Tag Archives: turning 30 quotes for a woman

Happy Women’s Day: Women’s Day: ক্লাব থার্টিতে প্রবেশ! এই ১০ ইচ্ছার মধ্যে আপনি কতগুলো পূরণ করেছেন? – every woman should do these 10 things before age of 30

‘দেহের বয়স বাড়ছে বাড়ুক, মনের বয়স বাড়তে দিয়ো না’- গুনে গুনে ২৯ খানা বসন্ত পেরিয়ে এবার ৩০-এ পা। স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, ক্যাম্পাসিং পেরিয়ে কর্ম জীবনের সেই প্রথম কয়েক মাস- কীভাবে যেন বদলে গেল সবকিছু। যে মেয়েটা একদিন বন্ধুদের সঙ্গে হইহই করতে করতে দরাদরি করে কেনাকাটা করত ফুটপাথ থেকে, সেই এখন অনেক বেশি কম্ফর্টেবল অনলাইন শপিংয়ে। যে মেয়েটা আগে আধঘন্টার পথ হেঁটে যেত ১০টাকা অটোভাড়া বাঁচাতে, সেই মেয়েটার ভরসা এখন অ্যাপ ক্যাব। বছর কুড়ি আগে পুল পার্টি, সোলো ট্রিপ, পছন্দের রেস্তোরাঁয় বার্থ ডে সেলিব্রেশন—এসব শুধুই ছিল স্বপ্ন। আর এখন ২৯ এর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে প্ল্যান হয় ৩০-এর জার্নি কীভাবে সেলিব্রেট করা হবে, তাই নিয়ে। শারীরিক, মানসিক, সামাজিক এই নানা পরিবর্তন আসে ৩০ বছর বয়সে। ঠিক, ভুল নিয়েই তো আমাদের জীবন। সেখানে ভালো-খারাপ নানা রকম অভিজ্ঞতা হয়। এই লড়াই- ঠোক্করের দ্বন্দ্ব থেকে জিতে আসার নামই হল জীবন। তা ৩০-এর ক্লাবে ঢোকার আগে এই ইচ্ছেপূরণ হয়েছে তো? না হলে আরও একবার চেকলিস্টে নজর বুলিয়ে নিন। আরামদায়ক স্নিকার্সকলেজ, ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন যে সব স্নিকার্স পছন্দ হলেও নিতে পারেননি, এবার কিন্তু তা কিনে ফেলতেই পারেন। কারণ নিজের জন্য পছন্দের জুতো কেনার ক্ষমতা বা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দুটোই আপনার হাতে রয়েছে। আর তাই এবার সাত-পাঁচ না ভেবে কিনেই ফেলুন। পছন্দের সুগন্ধীকে কেমন পারফিউম পছন্দ করেন, তা দিয়ে কিন্তু মানুষ চেনা যায়। জানা যায় ব্যক্তিত্ব। হাতখরচা বাঁচিয়ে আগে একটা পারফিউম কিনতেন, কিন্তু এখন পছন্দের সুগন্ধী কিনতে অত শত ভাবতে হয় না। এক একজনের গন্ধবিচার এক একরকম। সুগন্ধীতে এবার ট্রেডমার্ক বসানোর পালা আপনারও। চা-কফি প্রেমভালো চা কিংবা ফিল্টার কফির প্রতি ঝোঁক বহুদিনের। চায়ের স্বাদ ঠিক করার পালা এবার আপনার। আর্ল গ্রে নাকি দার্জিলিং টি- আপনার ‘cup of tea’-কে হবে তা বাছাই করুন নিজেই। বেডরুম জুড়ে থাকুক আয়নাকে বলেছে ‘মেয়েরা ৩০-এ বুড়ি’? ওসব ভুলে যান, বরং দিন দিন যে আপনার গ্ল্যামার বাড়ছে আর বয়স কমছে তা নিজেই চাক্ষুষ করুন। আর তাই দেওয়াল জুড়ে থাকুক আয়না। নিজের প্রতি মুহূর্তের সাজ, নিজেকে দেখুন আয়নায়।ভয় দূর করুন৩০-এ পৌঁছে গিয়েছেন, কাজেই জীবনে আর নয় কোনও ভয়। লোকে কী বলবে, কে কী ভাববে এসব তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিন। বরং বাঁচুন নিজের শর্তে। নিজেকে ভালোবাসুন। আর সাহসের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারাটাও কিন্তু খুব জরুরি। গাড়ির চাবি থাক হাতেরাস্তা দিয়ে যখন পছন্দের লাল গাড়িটা ছুটে যেতে দেখতেন তখন আপনারও মনে মনে সাধ হত সেই গাড়ির সওয়ারি হওয়ার। কিন্তু কেমন হয়, যদি স্টিয়ারিংটাই থাকে আপনার হাতে? তাই ৩০ এর ক্লাবে ঢোকার আগেই শুরু করুন ড্রাইভিং শেখা। ফাঁকা হাইওয়েতে দ্রুতগতিতে ছুটবে আপনার স্বপ্নের গাড়ি।অবশ্যই একটা প্রেম করুনকাজের চাপ, জীবনে উন্নতি, প্রত্যাশা এসব তো থাকবে চিরদিনই। তাই বলে মনের মানুষ খুঁজবেন না? ‘পাশে আছি’- বলার মতো একটা মানুষ জীবনে খুব জরুরি। যিনি আপনার হাত শক্ত করে ধরে রাখবেন। আপনাকে সুপরামর্শ দেবেন। জীবনের নানা ওঠা পড়ার সাক্ষী থাকবেন সেই মানুষটি। সুতরাং, প্রেমে পড়াটাও কিন্তু জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। থাকুক অ্যাডভেঞ্চারবাড়িতে সমস্যা, বন্ধুর সঙ্গে ঝামেলা, অফিসে কাজের চাপ- এসব থাকবে সারাজীবন। তাই বলে অ্যাডভেঞ্চার যেন মিস না হয়। এই নিয়ম ভাঙার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে অদ্ভুত একটা আনন্দ। জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়া তখনই সহজ হয়, যখন এরকম বেশ কিছু অ্যাডভেঞ্চারের সাক্ষী থাকবেন আপনি। ‘নিষিদ্ধ’ শব্দটির মধ্যে দারুণ একটা মজা লুকিয়ে থাকে। আর তাই চুটিয়ে উপভোগ করুন অ্যাডভেঞ্চার পর্ব। বদলে ফেলুন হেয়ারস্টাইলচুল ছোট করে কাটার কিংবা রং করার শখ ছিল বহুদিনের। এবার আর বিষয়টা ভাবনার স্তরে না রেখে করেই ফেলুন। বড় চুল থাকছে একবার ছোট করে কেটেই দেখুন, কেমন লাগে। স্ট্রেটনিং, স্মুথনিং যেরকম ইচ্ছে তাই করুন। আর রং? তাও করেই ফেলুন। ফিডব্যাক নিয়ে অতশত মাথা ঘামাবেন না। বরং চুটিয়ে উপভোগ করুন ৩০। নতুন কিছু শিখুনশেখার কোনও শেষ নেই। আর তাই ৩০ এ পা দেওয়ার আগে লিস্টে যা যা বাকি রয়েছে সবকটায় এবার টিক মার্ক দিন। গিটার শিখতে চান? সাঁতারের স্কুলে ভর্তি হতে চান? নতুন কোনও ভাষা শিখতে চান? মেকআপ কোর্স কিংবা বেকিং ক্লাস? প্রশ্নচিহ্ন মুছে ফেলে যা মন চায় তাই করুন। যা ইচ্ছে তাই শিখুন। শুধুমাত্র নিজের জন্য।

Source link