Tag Archives: weight loss tips in bengali

weight loss tips in bengali: তেষ্টা মেটাতে নয়, রোগা হতেই এবার দুধ-চা খান! জানুন কীভাবে… – weight loss tips: how you should drink milk tea for weight loss, know the process

যখনই ওজন কমানোর প্রসঙ্গ আসে তখনই চিনি ছাড়া গ্রিন টি এবং লিকার চা খাওয়ার কথা বলা হয়। এছাড়াও নানা হার্বাল টি তো আছেই। তুলসী চা, পুদিনা চা, আদা দেওয়া চা, বেদানার চা…লিখতে বসলে ফুরোবার নয়। কিন্তু সবসময়ই এড়িয়ে চলার কথা বলা হয় দুধ চা। গ্যাস, অম্বল, পেটের সমস্যার উৎস হিসেবে ধরা হয় দুধ চাকে। তবে সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে ঠিক ভাবে দুধ চা খেলেও কিন্তু ওজন কমে। কারণ দুধের মধ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে কীভাবে বানাবেন এই দুধ চা, যেভাবে বানালে ওজনও কমবে আর গ্যাস অম্বল হবে না। দেখে নিন পদ্ধতি। যেভাবে বানাবেনএক কাপ জল১ টিস্পুন কোকো পাউডার১/২ টিস্পুন চা পাতা১/২ ইঞ্চির আদার টুকরো১/২ ইঞ্চি দারচিনি টুকরো১/২ টিস্পুন গুড়২-৩ চামচ দুধসসপ্যানে জল বসান। এবার ওর মধ্যে থেঁতো করা আদা আর দারচিনি ফেলে দিন। দু মিনিট ফুটিয়ে চা পাতা দুধ দিন। সামান্য ফুটলে গুড় আর কোকো পাউডার দিন। এবার মিনিট তিনেক চাপা রেখে ছেঁকে নিয়ে খেয়ে ফেলুন। কেন অন্য চায়ের তুলনায় এই চা ভালোবাড়ির তৈরি চায়ে জলের পরিবর্তে দুধের পরিমাণ থাকে বেশি। আর তাই যখন ওজন কমানো টার্গেটতখন কিছু নিয়ম মানতেই হবে। আর দুধের পরিমাণ কম দিতে হবে। সেই সঙ্গে চিনিও বাদ দিতে হবে। কারণ চিনিতে ক্যালোরির পরিমাণ অনেক বেশি। যে কারণে চিনির পরিবর্তে গুড় ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে কোকো পাউডার, গুড়ের অন্যান্য উপকারিতাও রয়েছে। এই চায়ের উপকারিতাদিনের মধ্যে দুবার অন্তত এই চা খেতেই পারেন। তবে খালি পেটে না খাওয়াই ভালো। আর আদা ও দারচিনির প্রচুর রকম স্বাস্থ্যকর উপকারিতা রয়েছে। এছাড়াও কোকো পাউডারে থাকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস। সেই সঙ্গে ফ্যাট নেই। আর মেটাবলিজম বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।কেন দুধ চাদুধের মধ্যে থাকে ভিটামিন, মিনারেলস। যা শরীরের উপকারী। আর চা বানানোর জন্য খাঁটি দুধ নয়, তৈরি করুন পাতলা দুধে। জল বেশি দিন। এতে দুধ যেমন সহজে হজম হবে তেমনই গ্যাস, অম্বল হবে না। সেই সঙ্গে ওজনও কমবে। সেই সঙ্গে খিদে কমাতেও সাহায্য করে এই চা। গুড়ের ব্যবহারওজন কমাতে চাইলে প্রথমেই চিনি একেবারে বাদ দিন। চিনির ওজন বাড়ানো ছাড়া আর কোনও গুণ নেই। সেই তুলনায় গুড় অনেক ভালো। গুড়ে যেমন খনিজ থাকে তেমনই শরীরে শক্তির যোগানও দেয় এই গুড়। আর পেটের মেদ খুব দ্রুত কমাতে সাহায্য করে গুড়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে আর আপনি যদি চা প্রেমী হন তাহলে এই চা দিনে দুবার খান।

Source link

sweet corn for weight loss: এক সপ্তাহে পেটের মেদ যে ভাবে ঝরবে সুইট কর্নে! জানুন রেসিপি – sweetcorn for weight loss and know how to make healthy corn recipe

স্টার্টার হিসেবে সুইট কর্নের চার্চ কিংবা ক্রিসপি চিলি বেবি কর্ন সবার প্রিয়। এছাড়াও কর্নের স্যুপ থেকে শুরু করে স্যান্ডউইচ কার না খেতে ভালোলাগে! আর এই ছোট্ট মিষ্টি ভুট্টার দানা কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষেও খুব ভালো। হলুদ রঙের মিষ্টি এই ছোট দানা দেখলে লোভ সামলানো দায়। এছাড়াও কর্নে আছে লুটেন, জেক্সানথিন। যা চোখের জন্য খুবই উপকারী। আর ভুট্টাতে আছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন। যা শরীর ভালো রাখে, হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে। ভুট্টা প্রথম আবিষ্কৃত হয় মেক্সিকোতে। কিন্তু তখন ভুট্টা খাওয়ার খুব একটা প্রচলন ছিল না। তবে ওজন কমাতে ভুট্টা খুবই উপকারী। প্রতিদিন ভুট্টা খেলে এক সপ্তাহেই জমবে পেটের ফ্যাট। এছাড়াও জেনে নিন, ভুট্টার আরও কী কী উপকারিতা রয়েছে। সেই সঙ্গে রইল একটি ডায়েট রেসিপিও। রক্তাল্পতা থেকে রক্ষাকর্নের মধ্যে থাকে ভিটামিন বি১২, ফোলিক অ্যাসিড, আয়রন। যা রক্তে লোহিত রক্ত কনিকা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও জটিল কার্বোহাইড্রেট সহজে ভেঙে হজম করিয়ে দেয় কর্ন। আর পুষ্টি তো আছেই। এক কাপ কর্নে ক্যালোরি থাকে ১২৫ ক্যালোরি, কার্বোহাইড্রেট ২৭ গ্রাম, প্রোটিন ৪ গ্রাম, সুগার ৯ গ্রাম, ফ্যাট ২ গ্রাম আর আয়রন ৭৫ মিলিগ্রাম। এনার্জি বাড়ায়যে কোনও খেলোয়াড়দের বলা হয় ব্রেকফাস্টে অবশ্যই কর্ন রাখতে। এছাড়াও যাঁরা বেশি ঘামেন তাঁদেরও কর্ন খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কারণ কর্ন চটজলদি শক্তি দেয় শরীরকে। মস্তিষ্ক ও স্নায়ুকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে কর্ন। সেই সঙ্গে শরীরকে নানা ভাবে সুস্থ রাখে মিষ্টি ভুট্টার দানা। ওজন বাড়াতে চাইলেওজন কমাতে চাইলে যেমন ভুট্টা খুবই ভালো তেমনই ভুট্টায় থাকা স্টার্চ ওজন কমাতেও সাহায্য করে। তবে যাঁরা ওজন বাড়াতে চান তাঁদেরও নিয়মিত ভুট্টা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ফাইবার, ক্যালোরি বেশি পরিমাণে থাকে। আর তাই যাঁরা অপুষ্টিতে ভুগছেন, ওজন বাড়াতে চাইছেন তাঁদের দুবেলা কর্ন খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। রক্তচাপ কম থাকলেসুইট কর্নের মধ্যে থাকে ভিটামিন, খনিজ সহ আরও কিছু পুষ্টিকর উপাদান। এছাড়াও থাকে B1, B5 ইত্যাদি। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধকারী কোশ তৈরিতেও সাহায্য করে সুইট কর্ন। আর তাই যাঁরা ডায়াবিটিসে ভুগছেন, যাঁদের রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তাঁদের সুইট কর্ন খেতে বলা হয়। সেই সঙ্গে ত্বক ভালো রাখা, ফ্যাট কমানো এসবেও সাহায্য করে কর্ন। যেভাবে বানাবেন ডায়েট কর্নসুইট কর্ন- ১০০ গ্রামপেঁয়াজ কুচিক্যাপসিকাম কুচিটমেটো কুচিগোলমরিচ গুঁড়োমাখননুনলেবুর রসকর্ন ভাপিয়ে নিন। এবার নুন, গোলমরিচের গুঁড়ো, মাখন, টমেটো, ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ সব একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। বিকেলের স্ন্যাক্সের জন্য খুবই ভালো। পেটও ভরবে। আর ফ্যাটও নেই।

Source link

weight loss tips in bengali: Morning vs Evening: What’s A Better Time To Exercise To Lose Weight? – সকাল না সন্ধে, কখন ব্যায়াম করলে ওজন কমবে সবচেয়ে বেশি? জানুন… | Eisamay

হাইলাইটসকথায় বলে ‘শরীর ফিট তো আপনি হিট’। আর তাই শরীরটাকে ফিট রাখতে দরকার শরীরচর্চার। সুস্থভাবে বাঁচার জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা করা উচিত। তবে কখন করতে হবে আর কখন করা যাবে না, অনেকেই জানেন না। স্বাস্থ্যের পক্ষে ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করতে পারলে শরীর তো ভালো থাকবেই, সঙ্গে ওজনও কমবে। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় বলে ‘শরীর ফিট তো আপনি হিট’। আর তাই শরীরটাকে ফিট রাখতে দরকার শরীরচর্চার। সুস্থভাবে বাঁচার জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা করা উচিত। তবে কখন করতে হবে আর কখন করা যাবে না, অনেকেই জানেন না। স্বাস্থ্যের পক্ষে ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী। প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করতে পারলে শরীর তো ভালো থাকবেই, সঙ্গে ওজনও কমবে। যারা জিমে যেতে পারেন না বা খুব হেভি ওয়ার্কআউট যাদের পক্ষে করা সম্ভব নয়, শরীর ফিট রাখার জন্য ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী।সন্ধের পরও ব্যায়াম করতে পারেন৷ কিন্তু জার্নাল অফ ফিজিওলজি’র গবেষণা বলছে, এই সময় ব্যায়াম করলে কারও কারও ঘুমের সমস্যা হয়৷ বিশেষ করে ভারী ব্যায়াম করলে৷ তবে বিজ্ঞানীদের মত, যদি ব্যায়াম করার পরেই স্নান করে, খেয়েদেয়ে শুয়ে না পড়েন, বিপদ তত নেই৷ তবে, সকালে ঘুম থেকে উঠেই ব্যায়াম সেরে ফেলতে পারলে সারাদিন ভাবনা থাকে না৷ একটা নিয়ম তৈরি হয়ে যায়৷ দুপুরে–বিকেলে–রাত্রে ব্যায়াম করলে, মাঝে মধ্যেই ছেদ পড়তে পারে যদিও।তা হলে কখন?* প্রথমে ভেবে নিন, দিনের কোন সময় আপনি সবচেয়ে তরতাজা থাকেন৷ কখন সময় পাবেন, সেটাও ঠিক করে নিন।* সময় নিয়ে টানাটানি না থাকলে, বিভিন্ন সময়ে ব্যায়াম করে দেখে নিন, কোন রুটিন মেনে চললে আপনি সবচেয়ে বেশি তরতাজা থাকছেন৷* সকালে ঘুম থেকে উঠেই ব্যায়াম করা যেতে পারে। দীর্ঘ সময় ঘুমের পর সকালে ব্যায়াম সারা দিন ফুরফুরে রাখতে পারে। এ ছাড়া সন্ধ্যার আগে বিকেলটাও ব্যায়াম করার জন্য উপযুক্ত সময়। যেহেতু ব্যায়াম করলে শরীরের ঘাম ঝরে, তাই নরম আবহাওয়াতেই ব্যায়াম করা ভালো।* দুপুরবেলা বা বেশি গরমে ব্যায়াম করলে সহজেই ক্লান্ত মনে হতে পারে। তাই এ সময়ে ব্যায়াম না করাই ভালো। অনেকে ব্যস্ততার জন্য সারা দিন সময় করে উঠতে পারেন না, তাঁরা রাতে ব্যায়াম করেন। এতে কোনো সমস্যা নেই।স্নানের সময়ই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি! কী কারণ? জানুন বিশেষজ্ঞ মত…* যাঁদের সারা দিন ঘরেই কাটাতে হয়, তাঁরা চাইলে যেকোনোও সময় ব্যায়াম করতে পারেন। ব্যায়ামের সময় অনেক বেশি খাবার খাওয়া ঠিক নয়। হালকা খাবার যেমন, একটা কলা বা বিস্কুট খেয়ে ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া যাবে।* সকালে ব্যায়াম করতে গিয়ে অনেকে ব্যায়াম শেষে ভরপেট খেয়ে বাড়ি ফেরেন। এতে ব্যায়ামের কোনো উপকারিতা থাকে না।* যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাঁরা বেশি দিনের অবসর কাটালে বা কোথাও ঘুরতে গেলে খাবারের দিকে নজর রাখা উচিত। ঘুরতে গিয়ে বেশি দিন থাকার পরিকল্পনা করলে সুযোগ থাকলে টুকটাক ব্যায়াম করা যেতে পারে।হালকা গরম দুধের সঙ্গে একটু মিছরি, সাত দিন খেয়ে দেখুন! উপকার মিলবে…* ব্যায়াম করার আগে বা পরপরই বেশি পরিমাণে জল পান করা ঠিক নয়। ব্যায়ামের পর একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপর জল খেতে পারেন।ব্যায়ামের আদর্শ সময় বলে কিছু হয় না৷ যখন সময় বার করতে পারবেন, আপনার শরীর, পেশি সবচেয়ে বেশি সাড়া দেবে ও আপনার কাজে ব্যাঘাত আসবে না— সেটাই আপনার সময়৷ তাতেই অভ্যাস হয়ে যাবে৷ ভালো ফল পাবেন৷এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: স্কুল বন্ধ! মোটা হয়ে যাচ্ছে সন্তান? কী করবেন জেনে নিন… – Tips To Help Children Maintain A Healthy Weight | Eisamay

হাইলাইটসসমীক্ষায় দেখা গিয়েছে স্কুল বন্ধ থাকার মধ্যে বাচ্চাদের মধ্যে অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। মনে রাখবেন স্থ‌ূলতা কিন্তু বাচ্চাদের শরীরেও গুরুতর ক্ষতি করতে পারে। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: ছোট বাচ্চা হোক বা বড় মানুষ, স্থ‌ূলতা কারোর জন্যই ভালো নয়। স্থ‌ূলতা যে কোনও বয়সের পক্ষেই ক্ষতিকর। কিন্তু সমস্যা হল আজকালকার ছেলেমেয়েদের মধ্যে অল্প বয়সেও অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ছোট বাচ্চাদের মধ্যে জাংক ফুড খাওয়ার অভ্যেস বেড়ে যাওয়াকেই এর জন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তার ওপরে আজকালকার বাচ্চাদের মধ্যে মাঠে ঘাটে ঘুরে খেলাধুলো করার অভ্যেসও নেই বললেই চলে। তার ওপর করোনা অতিমারীর মধ্যে লকডাউনে ঘরবন্দি শৈশব টিভি আর মোবাইল গেমেই অবসর কাটানোর উপায় খুঁজে নিয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে স্কুল বন্ধ থাকার মধ্যে বাচ্চাদের মধ্যে অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। মনে রাখবেন স্থ‌ূলতা কিন্তু বাচ্চাদের শরীরেও গুরুতর ক্ষতি করতে পারে। শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজন নানা ধরনের মানসিক সমস্যাও ডেকে আনতে পারে। তাই সঠিক ওজন বজায় রাখা বড়দের পাশাপাশি বাচ্চাদের জন্যও অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে স্থ‌ূলতার সমস্যা শহুরে শিশুদের মধ্যেই বেশি দেখা যাচ্ছে। কারণ গ্রামের দিকের ছেলেমেয়েরা এখনও মাঠেঘাটে ঘুরে খেলাধুলো করে থাকে। গ্রামের থেকে শহরেই শিশুদের মধ্যে মোবাইলের প্রতি আসক্তি বেশি দেখা গিয়েছে। আজকের দিনে সন্তানের হাতে দিতেই হয় স্মার্টফোন! তারা নিরাপদে ব্যবহার করছে তো? তবে এই নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ার কিছু নেই। বাচ্চাদের জীবনযাত্রায় সহজ কয়েকটি পরিবর্তন আনলেই বাচ্চাদের সঠিক ওজন বজায় রাখা জরুরি। দেখে নিন বাচ্চাদের সঠিক ওজন বজায় রাখার জন্য কী করবেন আর কী করবেন না। * ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর খাওয়া দাওয়ার অভ্যেস গড়ে তোলা খুবই জরুরি। ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি যদি বাচ্চাদের আকর্ষিত করা যায় তাহলে ওজন বাড়ার সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। বাচ্চাদের বেশি করে সবজি, ফল, দানাশস্য খাওয়াতে উত্‍সাহ দিন। ওদের সামনে আপনারাও এই ধরনের খাবার বেশি করে খান। আপনারা জাংক ফুড খাবেন আর মনে করবেন বাচ্চারা ফল সবজি খাবে, সেটা কিন্তু সম্ভব নয়। খেয়াল রাখবেন ওরা যেন প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খায়। সরাসরি নয়, বাচ্চাদের ‘না’ বলুন ‘হ্যাঁ’-এর মোড়কে* সব সময় ঘরে নয়। বাচ্চাদের বাইরে গিয়ে খেলাধুলো করতে উত্‍সাহ দিন। মাঠে বা পার্কে গিয়ে ওরা যেন ছুটোছুটি করে খেলে। আপনি যোগা করলে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নিন। আপনাকে করতে দেখে খুদেটাও উত্‍সাহ পাবে। বিকেলের দিকে বাচ্চাকে নিয়ে হাঁটতে বেরোন। আর কোথাও সম্ভব না হলে ছাদে গিয়ে বাচ্চার সঙ্গে একটু দৌড়োদৌড়ি করে আসুন। দুজনেরই উপকার হবে। বাচ্চাকে সাইকেল চালানো শিখিয়ে। সাইক্লিং খুব ভালো ব্যায়াম। * বাচ্চা রাতে কতক্ষণ ঘুমোচ্ছে সেদিকে খেয়াল রাখুন। পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমোলেও কিন্তু ওজন বেড়ে যেতে পারে। কারণ সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ঘুম কম হলে এটা ওটা খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। বাচ্চার বয়স অনুযায়ী তার কতক্ষণ ঘুমনো প্রয়োজন নির্ধারিত হবে। * কোনও খাবারকে শুধু ভালো বা খারাপ হিসেবে চিহ্নিত করে দেবেন না। বরং সেই খাবারটা কেন তার জন্য ভালো তা বাচ্চাকে বুঝিয়ে বলুন। কোন খাবারটা খেলে তার কী ক্ষতি হতে পারে সেটাও ব্যাখ্যা করুন। বাচ্চা নিজে বুঝতে শিখলে বাবা-মার কাজ অর্ধেক কমে যায়। * চিপস বা চকোলেটে মতো প্রসেসড খাবার থেকে বাচ্চাকে যতটা সম্ভব দূরে রাখুন। এগুলো কিন্তু ওজন বৃদ্ধির পক্ষে খুবই সহায়ক। তার বদলে বাচ্চাকে বাদাম, ইয়োগার্ট, টাটকা ফল খাওয়ার অভ্যেস করান। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: How And When To Eat Cucumber To Lose Weight – সস্তার এই ফলের হাজার গুণ, উপকার পেতে কখন এবং কীভাবে খাবেন শসা? জানুন… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকালটা ভেজিটেরিয়ানদের জন্য আনন্দের মাস। এ সময়টায় যেন সবজি ভোজের উৎসবে মেতে থাকা। সারা বছরের খেদ মিটিয়ে দিতে এ তিন মাসের একদিনও কার্পণ্য করেন না। শুধু নিরামিষভোজীরাই নয়, আমিষ প্রিয়রাও শাকসবজির দিকে ঝুঁকেন এ সময়। সহজলভ্য শিশিরে ভেজা তাজা শাকসবজিই খাবারের প্রধান প্রসঙ্গ হয়ে ওঠে। অনেকে তো কাঁচাই খেয়ে ফেলেন এসব সবজি। শসা এমনই একটি সবজি যা শীত ও গরমের সব সময়ই পাওয়া যায়। ওজন হ্রাসেও দুর্দান্ত কাজ করে। শসাগুলিতে প্রচুর পরিমাণে জলের পরিমাণ থাকে এবং এতে ভিটামিন সি এবং কে এবং অন্যান্য গুণাবলী সহ প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকে যা ওজন হ্রাসকে সহায়তা করতে পারে। শসাতে অন্তত ৯৫ শতাংশ জল থাকে। শসাতে ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে প্রচুর পরিমাণে যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। চিকিৎসকরা বলেন, শসা মূত্রের পরিমাণ বাড়িয়ে রক্তচাপের পরিমাণও নিয়ন্ত্রণ করে। দেহে টক্সিন দূর করতে শসা ডায়েটে রাখা জরুরি।কীভাবে শসা ওজন কমাতে সহায়তা করতে পারেদিনে দিনে ফুলছেন বলে কি কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ছে? তা হলে সকাল-বিকাল একটু হাঁটহাঁটি করছেন না কেন শুনি! আরে মশাই, হাজার ঝামেলা। সকালে নটার মধ্যে অফিস ছুটতে হয়। তার আগে এক এক জনের এক এক রকমের ব্রেকফাস্ট। তা ছাড়াও রয়েছে ছোট-বড় হাজার রকমের কাজ। এত সব ঝক্কি সামলে প্রতিদিন হাঁটবো কখন বলুন? তাই শনি-রবিবার ছাড়া হাঁটাহাঁটির তেমন একটা সুযোগই মেলে না। আচ্ছা বলতে পারেন সপ্তাহে মাত্র দু’দিন কসরত করে কি আদৌ ওজন কমিয়ে (weight lose) ফেলা সম্ভব? আলবাত সম্ভব! শসা প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। তাই রোজ খেতে কোনও অসুবিধা নেই। থাকতে পারে স্যালাডে বা রায়তায়। শশায় জলের ভাগ থাকে অনেক বেশি। তাই এটি শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। রোজ খেলে ঝরে যায় মেদ। ৫২ গ্রাম শসায় ক্যালোরির পরিমাণ মাত্র ৮।ওজন কমানোর জন্য শসা খাওয়ার সেরা উপায়শসার স্যুপ খেতে পারেন। ওজন কমানোর জন্য শসার সুপ (cucumber soup) খেলেই ফল মিলবে! কীভাবে এমনটা সম্ভব? চারটে শসা, এক বাটি দই, ২-৩ চামচ মৌরি, এক কাপ ঠান্ডা জল এবং এক চামচ পাতি লেবুর রসের।পদ্ধতি-প্রতিটা শসার খোসা ছাড়িয়ে সেগুলি টুকরো করে নিয়ে ব্লেন্ডারে রাখুন। তারপর তাতে এক এক করে বাকি উপাদানগুলি যোগ করে মিনিটদুয়েক ব্লেন্ড করে নিন। যখন দেখবেন প্রতিটি উপাদান একে অপরের সঙ্গে ভাল করে মিশে গেছে, তখন ব্লেন্ডারটা বন্ধ করে দিন। যদি দেখেন মিশ্রণটা খুব ঘন হয়েছে, তাহলে আরও এক কাপ ঠান্ডা জল মিশিয়ে নিতে পারেন, তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে সুপ (cucumber soup)। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও ত্বকের পরিচর্যায়শসাতে অন্তত ৯৫ শতাংশ জল থাকে। দেহ ঠান্ডা শসাতে ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে প্রচুর পরিমাণে যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। চিকিৎসকরা বলথেন শসা মূত্রের পরিমাণ বাড়িয়ে রক্তচাপের পরিমাণও নিয়ন্ত্রণ করে। দেহে টক্সিন দূর করতে শসা ডায়েটে রাখা জরুরি। শসা ত্বকের ট্যান নির্মূলে দারুণ সাহায্য করে। শসার রস দই অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে চামড়ায় ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ট্যানিং-এর মাত্রা লঘু হয় একটি শসার টুকরো মুখের রাখলে তা ব্যকটেরিয়া নাশকের কাজ করে ফলে দুর্গন্ধ কমে।প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করেপ্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে। শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ জন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়।হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়কশসায় উচ্চমাত্রায় জল ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ ও সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।

Source link

5 days weight loss diet: আইবুড়োভাত খেয়ে ওজন বেড়েছে? মাত্র ৫ দিনে এই ডায়েটেই কমবে ওজন! – how to lose weight in 5 days

গুণে গুণে ঠিক পাঁচ দিনই বাকি। কীসের আবার! সেই বহু প্রতীক্ষিত দিনের। জীবনের এই বিশেষ দিনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় সেই কবে থেকেই। বিয়ে বলে কথা। ঝক্কি কী আর কম। প্ল্যানিং, শপিং, অতিথি তালিকা, নিজেদের কাজ সব মিলিয়ে মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড়। এছাড়াও বিয়ে মানেই জীবনের একটা বড় পরিবর্তন। নতুন পরিবার, সবার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে চলা, অচেনা পরিবেশ এই সব কিছু নিয়ে একটা টেনশন হতেই থাকে। সেই সঙ্গে থাকে আইবুড়োভাতের নেমতন্ন। বিয়ের আগে সবাই ডেকে ডেকে খাওয়াতে চান। আবার এদিকে মেয়ে পরের বাড়ি চলে যাবে বলে মাও দিন দুবেলা ভালোমন্দ রেঁধে খাওয়াচ্ছেন। এই দুয়ের মধ্যে পড়ে ওজন গিয়েছে বেড়ে। আপনি কিছুতেই তাঁদের বোঝাতে পারছেন না যে রোগা আর ফিট না দেখালে ছবি মোটেই ভালো আসবে না। এছাড়াও এত খরচা করে শাড়ি, ফটোগ্রাফি, সাজগোজ সব তো সুন্দর দেখানোর জন্য। নিজের দুগাল ফোলা দেখে কষ্ট হচ্ছে? তাহলে মেনে চলুন এই ডায়েট। ফল পাবেনই। শরীরচর্চা করতে ভুলবেন নাআইবুড়োভাত হোক কিংবা মেহেন্দি শরীরচর্চায় যেন ছেদ না পড়ে। প্রতিদিন সকালে উঠে এক ঘন্টা রাখুন নিজের জন্য। কিছুক্ষণ হাঁটুন, জগিং করুন। শরীর আপনেই ভালো থাকবে। সেই সঙ্গে অলেপ বিস্তর প্রাণায়মও করতে পারেন। যাঁরা নিয়মিত সাইকেল বা সাঁতার চালান, তাঁরাও কিন্তু অভ্যেস ছাড়বেন না। ডিটক্সিফিকেশনশরীরচর্চার শুরুতেই একগ্লাস গরম জলে আদা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারচিনি, তেজপাতা আর তুলসিপাতা দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এবার তার মধ্যে একটা গোটা পাতিলেবুর রস আর মধু মিশিয়ে খান। এরপর হাঁটতে যান। এতেও খুব ভালো কাজ হয়। হজমের সমস্যা হয় না। ভালো ব্রেকফাস্ট খানওজন কমাতে চাইলে ব্রেকফাস্ট কখনই বাদ দেবেন না। যেভাবে ব্রেকফাস্টে অভ্যস্ত তাই খান। শুকনো মুড়ির সঙ্গে আদা কুচি আর ছোলা ভেজানো যেমন খেতে পারেন তেমনই ওটস, কর্নফ্লেক্স, দই চিঁড়ে, চিঁড়ের পোলাও, উপমা খেতে পারেন। সেই সঙ্গে একটা ডিম সেদ্ধ আর ফল খান। ব্রেকফাস্টের পর চিনি, মধু ছাড়া এককাপ গ্রিন টি। এছাড়াও চলতে পারে ফ্রুট জুস। কতটা ক্যালোরি বার্ন হল দেখে নিনদ্রুত ওজন কমাতে চাইলে তাড়াতাড়ি ক্যালোরি বার্ন করতে হবে। প্রতিদিন যদি ৩৫০০ ক্যালোরির খাবার খান, তাহলে ৭০০ ক্যালোরি মত ঝরাতেই হবে। যদি প্রতিদিন ৭০০ ক্যালোরি ঝরাতে পারেন তাহলেই প্রতিদিন হাফ কিলো করে ওজন কমবে।জল ও ফল বেশি করে খানপ্রতিদিন অন্তত ৫ লিটার করে জল খেতে হবে। এর মধ্য দুগ্লাস ইষদুষ্ণ গরম জল খান। আর কার্বোহাইড্রেট কম খাওয়ার চেষ্টা করুন। সেই জায়গা পূরণ করুক ফল। যে কোন মিলের আগেই এক টুকরো ফল খান। এতে খিদে কম পাবে আর শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টিও পৌঁছবে।

Source link

paneer for weight loss: এই পাঁচ গুরুত্বপূর্ণ উপকারের জন্যেই প্রতিদিন পনির থাক আপনার ডায়েটে! – 5 health benefits of paneer and why you should include it in your diet

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক:পনির মালাই থেকে পনির বাটার মশলা খেতে কে না ভালোবাসে! এছাড়াও পনির ওজন কমানোর জন্যেও খুব ভালো। হার্ট ভালো রাখে। ব্রেস্ট ক্যান্সারের জন্যও খুব ভালো পনির। পনিরের মধ্যে আছে ফসফরাস, ক্যালশিয়াম। যে কারণে ১২ বছরের পর থেকে প্রতিদিন মেয়েদের ডায়েটে পনির রাখার কথা বলা হয়। যাঁদের মেনোপজ হয়ে গিয়েছে তাঁদেরও সতর্ক হতে এবং দুগ্ধজাত খাবার বেশি খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও পনিরের আরও যা যা উপকারিতা আছে…ক্যান্সার প্রতিরোধেব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে খুব ভালো হল পনির। পনিরের মধ্যে থাকে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি। আর তাই মেয়েদের মেনোপজের পরই প্রতিদিন পনির আবশ্যক বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও ১২ বছরের পর সব মেয়েদেরই পনির, দুধ এসব বেশি করে খেতে বলছেন চিকিৎসকেরা। যেসব মেয়েরা বিবাহিত নন, তাঁদেরও ক্যালসিয়াম খাওয়ার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে নিয়মিত পনির খেলে মেয়েদের শরীরে ব্রেস্ট ক্যান্সারের কোশ জন্ম নেওয়ার সুযোগই পায় না। ওজন কমানোয়অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তায়? তাহলে আজ থেকেই পনির খাওয়া শুরু করুন। সবজির মধ্যে দু এক টুকরো পনির থাকলেই হবে। এছাড়াও পনির রোল কিংবা পনিরের স্যালাড বানিয়েও লাঞ্চে খেতে পারেন। আর পনির খুব পেটভার রাখে। ফলে খিদের প্রবণতা কমে। পনিরে লাইলোলেইক অ্যাসিড নামেও একটি উপাদান থাকে। যা শরীরে অবাঞ্ছিত মেদকে গলিয়ে দেয়। হজমে উন্নতিপনিরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফসফরাস। যা হজমে উন্নতি ঘটায়। যাঁদের অল্পেই গ্যাস অম্বল হয়ে যায় তাদের জন্য খুবই ভালো। হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। সেই সঙ্গে কোশেদের কর্মক্ষমতাও বাড়ায়। দাঁত ও হাড়ে গঠনে ক্যালসিয়াম আমাদের দাঁত ও হাড়ের গঠনে সাহায্য করে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের উপরেও প্রভাব ফেলে। আমাদের হার্টকে ভালো রাখে। হার্টের পেশিও ঠিকমতো কাজ করতে পারে। আমাদের মুখগহ্বরেও অনেক সময় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে। সেখান থেকেও রক্ষা করে পনির। ডায়াবেটিস রোগ দূরে থাকে পনির রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম। এই খনিজটি শরীরের অন্দরে বিশেষ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা একদিকে যেমন হাড়ের গঠনে সাহায্য করে, তেমনি ব্রেন ফাংশনে উন্নতি ঘটায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ম্যাগনেসিয়ামের কারণে শরীরে ক্ষরিত হওয়া এনাজইমগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষণতার উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Source link

weight loss tips in bengali: How Drinking More Water Can Help You Lose Weight – ওজন কমাতে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ নয়, ভরসা রাখুন জলেই… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ওজন কমাতে খাওয়া-দাওয়া সব ছেড়ে দিয়েছেন? নাকি সকাল-সন্ধে জিমে ছুটছেন? এত কষ্ট না করে ভরসা রাখুন জলে। দেখবেন অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ঝরঝরে চেহারা সহজেই আপনার হাতের নাগালে। জল খাওয়ার নানাবিধ উপকারিতা আছে, এ কথা আমরা সবাই জানি। তাই জল খাওয়ার পরিমাণও ক্রমশ বাড়াতে আরম্ভ করুন৷ অনেকে দাবি করেন যে, জল খেলে শারিরীকভাবে সুস্থ থাকার পাশাপাশি ওজনও কমে। সাম্প্রতি কিছু সমীক্ষা বলছে, জল মেটাবলিজ়মের হার বাড়াতে সাহায্য করে৷ আপনি যে পরিমাণ জল এখন খান, তার চেয়ে প্রতিদিন ৫০০ মিলিলিটার জল বেশি খেলেই বিপাক ক্রিয়ার হার অন্ততপক্ষে ২০ শতাংশ বেড়ে যাবে৷ এই প্রক্রিয়াটা ট্রাই করে দেখা যেতেই পারে।ওজন কমাতে অনেক কিছুই তো চেষ্টা করলেন! আমাদের এখানেও ডাক্তাররা শরীর ভালো রাখতে দিনে ৮-১০ গ্লাস জল খেতে বলেন। ধরুন, সাধারণ উচ্চতার আন্দাজ ৬০ কেজি ওজনের একজন সুস্থ মানুষের জন্য সাড়ে চার লিটার জল খাওয়া চলতে পারে৷ ওজন একটু বেশি হলে আরও একটু বাড়াতে হবে জল খাওয়ার পরিমাণ৷ তবে জল খেয়েও ওজন কমানোর প্রক্রিয়া খুব একটা প্রচলিত নয়। সকালে খালি পেটে গরম জলে মধু ও লেবুর রস খেয়ে অনেকে অবশ্য ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। তবে এই প্রক্রিয়ায় সত্যিই কতটা কাজ হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। জেনে নিন ওয়াটার থেরাপির পাঁচটি সহজ পদ্ধতি।রাতে এক গ্লাস জলে এক চামচ মৌরি ভিজিয়ে রাখুন, এক সপ্তাহ খেয়ে দেখুন! উপকার পাবেন…* সকালে উঠেই আগে ৪-৫ গ্লাস জল খান। এর ফলে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বেরিয়ে যাবে। খালি পেটে ঠান্ডা জল নয়, হালকা গরম খাওয়াই ভালো।* এরপর ব্রাশ করে মুখ ধুয়ে আধঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কিছুই খাবেন না বা পান করবেন না। খুব প্রয়োজন হলে একটু জল খেতে পারেন।* খাবার খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর পর্যন্ত জল খাওয়া একেবারেই চলবে না।* যাদের শরীর ভালো নয়, তাঁরা সকালে উঠে এক গ্লাস জল দিয়ে শুরু করুন। ধীরে ধীরে জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়াবেন।* দাঁড়ানো অবস্থায় কিছু খাবেন না বা পান করবেন না।সাবধান! ঘুম থেকে উঠে ভুলেও এই কাজগুলি করবেন না…এই ওয়াটার থেরাপি মেনে চললে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শরীরে পরিবর্তন টের পাবেন। আপনার হজম ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যাবে। এর ফলে আপনি অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারবেন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: From Weight Loss To Anti Aging Know Health Benefits Of Eating Red Lentils Or Masoor Dal – হার্টের রোগ থেকে রূপচর্চা, মুসুরডালে আরও যা যা উপকারিতা… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শরীরের জন্য প্রোটিন খুব জরুরি। রোজকার খাবার তালিকায় তাই প্রোটিন জাতীয় খাবারের ভাগ থাকা জরুরি। ভারতীয়দের খাদ্যাভাস অনুযায়ী পাতে ডাল ও সবজি থাকাটা বাধ্যতামূলক। প্রোটিনের অন্যতম উৎস ডাল। আমিষ ও নিরামিষাশী সবার ক্ষেত্রেই প্রোটিনের প্রয়োজন মেটায় ডাল। বাঙালির খাদ্যাভ্যাসকে ‘মাছে-ভাতে’ বলে খণ্ডায়িত করা হলেও আসল অর্থে ডাল ছাড়া তা অনেকটাই অপরিপূর্ণ। এখন এমন সময় দাঁড়িয়েছে, সপ্তাহে নির্দিষ্ট কয়দিন মাছ থাকলেও ডাল চাই প্রতিদিন। নানান স্বাদের পদের সঙ্গে নানা রকম ডাল। মুগ, মসুর, অড়হর, মটর-এমন আরও অনেক রকম ডাল আমরা খেতে ভালোবাসি। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না, মুসুর ডালে কী কী পুষ্টিগুণ রয়েছে।গত কয়েক দশকে, মুসুর ডাল তাদের বিশেষ উপকারের কারণে ভারতীয় খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে উঠেছে। এটা তৈরি করাও খুব সহজ। এক কাপ মসুর ডালে থাকে ২৩০ গ্রাম ক্যালোরি, প্রায় ১৫ গ্রাম ফাইবার এবং প্রায় ১৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। আয়রন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ এই মুসুর ডাল নিরামিষদের জন্য আদর্শ পছন্দ। রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করেপ্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে মুসুর ডালের মধ্যে। এটি হজমের হারকে হ্রাস করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রায় হঠাৎ বা অযাচিত পরিবর্তনগুলি রোধ করে। তাই যাদের রক্তে চিনির পরিমাণ বেশি ইনসুলিন উত্পাদনে সমস্যা রয়েছে তাঁদের প্রতিদিন এই ডালটি খাওয়া উচিত। মুসুর ডালে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। ফলে অনেক খাবারের ঘাটতি মিটিয়ে দেয় সহজেই। কম ফ্যাট থাকার কারণে শরীরে মেদ জমে না। প্রোটিন ছাড়াও ডালে প্রচুর ফাইবার থাকে। এ ছাড়া থাকে জিঙ্ক ও আয়রন। শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ডাল। যাঁদের ডায়াবিটিস রয়েছে তাঁদের দেহে যাতে ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক থাকে তাই মুসুর ডাল খেতে বলা হয়। এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। আর তা সহজেই ইনসুলিনকে বার্ন করতে পারে। ফলে ডায়াবিটিস খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।ওজন কমাতেও কার্যকর এই ডালওজন কমানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করে মুসুর ডাল। ভাত কিংবা রুটি না খেয়ে বারে বারে যদি এই ডাল খাওয়া যায় তাহলে বেশ খানিকটা ওজন কমে। এছাড়াও মুসুর ডাল বেটে চিল্লা বানানো যায়। আর এই ডাল সাইটোকাইনিন হরমোন ক্ষরণ করে, যার ফলে মেটাবলিজম বাড়ে। হজমও ভালো হয়। আর হজম ভালো হলে শরীর সুস্থ থাকবেই। মুসুর ডালকে বেশিরভাগ ওজন কমানোর ডায়েটের একটি দুর্দান্ত অঙ্গ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কেবলমাত্র সঠিক পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট যা তৃপ্তির অনুভূতি দেয়, যখন ফ্যাট খুব কম থাকে।হার্ট ভালো রাখেমুসুর ডালের মধ্যে থাকে পটাশিয়াম ও আয়রন। যার ফলে রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে। আর এর ফলে হার্টের মধ্যে দিয়ে রক্তপ্রবাহ ভালো হয়। পেশি কর্মক্ষম থাকে। সেই সঙ্গে যাঁদের হার্টবিট বেশি থাকে তা স্বাভাবিক ছন্দে আসে। আর চিকিৎসকদের মতে যাঁদের হাইপার টেনশন রয়েছে তাঁদের প্রতিদিন মুসুরডাল খাওয়ার কথা বলছেন। পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, কপার…মুগডালের মধ্যে কি নেই! এছাড়াও মুগডালের মধ্যে থাকে ফাইবার, ভিটামিন বি৬, বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি। যা শরীরের কার্বোহৈাইড্রেট ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি করে। সেই সঙ্গে শরীরে তৈরি হয় এনার্জি।রূপ চর্চায় ম্যাজিকের মতো কাজ করেত্বককে সুন্দর করে তুলতে মসুর ডাল বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি, দাগহীন এবং ঝলমলে ত্বক চান তবে মুসুর ডাল অবশ্যই কার্যকর বলে প্রমাণিত হতে পারে। এটি বলিরেখা এবং কালো দাগ থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করতে পারে। ত্বকে যদি ট্যান পড়ে যায় মুসুর ডাল খুব কাজ করে। এর জন্য মসুর, হলুদ এবং গোলাপজল দিয়ে তৈরি ফেসমাস্ক মুখে লাগান। ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে এই মিশ্রণে দুধ যোগ করুন এবং ফেসমাস্ক লাগিয়ে রাতারাতি রেখে দিন। মুসুর ডালে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আর প্রোটিন। এগুলো ফেসপ্যাকের মাধ্যমে ত্বকে প্রবেশ করে এবং ত্বকের টিসুকে সজীব রাখে। তাই সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক অনেক বেশি টানটান হয় এবং বলিরেখা অনেক কম পড়ে। পুষ্টিতে ভরপুরপটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, কপার.. কি নেই! এছাড়াও মুসুরডালের মধ্যে থাকে ফাইবার, ভিটামিন বি৬, বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি। যা শরীরের কার্বোহৈাইড্রেট ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি করে। সেই সঙ্গে শরীরে তৈরি হয় এনার্জি। প্রতিদিন শরীরের চাহিদার ৪০ শতাংশ পূরণ হয় এই মুসুরডাল থেকেই। সেই সঙ্গে যাঁদের কোলেস্টেরল রয়েছে তাঁরাও সুস্থ থাকতে নির্ভয়ে খেতে পারেন মুগডাল। মুসুর ডাল সহজপাচ্য হওয়ার ফলে শিশু ও বয়স্কদের খাদ্য তালিকায় রাখা যায় সহজেই। যারা আমিষ খেতে চান না তাদের ক্ষেত্রে এই ডাল খাওয়া অবশ্যই উচিত। অনেক সময় পেটব্যথা, হজমের সমস্যা সংক্রান্ত অসুখে চিকিৎসকরা হালকা ডাল বা ডালের জল খাওয়ার পরামর্শ দেন।

Source link

weight loss tips in bengali: Know About These 7 Small Dinner Hacks That Can Help You Lose Weight – চটজলদি ওজন কমাতে ডিনারে আনুন এই ৭ বদল | Eisamay

হাইলাইটসবড় থালা নয়, ডিনারের জন্য বেছে নিন ছোট একটা প্লেট। ছোট প্লেট সহজেই ভরতি মনে হয়। বড় থালায় খেলে মনে হয় থালা যেন খালি আছে। তাই পেট ভরল না বলে মনে হয়।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: ওজন কমানোর জন্য কত রকমভাবেই তো আমরা চেষ্টা করি। তবে সত্যিটা হল দিনের শুরুতে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আমাদের যতটা এনার্জি থাকে, দিন যত গড়াতে থাকে, সেই উত্‍সাহে ভাঁটা পড়তে থাকে অনেকটাই। তাই ডিনারে মিষ্টি খাওয়া হয়ে যায় আমাদের অনেকেরই। ওজন কমাতে গেলে কিন্তু মনে রাখতে হবে যে ব্রেকফাস্টের মতো ডিনারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিল। ডিনার কখন করছেন এবং ডিনারে কী খাচ্ছেন, তার ওপর আপনার ওজন কমা-বাড়া অনেকটাই নির্ভর করে। তাই ওজন রাখতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনার নৈশ আহারে কয়েকটি সহজ বদল আনুন। তাহলেই ছিপছিপে চেহারা পাওয়ার স্বপ্ন সফল করতে খুব একটা অসুবিধে হবে না। * ছোট প্লেটে খাবার খানবড় থালা নয়, ডিনারের জন্য বেছে নিন ছোট একটা প্লেট। ছোট প্লেট সহজেই ভরতি মনে হয়। বড় থালায় খেলে মনে হয় থালা যেন খালি আছে। তাই পেট ভরল না বলে মনে হয়। এতে আমাদের বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই অতিরিক্ত খাওয়া আটকাতে ছোট প্লেটে ডিনার সারুন। ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরে? অবহেলা করবেন না, হতে পারে বড় বিপদ! * তেল নিয়ে সচেতনআপনি কোন তেলে রান্না করছেন এবং রান্নায় কতটা তেল ব্যবহার করছেন, সেই বিষয়ে সচেতন হতে হবে। রান্নার তেলে কতটা ক্যালোরি আছে, সেটা জেনে নেওয়া প্রয়োজন। অলিভ অয়েল, নারকেল তেল বা ঘি-এর মতো স্বাস্থ্যকর তেলে রান্না করলেও অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করা যাবে না। যতটা সম্ভব কম তেলে রান্না সারুন। ডিনারে ভাজাভুজি না খাওয়াই ভালো।* বিকেলে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকসরাতে অতিরিক্ত খাওয়া আটকাতে বিকেলে হালকা কোনও স্ন্যাকস খান। এতে রাতের খাওয়ার সময় খুব বেশি খিদে পাবে না এবং বেশি বেশি খাওয়া আটকানো যাবে। সোজা লাঞ্চের পর ডিনার করতে এই দুটো মিলের মধ্যে সময়ের পার্থক্য অনেকটা হওয়ায় রাতে অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়। তাই বিকেলে হালকা কিছু স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খান। এই চায়ের কাপে চুমুক দিয়েই বন্ধ হবে চুল পড়া! * ডিনারের আগে জলওজন কমাতে গেলে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া খুব জরুরি। শরীর হাইড্রেটেড থাকলে সহজে খিদে পায় না। এছাড়া শরীরে জলের ঘাটতি না থাকলে আমাদের কখন খাওয়া বন্ধ করতে হবে, তার সিগন্যাল ব্রেন ভালো ভাবে দিতে পারে। তাই ডিনারের আধঘণ্টা আগে বড় এক গ্লাস ভর্তি জল খেয়ে নিন। * রাতে আলু খানওজন কমাতে আমরা আলুতে কাটছাঁট করি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা ওজন কমানোর জন্য রাতে আলু খেতে বলছেন। আলুতে আছে প্রচুর ফাইবার এবং উপকারী কার্বোহাইড্রেট। আলু অল্প খেলেই পেট ভরে যায়। তাই ডিনারে কিছুটা আলু খেলে আপনার অল্প খেলেই মনে হবে পেট ভরে গিয়েছে। * টেবিলে বসে ডিনার টিভি দেখতে দেখতে বা মোবাইল ঘাঁটতে ঘাঁটতে ডিনার করবেন না। এতে অনেক সময় অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়। টেবিলে বসে মন দিয়ে খান। এতে আপনার কখন খাওয়া বন্ধ করতে হবে, তার সিগন্যাল ব্রেন ভালো ভাবে পাঠাতে পারবে। * ডিনার সারুন তাড়াতাড়িডিনারের পরেই ঘুমিয়ে পরবেন না। এটা কিন্তু ওজন বাড়ার একটা বড় কারণ। রাতে শুতে যাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা খেয়ে নিন। সবথেকে ভালো হয় যদি সন্ধে ৭টার মধ্যে ডিনার সেরে নিতে পারেন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link