Tag Archives: weight loss drink

weight loss drink: জাদু আছে জুসে, ওজন কমাবে বিট! জানুন কীভাবে… – beetroot juice – a potent weight loss drink that can help lower blood pressure, boost immunity

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একটু ওজন ঝরানোর (weight loss) জন্য কত কসরতই না করতে হয়। সকালে উঠে হাঁটা, তারপর সুযোগ হলে জিম, জীবন থেকে ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট একেবারে বাদ দেওয়া আরও কত কিছু। অনেকেই আবার এই রুটিন একমায় মেনে চললেই হাঁপিয়ে যান। তখন মনে হয়, ফাইবার, মিনারেলস আর ভিটামিন আর কতদিন! এই ঠান্ডার নানা রঙের কত সবজি বাজারে। কিন্তু সুগার হতে পারে এই ভয়ে মাটির নীচের সবজি বাদ দিয়েছেন তালিকা থেকে। অযথা ভয় না পেয়ে নির্ভয়ে খান। বিট-গাজরের জুস বা বিটের সঙ্গে আপেল বেদানার জুস বানিয়ে খান। শরীরের ডিটক্সিফিকেশন হবে। তাতে কমবে ওজন, ত্বকে আসবে ঔজ্বল্য। এছাড়াও এখন বাজারে বিটের জ্যাম পাওয়া যায়। তারমধ্যেও কিন্তু ভিটামিন থাকে। বিট এমন একটা খাবার যা সহজে কেউ পছন্দ করে না। আর ওজন কমানোর বিষয়ে যে এভাবে বিট কাজে আসতে পারে, তা অনেকেরই অজানা।তবে শুধু ওজন কমানোই নয়। নিয়মিত বিট খেলে আরও উপকার পেতে পারেন। বিট খেলে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই রোজ গরম গরম এক বাটি বিটের স্যুপ খেলেই সুস্থ থাকতে পারবেন। এছাড়াও বেশ কিছু রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে এই সবজি। শরীরকে তরতাজা ও শক্তিশালী রাখতে এই খাবারের জুড়ি মেলা ভার। হজমে সাহায্য করতেও সক্ষম বিট। শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেয় বিট। ফলে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর ক্যালরি কম থাকায় পেট ভরানোর জন্য খেতেই পারেন বিটের তরকারি। বিটের জুসচটজলদি ওজন কমাতে কেন বিটের জুস খাবেন তা একবার দেখে নিনবিটের জুসে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল আর ভিটামিন থাকে। এছাড়াও ফাইবার থাকে। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও ১০০ এম এল বিটের জুসে ক্যালোরির পরিমাণ ৩৫। বিটের সঙ্গে গাজর, আপেল, টমেটো এবং বেদানার জুস মিশিয়ে নিন। তাহলে তার পুষ্টিগুণ হবে অনেক বেশি এবং ওজনও ঝরবে তাড়াতাড়ি।যেভাবে বানাবেনবিট-গাজরের জুস বিট ওগাজর ভালো করে কুচিয়ে নিয়ে একবার মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। এবার ওর সঙ্গে আধ কাপ জল, ৫ চামচ লেবুর রস, একচিমটে নুন ও পুদিনা পাতা যোগ করে একগ্লাস খান।বিট-আপেল জুসএকটি আপেলের খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে টুকরো করে নিন। এবার মিক্সিতে আপেল, বিট, গোলমরিচ, নুন দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। উপর থেকে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খান।বিট-বেদানা জুসবিট কুচনো ২ কাপ এবং বেদানা এককাপ নিয়ে ওর সঙ্গে লেবুর রস ও গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার খালি পেটে দুগ্লাস খান।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: Weight loss drink:ওজন কমাতে ১০ দিন শুধু জিরে-আদা জল! কীভাবে বানাবেন জানুন – Weight Loss Drink: This Cumin-Ginger Drink Can Help You Shed Weight

হাইলাইটসচর্বি ঝরাতে ডায়েট অবশ্যই করবেন, সেই সঙ্গে নিয়মিত মর্নিং ওয়াক, ব্যায়াম আবশ্যক। এছাড়াও রান্নাঘরে রাখা এই দুই উপাদানেও খুব তাড়াতাড়ি চর্বি ঝরে। জানতেন কি?এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: কয়েকদিনের ব্যায়াম, ডায়েট এসব সঠিক ভাবে মেনে চললে শরীরের অন্য অংশ থেকে মেদ কমে গেলেও পেটের মেদ ঝরতে কিন্তু বেশ সময় লাগে। কারণ সবচেয়ে পেশি চর্বি জমা হয় এইখানে। আর এই পেটের চর্বির জন্য চিকিৎসকরা দায়ী করছেন আমাদের জীবনযাাকেই। খিদে পেলে খুচখাচ খেয়ে নেওয়া হয়। আর যার ফলেই তাড়াতাড়ি চর্বি জমে যায় পেটে। এখান থেকে আসে হার্টের নানা রোগ। আর অনেকেই আছেন জল তেষ্টা মেটাতে ফলের রস কিংবা কোল্ড ড্রিংক খান। এতেও কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি ওজন বাড়ে। ভাবছেন ব্রেকফাস্ট স্কিপ করলে কিংবা খাওয়া কমিয়ে দিলেই ওজন কমে যাবে? ভুল ভাবছেন। খাওয়া কমিয়ে দিলে পেটে গ্যায় তৈরি হয়। আর সেই গ্যাসেই শরীর আরও ফেঁপে ওঠে। যদি জিম করেও উপযুক্ত খাবার না খান তাহলে কিন্তু পেটে চর্বি জমবেই। আর যাঁরা এক নাগাড়ে বসে কাজ করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও অনেক বেশি। চর্বি ঝরাতে ডায়েট অবশ্যই করবেন, সেই সঙ্গে নিয়মিত মর্নিং ওয়াক, ব্যায়াম আবশ্যক। এছাড়াও রান্নাঘরে রাখা এই দুই উপাদানেও খুব তাড়াতাড়ি চর্বি ঝরে। জানতেন কি? মশলা হিসেবেই জিরে আর আদা ব্যবহার করা হয়। বিশেষত কোনও নিরামিষ রান্না জিরে আর আদা ছাড়া করাই যায় না। এছাড়াও এদের রয়েছে অনেক গুণাগুণ। দেখে নিন সেগুলি কী কী। প্রাচীন কাল থেকেই জিরে ব্যবহার করা হয় প্রাচীন আর্য়ুবেদ শাস্ত্রেই জিরের গুণাগুণ বর্ননা করা আছে। তবে শুধুমাত্র ভারতেই নয়। ইউরোপ, পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলেও রান্নাতে জিরে ব্যবহার করা হত। খ্রিস্টের জন্মের কয়েক হাজার বছর আগে প্রাচীন পারস্য, ব্যাবিলন এবং মিশরীয় সভ্যতায় জিরে খাওয়ার প্রচলন ছিল। এছাড়াও জিরে খুব ভালো হজমে সাহায্য করে। ফলে হজমের প্রক্রিয়া ভালো হয়। লিভার ভালো থাকে। পিত্ত ক্ষরণ বাড়ে। ফলে এই পিত্ত পরিপাকেও সাহায্য করে। এছাড়াও জিরের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন। এছাড়াও যাদের কোলেস্টেরলের সমস্যা রয়েছে তাঁরাও যদি জিরে ভেজানো জল খান তাহলে ক্ষতিকারক ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস জলে এক চামচ জিরে দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে উঠে ছেঁকে ভালো করে ফুটিয়ে পান করুন। টানা দশদিন খেলেই উপকার বুঝবেন। যাঁদের সুগার রয়েছে তাঁদের জন্যও কিন্তু খুব ভালো এই জিরের জল। আদা ওজন কমায় আদার মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সেই সঙ্গে থাকে ভিামিন। যা চুল ও ত্বক ভালো রাখে। এছাড়াও আদা হজমে সাহায্য করে। যাঁদের বাতের ব্যাথা রয়েছে তাঁদের জন্য আদা খুব উপকারী। আদার মধ্যে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা এসব চলে যায়য়। আমরা কথায় বলি আদা-জল খেয়ে লেগে পড়ুন। এই আদার জল কিন্তু ফ্যাট কমাতেও সাহায্য করে। আর জিরে আদা একসঙ্গে চল সেই কাজ আরও ভালো হয়। দেখে নিন কীভাবে বানাবেন জিরে আদার জলআগের রাতে জিরে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ছেঁকে নিয়ে ফুটিয়ে নিন। জল যখন ফুটবে তখন সেই জলে আদার রস দিন। এবার ঘরের তাপমাত্রায় এনে খেয়ে ফেলুন। ফুটন্ত গরম খাবেন না। তাতে লিভারের ক্ষতি হবে। তবে এই পানীয় খাবার আগে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link