Tag Archives: skincare routine

অভিনেত্রীদের মতো উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন কিউই ফেস মাস্ক, দেখুন তৈরির পদ্ধতি | Use These Diy Kiwi Face Mask For Glowing Skin


রিঙ্কেল কমায় বিশেষত প্রত্যেক নারীই চায় যে তাকে যেন সর্বদা ইয়ং এবং সুন্দর দেখায়। এক্ষেত্রে কিউই ব্যবহার করে মুখের রিঙ্কেলস কমাতে পারেন। কিউইতে ভিটামিন সি রয়েছে যা আমাদের ত্বকের কোলাজেন তৈরি করতে সহায়তা করে। যার ফলে আমাদের ত্বক ইয়ং দেখায়। পিম্পল দূর করে কিউই যে ত্বকের জন্য খুবই উপকারি তা আমরা এতক্ষণে সবাই বুঝেই গিয়েছি। কিউই ব্যবহার করে আপনি পিম্পল থেকে মুক্তি পেতে পারেন। কিউইতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে, যা মুখের পিম্পল এবং ব্রণ দূর করতে সহায়তা করে। তাই আপনি যদি পিম্পল বা ব্রণর সমস্যা ভুগছেন তবে কিউই ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক ভাল রাখে প্রখর রোদে বেরোলে ত্বকে নানান সমস্যা দেখা দেয়। কিউইতে ভিটামিন-ই রয়েছে, যা ত্বকের যত্ন নিতে পারে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কিউই ফেস প্যাক যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা লেবুর সঙ্গে কিউই মিশিয়ে ফেস প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের দাগ কমায় এবং ত্বক উজ্জ্বল দেখায়। এক চামচ কিউই পাল্প এবং ১ চামচ লেবুর রস নিন। দুটো ভাল করে মিশিয়ে নিন পেস্ট তৈরি করে ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে তারপর মুখ ধুয়ে ফেলুন। মুখে ব্রণ নিয়ে চিন্তিত? গাজরের জুসেই হবে সমস্যার সমাধান! শুষ্ক ত্বকের জন্য কিউই এবং কলার ফেস প্যাক কিউই, কলা এবং দই-এর ফেস প্যাক শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। কিউই পাল্প, কলার পেস্ট এবং এক চামচ দই একটি পাত্রে ভালভাবে মেশান। তারপর এটি মুখে লাগান। ফেস প্যাকটি শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কিউই ও বেসনের ফেস প্যাক ফ্রেশ এবং উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কিউই এবং বেসনের ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ফেস প্যাক তৈরির জন্য একটি পাত্রে বাদামের পেস্ট, বেসন এবং কিউই পাল্প নিয়ে সেগুলি ভাল করে মেশান। এরপর মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

Source link

mustard oil for skin lightening :উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন সরিষার তেলের ফেস প্যাক


সরিষার তেলের ফেস প্যাক বানানোর পদ্ধতি সরিষার তেলের ফেস প্যাক বানানোর জন্য ২ চামচ সরিষার তেল, ১ চামচ বেসন, ১ চামচ দই এবং আধা চামচ লেবুর রস নিন। একটি বাটিতে সরিষার তেল, দই, বেসন এবং লেবুর রস একসঙ্গে ভালভাবে মিশ্রিত করে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এরপর মুখে লাগিয়ে কুড়ি মিনিট রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এরপর অবশ্যই মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগান। ট্যান দূর করতে সহায়তা করে সূর্যের প্রখর তাপ থেকে বাঁচতে আমরা প্রত্যেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করি। তবে, প্রতিদিন রোদ বেরোতে বেরোতে অনেক সময় ত্বকে ট্যান পড়ে যায়। তাই, এই ফেস প্যাক প্রয়োগ করলে ত্বকের ট্যান কমে যায়। এই ফেস প্যাকের একটি উপাদান হল লেবু। আর লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে যা ত্বকের ট্যান দূর করতে খুবই সহায়ক। রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করেন? দেখে নিন এর স্বাস্থ্যকর সুবিধাগুলি উজ্জ্বল ত্বকের জন্য সহায়ক সরিষার তেলের ফেস প্যাক সরিষার তেল লাগালে ত্বকের ডার্ক স্পট কমার পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল হয়। রাতে শোওয়ার সময় সরিষা এবং নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। ফাটা ঠোঁটের জন্য সরিষার তেল ব্যবহার করুন শীত আসছে, এই মরসুমে ঠোঁট শুকোতে শুরু করে। লিপ বাম বা পেট্রোলিয়াম জেলি প্রয়োগ করলে ঠোঁট এক থেকে দুই ঘণ্টা নরম থাকে, কিন্তু তারপর আবার একই সমস্যা দেখা দেয়। রাতে ঘুমানোর সময় যদি আপনি আপনার নাভিতে সরিষা তেলের কয়েক ফোঁটা দেন, তাহলে ঠোঁট ফাটার সমস্যা দূর হবে।

Source link

Skin Care Tips in Bengali: How To Take Care Of Your Skin After Excessive Use Of Mask – সব সময় মাস্ক পরে ত্বকের বারোটা বাজছে? যত্ন নেবেন যে ভাবে…

হাইলাইটসবাড়ি ফিরে মাস্ক খুলে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করুন। তারপর ময়শ্চারাইজার লাগান।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পাবলিক প্লেসে মাস্ক পরাটা এখন বাধ্যতামূলক। যাদের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বেরোতেই হচ্ছে, তাঁদের দিনের একটা বড় সময় মাস্ক পরে কাটছে। আর এই ভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা টানা মাস্ক পরে থেকে আমাদের ত্বকের কিন্তু যথেষ্ট ক্ষতি হচ্ছে। মাস্ক পরে থেকে ঘেমে যাওয়া এবং শ্বাসকষ্ট তো আছেই, তার সঙ্গে মুখে দেখা দিচ্ছে মাস্কনের। ভাবছেন এটা আবার কী? করোনা পরবর্তী অধ্যায়ে এটা একটা নতুন টার্ম। মাস্ক পরে থাকার কারণে মুখে যে অ্যাকনের সৃষ্টি হচ্ছে, তাকেই বলা হচ্ছে মাস্কনে। দিনের একটা বড় সময় মাস্ক পরে থাকায় ত্বকে যথেষ্ট অক্সিজেন পৌছচ্ছে না, কোষ বন্ধ হয়ে গিয়ে সেখানে ব্যাকটিরিয়ার জন্ম হচ্ছে এবং নানারকম ত্বকের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কিন্তু মাস্ক পরা তো বন্ধ করতে পারবেন না। তাহলে উপায়? তাই ত্বকের একটু অতিরিক্ত যত্ন নেওয়া জরুরি, যাকে মাস্ক পরে থেকেও আমাদের ত্বক হাফিয়ে না ওঠে। হাজার চেষ্টা করেও ভুঁড়ি কমছে না! কেন জানেন? * মুখ অবশ্যই প্রতিদিন অন্তত দু-বার ভালো কোনও ক্লিনজার দিয়ে পরিষ্কার করুন। তারপর ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। বাড়ি ফিরে মাস্ক খুলে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করুন। তারপর ময়শ্চারাইজার লাগান। শুষ্ক ত্বক যাঁদের, তাঁরা ক্রিমি ময়শ্চারাইজার লাগান, স্বাভাবিক ত্বক যাঁদের, তাঁরা লাগান লোশন ময়শ্চারাইজার এবং তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা লাগান জেল ময়শ্চারাইজার। * মাস্কে মুখের অনেকটাই ঢাকা বলে বাড়ি থেকে বেরনোর আগে সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না। মিনারেল বেসের সানস্ক্রিন বেছে নিন। এই সানস্ক্রিনগুলিতে টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড বা জিং অক্সাইড থাকে, যা আপনার ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করবে। * দীর্ঘসময় মাস্ক পরে থাকলে আপনার ঠোঁট শুকিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে মাস্কে ঢাকা থাকে বলে ঠোঁটে লিপবাম লাগানোর প্রয়োজনীয়তা আমরা অনেকেই এখন আর বোধ করি না। তাই মাঝে মাঝে ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিন। রাতে শোওয়ার আগেও ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান। এতে ঠোঁট নরম থাকবে। দ্রুত ওজন ঝরাতে চান? তামার পাত্রে জল খান! তাহলেই কেল্লা ফতে… * হেভি মেকআপ করে তার ওপর মাস্ক পরলে ত্বকের সমস্যা বাড়তে পারে। কারণ একেই মেকআপে ত্বকের কোষ আটকে যায়, তারওপর মাস্ক পরা অবস্থায় সমস্যা জটিল আকার নিতে পারে। তাই শুধু মেকআপ করতে পারেন। ফেস মেকআপ এই সময় এড়িয়ে চলুন। * যারা বেশি সময় মাস্ক পরে থাকেন, খুব বেশি স্ক্রাবিং করবে না। এতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। অল্প এক্সফোলিয়েটর নিয়ে স্পপ্তাহে একদিন মুখে স্ক্রাব করে নিন। * ত্বকের সমস্যা এড়াতে সঠিক মাস্ক বেছে নেওয়াও খুব জরুরি। বাজারে নানা রকম ফ্যাশনেবল মাস্ক পাওয়া যায়। ত্বক বিশেষজ্ঞরা কিন্তু সুতির তৈরি মাস্ক ব্যবহারের ওপরেই জোর দিচ্ছেন। নাইলন বা পলিয়েস্টারে তৈরি মাস্ক এড়িয়ে চলুন। মাস্ক যেন মুখে ভালো ভাবে ফিট করে এবং প্রতিবার ব্যবহারের পর মাস্ক ভালো করে ধুয়ে নিন। উষ্ণ জল এবং হালকা ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে মাস্ক পরিষ্কার করুন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

DIY Face Serum for Glowing skin: উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে ফেস সিরাম তৈরি করবেন ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ২ টেবিল চামচ গোলাপ জল ২টো ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একটি বাটিতে অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপজল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে সিরামটি ভরে রাখুন। ফেস সিরাম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এই ঘরোয়া সিরামটি মুখে দু’বার প্রয়োগ করতে পারেন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরে এটি মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিন এবং ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘরোয়া সিরামের উপকারিতা অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জল দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, যার কারণে ত্বকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। তাই, আপনি অনায়াসে এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ফেস সিরামে গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ব্যবহার করা হয়, যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়। গোলাপ জলের উপকারিতা গোলাপ জলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ, পিম্পল দূর করে। ফেসিয়াল ক্লিনজারের মতো গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল ত্বকের পিএইচ স্বাভাবিক রাখতেও সহায়ক। ভিটামিন-ই এর উপকারিতা ভিটামিন-ই ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ব্যবহারে মুখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। অ্যালোভেরার উপকারিতা ময়েশ্চারাইজারের মতো করে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা জেল ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহৃত হয়। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।

Source link

DIY Face Serum for Glowing skin: উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে ফেস সিরাম তৈরি করবেন ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ২ টেবিল চামচ গোলাপ জল ২টো ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একটি বাটিতে অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপজল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে সিরামটি ভরে রাখুন। ফেস সিরাম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এই ঘরোয়া সিরামটি মুখে দু’বার প্রয়োগ করতে পারেন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরে এটি মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিন এবং ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘরোয়া সিরামের উপকারিতা অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জল দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, যার কারণে ত্বকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। তাই, আপনি অনায়াসে এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ফেস সিরামে গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ব্যবহার করা হয়, যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়। গোলাপ জলের উপকারিতা গোলাপ জলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ, পিম্পল দূর করে। ফেসিয়াল ক্লিনজারের মতো গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল ত্বকের পিএইচ স্বাভাবিক রাখতেও সহায়ক। ভিটামিন-ই এর উপকারিতা ভিটামিন-ই ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ব্যবহারে মুখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। অ্যালোভেরার উপকারিতা ময়েশ্চারাইজারের মতো করে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা জেল ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহৃত হয়। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।

Source link

DIY Face Serum for Glowing skin: উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে ফেস সিরাম তৈরি করবেন ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ২ টেবিল চামচ গোলাপ জল ২টো ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একটি বাটিতে অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপজল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে সিরামটি ভরে রাখুন। ফেস সিরাম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এই ঘরোয়া সিরামটি মুখে দু’বার প্রয়োগ করতে পারেন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরে এটি মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিন এবং ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘরোয়া সিরামের উপকারিতা অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জল দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, যার কারণে ত্বকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। তাই, আপনি অনায়াসে এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ফেস সিরামে গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ব্যবহার করা হয়, যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়। গোলাপ জলের উপকারিতা গোলাপ জলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ, পিম্পল দূর করে। ফেসিয়াল ক্লিনজারের মতো গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল ত্বকের পিএইচ স্বাভাবিক রাখতেও সহায়ক। ভিটামিন-ই এর উপকারিতা ভিটামিন-ই ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ব্যবহারে মুখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। অ্যালোভেরার উপকারিতা ময়েশ্চারাইজারের মতো করে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা জেল ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহৃত হয়। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।

Source link

mustard oil for skin lightening :উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করুন সরিষার তেলের ফেস প্যাক


সরিষার তেলের ফেস প্যাক বানানোর পদ্ধতি সরিষার তেলের ফেস প্যাক বানানোর জন্য ২ চামচ সরিষার তেল, ১ চামচ বেসন, ১ চামচ দই এবং আধা চামচ লেবুর রস নিন। একটি বাটিতে সরিষার তেল, দই, বেসন এবং লেবুর রস একসঙ্গে ভালভাবে মিশ্রিত করে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এরপর মুখে লাগিয়ে কুড়ি মিনিট রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এরপর অবশ্যই মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগান। ট্যান দূর করতে সহায়তা করে সূর্যের প্রখর তাপ থেকে বাঁচতে আমরা প্রত্যেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করি। তবে, প্রতিদিন রোদ বেরোতে বেরোতে অনেক সময় ত্বকে ট্যান পড়ে যায়। তাই, এই ফেস প্যাক প্রয়োগ করলে ত্বকের ট্যান কমে যায়। এই ফেস প্যাকের একটি উপাদান হল লেবু। আর লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে যা ত্বকের ট্যান দূর করতে খুবই সহায়ক। রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করেন? দেখে নিন এর স্বাস্থ্যকর সুবিধাগুলি উজ্জ্বল ত্বকের জন্য সহায়ক সরিষার তেলের ফেস প্যাক সরিষার তেল লাগালে ত্বকের ডার্ক স্পট কমার পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল হয়। রাতে শোওয়ার সময় সরিষা এবং নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। ফাটা ঠোঁটের জন্য সরিষার তেল ব্যবহার করুন শীত আসছে, এই মরসুমে ঠোঁট শুকোতে শুরু করে। লিপ বাম বা পেট্রোলিয়াম জেলি প্রয়োগ করলে ঠোঁট এক থেকে দুই ঘণ্টা নরম থাকে, কিন্তু তারপর আবার একই সমস্যা দেখা দেয়। রাতে ঘুমানোর সময় যদি আপনি আপনার নাভিতে সরিষা তেলের কয়েক ফোঁটা দেন, তাহলে ঠোঁট ফাটার সমস্যা দূর হবে।

Source link

DIY Face Serum for Glowing skin: উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে ফেস সিরাম তৈরি করবেন ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ২ টেবিল চামচ গোলাপ জল ২টো ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একটি বাটিতে অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপজল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে সিরামটি ভরে রাখুন। ফেস সিরাম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এই ঘরোয়া সিরামটি মুখে দু’বার প্রয়োগ করতে পারেন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরে এটি মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিন এবং ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘরোয়া সিরামের উপকারিতা অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জল দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, যার কারণে ত্বকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। তাই, আপনি অনায়াসে এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ফেস সিরামে গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ব্যবহার করা হয়, যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়। গোলাপ জলের উপকারিতা গোলাপ জলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ, পিম্পল দূর করে। ফেসিয়াল ক্লিনজারের মতো গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল ত্বকের পিএইচ স্বাভাবিক রাখতেও সহায়ক। ভিটামিন-ই এর উপকারিতা ভিটামিন-ই ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ব্যবহারে মুখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। অ্যালোভেরার উপকারিতা ময়েশ্চারাইজারের মতো করে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা জেল ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহৃত হয়। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।

Source link

DIY Face Serum for Glowing skin: উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে ফেস সিরাম তৈরি করবেন ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ২ টেবিল চামচ গোলাপ জল ২টো ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একটি বাটিতে অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপজল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে সিরামটি ভরে রাখুন। ফেস সিরাম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এই ঘরোয়া সিরামটি মুখে দু’বার প্রয়োগ করতে পারেন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরে এটি মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিন এবং ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘরোয়া সিরামের উপকারিতা অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জল দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, যার কারণে ত্বকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। তাই, আপনি অনায়াসে এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ফেস সিরামে গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ব্যবহার করা হয়, যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়। গোলাপ জলের উপকারিতা গোলাপ জলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ, পিম্পল দূর করে। ফেসিয়াল ক্লিনজারের মতো গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল ত্বকের পিএইচ স্বাভাবিক রাখতেও সহায়ক। ভিটামিন-ই এর উপকারিতা ভিটামিন-ই ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ব্যবহারে মুখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। অ্যালোভেরার উপকারিতা ময়েশ্চারাইজারের মতো করে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা জেল ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহৃত হয়। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।

Source link

DIY Face Serum for Glowing skin: উজ্বল ত্বক পেতে বাড়িতে তৈরি ফেস সিরাম ব্যবহার করুন, রইল তৈরির পদ্ধতি


কীভাবে ফেস সিরাম তৈরি করবেন ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ২ টেবিল চামচ গোলাপ জল ২টো ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একটি বাটিতে অ্যালোভেরা জেল এবং গোলাপজল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল দিন। সবকটি উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে একটি বোতলে সিরামটি ভরে রাখুন। ফেস সিরাম ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এই ঘরোয়া সিরামটি মুখে দু’বার প্রয়োগ করতে পারেন। মুখ ভাল করে ধুয়ে নেওয়ার পরে এটি মুখে ভাল করে লাগিয়ে নিন এবং ম্যাসাজ করুন। ১৫ মিনিট পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘরোয়া সিরামের উপকারিতা অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জল দিয়ে সিরাম তৈরি করা হয়, যার কারণে ত্বকে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না। তাই, আপনি অনায়াসে এই সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। ফেস সিরামে গোলাপ জল, অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ব্যবহার করা হয়, যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়। গোলাপ জলের উপকারিতা গোলাপ জলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রয়েছে, যা ত্বকের ব্রণ, পিম্পল দূর করে। ফেসিয়াল ক্লিনজারের মতো গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। গোলাপজল ত্বকের পিএইচ স্বাভাবিক রাখতেও সহায়ক। ভিটামিন-ই এর উপকারিতা ভিটামিন-ই ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ব্যবহারে মুখ উজ্জ্বল ও পরিষ্কার হয়। অ্যালোভেরার উপকারিতা ময়েশ্চারাইজারের মতো করে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়। অ্যালোভেরা জেল ডার্ক সার্কেল কমাতে ব্যবহৃত হয়। অ্যালোভেরা জেল ত্বককে পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করে।

Source link