Tag Archives: weight loss tips

weight loss tips: Easy Weight Loss Tips At Home Without Exercise – রোগা হওয়ার সহজ উপায়, রইল জরুরি কিছু টিপস! | Eisamay

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: লকডাউনে দীর্ঘদিন বাড়িতে বসে কমবেশি সকলেরই অবাঞ্ছিত মেদ জমেছে। এছাড়াও বাড়ি থেকে বেরনো সবারই অনেক কমে গিয়েছে। ভরসা করে এখনও এমন অনেকেই আছেন যাঁরা জিমে গিয়ে উঠতে পারেননি। আর এই দীর্ঘ লকডাউনে সকলেই বাড়িতে ভালো মন্দ রান্না করে খেয়েছেন। তা ওজনের আর দোষ কি! বাধাহীন ভাবে বেড়ে চলেছে তরতরিয়ে। ওজন কমানোর কিন্তু অনেক উপায় আছে। খাওয়া বন্ধ করে দিলেই ওজন কমে না। সেই সঙ্গে মেনে চলতে হয় বেশ কিছু নিয়ম। নিয়ম মেনে খাওয়া, ব্যায়াম, হাঁটা, ঘুম এসব হলে তবেই কমবে ওজন। সেই সঙ্গে মন থেকে খুশি থাকতে হবে। জেনে নিন রোগা হওয়ার সহজ উপায়। রান্নাঘরে বদল আনুনওজন কমাতে যে আপনি প্রস্তুত প্রথমে এটা আপনাকেই ঠিক করতে হবে। সেই মত মানসিক ভাবেও নিজেকে তৈরি করে নিতে হবে। তাই হাতের কাছে থাকা প্রসেসড ফুড ( সালামি, সসেজ), চিনি, ক্রিম মিল্ক, চকোলেট, কার্বোহাইড্রেট এসব একেবারেই সরিয়ে দিতে হবে। কেননা আমাদের পেটের খিদের থেকেও চোখের খিদে অনেক বেশি। তাই মুখরোচক খাবার চোখের সামনে থেকে সরিয়ে নিন। সেই জায়গায় ফল, ডাল, ওটস, কর্নফ্লেক্স, ড্রাই ফ্রুটস এসব রাখুন। যাতে খিদে পেলে এসব ছাড়া অন্য কিছুতে আপনার হাত না যায়। রোগা হতে গেলে খুব বেশি কার্বোহাইড্রেট, ফাস্টফুড এসব খাওয়া চলবে না। এতে ওজন কমানোর পরিবর্তে অনেক বেড়ে যায়।গ্রিন টি খানগ্রিন টিয়ের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট টক্সিন বের ককে দেয় এবং এর ফলে পেটের অবাঞ্ছিত মেদ কমে যায়। দিনে দু থেকে তিনবার গ্রিন টি খেতে পারলে সপ্তাহে ৪০০ ক্যালোরি মতো ওজন ঝরবে। সেই সঙ্গে ত্বকও ঝলমলে থাকবে। মেথি মৌরির জল খানখালি পেটে মেথির জল খেলে যেমন ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে তেমনই দ্রুত রোগাও হওয়া যায়। এছাড়াও মেথি আর মৌরি বিপাক ক্রিয়াকে উন্নত করে। ফলে সারাদিনের খাবার সহজেই হজম হয়ে যায়। আর সকালে মেথির জল খেলে শরীর থেকে যাবতীয় টক্সিন বেরিয়ে যায়। ফলে দিনের শুরুটা যদি সুস্থ এবং স্বাস্থ্যসম্মত হয়, সারাটা দিন ও আপনার শরীর ভালো যাবে এবং ওজন কমানোর জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ্ধতি। ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট বাদ নয়ওজন কমাতে গিয়ে ডায়েট থেকে কার্বোহাইড্রেট একদমই বাদ আর শুধু প্রোটিন খাচ্ছেন, এরকমটা করবেন না। কারণ শরীরের জন্য সবটাই প্রয়োজন। কারণ এই তিনটি থেকেই শরীর শক্তি পায়। কোনও একটির ঘাটতি থাকলে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোনওটাই খুব বেশি খাবেন না। তাই ব্যালান্স ডায়েট মেনে চলার চেষ্টা করুন। খাবার ধীরে ও চিবিয়ে খানখুব তাড়াতাড়ি খাবার খেলে যেমন হজম হয় না তেমনই খাবারের স্বাদও ঠিকমতো পাওয়া যায় না। আস্তে আস্তে চিবিয়ে খেলে তা শরীরকে বেশি খাবার খেতে বাধা দেয় এবং মস্তিস্ককে একটা নির্দেশনা প্রেরণ করে যে আমার পেট ভর্তি হয়ে গেছে। এছাড়াও এটি পাচন প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে। কেননা আপনি খাবার যত ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাবেন সেটা খুব দ্রুত হজম হতে সহায়তা করবে। এছাড়াও কোন খাবার যদি প্রতিবার মুখে ৩৫ থেকে ৫০ বার চিবিয়ে খাওয়া যায় এতে আপনার মুখের মেদও যেমন কমতে থাকবে, এর পাশাপাশি খাবারটি ও ভালো করে মিশিয়ে আপনার পেটে যাবে।খাবারের সঙ্গে প্রোটিন খানসারাদিনে অন্তত তিনটে বড় মিল ও তিনটে ছোট মিল খান। চর্বিহীন প্রোটিন বেশি খান। যেমন টকদই, পিনাট বাটার, ডিম, মটরশুঁটি, মাংস এসব খাদ্য তালিকাতে রাখুন। সেই সঙ্গে শেক জাতীয় কিছুও রাখতে পারেন। প্রোটিন শেক কিন্তু মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত রান্না করবেন নাসোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত রান্না করবেন না। কারণ অতিরিক্ত রান্না করলে সেই খাবারের পুষ্টিগুণ কিছুই থাকে না। আর তাই যদি একান্ত রান্না করতেই ভালোবাসেন তাহলে বেকড, গ্রিল জাতীয় খাবার বানানোর চেষ্টা করুন। ভালো স্যালাডও বানাতে পারেন। ডিনার ৭.৩০ এর মধ্যে সেরে ফেলুনসব খাবারের মাঝে অন্তত দুঘন্টা গ্যাপ রাখা খুবই জরুরি। রাতের খাবার চেষ্টা করুন যাতে ৭.৩০ এর মধ্যে হয়ে যায়। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে যদি খিদে পায় তাহলে এককাপ দুধ কিংবা গ্রিন টি খেতে পারেন। আর রাতে শুতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ব্রাশ করুন। এতে খিদেও কম পায়। হজমও ভালো হয়। সেই সঙ্গে ভালো ঘুম হওয়াও খুব জরুরি।

Source link

weight loss tips: Health Benefits Of Pistachios (Pista): From Weight Loss To Heart Health – আইসক্রিম হোক বা সন্দেশ, একটু থাকলে স্বাদ হয় দ্বিগুণ! পেস্তা খাওয়ার উপকারিতা জানুন… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আইসক্রিম হোক বা সন্দেশ, পেস্তা থাকলে স্বাদ হয়ে যায় দ্বিগুণ। পেস্তা এমনই এক সুস্বাদু বাদাম। কিন্তু এই পেস্তা নিয়ে রয়েছে অনেক ভুল ধারণাও। অনেকেই ভাবেন পেস্তা খেলে মোটা হয়, পেট খারাপ হয়। আবার খোসা ছাড়ানোর ঝক্কিও নিতে চান না কেউ কেউ। অথচ পেস্তা যে ওজন কমাতে সাহায্য করে তাই নয়, পেস্তার রয়েছে অন্যান্য পুষ্টিগুণও। যে কারণে ডায়েটে পেস্তা রাখতে বলে থাকেন নিউট্রিশনিস্টরা। উজ্জ্বল সবুজ রঙের দারুণ সুস্বাদু বাদামটির নাম যে পেস্তা, এটা মোটামুটি সকলেই জানেন। দামটা বেশ চড়া হলেও বিশেষ উত্‍সবের পায়েস, সেমাই , পোলাওতে পেস্তার দেখা মেলেই। যারা পেস্তা বাদাম খান না, তাঁরাও কিন্তু চেনেন পেস্তা ফ্লেভারের আইসক্রিম। সব মিলিয়ে সুস্বাদু এই খাবারটির সাথে আমাদের সম্পর্ক কম দিনের নয়। পেস্তা বাদাম তো খাওয়া হয় প্রায় সবারই, কিন্তু জানেন কি পেস্তার গুণাবলী? পেস্তা নিয়মিত খেলে কী উপকার হয় শরীরের আর দৈনিক কটা বাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত? চলুন, জেনে নিই।পুষ্টিগুণফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন বি৬ ও পটাশিয়াম থাকার কারণে পেস্তা পুষ্টিগুণে ভরপুর এক খাবার। পেস্তাবাদামে রয়েছে মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা কোলেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী। প্রোটিনের একটা চমত্‍কার উত্‍স হচ্ছে পেস্তা। ফলে পেস্তা বাদাম হৃদরোগের ঝুঁকিও কমাতে কার্যকর। ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়ামের দারুণ উত্‍স হচ্ছে পেস্তা বাদাম। এদিকে এতে ফ্যাটের পরিমাণ পণ্য বাদামের চাইতে অনেকটাই কম। পেস্তাবাদামে লুটেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা বয়সের কারণে সৃষ্ট নানা শারীরিক সমস্যা যেমন মাংসপেশির দুর্বলতা, চোখের ছানির সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে।ওজনএনার্জি জোগানোর পাশাপাশি যে কোনও বাদাম ওজন বশে রাখতেও সাহায্য করে। পেস্তারও রয়েছে এই গুণ। ফ্রেঞ্চ গবেষকদের মতে প্রতিদিন পেস্তা বাদাম খেলে শরীরের ওজনে কোনও পরিবর্তন হয় না। এমনকি একটু বেশি পরিমাণে পেস্তা খেলেও ওজন বাড়ে না। তাই স্ন্যাকস হিসেবে পেস্তা খেলে ওজন বৃদ্ধির জন্য কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াও বন্ধ হয়। পেস্তায় থাকা প্রোটিন এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে। ওজন (weight) কমাতে (loose) চাইলে প্রথমেই আমরা ভয় পেয়ে তড়িঘড়ি খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিই। এতে কাজের কাজ কিছু হয় না। উল্টে ফল হয় সাঙ্ঘাতিক। অথচ কয়েকটি ছোট্ট-ছোট্ট উপায় অবলম্বন করলেই ডায়েট আর এক্সারসাইজ খুব একটা না করেও ওজন কমে যায়। পেটপেস্তা খাদ্যনালীতে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে পেট পরিষ্কার থাকে। কারণ, বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যে কারণে বাদামকে বলা হয় সুপারফুড। তাই এটি খেলে ওজন না বেড়েও শরীর সুস্থ থাকে। তাছাড়া এতে আছে ফাইবার, প্রোটিন, হেলদি ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজ। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে আগের দিন রাতে ভিজিয়ে রাখা বাদাম খান। খালি পেটে খেলে বাদামের পুষ্টিগুণ শরীরে তাড়াতাড়ি হজম হবে। দৈনিক ৬/৭ টা বাদাম খেলেই যথেষ্ট।রক্ত চাপরোজ ডায়েটে পেস্তা থাকলে তা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। পেস্তা রক্তে এইচডিএল বা গুড কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে ও এলডিএল বা ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। পেস্তায় আছে মোনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এই ফ্যাট ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। এছাড়া পেস্তায় আছে যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন। তাই পেস্তা খেলে অনেকক্ষণ খিদে পায় না। এই প্রোটিন শরীরে পেশীর টিস্যু তৈরি করে। তাই এটি শুধু ওজন কমানোর জন্য নয়, স্বাস্থ্যের পক্ষেও খুব ভালো।রক্তনালীপেস্তা রক্তনালীর এন্ডোথেলিয়ামের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই এন্ডোথেলিয়াম ভ্যাসোডাইলেশন অর্থাত্ রক্তনালীর সংকোচন, প্রসারণের জন্য দায়ী। দাঁতের রোগ ও লিভারের সমস্যায় পেস্তাবাদাম বেশ উপকারী। পেস্তা বাদাম রক্ত শুদ্ধ করে। লবণ দিয়ে ভাজা বাদাম বা প্রক্রিয়াজাত করা বাদাম খাবেন না। বাদামের ওপরের পাতলা খোসাটা ছাড়িয়ে খান। কাঁচা চিবিয়ে খেতে পারলেই সবচাইতে ভালো। নাহলে ক্ষীর বা মিষ্টি কোন খাবারের সাথে খান। বেটে নিয়ে দুধে মিশিয়েও খেতে পারেন।ডায়াবেটিসপেস্তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রতি দিন ৫৬ গ্রাম পেস্তা খেলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা ২০-৩০ শতাংশ কম করতে সাহায্য করে। ডায়বেটিসে যারা আক্রান্ত, তাঁদের জন্য পেস্তা বাদামে থাকা স্বাস্থ্যকর তেল বিশেষভাবে উপকারী। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ‘বাদামে ফ্যাট থাকলেও তা শ্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। এছাড়া পেস্তায় রয়েছে ফাইবার, পট্যাশিয়াম ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টস। ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের হামেশাই হার্ট বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। হৃদযন্ত্রের যত্ন নিতে রোজ পেস্তা খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে সুফল পাবেন।’ স্বাদখেতে অসাধারণ। তাই পেস্তা মন ভাল করে। স্যালাডে গার্নিশ করে, স্মুদি বানিয়ে বা পেস্তা আইসক্রিম খেলে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মুডও ভাল হবে। পেস্তার খাদ্যগুণ সম্পর্কে মোটামুটি সকলেই ওয়াকিবহাল। এবার মার্কিন গবেষকরা জানিয়েছেন, এই বাদাম রোজ খেলে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে দুরূহ ডায়াবেটিস। মোঘল আমল থেকে পেস্তা বাদাম ও জাফরান মিশিয়ে কুলফির দারুণ চলতো। খেতে অসাধারণ। তাই পেস্তা মন ভাল করে। স্যালাডে গার্নিশ করে, স্মুদি বানিয়ে বা পেস্তা আইসক্রিম খেলে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মুডও ভাল হবে। পেস্তার খাদ্যগুণ সম্পর্কে মোটামুটি সকলেই ওয়াকিবহাল। এবার মার্কিন গবেষকরা জানিয়েছেন, এই বাদাম রোজ খেলে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে দুরূহ ডায়াবেটিস। মোঘল আমল থেকে পেস্তা বাদাম ও জাফরান মিশিয়ে কুলফির দারুণ চলতো।

Source link

weight loss tips in bengali: Know About These 7 Small Dinner Hacks That Can Help You Lose Weight – চটজলদি ওজন কমাতে ডিনারে আনুন এই ৭ বদল | Eisamay

হাইলাইটসবড় থালা নয়, ডিনারের জন্য বেছে নিন ছোট একটা প্লেট। ছোট প্লেট সহজেই ভরতি মনে হয়। বড় থালায় খেলে মনে হয় থালা যেন খালি আছে। তাই পেট ভরল না বলে মনে হয়।এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: ওজন কমানোর জন্য কত রকমভাবেই তো আমরা চেষ্টা করি। তবে সত্যিটা হল দিনের শুরুতে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আমাদের যতটা এনার্জি থাকে, দিন যত গড়াতে থাকে, সেই উত্‍সাহে ভাঁটা পড়তে থাকে অনেকটাই। তাই ডিনারে মিষ্টি খাওয়া হয়ে যায় আমাদের অনেকেরই। ওজন কমাতে গেলে কিন্তু মনে রাখতে হবে যে ব্রেকফাস্টের মতো ডিনারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিল। ডিনার কখন করছেন এবং ডিনারে কী খাচ্ছেন, তার ওপর আপনার ওজন কমা-বাড়া অনেকটাই নির্ভর করে। তাই ওজন রাখতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপনার নৈশ আহারে কয়েকটি সহজ বদল আনুন। তাহলেই ছিপছিপে চেহারা পাওয়ার স্বপ্ন সফল করতে খুব একটা অসুবিধে হবে না। * ছোট প্লেটে খাবার খানবড় থালা নয়, ডিনারের জন্য বেছে নিন ছোট একটা প্লেট। ছোট প্লেট সহজেই ভরতি মনে হয়। বড় থালায় খেলে মনে হয় থালা যেন খালি আছে। তাই পেট ভরল না বলে মনে হয়। এতে আমাদের বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই অতিরিক্ত খাওয়া আটকাতে ছোট প্লেটে ডিনার সারুন। ঘুমের মধ্যে বোবায় ধরে? অবহেলা করবেন না, হতে পারে বড় বিপদ! * তেল নিয়ে সচেতনআপনি কোন তেলে রান্না করছেন এবং রান্নায় কতটা তেল ব্যবহার করছেন, সেই বিষয়ে সচেতন হতে হবে। রান্নার তেলে কতটা ক্যালোরি আছে, সেটা জেনে নেওয়া প্রয়োজন। অলিভ অয়েল, নারকেল তেল বা ঘি-এর মতো স্বাস্থ্যকর তেলে রান্না করলেও অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করা যাবে না। যতটা সম্ভব কম তেলে রান্না সারুন। ডিনারে ভাজাভুজি না খাওয়াই ভালো।* বিকেলে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকসরাতে অতিরিক্ত খাওয়া আটকাতে বিকেলে হালকা কোনও স্ন্যাকস খান। এতে রাতের খাওয়ার সময় খুব বেশি খিদে পাবে না এবং বেশি বেশি খাওয়া আটকানো যাবে। সোজা লাঞ্চের পর ডিনার করতে এই দুটো মিলের মধ্যে সময়ের পার্থক্য অনেকটা হওয়ায় রাতে অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়। তাই বিকেলে হালকা কিছু স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খান। এই চায়ের কাপে চুমুক দিয়েই বন্ধ হবে চুল পড়া! * ডিনারের আগে জলওজন কমাতে গেলে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া খুব জরুরি। শরীর হাইড্রেটেড থাকলে সহজে খিদে পায় না। এছাড়া শরীরে জলের ঘাটতি না থাকলে আমাদের কখন খাওয়া বন্ধ করতে হবে, তার সিগন্যাল ব্রেন ভালো ভাবে দিতে পারে। তাই ডিনারের আধঘণ্টা আগে বড় এক গ্লাস ভর্তি জল খেয়ে নিন। * রাতে আলু খানওজন কমাতে আমরা আলুতে কাটছাঁট করি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা ওজন কমানোর জন্য রাতে আলু খেতে বলছেন। আলুতে আছে প্রচুর ফাইবার এবং উপকারী কার্বোহাইড্রেট। আলু অল্প খেলেই পেট ভরে যায়। তাই ডিনারে কিছুটা আলু খেলে আপনার অল্প খেলেই মনে হবে পেট ভরে গিয়েছে। * টেবিলে বসে ডিনার টিভি দেখতে দেখতে বা মোবাইল ঘাঁটতে ঘাঁটতে ডিনার করবেন না। এতে অনেক সময় অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়। টেবিলে বসে মন দিয়ে খান। এতে আপনার কখন খাওয়া বন্ধ করতে হবে, তার সিগন্যাল ব্রেন ভালো ভাবে পাঠাতে পারবে। * ডিনার সারুন তাড়াতাড়িডিনারের পরেই ঘুমিয়ে পরবেন না। এটা কিন্তু ওজন বাড়ার একটা বড় কারণ। রাতে শুতে যাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা খেয়ে নিন। সবথেকে ভালো হয় যদি সন্ধে ৭টার মধ্যে ডিনার সেরে নিতে পারেন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: ‘রোজ সকালে এক কাপ গরম জলে আমলা জুস আর জিরে’, এক বছরেই কমল ২৭ কেজি ওজন! – weight loss story: “i have a hot cup of amla jeera water every morning”

হাইলাইটসছোট থেকেই আমি বেশ মোটাসোটা ছিলাম। বন্ধুরা আমাকে নিয়ে মজা করত। কিন্তু আমি ওসবে পাত্তা দিতাম না। এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: ৩০ বছরের কৃতিকা মোটেই তার লুক নিয়ে চিন্তিত ছিল না। কিন্তু এটুকু জানত ভবিষ্যতেও তাকে সুস্থ থাকতে হবে। আর সুস্থ থাকতে হলে তাকে ওজন কমাতেই হবে। তবে জিমে যেতে আর পিৎজা বাদ দিয়ে স্যালাড খেতে মোটেই তার ভাল লাগত না। আর তাই বাড়িতে যোগা শুরু করেছিল। সেই সঙ্গে প্রতিদিন সকালে উঠে আমলা-জিরা জল খেতে শুরু করে। যখন শুরু করে তখন তার ওজন ছিল ৮০ কেজি। মাত্র অকবছরের মধ্যে ২৭ কেজি ঝরিয়ে ফেলেছে কৃতিকা। দেখে নিন কৃতিকা কী বলছেন। ছোট থেকেই আমি বেশ মোটাসোটা ছিলাম। বন্ধুরা আমাকে নিয়ে মজা করত। কিন্তু আমি ওসবে পাত্তা দিতাম না। আমি কিন্তু কত্থক শিল্পী। যদিও নিয়মিত নাচ করার পরও আমার ওজন একটুও কমেনি। আমি ভাবতাম আমার পক্ষে ওজন কমানো অসম্ভব। আমি এই নিয়েই খুশি থাকতাম। কিন্তু ২৫ বছর বয়সে এসে মনে হল আমি হাঁপিয়ে পড়ছি। ওজন বেশি হয়েছে বলে কোনও কাজ মন দিয়ে করতে পারছি না। এরপর ডায়েট শুরু করলাম। কিন্তু খেতে ভালোবাসি, তাই ওসব স্যালাড, স্যুপ খেয়ে থাকতে পারতাম না। ২০১৯- এ আমি ঠিক করলাম আমাকে যেভাবেই হোক রোগা হতেই হবে। এরপর আমি একবছরের চেষ্টায় ২৫ কেজি ওজন কমিয়ে ফেললাম। মনে রাখবেন আমি কিন্তু জিমে এক পয়সাও দিইনি। দিন শুরু করতাম এককাপ গরম জলে দুচামচ আমলা জুস আর জিরে পাউডার দিয়ে।ব্রেকফাস্টভেজিটেবল পোহা/ ডালিয়া / উপমা/ স্যান্ডউইচ/ পনির ভেজিটেবল স্যালাড/ ওটস / মুগ ডাল চিল্লা। বেলা ১১ টায় খেতাম- এককাপ গ্রিন টি। সঙ্গে একটা আমন্ড, একটা কিসমিস আর একটা আখরোট। লাঞ্চে খেতাম-দুটো রুটি, একবাটি সবজি, একবাটি টকদই আর স্যালাড। রাতে- স্যুপ বা ডালিয়ার খিচুড়ি। কোনও কোনওদিন মিক্সড স্যালাড। আগে যা ছিলেন পরে যা হয়েছে ওয়ার্ক আউট শুরু করতাম এককাপ ব্ল্যাক কফি দিয়ে। শেষ করে খেতাম কোনও একটা ফল। ফিটনেসের জন্য যা যা করতামভোর পাঁচটায় ঘুম থেরে ওঠা অভ্যেস করেছিলাম। এরপর যোগা করতাম। তারপর কার্ডিয়ো করতাম। এরপর প্রতিদিন পাঁচ কিলোমিটার হাঁটতাম। সেই সঙ্গে প্রচুর জল খেতাম। জল খেলে আমাদের দেহের ক্ষতিকর টক্সিন বাইরে বেরিয়ে আসে। এইভাবে একটা রুটিনে চলার পর আমি ভেতর থেকে এনার্জি পেতাম। আগের থেকে অনেক মনযোগ দিয়ে কাজ করতে পারতাম। আমি কিন্তু দ্রুত ওজন কমানোর কোনও ট্যাবলেট খাইনি। প্রতিদিনের এই আমলা-জিরা জলই আমায় এত সাহায্য করেছে। এতেই একবছরে ২৭ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলি। কৃতিকা কুনগেরের মতো ওজন কমাতে চান আপনিও? তাহলে দেখে নিন এই ডায়েট টিপস। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে

Source link

weight loss tips in bengali: ফিট থাকতে সঙ্গী হোক ফিটনেস ট্র্যাকার! জেনে নিন ব্যবহার – how fitness trackers can improve your health

প্রতিদিন ঘড়ে ধরে এক্সারসাইজ করছেন। হাঁটছেন, মেপে খাবারও খাচ্ছেন। কিন্তু দিনের শেষে কতটা ক্যালরি ঝরালেন? প্রশ্ন করলে এই উত্তর অনেকেই দিতে পারেন না। এমনকী অনেকেই ওয়ার্কআউট শুরু করেন ওজন না দেখেই। পছন্দের জামা টাইট ফিটিং নাকি ঢিলেঢালা সেই দিয়ে বিচার করেন ফ্যাট কতটা কমল! কিন্তু কতটা ফিট? সেই উত্তর পাওয়া যায় না। আপনার ফিটনেস রেজিম আপনাকে কতটা ফিট থাকতে সাহায্য করছে, তার জন্যই প্রয়োজন ফিটনেস ট্র্যাকারের। এই ট্র্যাকারের সাহায্যে জানা যায় আপনি কতটা পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন করলেন। শুধু তাই নয়, কত কিমি হাঁটলেন এবং আরও কতটা হাঁটলে আপনার শরীরের পক্ষে ভালো তাও কিন্তু জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কটা স্টেপ হাঁটলেন, কতা সিঁড়ি ভাঙলেন আর এতে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান দেব। ফিট থাকতে এই তথ্যই কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে যেমন ডায়েট চার্ট তৈরি করা যাবে তেমনই মোটিভেশনও আসবে। প্রয়োজনে আপনি লাইফস্টাইলে বদলও আনতে পারবেন। ট্র্যাকার কীভাবে কাজ করেস্মার্ট ওয়াচের মধ্যেই থাকে ফিটনেস ট্র্যাকার। ব্যান্ড আকারেও পাওয়া যায়। এছাড়াও সকলেই এখন স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন। আর তাই সহজে ফোনেও ইনস্টল করে নিতে পারেন। তবে ফিটনেস স্মার্টব্র্যান্ড কিন্তু খুব ভালো কাজ করে। যাঁদের অনেকক্ষণ বসে বসে কাজ করা অভ্যেস, এই ব্যান্ড তাঁদের জানাবে চেয়ার ছেড়ে উঠে পাঁচ মিনিট পায়চারি করে আসার জন্য। রাতের ঘুমে আপনার গভীর ঘুম কতটা, মোট কত ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন, প্রায় নির্ভুল হিসেব দেবে আপনাকে। যাঁরা বিভিন্ন এক্সারসাইজ নিয়মিত করেন— সাঁতার, দৌড় বা সাইক্লিং, কত দূরত্বে গিয়েছেন, গড় গতিবেগ, প্রতিটা মুহূর্তে আপনার হার্টবিট কত ছিল, সব কিছু দেখা যাবে ফোনে।ওয়ার্কআউট সম্পর্কে তথ্য দেয়এই ফিটনেস ট্র্যাকার কিন্তু ঘুমের প্রয়োজনীয়তা থেকে হার্ট রেট সবই জানান দেয়। প্রতিদিন কত পা হাঁটলেন, জগিং করতে কতটা ক্যালোরি বার্ন হল কিংবা শরীরের চাহিদা অনুযায়ী আরও কতটা পরিশ্রম করার প্রয়োজন এই সবকিছুই জানান দেয় এই ফিটনেস ট্র্যাকার। এমনকী কালকের তুলনায় আজকে যদি বেশি ক্যালরি বার্ন হয় তাও জানান দেবে। সারা সপ্তাহে কতটা ক্যালরি খরচা হল তাও জানান যায় এই ট্র্যাকার থেকে। কীভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে এই ট্র্যাকারওজন কমানোর জন্য আমরা পরিশ্রম করি, ডায়েট করি। কিন্তু তারপরও দেখা গেল ঠিক ফল পাওয়া যাচ্ছে না। মিষ্টি, বিরিয়ানি থেকে দূরে থেকেও ওজন বাড়ছে। অনেকেই ভাবেন এতক্ষম শরীরচর্চা করে বিকেলে ভালো করে মুড়ি দিয়ে তেলেভাজা মেখে খেলে কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু এভাবেই অজান্তে শরীরের ক্ষতি হয়য়। যদি ফিটনেস ট্র্যাকার অন করে প্রতিদিন ওয়ার্কআউট করেন তাহলে জানতে পারবেন কতটৈ হাঁটা হল আর কতটা ক্যালরি ঝরল। সেই মত খাবারও খেতে পারবেন। এতে শরীর থাকবে সুস্থ। আর প্রতিদিন ক্যালরির পরিমাণ হিসেব করলে নিজেই উৎসাহ পাবেন। পরদিন আরও একটু সকালে ঘুম ভাঙবে আর ওয়ার্ক আউট বেশি হবে। অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়াএই ফিটনেস অ্যাপগুলি আরও একটি সুবিধা দেয়। সবসময় একা ওয়ার্ক আউট করার চেয়ে যদি একজন সঙ্গী পাওয়া যায় তাহলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। এমনকী মন দিয়েও ওয়ার্কআউট করা যায়। আর এই অ্যাপগুলিতে রেজিস্ট্রেশন করলে আপনি যেমন চিকিৎসকের পরামর্শ পাবেন, তেমনই আরনার অভিজ্ঞতা অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে। আপনি কতটা ক্য়ালরি খরচ করলেন বা আপনার ফিটনেস রেজিম যেমন অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন তেমনই বাকিদের কথাও শুনতে পাবেন। পাবেন ডায়াটেশিয়ানের টিপস। বিশেষজ্ঞরা কী বলছেনগত পাঁচ বছরে বেশ কয়েকটি জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে এই ফিটনেস ট্র্যাকার নিয়ে। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সবাইকেই এি ট্র্যাকার মেনে চলার কথা বলছেন। এছাড়াও এই ট্র্যাকারগুলির ফিচার্স আপডেট করে নেওয়ার সুযোগ নিয়েছে। তবে ট্র্যাকার দেখেই যে পা ফেলবেন এমন নয়। প্রতিদিন প্রয়োজন মতওয়ার্ক আউট করুন। সেই সঙ্গে ডায়েটও আবশ্যক।

Source link

weight loss tips: রোজ বিকেলে এই ৫ কাজ করুন, ঝরঝরিয়ে কমবে ওজন – weight loss tips: 5 things to do every afternoon to shed more kilos

হাইলাইটসঅনেক সময় সারাদিনের ব্যস্ততার মধ্যে আমাদের খিদে পেয়েছে কিনা, সেদিকে খেয়াল থাকে না। এর ফলে লাঞ্চে অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়। এই অভ্যেস বজায় থাকলে রোগা হওয়া মুশকিল। এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: ওজন কমানোর জন্য ডায়েট আর ওয়ার্ক আউটের ওপরেই ভরসা করি আমরা। কিন্তু শুধু এ ভাবেই ওজন কমানো সম্ভব নয়। আমরা সারা দিন কী কী কাজ করছি, কতক্ষণ বিশ্রাম করছি, তার সবকিছুর ওপরেই নির্ভর করে আমাদের ওজন বাড়া কমা। আমাদের সার্বিক জীবনযাত্রা কী রকম, তাই আমাদের ফিটনেস নির্ধারণ করে দেয়। মেটাবলিজম বাড়াতে তাই প্রতিদিন কখন কোন কাজ করছি, সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এখানে আমরা পাঁচটি কাজের তালিকা তৈরি করে দিলাম, রোজ বিকেলে এই পাঁচ কাজ করলে আপনার ওজন কমানো অনেকটাই সহজ হবে। বেশি করে জল খানঅনেক সময়ই আমরা বুঝতে পারি না যে আমাদের খিদে পেয়েছে না তেষ্টা পেয়েছে। কারণ শরীরে জলের ঘাটতি হলেও খিদে বোধ অনুভূত হয়। শরীরে জলের অভাব থাকলে যেমন খিদে পায়, তেমন মনমেজাজ খিটখিটে লাগে, কোনও কাজ করতেও ভালো লাগে না। সেই কারণে বিকেলে টুকটাক স্ন্যাকস খাওয়ার আগে বড় এক গ্লাস জল খান। দেখুন তারপরেও আপনার খিদে বোধ হচ্ছে কিনা। সাধারণ জলের বদলে ইনফিউসড ওয়াটারও খেতে পারেন। উত্‍সবে ওজন বাড়া নিয়ে চিন্তায়? এই ৭ টিপসে দীপাবলিতেই কমবে ভুঁড়ি শান্তমনে লাঞ্চ সারুনআপনি যখন লাঞ্চ করবেন, পুরো মনোযোগ খাওয়ার দিকেই দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় চ্যাট করতে করতে বা ইমেইল-এর উত্তর দিতে দিতে লাঞ্চ করবেন না। লাঞ্চের জন্য যে ১৫ মিনিট সময় আপনি বের করেছেন, সেটা শুধুমাত্র আপনার লাঞ্চের জন্যই রাখুন। এতে আপনি কতটা খাচ্ছেন সেদিকে খেয়াল থাকবে এবং অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার প্রবণতা কমবে। ওজন কমানোর জন্য অনেকের সঙ্গে গল্প করতে করতে নয়, একা একা খাওয়া ভালো বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু হিল নয়, অত্যন্ত ক্ষতিকর ফ্ল্যাট জুতোও! জানুন আর সাবধান হোন খিদে পেলে খানঅনেক সময় সারাদিনের ব্যস্ততার মধ্যে আমাদের খিদে পেয়েছে কিনা, সেদিকে খেয়াল থাকে না। এর ফলে লাঞ্চে অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়। এই অভ্যেস বজায় থাকলে রোগা হওয়া মুশকিল। তাই আপনি কখন কী খাবেন, সেটা ভেবে রাখুন। স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস সঙ্গে মজুত রাখুন। স্ন্যাকস নিয়ে সাবধানস্ন্যাকস সাধারণত আমরা অতিরিক্ত খেয়ে ফেলি। আর এটাই ওজন বাড়ার একটা বড় কারণ। সহকর্মীর থেকে কিছুটা ওয়েফার বা স্যান্ড‍ুইচে এক কামড় দিয়ে আপনি হয়তো ভাবলেন, যে এটা কিছুই না। এই সবই কিন্তু আপনার ক্যালোরি কাউন্টে যোগ হচ্ছে। তাই ওজন কমাতে চাইলে এই সব বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। হাঁটাচলা করুনএক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকবেন না। অন্তত এক ঘণ্টা পর পর পাঁচ মিনিটের জন্য চেয়ার ছেড়ে উঠুন। লাঞ্চের পর ১৫ মিনিট হালকা গতিতে পায়চারি করে নিন। এর ফলে দুপুরে যে ঝিমুনি আসে, তার থেকেও রেহাই পাবেন। মাঝে মাঝে হাঁটাচলা মন মেজাজও ভালো থাকবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips: উত্‍সবে ওজন বাড়া নিয়ে চিন্তায়? এই ৭ টিপসে দীপাবলিতেই কমবে ভুঁড়ি – diwali weight loss tips: 7 smart ways to prevent belly fat and look fab this festive season

এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: উত্‍সবের মরশুম মানেই নিজের চেনা রুটিনের দফারফা। নানারকম মুখরোচক খাওয়া দাওয়া,পার্টি হুল্লোড়, রাত করে শোওয়া, বেলা করে ঘুম থেকে ওঠা। ফলে একদিকে যেমন আপনার ডায়েট পুরো ঘেঁটে ঘ, তেমনই সকালে বেলা করে ঘুম থেকে ওঠার জন্য ওয়ার্ক আউটও মিস। ফলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা রীতিমত ঘোরতর হয়ে দেখা যাচ্ছে। তা বলে কি উত্‍সবে যোগ দেবেন না? সবার থেকে আলাদা হয়ে নিজে ঘরে বন্দি থেকে সেই একঘেয়ে খাবার খেয়ে যাবেন? না, রোগা থাকার জন্য আমরা আপনাকে সব রকম আনন্দ উত্‍সব থেকে বঞ্চিত থাকতে বলছি না। ফিট থাকা যেমন জরুরি, তেমনই আনন্দ উত্‍সবে যোগ দেওয়াও জরুরি ভালো থাকার জন্য। দীপাবলিতে করোনা বিধি মেনে আনন্দ করুন, কিন্তু ভুঁড়িও যাতে না বাড়ে, তার জন্য রইল কয়েকটা বিশেষ টিপস। * সকালে লেবু মধুর জলসকালটা শুরু করুন এক গ্লাস গরম জলে একটু লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে খেয়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠে এই পানীয় খেলে মেটাবলিজম হার বেড়ে যায়। এই পানীয় শরীর থেকে ক্ষতিকর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বের করতে সাহায্য করে। এই পানীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের আর্দ্র রাখে। লেবুর রসে আছে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফরফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, পেকটিক ফাইবার। এগুলি আমাদের অকারণ ক্ষিদে পাওয়া রোধ করে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। শুধু হিল নয়, অত্যন্ত ক্ষতিকর ফ্ল্যাট জুতোও! জানুন আর সাবধান হোন * ব্রেকফাস্ট বাদ নয় সারাদিনের সবচেয়ে জরুরি খাবার হল ব্রেকফাস্ট। যতই তাড়াহুড়ো থাক, ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া যাবে না। দীপাবলির উত্‍সবেও স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট কিন্তু খেতেই হবে। এর ফলে শরীরে মেটাবলিজম বাড়বে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। ব্রেকফাস্টে রাখতে পারেন দুধ, ডিম, হোল হুইট ব্রেড, টাটকা ফলের রস এবং ফল। * মেনুতে থাক প্রোটিন ও ফাইবারআপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন ও ফাইবার থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। এর ফলে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে। মেনুতে প্রোটিন ও ফাইবার বেশি থাকলে অকারণে খিদে কম পাবে এবং ওজন কমানো সম্ভব হবে। ডিম, চিকেন, মাছ রোজই খান। এছাড়া পালংশাক, ব্রকোলি, ফুলকপিও মেনুতে রাখুন। কমায় ওজন, ঝলমলে করে ত্বক… জানুন বেগুনের হাজারো গুণের কথা * মিষ্টিমুখদীপাবলি মানে একটু মিষ্টিমুখ তো করতেই হবে। অবশ্যই আপনি আপনার পছন্দের মিষ্টি খাবেন। তবে অল্প পরিমাণে। এক টুকরো মিষ্টি অনেকক্ষণ ধরে আস্তে আস্তে খান। এতে মিষ্ট খাওয়ার ইচ্ছেটা অনেকটাই প্রশমিত হবে। দোকান থেকে কেনা মিষ্টির বদলে ঘরে তৈরি মিষ্টি বেছে নিন। * জল খান বেশি করেশীত আসছে, এই সময় শরীর শুষ্ক হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা দেয়। তাই এই সময় বেশি করে জল খাওয়া একান্ত প্রয়োজনীয়। বিশেষ করে নানারকম ভালো ভালো খাবার খাওয়ার পরে বেশি করে জল খাওয়া খুবই প্রয়োজনীয়। জলের সঙ্গে ফলের রস এবং ডাবের জলও খেতে পারেন। * ব্যায়ামে ফাঁকি নয়উত্‍সবের কদিন ব্যায়াম বরং বন্ধ থাক, এই রকম চিন্তা ভাবনা কিন্তু একদম চলবে না। আনন্দ করুন, কিন্তু ব্যায়াম নিয়মিত করতেই হবে। এই সময় যদি জিমে যেতে না পারেন, তাহলে ঘরেই কিছুটা ঘাম জড়িয়ে নিন। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips: 6 Ways Sleep Can Help You Lose Weight – ঘুমিয়েই কমিয়ে ফেলুন ওজন! মাথায় রাখুন এই সহজ টিপসগুলো..

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। এত ডায়েট, জিমে কসরত, কিছুতেই যেন কিছু কাজ হচ্ছে না। ওজন খালি বেড়েই চলেছে। সারাক্ষণ খালি একটাই চিন্তা কী করলে ওজন কমবে? বিজ্ঞানীরা শোনাচ্ছেন চমত্কার এক তথ্য। তাঁরা বলছেন, ওজন ঝরাতে সবচেয়ে ভালো উপায় হল ঘুম। অন্য যে কোনও শারীরিক কসরতের চেয়ে তা অনেক বেশি কার্যকরী। আপনি ভাবছেন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে আবার ওজন কমানো সম্ভব নাকি! ব্যায়াম ডায়েট সবই চলছে তারপরেও ওজন যেন আর কোমতেই চায় না আর এই চিন্তায় ঘুমের দফারফা।বিশ্বাস করুন মজা নয় সত্যিই নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুম ওজন কমানোর জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।আর সেই সঙ্গে ঘুমানোর আগে যদি নিম্নলিখিত কয়েকটি নিয়ম মেনে চলেন তাহলে আপনার স্বপ্নের মতো চেহারাটি পেতে বেশি দিন কিন্তু সময় লাগবে না।অন্ধকারে ঘুমযদি ঘুমানোর সময় একটা ছোট্ট লাইট জালিয়ে বা জালনা দরজা খুলে ঘুমানো আপনার স্বভাব হয় ,তাহলে ঝটপট পাল্টে ফেলুন স্বভাবটি ।অন্ধকারে ঘুমোলে এই আপনার শরীর মেলাটোনিন হরমোন উত্‍পাদন করবে। যা আপনাকে যেমন ঝটপট ঘুমাতে সাহায্য করবে ঠিক তেমনই শরীরে উত্‍পাদিত হবে ব্রাউন ফ্যাট যা চটজলদি শরীরের ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করবে। অতএব এবার ঘুমের সময় ডিম লাইট জ্বালানোর কথা মাথা থেকে বের করে দিন এবং খেয়াল রাখবেন যে জানালা বা দরজা দিয়ে যেন আলো না ঢোকে ঘরে। সাধারণত আমাদের ধারণা ডায়েট কন্ট্রোল করলে বা কম খেলে, নিয়মিত শরীরচর্চা করলে কমানো যায় ওজন। কিন্তু এসব করতে গিয়ে ঘুম কমালেই বিপত্তি। বরং বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঘুমিয়েই ওজন কমবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমাতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুমের। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন বলছে, ঘুমনোর সময়ে মানুষের শরীরের গ্রোথ হরমোন নিঃসরণ হয়ে জেগে ওঠে। এই হরমোন নিঃসরণ হলে ফ্যাট বার্ন হতে থাকে। এছাড়া শরীরের পেশীগুলিও শক্ত হতে থাকে। ফলে রাতে ভালো করে না ঘুমোলেও কিন্তু ওজন বেড়ে যেতে পারে।কম তাপমাত্রায় ঘুমোনসম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে যে কম তাপমাত্রায় ঘুমানোর ফলে শরীরের এক্সট্রা ক্যালোরি বার্ন হতে থাকে। আসলে কম তাপমাত্রায় ঘুমোলে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক ভাবে কমে যায় আর এই সময় শরীরের তাপমাত্রা বাড়ানোর জন্য শরীরের ভেতরে জমে থাকা এক্সট্রা ক্যালোরি খরচ হতে শুরু করে। ফলে,শরীরের চর্বি ঝরতে থাকে। এভাবেই নিয়মিত শরীরচর্চার সঙ্গে সঙ্গে ডায়েটের সামান্য পরিবর্তন ও নিয়মিত ঘুমের মাধ্যমে খুব সহজেই এই টিপসগুলো ফলো করে অল্পদিনের মধ্যেই শরীরের অবাঞ্চিত চর্বি আপনি ঝরিয়ে ফেলতে সক্ষম হবেন।ডিনারে যোগ করুন প্রোটিন যুক্ত খাবারশরীরের চর্বি কমানোর জন্য প্রোটিন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। আর সেই জন্যই রাতের বেলা ডিনারে প্রোটিন থাকা অপরিহার্য। গবেষণায় দেখা গেছে যে ঘুমের আগে 30 গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করলে ঘুমন্ত অবস্থায় তাশরীরের ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করে। অনেকেই রাতের বেলার ডিনারটা হালকা করেন। তারা প্রোটিন শেক খাওয়া শুরু করতে পারেন। এছাড়া প্রতিদিনের খাবারের যোগ করতে পারেন অল্প গোলমরিচ কারণ গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে গোলমরিচ দীর্ঘদিন ধরে শরীরে জমে থাকা চর্বি গলাতে সাহায্য করে। তাহলে আর দেরি কীসের! শরীর চর্চা বা অন্য কাজ থেকে সময় কিছুটা কমিয়ে এবার ঘুমের সময় একটু বাড়ান। তা হলেই দেখবেন ওজন কমছে। তবে শুধু ঘুমের উপর ভরসা করে যদি দেদার জাঙ্ক ফুড খেতে থাকেন, তা হলে বহু চেষ্টাতেও কমবে না ওজন। প্রত্যেকদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমসুস্থ থাকার জন্য পরিমিত ঘুম খুবই দরকার এ কথা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু কাজের চাপে অনেক সময় ঠিক টাইমে ঘুমানো হয়ে ওঠে না। কোনদিন বারোটা তো কোনদিন দুটো সময়ে এমন হেরফের হয়েই থাকে। কিন্তু ওজন যদি কমাতে চান তবে প্রত্যেকদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোনো শরীরের জন্য খুবই দরকার। প্রত্যেকদিন রাতে সাত থেকে আট ঘণ্টা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করলে আপনার শরীর ঘুমের মধ্যে বেশি পরিমাণ ক্যালোরি বার্ন করতে সাহায্য করে। আমরা সাধারণত তাড়াহুড়ো বা সমস্ত কাজের চাপে ঘুমটাকেই সবচেয়ে অবহেলা করি। আবার সকালে উঠেই শরীরচর্চা বা বা কাজে ব্যস্ত হয়ে যাই। আর এতেই ওজন কমতে চায় না। গবেষকরা জানাচ্ছেন যাঁরা দিনে মাত্র চার পাঁচ ঘণ্টা ঘুমোন তাঁদের ওজন কমানো বেশ কঠিন। কিন্তু যাঁরা নিয়মিত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমোন তাঁরা সহজেই ওজন কমাতে পারেন। মোবাইল ল্যাপটপ কাছে নিয়ে ঘুম নয়আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মোবাইল ফোন (Smart Phone) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মোবাইল ছাড়া যেন একমুহূর্তে চলা দায়। পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে অফিস,বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন সবার সঙ্গে প্রয়োজনীয় কথা বলতে মোবাইল ফোনের জুড়ি নেই। মোবাইল এমনই একটি জিনিস যার মাধ্যমে মুহূর্তে আপনি জানতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ অনেক খবর। মোবাইল ফোনের যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি এর অপকারিতাও রয়েছে। অনেকেই ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন (Mobile Phone) বন্ধ করেন না। অ্যালার্ম দিয়ে ফোনকে বালিশের নিচে বা পাশে রাখার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। অনেকেই আবার ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোনটি সঙ্গী করে ঘুমান। মোবাইল ল্যাপটপ বা টিভি স্ক্রিনে থাকে ক্ষতিকর রশ্মি। যা অজান্তেই আমাদের শরীরের বেশ ক্ষতি করে। ওজন কমাতে চাইলে। ঘুমোনোর কিছুক্ষণ আগে মোবাইল,ল্যাপটপ বন্ধ করে সেগুলো বিছানা থেকে কিছুটা দূরত্ব রেখে ঘুমোনো অভ্যাস করুন।রাত্রে ব্যায়াম নয় ভুলেওআমাদের শরীরকে ফিট রাখতে এবং শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে ব্যায়াম এর গুরুত্ব অপরিহার্য। সারাদিনের বিজি শিডিউলে একদিন ব্যায়াম করা না হলে অনেকেই রাতের দিকে ব্যায়াম করেন। আপনার ও যদি এরকম মনোভাব থেকে থাকে তবে শীঘ্রই এটি বন্ধ করুন। বিজি শিডিউলের মধ্যেও অন্ততপক্ষে 5 মিনিট বার করে সকালে বা বিকেলে শরীরচর্চা করুন আর একান্তই যদি রাতের বেলা শরীরচর্চা করতেই হয় তবে তা যেন ঘুমোনোর চার ঘণ্টা আগে হয়। কারণ শরীরচর্চা শরীরকে জাগ্রত করে তোলে এর ফলে রাতের বেলা ঘুমোনো কষ্টকর হয়ে ওঠে আর পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ক্যালরি কমার বদলে যে তা ক্রমে বাড়তে লাগবে তার নতুন করে বলার কিছুই নেই।

Source link

weight loss: বাড়তি মেদ ঝরাতে চান? সুস্থ থেকে ওজন কমাতে ভরসা রাখুন এই খাবারে! – foods that fill you up and suppress your appetite

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ওবেসিটি, থাইরয়েড, ডায়াবিটিস কিংবা কোলেস্টেরলের চোখ রাঙানি— এ সবের সঙ্গে লড়তে গেলে কেবল শরীরচর্চাই একমাত্র সমাধান নয়। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী জল খাওয়া আর সেই সঙ্গে খাবারদাবারে নজর দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।ডায়েট মেনে বা খুব নিয়ম অনুযায়ী খাওয়াদাওয়া করার সুযোগ ঘটে না অনেকেরই। তবু একটু সচেতন হলে ওজন বাড়াতে পারে এমন সব খাবার পাত থেকে সহজেই বাদ দেওয়া যায়। বরং তার জায়গায় নিয়ে আসুন স্বাস্থ্যকর কিছু খাবারদাবার। প্রতি দিনের ব্রেকফাস্ট থেকে ডিনার পর্যন্ত নানা ধাপে এই সব খাবার পাতে যোগ করলেই সুফল পাবেন অনেকটা। সঙ্গে একটু হাঁটাহাঁটি ও পর্যাপ্ত জলেই কমবে ওজন (Weight loss)। দূরে থাকবে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ফলে হওয়া নানা অসুখবিসুখ। মেদ কমাতে বা পেশী শক্তি চট করে কমিয়ে ফেলতে পারে, এমন কোনও নির্দিষ্ট খাদ্যবাস্তু নেই। এ ক্ষেত্রে ডায়েট পরিকল্পনা হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ। তা-ও আবার সামগ্রিক ভাবে। আবার ডায়েটের মাধ্যমে শরীরের একাংশের মেদ কম করাও কিন্তু সম্ভব নয়। তবে এমন কিছু খাবার আছে, যা সুস্থ ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্ষিদে নিয়ন্ত্রণেও কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে। এখানে এমনই কয়েকটি খাবারের হদিশ দেওয়া রইল।ডিম- প্রোটিনে সমৃদ্ধ ডিম শুধু পেটই ভরায় না, বরং ওজন কমাতেও (Weight loss) সাহায্য করে। একটি বড় শক্ত-সেদ্ধ ডিমে ক্যালরির মাত্রা ১০০-রও কম। প্রাতঃরাশের পাতে একটি ডিম আপনার সারাদিনের এনার্জি নিশ্চিত করতে পারে। ব্রেকফাস্ট মেনুতে পারফেক্ট হল ডিম। অফিসের তাড়াহুড়োতে যদি ব্রেকফাস্ট করার সময় না থাকে, তাহলেও চটজলদি একটা ডিম সেদ্ধ করে আপনি খেয়ে নিতে পারবেন। জিংক, ম্য়াগনেসিয়াম, আয়রন এবং সমস্ত রকম প্রোটিনে ভরপুর ডিম খেয়ে দিনের শুরুটা করলে সারাদিন আপনার এনার্জি লেভেল বজায় থাকবে। এছাড়া ডিম বেশিক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। তাই চট করে অন্য কিছু খাওয়ার ইচ্ছে হবে না। অতিরিক্ত কিছু না খাওয়ার ফলে আপনি ক্যালরি বার্ন করাতে পারবেন।স্যালাড- ক্যালরি গুণে গুণে প্রত্যেকটি গ্রাস মুখে তোলার স্বভাব থাকলে, স্যালাডকে খাদ্য তালিকায় রাখতেই হয়। অধিকাংশ সবজি ও ফল ফাইবারে সমৃদ্ধ, যা শুধু পেটই ভরায় না, বরং মেদ ঝরাতেও সাহায্য করে। বাড়তি ওজন কমানোর জন্য (Weight loss) অনেক চেষ্টা করে থাকেন সবাই। কিন্তু ওজন এমনই নাছোড়বান্দা যে সহজে পিছু ছাড়তে চায় না। ডায়েট, ব্যায়াম সব কিছু দিয়ে চেষ্টা করেও ওজন কমানো সম্ভব হয় না। তার ওপর যারা একটু ভোজনরসিক তাদের জন্য ডায়েটিং বেশিদিন ধরে রাখাও কষ্টকর। এই সমস্যা সমাধান করে দেবে স্যালাড৷ অনেকের দুপুরবেলা বেশি খাওয়া হয়ে যায়। যার ফলে ওজন কমার বদলে বাড়তে থাকে। তাদের জন্য রইল দুপুর বেলার এক সুস্বাদু স্যালাড। এই স্যালাড ভোজনরসিকদের মনকে শান্ত রাখবে এবং পাশাপাশি ওজনও কমাবে। স্যালাডটাকে যদি বেশ মজাদার করে তোলা যায় তবে তা খেয়ে ডায়েট করা বেশি সহজ মনে হয়। তাই আজ আপনাদের জন্য রইল ৩ বেলার ৩টি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর স্যালাড, যা দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করবে।আরও পড়ুন: হেয়ার স্পায়ের সাতকাহন, খরচ বাঁচিয়ে বাড়িতে সহজেই করে নিন স্পা!চিয়া বিজ- আসলে চিয়া বীজের জন্ম সুদূর মেক্সিকোতে। স্থানীয় Salvia hispanica নামক mint প্রজাতির গাছের বীজ এটি, তাই এর কোনও ভারতীয় নাম নেই, এটি চিয়া বীজ নামেই প্রচলিত। ছোট, সাদা, ধূসর, বাদামী ও কালো রঙের এই বীজটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এর অনেক উপকারিতা আছে। এতে রয়েছে ওমেগা-৩ জাতীয় ফ্যাটি অ্যাসিড যে কারণে এটি হার্টের পক্ষে খুব ভালো। এটি আমাদের রক্তে HDL cholesterol বাড়ায় যা শরীরের জন্য ভালো। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে প্রোটিন ও ফাইবার। রয়েছে আয়রন এবং ক্যালসিয়ামও।ওজন কমানোর জন্য এই বিজটি সম্প্রতি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তবে শুধু শুধু চিয়া বিজ চিবোলে আখেরে কোনও লাভ হবে না। ফাইবারে পরিপূর্ণ এই বীজটি দীর্ঘ সময়ের জন্য শুধু পেটই ভরিয়ে রাখে না, বরং খিদে নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এর গুণগুলিকে যথাযথ ভাবে কাজে লাগাতে চাইলে নিয়মিত একে গ্রহণ করা উচিত।ডাল- ওজন কমাতে রাতে খান ডাল! শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন? আজ্ঞে হ্যাঁ, চটজলদি ওজন কমানোর জন্য ডায়েটে তো কত কিছুই অদল-বদল করলেন। সাত সকালে উঠে নিশ্চয়ই ব্যায়ামও করেন, ওজন কমবে (Weight loss) ভেবে? ওজন যদি কমাতে চান, তা হলে আপনার রাতের মেনুতে অন্যান্য খাবারের সঙ্গে রাখুন মুগের ডাল। একঘেয়ে লাগলেও একটু কষ্ট করে খান। একমাসে দেখবেন ভুঁড়ি কমছে। যথোপযুক্ত মাত্রায় ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, পটাশিয়াম, থিয়ামিন ও ম্যাঙ্গানিজ থাকে ডালে। শুধু তাই নয় প্রোটিন ও ফাইবারেও সমৃদ্ধ থাকে ডাল। যা দক্ষতার সঙ্গে ক্ষিদে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হার্ট অ্যাটাক থেকে শুরু করে ব্লাড সুগারের মাত্রা কমানো এবং ওজন কমানো ইত্যাদি অনেক উপকারেই কিন্তু এই ডাল দারুণ কাজ দেয় মুসুর ডাল।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips: 5 Best Crawling Exercises To Speed Up Your Weight Loss Journey – Weight Loss Exercise: শরীরচর্চার ৫ সেরা টোটকা! ঝরবে মেদ, কমবে ওজন

ওয়ার্ক ফ্রম হোমে শরীরে জন্ম নিচ্ছে ‘বিন বুলায়ে মেহমান’? এক জায়গায় বসে-বসে কাজ করে মেদ বাড়ছে। অথচ জিম যাওয়ার সময়টুকু হয়ে উঠছে না। বাড়িতে হালকা ব্যায়াম করারও সময় মিলছে না? একটু সময় বের করে নিন, না হলে আখেরে বড় বিপদ ডাকছেন! মেদ বাড়তে-বাড়তে একটা সময়ে আপনার নিয়ন্ত্রণে আর থাকবে না। আজ আপনাদের জন্য এমনই কিছু সহজ ব্যায়াম নিয়ে আমরা হাজির হচ্ছি, যেগুলি খুবই সহজ, সেই সঙ্গেই আবার কাজও দেবে চটজলদি। আচ্ছা, হামাগুড়ি কি শুধু বাচ্চাদের জন্য? বড়রা কি দিতে পারে না? অবশ্যই দিতে পারে। জানেন কী, হামাগুড়ি দিলে খুব সহজেই মেদ ঝড়ে, ওজনও কমে একবারে ছিপছিপে গড়ন এনে দিতে পারে মাত্র কয়েক মাসেই। তবে একদম বাচ্চাদের মতো করলে হবে না। হামাগুড়ি দেওয়ারও কিছু বিশেষ টেকনিক রয়েছে। আসুন, সেগুলিই একনজরে দেখে নেওয়া যাক আর জেনে নেওয়া যাক হামাগুড়ির (Weight loss journey with crawling exercises) এমনই কিছু পদ্ধতি যা, মেদ ঝরায় খুবই অল্পদিনে। ​এক্কেবারে শিশুর মতো হামাগুড়ি দিন -এই ব্যায়ামটি তাঁদের জন্যই, যাঁরা সবেমাত্র ওজন কমাতে ব্যায়াম শুরু করছেন। প্রথম দিকে একদমই বেশি চাপ নেবেন না। এক্কেবারেই কঠিন কসরত করার দিকে ঝুঁকবেন না। শিশুদের মতোই হামাগুড়ি বা বেবি ক্রলের (Baby crawl) চেষ্টা করুন। এই ভাবে একদম বাচ্চাদের মতো হামাগুড়ি আসলে আপনার শরীরের সমস্ত মাসলস রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। প্রি-ওয়ার্ক আউট স্ট্রেচ হিসেবেও এটি চমৎকার একটি ব্যায়াম। এই ভাবেই শুরুর দিকে শিশুদের মতো হামাগুড়ি দিন। প্রথমেই বেশি করতে যাবেন না। অল্প করে হামাগুড়ি দিন, আস্তে আস্তে বাড়ান। রোজ নিয়মিত ব্যায়াম করুন, দেখবেন মেদ ঝরবেই।
​ভালুকের মতো হামাগুড়ি দিন -কিছু দিন শিশুর মতো হামাগুড়ি দিয়ে একটু অভ্যস্ত হলেই এবার ভালুকের মতো হামাগুড়ি দিন। বেবি ক্রল বা বাচ্চাদের মতো হামাগুড়ি দেওয়ার পরবর্তী ধাপটাই হল ভালুকের মতো হামাগুড়ি বা বিয়ার ক্রল (Bear crawl)। এই ধরনের ব্যায়াম করতে গেলে আপনার হাত এবং পা মাটিতে ছুঁয়ে রেখে, নিতম্ব উপরে রেখে চলতে শুরু করুন। এই বিশেষ ব্যায়ামের সাহায্যে একই সঙ্গে আপনার হাত এবং পায়ের মুভমেন্ট হয়। এই ধরনের হামাগুড়ি রোজ দিতে পারলে, খুব অল্প সময়েই শরীরের মেদ ঝরিয়ে ফেলবেন।
​একপাশ হয়ে ভালুকের মতো হামাগুড়ি দিন -ভালুকের মতো হামাগুড়ি দেওয়ার পরবর্তী ধাপ এটি। একপাশ ধরে ভালুকের মতোই হামাগুড়ি দিতে থাকুন। এই ধরনের ব্যায়ামের পোশাকি নাম সাইডওয়েজ ক্রল (Sideways crawl)। ভালুকের হামাগুড়ি দেওয়ার ব্যায়ামের মতোই এতে রয়েছে অনেকটাই মিল। তফাৎটা হচ্ছে ভালুকের মতো হামাগুড়ি দিতে গেলে আপনি যেমন সামনের দিকে এগিয়ে যান, এই ব্যায়ামটির সাহায্যে আপনি ডানদিকে বা বামদিক ঘেঁষে চলতে পারেন। এটিও ওজন কমানোর জন্য খুবই কার্যকরী একটি ব্যায়াম। এই ব্যায়াম আপনার নিতম্বের সুন্দর একটা গঠন এনে দেবে। আর তার সঙ্গেই মেদও গলিয়ে দিতে পারবে খুবই অল্প সময়ে।
টিকটিকির মতো হামাগুড়ি দিন -এই ব্যায়ামটি একদম অ্যাডভান্সড লেভেলের একটি ব্যায়াম। তবে প্রথমেই এটি শুরু করতে যাবেন না। ভালুকের মতো দুই ধরনের হামাগুড়ি দেওয়ার পরই এটা ট্রাই করুন। এই ভাবে টিকটিকির মতো হামাগুড়ি দেওয়ার ফলে আপনার ফ্যাট যেমন গলবে, তেমনই আবার এর সাহায্যে মাসলের শক্তিও সঞ্চয় করতে পারবেন। টিকটিকি বা কুমির যে ভাবে হাঁটে, ঠিক সেই ভাবেই ব্যায়ামটি আপনাকে করতে হবে। এর পোশাকি নাম লিজ়ার্ড ক্রল (Lizard crawl)। ভালুকের মতোই হামাগুড়ির পজিশন নিন, আর তারপরে মাটিতে বুকে স্পর্শ করে চলাফেরা করার চেষ্টা করুন। ​ভালুকের মতো হামাগুড়ি দিয়েই পিছনের দিকে চলার চেষ্টা করুন -অত্যন্ত সহজ একটি ব্যায়াম। এই ব্যায়ামেও আপনাকে ভালুকের মতোই হামাগুড়ি দেওয়ার পজিশন নিতে হবে, কিন্তু চলতে হবে পিছনের দিকে। সচরাচর ভালুকের মতো হামাগুড়ি দিতে আপনি সামনের দিকে চলাফেরা করেন। এতে আপনাকে পিছনের দিকে যেতে হবে। শরীরের অনেক মাসলই থাকে, যেগুলি আমাদের ব্যায়াম করার সময়েও সচল হয় না। এই ব্যাকওয়ার্ড ক্রলের (Backwards crawl) সাহায্যে মাসলের চলাফেরা আরও সুষ্ঠু ভাবে হবে। দুই হাত এবং ট্রাইসেপসের জন্য এটি খুবই ভালো একটি ব্যায়াম।

Source link