ্বল হবে৷ কপালের কালোভাব দূর করতে এই ঘরোয়া পদ্ধতির প্রয়োগ করুন মধু এবং কেশর একটি পাত্রে বেসন নিন। তাতে আধা চামচ হলুদ গুঁড়ো মেশান। এই পাউডারে কয়েকটি কেশর দিন, তারপরে এতে মধু মেশান। সবশেষে দুধ দিয়ে ভালভাবে পেস্ট তৈরি করুন। এরপরে, এই মিশ্রণটি পিঠে লাগান। পাঁচ মিনিট পিঠে স্ক্রাব করুন, তারপরে ধুয়ে ফেলুন। মসুর ডাল, দই ও লেবু পিঠের কালো দাগ দূর করতে মুসুর ডাল বাটার সঙ্গে ২ চামচ দই ও পরিমাণমতো লেবুর রস মিশিয়ে লাগাতে পারেন। সপ্তাহে দু’দিন করলেই পিঠের কালো দাগ দূর হবে! এর জন্য, সারারাত মসুর ডাল ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ভালো করে পিষে নিন। এরপর এতে দই ও লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পিঠে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন। বেসন এবং দই বেসন এবং দইয়ের স্ক্রাবও ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ বেসন, দই, অল্প হলুদ, এবং বাদামের গুঁড়ো নিন। এই সমস্ত উপকরণ ভালভাবে মিশ্রিত করে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর এই পেস্টটি পিঠে লাগান।

Source link

DIY Natural Body Wash : উজ্জ্বল ও কোমল ত্বকের জন্য বাড়িতেই তৈরি করুন বডিওয়াশ, দেখুন বানানোর পদ্ধতি


লেমনগ্রাস বডিওয়াশ লেমনগ্রাস আমাদের ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। এটি আমাদের ত্বককে সতেজ রাখে। আর, চিনি ত্বকে জমে থাকা ধূলিকণা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। বডি ওয়াশ বানাতে প্রথমে আধ কাপ কাস্টাইল সাবান নিন, তাতে ২-৩ কাপ জল ঢালুন। তারপরে ২ চামচ বাদাম তেল, ১ চামচ গ্লিসারিন এবং ১০-১২ ফোঁটা লেমনগ্রাস তেল দিন। এর পরে বোতলটি বন্ধ করে মিশ্রণটি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে করে আপনি ন্যাচারাল বডিওয়াশ পাবেন। শিয়া বাটার বডি ওয়াশ শুষ্ক ত্বকের জন্য শিয়া বাটার বডি ওয়াশ উপযুক্ত। এই বডি ওয়াশ ত্বককে নরম করে তোলে। এটি তৈরি করতে প্রথমে একটি পাত্রে ২ কাপ জল গরম করুন। এতে পরিমাণমতো শিয়া বাটার, দুই চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং দুই চামচ জোজোবা বা অলিভ অয়েল দিন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে এটি একটি বোতলে ভরে রাখুন। ল্যাভেন্ডার বডি ওয়াশ ল্যাভেন্ডার ত্বককে ঠান্ডা করতে খুব উপকারি, পাশাপাশি এটি ত্বকের দাগ দূর করতেও সহায়তা করে। এই বডি ওয়াশটি তৈরি করতে, প্রথমে গরম জলে বার্লি ময়দা দিন। এর পরে তা ছেঁকে নিন। তারপরে এই জলে এক চামচ ভিটামিন ই তেল, ২ চামচ অ্যাভোকাডো তেল, আধ চামচ কাস্টাইল সাবান এবং কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল দিন। এবার এই মিশ্রণটি ভাল করে মিশিয়ে নিন।

Source link

Durga Puja Special Skin Care Tips : দুর্গাপুজো স্পেশাল : পুজোর আগে ত্বকের যত্নে এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন


১) হলুদ, মধু ও দুধের ফেস প্যাক ত্বককে হাইড্রেট রাখতে মধুর বিকল্প হয় না, আর হলুদে থাকা অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল উপাদান ব্রণ, পিম্পলসহ ত্বকের নানান সমস্যা দূর করে। দুধ আমাদের ত্বককে কোমল রাখে। ক) হাফ চামচ গুঁড়ো হলুদ, এক চামচ মধু এবং পরিমাণমতো কাঁচা দুধ ভালভাবে মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। খ) প্রথমে ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে এই প্যাকটি ভালভাবে গোটা মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ২) বেসন ও টক দই-এর ফেস প্যাক এই প্যাক তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। বেসন ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নেয় এবং দই ভিতর থেকে ত্বককে পরিষ্কার করে। ক) ২ টেবিল চামচ বেসন এবং ১ টেবিল চামচ দই ভালভাবে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। খ) এরপর ফেস প্যাকটি মুখে লাগিয়ে নিন। গ) শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ৩) টক দই, হলুদ এবং টমেটোর ফেস প্যাক ত্বকের সানবার্ন দূর করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে এই ফেসপ্যাক ভীষণ কার্যকরী। ক) একটি পাত্রে হাফ টেবিল চামচ গুঁড়ো হলুদ, ১ টেবিল চামচ টক দই এবং ১ টেবিল চামচ টমেটো পিউরি নিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট বানান। খ) এরপর এটি আপনার ত্বকে ভালভাবে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই পুজোয় মেকআপ ছাড়াই নিজের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলুন! রইল কিছু টিপস ৪) গোলাপ জল ও চন্দন পাউডারের ফেসপ্যাক চন্দন অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল গুণ সমৃদ্ধ। এটি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে ত্বককে সুন্দর রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী।আর, গোলাপ জলও ত্বকের জন্য খুব উপকারি। ক) ২ টেবিল চামচ চন্দন পাউডার এবং পরিমাণমতো গোলাপ জল নিন। খ) এই দুটো উপাদান ভাল করে মিশিয়ে মুখে লাগান। গ) শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ৫) মুলতানি মাটি ও গোলাপ জলের ফেসপ্যাক এই প্যাক তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই কার্যকরী। মুলতানি মাটি ও গোলাপ জল ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারি। ক) মুলতানি মাটি ও গোলাপ জল একসঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। খ) এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।

Source link