Tag Archives: weight loss

weight loss: হেভিওয়েট থেকে টোনড ফিগার, কীভাবে এত স্লিম অ্যান্ড ট্রিম হলেন নীতা আম্বানি? জানুন গোপন রহস্য.. – these 2 things helped nita ambani lose weight quickly

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নীতা আম্বানির ফিটনেস সিক্রেট জানার জন্য সকলেই আগ্রহী। বিজনেস টাইকুন মুকেশ আম্বানির স্ত্রী, নিজেও সফল ব্যবসায়ী, সঙ্গে তিন সন্তানের মা নীতা আম্বানি অনেকের কাছেই একজন অনুপ্রেরণা। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানিকে নিয়ে অনেকেরই আগ্রহ রয়েছে। তার জীবনযাপন থেকে সৌন্দর্য সব বিষয়ে জানার জন্য কৌতুহলী আমজনতা। তার চোখধাঁধানো আড়ম্বরপূর্ণ জীবন, চমকে দেয় বারেবারে। কয়েক বছর আগে মুকেশ-নীতা আম্বানির ছেলে অনন্ত ওজন কমিয়ে সকলকে চমকে দিয়েছিলেন। একইভাবে ওজন কমিয়েছেন নীতা আম্বানি নিজেও। সম্প্রতি আবারও লাইমলাইটে উঠে এসেছে নীতা-র নাম। আগে তাঁর ওজন ছিল প্রায় ৯০ কেজি। কীভাবে এত স্লিম অ্যান্ড ট্রিম হলেন নীতা আম্বানি, ৫৭ বছর বয়সে দাঁড়িয়েও কীভাবে নিজেকে এত ফিট রাখেন? সেখানেই লুকিয়ে আসল ম্যাজিক। জেনে নিন নীতা আম্বানির ফিটনেস সিক্রেট।বেশ কিছু বছর আগে একটি সাক্ষাৎকারে নীতা বলেছিলেন, যে তিনি যখন বিবাহিত ছিলেন তখন তার ওজন ছিল ৪৭ কেজি। তারপর তিন সন্তানের মা হওয়ার পরই ওজন বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৯০ কেজি। তার এই স্লিম চেহারায় পিছনে রয়েছে তাক ছোট ছেলে। যার উৎসাহে তিনি নিজেকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে। নীতা আম্বানি জানান, একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে, যে খাবারই খান তা স্বাস্থ্যের উপর সর্বাধিক প্রভাব ফেলে। তাই তিনি বেশি করে ফল, শাকসবজি, বাদাম এবং বীজ খেতে শুরু করেন। কোনও ফ্যাড ডায়েট খাবারের চেয়ে বাড়ির খাবার পছন্দ করেন বলেও জানান নীতা। ডায়েট ছাড়াও নিয়মিত নাচ তাঁকে ফিট থাকতে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করেছেন বলে জানিয়েছেন নীতা আম্বানি।শুধু উপকারিতা নয়, রসুনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও আপনার অবশ্যই জানা উচিত!বিটের রস ওজন হ্রাসের গোপন বিষয়বিট পুষ্টিতে পরিপূর্ণ। আমাদের দেশে বিট সহজেই প্রতিটি বাজারে পাওয়া যায়। আপনি জেনে অবাক হবেন যে নীতা আম্বানির ওজন কমাতে বিটরুট প্রচুর সহায়তা করেছে। ওটা কমাতে প্রতিদিন এক থেকে দুই গ্লাস বিট্রুট রস পান করেন নীতা আম্বানি। বিটের রস কেবল শরীরকেই ডিটক্স করে না, পেট পরিষ্কার রাখার জন্যও কাজ করে। এটিতে কোনও ফ্যাট নেই এবং ক্যালোরিগুলিও খুব ছোট। যার কারণে এটি ওজন কমাতে খুব সহায়ক। দিনের শুরুতে বাদাম ও আখরোট খেয়ে দিন শুরু করেন নীতা। সকালের ব্রেকফাস্টে কুসুম বাদে ডিমের সাদা অংশটা অমলেট খান। দুপুরে সবুজ শাক-সবজি, স্যুপ খান। সন্ধেবেবেলায় পনির বা প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। এবং রাতের ডিনারে সবুজ শাকসবজি, স্যুপ কিংবা স্পাউট থাকে তাঁর মিলে।নাচশুধু ওয়ার্কআউটই নয়, ক্যালোরি কমানোর জন্য নাচও করেন নীতা। নাচের পরে ৩০ মিনিট ওয়ার্কআউট করেন এবং সন্ধ্যাবেলায় যোগব্যায়াম করেন। ওজন কমানোর বিষয়ে নীতা আম্বানি জানান, ”আসলে সন্তান যা করে, মাও তাই করে। অনন্ত যখন ডায়েট করছিল, তখন ও অনেক কিছুই খাওয়া বন্ধ করে দেয়। তখন আমিও ওর সঙ্গে ডায়েট করেছিলাম। নীতা আম্বানির কথায়, ‘ডায়েটে থাকাকালীন অনন্ত যা কিছু খেত, আমিও তাই খেতাম। ও যখন হাঁটতে যেত, আমিও যেতাম। ও যখন শরীরচর্চা করত আমিও করতাম। ওই আমার অনুপ্রেরণা, ওর মত করে সবকিছু করতে গিয়ে আমারও ওজন কমে। যদিও আমরা এখনও স্থুলতার সঙ্গে লড়াই করে চলেছি’।পলিসিস্টিক ওভারি নিয়ে ভয়? অসুখ এড়াবেন কোন পথে? পড়ুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ…ছেলে মাকে কীভাবে সাহায্য করেছিলনীতা আম্বানি ইতিমধ্যে তার পুত্র অনন্ত আম্বানির ওজন হ্রাস যাত্রাকে নিজের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প বলে গেছেন। মা ও ছেলে একে অপরকে ওজন কমাতে অনেক উত্সাহিত করেছিলেন। নীতা আম্বানি একবার বলেছিলেন- ‘অনন্তের মা হওয়ায় আমার ওজনও হ্রাস পেয়েছে। ওজন হারাতে তিনি আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিল। কারণ আমরা এখনও স্থূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করছি। অনেক শিশু রয়েছে যারা স্থূলত্বের সাথে লড়াই করছেন এবং তাদের মায়েরা এখনও এটি মেনে নিতে লজ্জা বোধ করেন’। এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss: মেদ ঝরাতে চাইলে প্রোটিনের এই লাড্ডু অবশ্যই খান, কীভাবে বানাবেন? শেখাচ্ছেন দীপিকা-ক্যাটরিনার ফিটনেস ট্রেনার – weight loss: these protein balls by celeb fitness trainer are a perfect way to increase your daily intake of protein

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: প্রোটিন আমাদের শরীরের গঠনে সাহায্য করে। তাই শিশু থেকে বয়স্ক, সন্তানসম্ভবা মহিলা থেকে ডায়াবিটিসের রোগী- সবার জন্যই প্রোটিন অতিপ্রয়োজনীয়। খাদ্য উপাদান। নিউট্রিশনিস্টরা বলছেন প্রোটিন এক ধরনের ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট অর্থাত্‍ মুখ্য পরিপোষক। বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও মস্তিষ্কের গঠনে প্রোটিন একান্ত প্রয়োজনীয়। এছাড়াও হর্মোন ও উত্‍সেচকের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে প্রোটিন। এমনকী সহায়তা করে বিভিন্ন বিপাকজাত কাজেও। আবার হাড় ও পেশির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে এই বিশেষ উপাদানটি।প্রোটিন আপনার ওজন, পেশী, ত্বক এবং চুলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি সংক্ষিপ্ত পুষ্টি, যা দেহের বিল্ডিং ব্লক হিসাবে পরিচিত। তবে, আপনার এই প্রোটিন জাতীয় খাবারকে আরও মজাদার করার জন্য আকর্ষণীয় কোনও উপায় কখনও ভেবে দেখেছেন? নতুন বছরে ওজন কমানোর যদি রেজলিউশন নিয়ে থাকেন তাহলে এই লাড্ডু অবশ্যই ট্রাই করুন। বলিউড সেলিব্রিটিদের ফিটনেস ট্রেনার ইয়াসমিন করাচিওয়ালা তার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে প্রতিদিনের ডায়েটে প্রোটিন কী ভাবে গ্রহণ করবেন তা শেয়ার করেছেন। এই প্রোটিন লাড্ডুগুলি খেলে, আপনি আপনার খিদে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন সহজেই। যা ওজন হ্রাসের পক্ষে সহায়ক। কেমন করে তৈরি করবেন দেখে নিন-প্রোটিন লাড্ডু তৈরির উপকরণ হ’ল- লাল খেজুর (১২০ গ্রাম), কাটা বাদাম (৩ টেবিল চামচ), ফ্লাশসিড পাউডার (২ টেবিল চামচ), চিয়া বীজ গুঁড়ো (২ টেবিল চামচ), কোকো পাউডার (২ টেবিল চামচ), কাটা কালো কিসমিস (২) টেবিল চামচ), আদা রস (১ টেবিল চামচ), এলাচের গুঁড়ো (১/২ টেবিল চামচ), বাদাম তেল (১ টেবিল চামচ) এবং দারচিনি গুঁড়ো (১/৩ টেবিল চামচ)পদ্ধতিসব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এর পর ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার ছোট লেবু আকারের বল তৈরি করুন। এই লাড্ডুগুলি শুকনো নারকেলের গুঁড়োতে রোল করুন এবং ১৫ মিনিটের জন্য ঠান্ডা রাখুন। তারপরে একটি কাচের জারে সংরক্ষণ করুন। প্রতিদিনের ডায়েটে প্রয়োজনীয়তা অনুসারে এক বা একাধিক প্রোটিন লাড্ডু খান। ৫৫-তেও ফিট সলমন, বলিউড সুপারস্টারের ডায়েট চার্ট কেমন, সারাদিন কী কী খান ভাইজান? জানুন…এই প্রোটিন বলগুলি গ্রহণ করে, আপনি আপনার খাবারের মধ্যে বিরতিতে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। আপনি এগুলি প্রতিদিন খেতে পারেন এবং এটি খাওয়া কেবল আপনার পেট দ্রুতই পূরণ করে না তবে আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে রাখে। সুতরাং আপনি যদি ওজন হ্রাস করার চেষ্টা করছেন, তবে আপনাকে অবশ্যই এই প্রোটিন বলগুলি ব্যবহার করে দেখতে হবে।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

weight loss tips in bengali: From Weight Loss To Anti Aging Know Health Benefits Of Eating Red Lentils Or Masoor Dal – হার্টের রোগ থেকে রূপচর্চা, মুসুরডালে আরও যা যা উপকারিতা… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শরীরের জন্য প্রোটিন খুব জরুরি। রোজকার খাবার তালিকায় তাই প্রোটিন জাতীয় খাবারের ভাগ থাকা জরুরি। ভারতীয়দের খাদ্যাভাস অনুযায়ী পাতে ডাল ও সবজি থাকাটা বাধ্যতামূলক। প্রোটিনের অন্যতম উৎস ডাল। আমিষ ও নিরামিষাশী সবার ক্ষেত্রেই প্রোটিনের প্রয়োজন মেটায় ডাল। বাঙালির খাদ্যাভ্যাসকে ‘মাছে-ভাতে’ বলে খণ্ডায়িত করা হলেও আসল অর্থে ডাল ছাড়া তা অনেকটাই অপরিপূর্ণ। এখন এমন সময় দাঁড়িয়েছে, সপ্তাহে নির্দিষ্ট কয়দিন মাছ থাকলেও ডাল চাই প্রতিদিন। নানান স্বাদের পদের সঙ্গে নানা রকম ডাল। মুগ, মসুর, অড়হর, মটর-এমন আরও অনেক রকম ডাল আমরা খেতে ভালোবাসি। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না, মুসুর ডালে কী কী পুষ্টিগুণ রয়েছে।গত কয়েক দশকে, মুসুর ডাল তাদের বিশেষ উপকারের কারণে ভারতীয় খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে উঠেছে। এটা তৈরি করাও খুব সহজ। এক কাপ মসুর ডালে থাকে ২৩০ গ্রাম ক্যালোরি, প্রায় ১৫ গ্রাম ফাইবার এবং প্রায় ১৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। আয়রন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ এই মুসুর ডাল নিরামিষদের জন্য আদর্শ পছন্দ। রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করেপ্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে মুসুর ডালের মধ্যে। এটি হজমের হারকে হ্রাস করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রায় হঠাৎ বা অযাচিত পরিবর্তনগুলি রোধ করে। তাই যাদের রক্তে চিনির পরিমাণ বেশি ইনসুলিন উত্পাদনে সমস্যা রয়েছে তাঁদের প্রতিদিন এই ডালটি খাওয়া উচিত। মুসুর ডালে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। ফলে অনেক খাবারের ঘাটতি মিটিয়ে দেয় সহজেই। কম ফ্যাট থাকার কারণে শরীরে মেদ জমে না। প্রোটিন ছাড়াও ডালে প্রচুর ফাইবার থাকে। এ ছাড়া থাকে জিঙ্ক ও আয়রন। শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ডাল। যাঁদের ডায়াবিটিস রয়েছে তাঁদের দেহে যাতে ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক থাকে তাই মুসুর ডাল খেতে বলা হয়। এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। আর তা সহজেই ইনসুলিনকে বার্ন করতে পারে। ফলে ডায়াবিটিস খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।ওজন কমাতেও কার্যকর এই ডালওজন কমানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করে মুসুর ডাল। ভাত কিংবা রুটি না খেয়ে বারে বারে যদি এই ডাল খাওয়া যায় তাহলে বেশ খানিকটা ওজন কমে। এছাড়াও মুসুর ডাল বেটে চিল্লা বানানো যায়। আর এই ডাল সাইটোকাইনিন হরমোন ক্ষরণ করে, যার ফলে মেটাবলিজম বাড়ে। হজমও ভালো হয়। আর হজম ভালো হলে শরীর সুস্থ থাকবেই। মুসুর ডালকে বেশিরভাগ ওজন কমানোর ডায়েটের একটি দুর্দান্ত অঙ্গ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কেবলমাত্র সঠিক পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট যা তৃপ্তির অনুভূতি দেয়, যখন ফ্যাট খুব কম থাকে।হার্ট ভালো রাখেমুসুর ডালের মধ্যে থাকে পটাশিয়াম ও আয়রন। যার ফলে রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে। আর এর ফলে হার্টের মধ্যে দিয়ে রক্তপ্রবাহ ভালো হয়। পেশি কর্মক্ষম থাকে। সেই সঙ্গে যাঁদের হার্টবিট বেশি থাকে তা স্বাভাবিক ছন্দে আসে। আর চিকিৎসকদের মতে যাঁদের হাইপার টেনশন রয়েছে তাঁদের প্রতিদিন মুসুরডাল খাওয়ার কথা বলছেন। পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, কপার…মুগডালের মধ্যে কি নেই! এছাড়াও মুগডালের মধ্যে থাকে ফাইবার, ভিটামিন বি৬, বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি। যা শরীরের কার্বোহৈাইড্রেট ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি করে। সেই সঙ্গে শরীরে তৈরি হয় এনার্জি।রূপ চর্চায় ম্যাজিকের মতো কাজ করেত্বককে সুন্দর করে তুলতে মসুর ডাল বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি, দাগহীন এবং ঝলমলে ত্বক চান তবে মুসুর ডাল অবশ্যই কার্যকর বলে প্রমাণিত হতে পারে। এটি বলিরেখা এবং কালো দাগ থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করতে পারে। ত্বকে যদি ট্যান পড়ে যায় মুসুর ডাল খুব কাজ করে। এর জন্য মসুর, হলুদ এবং গোলাপজল দিয়ে তৈরি ফেসমাস্ক মুখে লাগান। ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে এই মিশ্রণে দুধ যোগ করুন এবং ফেসমাস্ক লাগিয়ে রাতারাতি রেখে দিন। মুসুর ডালে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আর প্রোটিন। এগুলো ফেসপ্যাকের মাধ্যমে ত্বকে প্রবেশ করে এবং ত্বকের টিসুকে সজীব রাখে। তাই সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক অনেক বেশি টানটান হয় এবং বলিরেখা অনেক কম পড়ে। পুষ্টিতে ভরপুরপটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, কপার.. কি নেই! এছাড়াও মুসুরডালের মধ্যে থাকে ফাইবার, ভিটামিন বি৬, বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি। যা শরীরের কার্বোহৈাইড্রেট ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি করে। সেই সঙ্গে শরীরে তৈরি হয় এনার্জি। প্রতিদিন শরীরের চাহিদার ৪০ শতাংশ পূরণ হয় এই মুসুরডাল থেকেই। সেই সঙ্গে যাঁদের কোলেস্টেরল রয়েছে তাঁরাও সুস্থ থাকতে নির্ভয়ে খেতে পারেন মুগডাল। মুসুর ডাল সহজপাচ্য হওয়ার ফলে শিশু ও বয়স্কদের খাদ্য তালিকায় রাখা যায় সহজেই। যারা আমিষ খেতে চান না তাদের ক্ষেত্রে এই ডাল খাওয়া অবশ্যই উচিত। অনেক সময় পেটব্যথা, হজমের সমস্যা সংক্রান্ত অসুখে চিকিৎসকরা হালকা ডাল বা ডালের জল খাওয়ার পরামর্শ দেন।

Source link

Choreographer Ganesh Acharya: ৮৫ কেজি ওজন কমিয়ে চমক সেলেব কোরিওগ্রাফারের, কিন্তু কী ভাবে ওজন কমালেন গণেশ? জানুন… – choreographer ganesh acharya reveals he lost 85kgs from 200-kgs a look at his weight loss journe

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর ওজনের কাঁটা ছুঁয়েছিল ২০০ কিলোগ্রাম। তখনই তিনি ঠিক করেছিলেন, এ বার কিছুটা কমাতে হবে। বন্ধু, সহকর্মী, প্রতিবেশীরাও বাঁকা চোখে তাকাচ্ছিলেন। সবচেয়ে বড় কথা বিভিন্ন রোগ বাসা বাঁধছিল শরীরে। তাই এক ধাক্কায় ৮৫ কিলোগ্রাম ওজন কমিয়ে ফেললেন তিনি। এবং ওজন কমিয়ে ফের শিরোনামে বলিউডের স্টার কোরিওগ্রাফার গণেশ আচারিয়া।ক্যাটরিনার ‘চিকনি চামেলি’ হোক বা ‘অগ্নিপথ’-এ হৃতিকের মুভমেন্ট— যা দেখে আপনি মুগ্ধ হয়েছেন যার নেপথ্য কারিগর আসলে গণেশ স্বয়ং। তিনি অনেক মানুষকে নাচের প্রতি আগ্রহী করে তুলেছেন। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কারও। তবে রোগা হওয়ার পর নাকি বদল এসেছে তাঁর নাচেও। সেটা কী জানেন? গণেশ নিজেই বলেছেন, ‘অনেক ওজন নিয়েও আমি নাচতাম। কিন্তু এখনকার সঙ্গে তার একটা পার্থক্য রয়েছে। আসলে এখন আমার নাচে এনার্জি অনেক বেশি থাকে’।বলিউডের স্টার কোরিওগ্রাফার কী ভাবে ওজন কমালেন গণেশ?২০১৫-এ গণেশের ওজন ছিল ২০০ কিলোগ্রাম। তারপরই তিনি ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ওজন কমানোর আপডেট দিতে থাকেন। এক বছরে ৯৫ কিলো ওজন কমিয়ে ফেলেছেন এর পর আরও ১০ কেজি কমান গণেশ। গণেশ জানিয়েছেন, তাঁকে শুধু মোটা হিসেবেই লোকে দেখেছেন। সেটা বদলাতে চেয়েছিলেন তিনি। হাঁস না মুরগির ডিম, পুষ্টি কোনটিতে বেশি? জানুন…ওয়ার্কআউট এবং অনুশীলন থেকে সহায়তাকোরিওগ্রাফার গণেশ ব্যাখ্যা করেছেন, ‘প্রথম দুই মাস আমার জন্য খুব চ্যালেঞ্জের ছিল। সাঁতার শিখতে আমার ১৫ দিন সময় লেগেছে। ধীরে ধীরে আমার প্রশিক্ষক অজয় নাইডু আমাকে জলে ক্রাঙ্ক করতে শিখিয়েছিলেন। এগুলি ছাড়াও আমি প্রায় ৭৫ মিনিটের জন্য ১১টি অনুশীলন করতাম। এইভাবে, আমি দেড় বছরে ৮৫ কেজি হ্রাস করতে পেরেছি।এখন আমি দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে নাচছিসেরা কোরিওগ্রাফির জন্য জাতীয় পুরষ্কার জয়ী গণেশ আচারিয়া বলেন, ‘নাচ আমাকে ওজন হ্রাসে অনেক সহায়তা করেছিল। আমার ওজন বেশি হওয়ার পরেও আমি নাচতাম, তবে ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। ওজন কমানোর পরে আমি দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে নাচ করি। শুধু তাই নয়, পোশাকের লেবেলটি ৭এক্সএল থেকে L-ও চলে গিয়েছে।বলিউডের স্টার কোরিওগ্রাফারফিট এবং স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠুনকোরিওগ্রাফার গণেশ আচারিয়া কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অনুশীলন এবং ওয়ার্কআউট দ্বারা ৮৫ কেজি হ্রাস করেছেন। আজ তিনি খুব ফিট এবং স্বাস্থ্যবান। এখন তিনি নিজের ওয়ার্কআউটের রুটিনের ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন। তিনি এখন স্থূলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ফিটনেস আইকনে পরিণত হয়েছেন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

winter breakfast: শীতকালের ব্রেকফাস্টে এ সব খাবার রাখলে কমবে না, উল্টে বেড়ে যাবে ওজন! – 5 foods you should avoid at breakfast

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সুস্থ থাকতে, শরীরে সঠিক পুষ্টি জোগাতে কখনই ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া উচিত নয়। সকালে ঠিক মতো খাবার খেলে তবেই সারা দিন চাঙ্গা থাকার এনার্জি পাওয়া যায়। ব্রেকফাস্ট শুধু খেলেই হল না, কী খাচ্ছেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। পুষ্টিগুণে ভরপুর সুষম ব্রেকফাস্ট প্রয়োজন। বিশেষে করে শীত কালে যখন আমাদের এনার্জির মাত্রা এমনিতেই কিছুটা কম থাকে। এই খাবারগুলো ব্রেকফাস্ট হিসেবে যথেষ্ট প্রচলিত হলেও পুষ্টিগুণের কথা বিচার করে ব্রেকফাস্টে না খাওয়াই ভালো। পুষ্টিবিদ ও ডায়াটেশিয়ানদের মতে, অনিয়মিত জীবনযাপন ও অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে ওবেসিটি, সুগার, উচ্চ রক্তচাপের মতো অসুখ বাসা বাঁধে শরীরে। চিকিৎসকরাও তাই খাবারদাবার নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পুষ্টিবিদ ও ডায়াটেশিয়ানরাও তাই কখন কোন খাবার খাচ্ছেন, কত ক্ষণের বিরতিতে খাবার খাচ্ছেন, এ সবের উপর খুবই জোর দিয়ে থাকেন।ফ্লেভারড লো ফ্যাট ইয়োগার্টএই সব ইয়োগার্ট বাজার থেকে কেনার সময় লেবেল পড়ে আমরা ভাবি লো ফ্যাট খাবার কিনছি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই সব ফ্লেভারড ইয়োগার্টে প্রচুর পরিমাণ চিনি ও কৃত্রিম উপাদান থাকে। যার ফলে শুধু ওজন বাড়ার ঝুঁকিই নয়, বুকে মিউকাস জমার ঝুঁকিও থাকে। টক দই আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারী, তবে অনেকেরই ধারনা ঠাণ্ডা খাবার হওয়ায় এটি শুধু গরমকালেই খাওয়া যায়, অন্যদিকে শীতকালে টক দই খেলে ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। টক দইয়ে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিক থাকায় এটি হজমে সহায়তা করে। সেইসঙ্গে এই প্রোবায়োটিক মেদ ঝরাতেও ভূমিকা রাখে। ওজন ঝরিয়ে ছিপছিপে হওয়ার আশায় অনেকেই ফ্লেভারড লো ফ্যাট ইয়োগার্ট খেয়ে ব্রেকফাস্ট সারেন। কিন্তু এতে শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে।সিরিয়ালসসবচেয়ে সহজে জলদি ব্রেকফাস্ট তৈরি করতে সিরিয়ালই ভরসা। সিরিয়াল যতটা পুষ্টিকর ভাবা হয় ততটা মোটেও নয়। এতে যেমন অ্যাডেড সুগার থাকে তেমনই ফাইবার ও প্রোটিন থাকে না। ব্যস্ততার জীবনে সকালে খানিকটা সময় নিয়ে জলখাবার খাওয়ার উপায় নেই। অগত্যা কর্নফ্লেক্স, মিউয়েসলি এ সব চটজলদি খাবার দিয়ে কাজ সারতে হয়। বিজ্ঞাপনে অনেক কিছুই দেখায়, তাই কিনে ফেলেন অনেকেই। ওজন বাড়ছে, রক্তচাপ মাথা চাড়া দিচ্ছে, ব্লাড সুগারও অবাধ্য। এখন উপায়? ভালো করে এই ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল-গুলোর প্যাকেটের পিছন দিকটা পড়ে দেখলেই বুঝবেন, শুধুই চিনি, রিফাইন্ড শস্য ও রাসায়নিকের ব্যবহার। আগের মতো সাত-সকালে রুটি, তরকারি বানানোর সময় নেই। ফ্রুট জুসসকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রুট জুস খাওয়া খুব স্বাস্থ্যকর এই ভুল ধারণা অনেকেরই রয়েছে। ফ্রুট জুসের মধ্যে যেমন চিনি থাকে তেমনই রস বের করে নেওয়ায় ফলের ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ফ্রুট জুস খেলে একদিকে যেমন ডায়াবেটিসের আশঙ্কা থাকে তেমনই অন্য দিকে ওবেসিটির সমস্যাও দেখা দেয়। ব্রেকফাস্টে ফলের রস খেলে তা হলে বাড়িতেই রস করে খান। সবচেয়ে ভালো হয় যদি গোটা ফল খেতে পারেন। তবে চিকিত্সক বা ডায়েটিশিয়ানরা বলেন স্বাস্থ্যগুণ বজায় রাখতে রস নয়, অবশ্যই খান গোটা ফল। পারলে খোসাসমেত। বাজারে সহজলভ্য প্যাকেটজাত ফলের রসে অ্যাডেড সুগার থাকে। যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। প্যানকেক ও ওয়াফলব্রেকফাস্ট হিসেবে প্যানকেক বা ওয়াফল বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু অতিরিক্ত রিফাইন্ড ফ্লাওয়ার ও চিনি থাকায় প্যানকেক খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই অলস ও ক্লান্ত লাগতে থাকে। প্যানকেক, পেস্ট্রি, কেক, চিপ্‌স এ সব খাবার কখনও স্বাস্থ্যকর নয়। অতিরিক্ত চিনি, নুন, তেল ইত্যাদি এ সব খাবারে থাকায় এদের বাদ দিন ডায়েট থেকে। রিফাইন্ড ময়দা, ভেজটেবল অয়েল, ডিম ও চিনি দিয়ে তৈরি হয় মাফিন। সেই সঙ্গে থাকে চকোলেট চিপস ও হুইপড ক্রিমের টপিং। হাই সুগার ও হাই ক্যালোরি খাবার মাফিন। পুষ্টিগুণ কম।মাফিন কেক-কুকিজ যাঁরা ভালোবাসেন তাঁরা মাফিনেরও (Muffin) ভক্ত। সাধারণত রিফাইন্ড ময়দা, ভেজটেবল অয়েল, ডিম ও চিনি দিয়ে তৈরি হয় মাফিন। সেই সঙ্গে থাকে চকোলেট চিপস ও হুইপড ক্রিমের টপিং। হাই সুগার ও হাই ক্যালোরি খাবার মাফিন। পুষ্টিগুণ কম। অনেকেই ব্রেকফাস্টে মাফিন খেয়ে থাকেন। মাফিনে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি থাকে যা শরীরে অতিরিক্ত মেদ সৃষ্টি করে। সেই জন্য সকালে খালি পেটে মাফিন না খাওয়াই ভালো। কৃত্রিম চিনি বা মিষ্টিযুক্ত খাবার ব্রেকফাস্টে না খাওয়াই ভাল। এগুলি শরীরে অতিরিক্ত মেদ সৃষ্টি করে। রক্তে কোলেস্টোরল বাড়িয়ে দিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুগুন বাড়িয়ে দেয়।

Source link

weight loss: ‘রোজ দুপুরে জোয়ার বা বাজরার রুটি’, ৭ মাসেই ৩০ কেজি ওজন কম যুবকের! – weight loss transformation stories guy lost 30.5 kilos in 7 months by eating bajra and jowar roti read diet chart workout routine

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ডায়েট সুস্থ স্বাভাবিক জীবনের একটি অপরিহার্য অঙ্গ। কিন্তু অনেকেই না বুঝে এমন ডায়েটে চলে যান, যা শরীরের উপকারের বদলে ক্ষতি করে সবথেকে বেশি। শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্য সচেতনরা কত না করে থাকেন। বিশেষ করে পরিমিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে ডায়েট কন্ট্রোল করা এর অন্যতম উপায়। শরীরের বাড়তি ওজন ঝেড়ে ফেলতে ওজন কমানো ডায়েট বেশ কার্যকর। শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্য সচেতনরা কত কিছুই না করে থাকেন। বিশেষ করে পরিমিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে ডায়েট কন্ট্রোল করা এর অন্যতম একটি উপায়। স্থূলত্ব কমাতে সাধারণত নিয়মিত অনুশীলনের পাশাপাশি ডায়েট পরিবর্তন করা দরকার। অস্বাস্থ্যকর ডায়েট এবং উচ্চ ক্যালোরি গ্রহণের কারণে স্থূলত্বের সমস্যাটি দ্রুত বাড়ছে। ওজন বৃদ্ধি অনেক সমস্যা সৃষ্টি করে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ করা খুব জরুরি। যেমন ভাদোদরার বছর ২৬-এর যুবক। এই বয়সেই ১০৩ কেজি ওজন বেড়ে যায়। আসতে স্থূলত্ব যে বাড়ছে তা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। ছেলেবেলা থেকে ক্রিকেট উত্সাহী হয়েও ওজন বেড়ে যাওয়ায় সমস্যা তৈরী হয়। নিজেকে নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করেছিলেন তিনি। তারপরে তিনি তাঁর খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনেন। ফলস্বরূপ ৭ মাসে ৩০.৫ কেজি হ্রাস করেন তিনি। কেমন করে তিনি ওজন কমালেন? ওই যুবক জানিয়েছেন, ‘নিজের ওজন বেড়ে যাওয়ার শুরুর দিকে আমি সমস্যায় হয়নি। তবে আমার ওজন যখন তিন অঙ্কে বেড়েছে তখন আমি ভয় পেতে শুরু করি। তারপরে আমি নিজেকে ফিট ও সুস্থ রাখতে ওয়ার্কআউট করা শুরু করি ও ডায়েট চার্টে পরিবর্তন আনি।ব্রেকফাস্ট: সকালে এক গ্লাস হলুদ বা জিরা জল, চা, চাপাতি, ওটস, অমলেট বা সিদ্ধ ডিম।দুপুরে: দু’টি জোয়ার ও বাজরার রুটি, এক বাটি সবজি, লেটুস, মসুর ডাল, দই।রাতের খাবার: পনির, ভেজিটেবল স্যুপ, ওটমিল খিচুড়ি, দই।প্রাক-ওয়ার্কআউট: বিভিন্ন ধরণের ফলওয়ার্কআউট পরবর্তী খাবার: প্রোটিন শেক / সিদ্ধ ডিম / স্প্রাউট এবং সালাদওয়ার্কআউট রুটিনপ্রাথমিকভাবে, ১৫ কেজি কমানোর জন্য প্রতিদিন ৩০-৪৫ মিনিট সময় দিতেন। এর মধ্যে ৩০ মিনিট সাইকেল চালিয়ে বা ৪৫ মিনিট সাঁতার কাটেন। যুবক বলেছেন, “আমি প্রতিদিন ৫০-৫৫ মিনিট হাঁটতাম। আমার ওজন যখন কমে ৮৭ কেজিতে দাঁড়ায় তখন আবার ক্রিকেট অনুশীলন শুরু করি। তারপরে আমি আমার ওজন হ্রাস করতে সাঁতার কাটতে শুরু করি।মোটিভেশনওয়ার্কআউট শুরু করার পরে তাঁর শরীরে পরিবর্তনগুলি লক্ষ্য করতে শুরু করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি প্রতিদিন ছোট ছোট পরিকল্পনা তৈরি করতাম এবং সেটি সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করতাম। এর ফলে ওজন হ্রাস শুরু হয়। ধ্যান ও আধ্যাত্মিকতাও আমাকে ওজন হ্রাসে অনেক সহায়তা করে’। জীবনযাত্রায় পরিবর্তনশরীরে মেদ কমাতে, দিনে ৬ থেকে ৭ বার অল্প পরিমাণে খেতেন। এ ছাড়া নিয়মিত অনুশীলন এবং ওয়ার্কআউট করা ছিল তাঁর রুটিনের অংশ ছিল। সময় মতো ঘুমানো এবং খাওয়ার অভ্যাস করলেন তিনি। এইভাবে জীবনশৈলী পরিবর্তন করে ওজন কমিয়ে ফেলেছেন।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে

Source link

weight loss tips: Health Benefits Of Pistachios (Pista): From Weight Loss To Heart Health – আইসক্রিম হোক বা সন্দেশ, একটু থাকলে স্বাদ হয় দ্বিগুণ! পেস্তা খাওয়ার উপকারিতা জানুন… | Eisamay

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আইসক্রিম হোক বা সন্দেশ, পেস্তা থাকলে স্বাদ হয়ে যায় দ্বিগুণ। পেস্তা এমনই এক সুস্বাদু বাদাম। কিন্তু এই পেস্তা নিয়ে রয়েছে অনেক ভুল ধারণাও। অনেকেই ভাবেন পেস্তা খেলে মোটা হয়, পেট খারাপ হয়। আবার খোসা ছাড়ানোর ঝক্কিও নিতে চান না কেউ কেউ। অথচ পেস্তা যে ওজন কমাতে সাহায্য করে তাই নয়, পেস্তার রয়েছে অন্যান্য পুষ্টিগুণও। যে কারণে ডায়েটে পেস্তা রাখতে বলে থাকেন নিউট্রিশনিস্টরা। উজ্জ্বল সবুজ রঙের দারুণ সুস্বাদু বাদামটির নাম যে পেস্তা, এটা মোটামুটি সকলেই জানেন। দামটা বেশ চড়া হলেও বিশেষ উত্‍সবের পায়েস, সেমাই , পোলাওতে পেস্তার দেখা মেলেই। যারা পেস্তা বাদাম খান না, তাঁরাও কিন্তু চেনেন পেস্তা ফ্লেভারের আইসক্রিম। সব মিলিয়ে সুস্বাদু এই খাবারটির সাথে আমাদের সম্পর্ক কম দিনের নয়। পেস্তা বাদাম তো খাওয়া হয় প্রায় সবারই, কিন্তু জানেন কি পেস্তার গুণাবলী? পেস্তা নিয়মিত খেলে কী উপকার হয় শরীরের আর দৈনিক কটা বাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত? চলুন, জেনে নিই।পুষ্টিগুণফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন বি৬ ও পটাশিয়াম থাকার কারণে পেস্তা পুষ্টিগুণে ভরপুর এক খাবার। পেস্তাবাদামে রয়েছে মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা কোলেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী। প্রোটিনের একটা চমত্‍কার উত্‍স হচ্ছে পেস্তা। ফলে পেস্তা বাদাম হৃদরোগের ঝুঁকিও কমাতে কার্যকর। ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়ামের দারুণ উত্‍স হচ্ছে পেস্তা বাদাম। এদিকে এতে ফ্যাটের পরিমাণ পণ্য বাদামের চাইতে অনেকটাই কম। পেস্তাবাদামে লুটেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা বয়সের কারণে সৃষ্ট নানা শারীরিক সমস্যা যেমন মাংসপেশির দুর্বলতা, চোখের ছানির সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে।ওজনএনার্জি জোগানোর পাশাপাশি যে কোনও বাদাম ওজন বশে রাখতেও সাহায্য করে। পেস্তারও রয়েছে এই গুণ। ফ্রেঞ্চ গবেষকদের মতে প্রতিদিন পেস্তা বাদাম খেলে শরীরের ওজনে কোনও পরিবর্তন হয় না। এমনকি একটু বেশি পরিমাণে পেস্তা খেলেও ওজন বাড়ে না। তাই স্ন্যাকস হিসেবে পেস্তা খেলে ওজন বৃদ্ধির জন্য কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াও বন্ধ হয়। পেস্তায় থাকা প্রোটিন এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে। ওজন (weight) কমাতে (loose) চাইলে প্রথমেই আমরা ভয় পেয়ে তড়িঘড়ি খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিই। এতে কাজের কাজ কিছু হয় না। উল্টে ফল হয় সাঙ্ঘাতিক। অথচ কয়েকটি ছোট্ট-ছোট্ট উপায় অবলম্বন করলেই ডায়েট আর এক্সারসাইজ খুব একটা না করেও ওজন কমে যায়। পেটপেস্তা খাদ্যনালীতে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে পেট পরিষ্কার থাকে। কারণ, বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যে কারণে বাদামকে বলা হয় সুপারফুড। তাই এটি খেলে ওজন না বেড়েও শরীর সুস্থ থাকে। তাছাড়া এতে আছে ফাইবার, প্রোটিন, হেলদি ফ্যাট, ভিটামিন ও খনিজ। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে আগের দিন রাতে ভিজিয়ে রাখা বাদাম খান। খালি পেটে খেলে বাদামের পুষ্টিগুণ শরীরে তাড়াতাড়ি হজম হবে। দৈনিক ৬/৭ টা বাদাম খেলেই যথেষ্ট।রক্ত চাপরোজ ডায়েটে পেস্তা থাকলে তা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। পেস্তা রক্তে এইচডিএল বা গুড কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে ও এলডিএল বা ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। পেস্তায় আছে মোনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এই ফ্যাট ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। এছাড়া পেস্তায় আছে যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন। তাই পেস্তা খেলে অনেকক্ষণ খিদে পায় না। এই প্রোটিন শরীরে পেশীর টিস্যু তৈরি করে। তাই এটি শুধু ওজন কমানোর জন্য নয়, স্বাস্থ্যের পক্ষেও খুব ভালো।রক্তনালীপেস্তা রক্তনালীর এন্ডোথেলিয়ামের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই এন্ডোথেলিয়াম ভ্যাসোডাইলেশন অর্থাত্ রক্তনালীর সংকোচন, প্রসারণের জন্য দায়ী। দাঁতের রোগ ও লিভারের সমস্যায় পেস্তাবাদাম বেশ উপকারী। পেস্তা বাদাম রক্ত শুদ্ধ করে। লবণ দিয়ে ভাজা বাদাম বা প্রক্রিয়াজাত করা বাদাম খাবেন না। বাদামের ওপরের পাতলা খোসাটা ছাড়িয়ে খান। কাঁচা চিবিয়ে খেতে পারলেই সবচাইতে ভালো। নাহলে ক্ষীর বা মিষ্টি কোন খাবারের সাথে খান। বেটে নিয়ে দুধে মিশিয়েও খেতে পারেন।ডায়াবেটিসপেস্তা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রতি দিন ৫৬ গ্রাম পেস্তা খেলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা ২০-৩০ শতাংশ কম করতে সাহায্য করে। ডায়বেটিসে যারা আক্রান্ত, তাঁদের জন্য পেস্তা বাদামে থাকা স্বাস্থ্যকর তেল বিশেষভাবে উপকারী। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ‘বাদামে ফ্যাট থাকলেও তা শ্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। এছাড়া পেস্তায় রয়েছে ফাইবার, পট্যাশিয়াম ও অ্যান্টি অক্সিডেন্টস। ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের হামেশাই হার্ট বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। হৃদযন্ত্রের যত্ন নিতে রোজ পেস্তা খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে সুফল পাবেন।’ স্বাদখেতে অসাধারণ। তাই পেস্তা মন ভাল করে। স্যালাডে গার্নিশ করে, স্মুদি বানিয়ে বা পেস্তা আইসক্রিম খেলে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মুডও ভাল হবে। পেস্তার খাদ্যগুণ সম্পর্কে মোটামুটি সকলেই ওয়াকিবহাল। এবার মার্কিন গবেষকরা জানিয়েছেন, এই বাদাম রোজ খেলে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে দুরূহ ডায়াবেটিস। মোঘল আমল থেকে পেস্তা বাদাম ও জাফরান মিশিয়ে কুলফির দারুণ চলতো। খেতে অসাধারণ। তাই পেস্তা মন ভাল করে। স্যালাডে গার্নিশ করে, স্মুদি বানিয়ে বা পেস্তা আইসক্রিম খেলে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মুডও ভাল হবে। পেস্তার খাদ্যগুণ সম্পর্কে মোটামুটি সকলেই ওয়াকিবহাল। এবার মার্কিন গবেষকরা জানিয়েছেন, এই বাদাম রোজ খেলে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে দুরূহ ডায়াবেটিস। মোঘল আমল থেকে পেস্তা বাদাম ও জাফরান মিশিয়ে কুলফির দারুণ চলতো।

Source link

Ajwain: শুধুই হজমজনিত সমস্যা সমাধানের হাতিয়ার নয়, নিয়মিত জোয়ান খেলে মিলবে নানা উপকার! – ajwain water is what you need for weight loss, asthma, irregular menstrual cycle!

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: জোয়ান মাত্রই হজম সহায়ক, এ কথা কে না জানে! কিন্তু জোয়ান মানে যে শুধুই হজমজনিত সমস্যা সমাধানের হাতিয়ার নয়, তা কি জানেন? বরং জোয়ানের আছে এমন অনেক গুণ, যা আপনার শারীরিক সুস্থতার জন্য অনেকাংশেই দায়ী। আমাদের রান্নাঘরেই একাধিক ভেষজগুণ সম্পন্ন উপাদান রয়েছে, যা বহু শতাব্দী ধরে কফ-কাশি থেকে শুরু করে পেটে ব্যথা-বদহজমের সমস্যা-সহ একাধিক রোগে দারুণ কাজ দেয়। নানা ধরনের সংক্রমণ দূর করে। আর এ রকমই এক উপাদান হল জোয়ান। নানা রকমের পরোটা, পুরি তৈরিতে প্রায়শই জোয়ান ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া খাওয়াদাওয়ার পর এক চিমটে জোয়ান খাওয়া আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। নিমন্ত্রণবাড়ি হোক বা নিজের বাড়িতেই ভারী খাওয়াদাওয়া— জোয়ানের শরণ নিই আমরা অনেকেই। হজমশক্তি বাড়ানো ছাড়া আর কী কী ভাবে জোয়ান আপনাকে সাহায্য করতে পারে, জানেন?সমস্ত ধরনের পেটের সমস্যা দূর করতে পারেচিকিৎসকদের কথায়, নানা ধরনের পেটের সমস্যা দূর করতে পারে জোয়ান। বহুকাল ধরেই এটি এ ক্ষেত্রে একটি অতি পরিচিত ঘরোয় উপায়। পেটে ব্যথা, গ্যাস, বমি-বমি ভাব, অ্যাসিডিটি থেকে শুরু করে সমস্ত সমস্যা দূর করতে পারে জোয়ান। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও ল্যাক্সাটাইভস থাকে। তাই বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও ঠিক হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে দুপুরে বা রাতে খাওয়ার পর অল্প জোয়ান, আদা ও নুন মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, কিডনির নানা সমস্যা থেকে দূরে রাখতে পারে জোয়ান। বিশেষ করে কিডনির স্টোনের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে জোয়ান। ক্রমাগত হেঁচকি উঠলে একটু জোয়ানের জল বা জোয়ান বাটা নিমেষে আরাম দেয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে।ফ্যাট বার্ন করে জোয়ানওজন কমানোর ক্ষেত্রে জোয়ানের জল পান করা যেতে পারে। এর পিছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আসলে শরীরের মেটাবলিজম বা মৌল বিপাকীয় হার বাড়িয়ে দেয় জোয়ান। এর জেরে ফ্যাট বার্ন হয়। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে রাতে জলে জোয়ান মিশিয়ে রেখে দিতে হবে। পরের দিন সকালে খালি পেটে পান করতে হবে এই জোয়ান জল। জোয়ান ফাইভার সমৃদ্ধ তাই ওজন কমাতেও খুব সাহায্য করে। এক গ্লাস জলে একটু আদা কুচি ও জোয়ান মিশিয়ে তা ফুটিয়ে তাতে লেবুর রস মেশান। এই জল পান করুন প্রতি দিন সকালে। ওজন হ্রাসে অত্যন্ত কার্যকর এই পানীয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে।পিরিয়ডের ব্যথা দূর করেপিরিয়ডের সময় অসহ্য ব্যথা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে জোয়ান খাওয়া যেতে পারে। ঈষৎ উষ্ণ জলে জোয়ান মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এতে অ্যাবডমিনাল ও লোয়ার ব্যাক পেইন কমে। তবে জোয়ান খেলে পেট গরম হয়। তাই যদি পিরিয়ডের ফ্লো বেশি হয়, তা হলে জোয়ান থেকে দূরে থাকাই ভালো। জোয়ানের গন্ধের টক্সিন দূর করার ক্ষমতে আছে। তাই মুখগহ্বর পরিষ্কার রাখতে বা দুর্গন্ধ দূর করতে খুব কাজে আসে জোয়ান। জোয়ানে রয়েছে থিমল তেল। তাই যে কোনও ব্যথা কমাতে জোয়ান কার্যকর। জোয়ানের তেল আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি ওষুধ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে।গাঁটের ব্যথায় দারুণ উপকার দেয় জোয়ানআজকাল একটি অতি পরিচিত সমস্যা আর্থ্রাইটিস। এতে শরীরের গাঁটে খুব ব্যথা হয়। গাঁটগুলি ফুলে যায়। এ ক্ষেত্রে একটি ঘরোয়া উপায় কাজে লাগতে পারে। ব্যথা ও ফোলা ভাব দূর করতে জোয়ান খাওয়া যেতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের প্রভাবে ঠান্ডা লেগে হওয়া অসুখ থেকে বাঁচতেও জোয়ান খুব কার্যকর। বুকে জমা শ্লেষ্মা কাটাতে জোয়ানের জল খুব উপকারী। এ ছাড়া জোয়ান গুঁড়ো করে একটি কাপড়ে মুড়ে তা শুঁকলে মাথা যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি মেলে। হাঁটু কোমর বা গাঁটের ব্যথায় জোয়ানের তেল কাজে লাগে। এ ছাড়া গলায় ব্যথা হলেও জোয়ান ও নুন মেশানো গরম জলের ভাপ নিলে তা দ্রুত কমে। জোয়ান বেটে কপালে লাগালেও মাইগ্রেনের ব্যথা কমে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে। দাঁতের মাড়ির সংক্রমণ দূর করেদাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়া, মাড়িতে ঘা বা ব্যথা হলে জোয়ান অত্যন্ত কার্যকরী। এ ক্ষেত্রে জোয়ানের অ্যান্টিইনফ্লেম্যাটরি উপাদান ব্যথার উপশম করতে পারে। নর্থ ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা বলছে, দাঁতের মাড়ির সংক্রমণ দূর করতে পারে জোয়ান। ঈষৎ উষ্ণ জলে জোয়ান মিশিয়ে গার্গল করা যেতে পারে বা জোয়ানের তৈরি তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে গাম ইনফেকশন বা মাড়ির সংক্রমণ দূর হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যথাও দূর হয়। জোয়ান পাউডার দিয়ে ব্রাশ করলেও ব্যথা কমে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। পরিমাণ মতো জোয়ান খেতে হবে। না হলে উল্টে বিপদ হতে পারে। বেশি জোয়ান খেলে পেট গরম হতে পারে।

Source link

weight loss drink: জাদু আছে জুসে, ওজন কমাবে বিট! জানুন কীভাবে… – beetroot juice – a potent weight loss drink that can help lower blood pressure, boost immunity

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একটু ওজন ঝরানোর (weight loss) জন্য কত কসরতই না করতে হয়। সকালে উঠে হাঁটা, তারপর সুযোগ হলে জিম, জীবন থেকে ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট একেবারে বাদ দেওয়া আরও কত কিছু। অনেকেই আবার এই রুটিন একমায় মেনে চললেই হাঁপিয়ে যান। তখন মনে হয়, ফাইবার, মিনারেলস আর ভিটামিন আর কতদিন! এই ঠান্ডার নানা রঙের কত সবজি বাজারে। কিন্তু সুগার হতে পারে এই ভয়ে মাটির নীচের সবজি বাদ দিয়েছেন তালিকা থেকে। অযথা ভয় না পেয়ে নির্ভয়ে খান। বিট-গাজরের জুস বা বিটের সঙ্গে আপেল বেদানার জুস বানিয়ে খান। শরীরের ডিটক্সিফিকেশন হবে। তাতে কমবে ওজন, ত্বকে আসবে ঔজ্বল্য। এছাড়াও এখন বাজারে বিটের জ্যাম পাওয়া যায়। তারমধ্যেও কিন্তু ভিটামিন থাকে। বিট এমন একটা খাবার যা সহজে কেউ পছন্দ করে না। আর ওজন কমানোর বিষয়ে যে এভাবে বিট কাজে আসতে পারে, তা অনেকেরই অজানা।তবে শুধু ওজন কমানোই নয়। নিয়মিত বিট খেলে আরও উপকার পেতে পারেন। বিট খেলে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই রোজ গরম গরম এক বাটি বিটের স্যুপ খেলেই সুস্থ থাকতে পারবেন। এছাড়াও বেশ কিছু রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে এই সবজি। শরীরকে তরতাজা ও শক্তিশালী রাখতে এই খাবারের জুড়ি মেলা ভার। হজমে সাহায্য করতেও সক্ষম বিট। শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেয় বিট। ফলে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর ক্যালরি কম থাকায় পেট ভরানোর জন্য খেতেই পারেন বিটের তরকারি। বিটের জুসচটজলদি ওজন কমাতে কেন বিটের জুস খাবেন তা একবার দেখে নিনবিটের জুসে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল আর ভিটামিন থাকে। এছাড়াও ফাইবার থাকে। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও ১০০ এম এল বিটের জুসে ক্যালোরির পরিমাণ ৩৫। বিটের সঙ্গে গাজর, আপেল, টমেটো এবং বেদানার জুস মিশিয়ে নিন। তাহলে তার পুষ্টিগুণ হবে অনেক বেশি এবং ওজনও ঝরবে তাড়াতাড়ি।যেভাবে বানাবেনবিট-গাজরের জুস বিট ওগাজর ভালো করে কুচিয়ে নিয়ে একবার মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। এবার ওর সঙ্গে আধ কাপ জল, ৫ চামচ লেবুর রস, একচিমটে নুন ও পুদিনা পাতা যোগ করে একগ্লাস খান।বিট-আপেল জুসএকটি আপেলের খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে টুকরো করে নিন। এবার মিক্সিতে আপেল, বিট, গোলমরিচ, নুন দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। উপর থেকে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খান।বিট-বেদানা জুসবিট কুচনো ২ কাপ এবং বেদানা এককাপ নিয়ে ওর সঙ্গে লেবুর রস ও গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার খালি পেটে দুগ্লাস খান।এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

benefits of drinking sugarcane juice: মিষ্টি হলেও ডায়াবিটিস এবং ওজন কমাতে কার্যকরি আখের রস! জেনে নিন উপকারিতা – from weight loss to clearing up your skin, benefits of drinking sugarcane juice

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকাল হোক কিংবা গরমকাল সব কালেই রাস্তায় আখের রস দেখতে পাওয়াই যায়। এক গ্লাস আখের রস খেলেই যেন ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। তাই আখের রসকে প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিঙ্ক বলা হয়। তবে শুধুমাত্র ক্লান্তি দূর করতেই নয় ত্বকের জন্য এবং শরীরের জন্যও যথেষ্ট উপকারি হল আখের রস। জানেন কি, নাছোড় ব্রণর হাত থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারে আখের রস? মুলতানি মাটি আর আখের রসের প্যাক তৈরি করে সপ্তাহে তিনবার মুখে লাগাতে পারলে তৈলাক্ত ত্বক ঝকঝকে পরিষ্কার হয়ে উঠবে৷ যেহেতু আখে প্রচুর ক্যালশিয়াম থাকে, তাই নিয়মিত তা সেবন করলে দাঁত, নখ আর হাড়ের স্বাস্থ্যও খুব ভালো থাকবে৷ আখ যদি চিবিয়ে খাওয়া যায়, তা হলে আপনার মাড়ির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, দাঁতের ক্ষয় রোধ হবে, মুখের দুর্গন্ধও কমে যাবে৷ দেখে নিন উপকারিতা-ডায়াবিটিসের মতো রোগ দূরে থাকেখেতে মিষ্টি হলেও এটি ডায়াবেটিসের পক্ষে খুবই কার্যকরি। এতে জিআই-এর পরিমাণ খুব কম থাকে। যার জন্য ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত এই আখ খেতেই পারেন। গ্লাইসেমিক ইনডেক্সে একেবারে তলার দিকে থাকার কারণে আখের রস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার কোনও আশঙ্কা থাকে না। বরং এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই তো ডায়াবিটিস রোগীদের নিয়ম খরে আখের রস খাওয়া পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ডায়াবেটিকদের একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে আখের রস খাওয়া উচিত। কারণ জেনে নেওয়া উচিত এই রসটি খেলে তাদের শরীরে আর কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে কিনা!হৃদরোগ উপশমএকাধিক গবষণায় দেখা গেছে রোজের ডায়েটে আখের রসকে জায়গা করে দিলে একাধিক রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। কারণ আজকের ডেটে যে যে ডিজিজ আমাদের ঘিরে ধরেছে, তার প্রায় সবকটির প্রকোপ কমাতেই আখের রসের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম,ফসফরাস, আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম এবং আরও সব উপকারি উপাদান নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে এই রস। হার্ট অ্যাটাক রুখতেও সাহায্য করে এই রস। এমনকি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের নিঃসরণ কমাতেও সাহায্য করে।ওজন কমাতেআখের রস মিষ্টি হলেও এই রস ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এমনকি কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয়।ত্বকের পক্ষে উপকারিআখের রস ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারি। এতে আলফা হাআইড্রক্সি অ্যাসিড থাকে। যা ব্রণ, বলিরেখা দূর করে ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। এমনকি না খেয়ে আখের রস রস যদি মুখে মাস্ক হিসেবে লাগিয়ে রাখা যায় তাহলে ত্বকের রুক্ষতা দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল ও সতেজ করে তুলতে সাহায্য করে।হজমশক্তি বাড়ায়এতে পটাসিয়ামের পরিমাণ খুব ভালো থাকে। এমনকি ফাইবারও যথেষ্ট বেশি পরিমানে থাকে। যার জন্য আখের রস খেলে কোষ্ঠ কাঠিন্যের সমস্যা দূর করে হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকি গরমকালে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা যায়, আখের রস ডিহাইড্রেশন দূর করতে সক্ষম। পেটের ইনিফেকশন রুখতেও কাররকরি ভূমিকা পালন করে এই রস। তবে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকুনবাজারে আখের রস তৈরির মেশিনগুলি সচল রাখার জন্য নিয়মিত তেল দেওয়া হয়, সেটা আপনার ফলের রসে মিশে মারাত্মক বিপদ ঘটাতে পারে৷ তার চেয়ে আখের খোসাটা ছুলে বাড়ি আনুন৷ খুব ভালো করে ধুয়ে শুকনো করে ফ্রিজে রেখে দিন৷ রস খাওয়ার আগে ছোট ছোট করে কেটে ব্লেন্ডারে পিষে নিন সামান্য আদা সহ৷ তার পর ছিবড়েটা হাত দিয়ে চেপে চেপে রস নিংড়ে বের করে নিতে হবে৷ সামান্য বিটনুন আর লেবুর রস যোগ করে পান করুন৷ অন্য কোনও ফলের রসের সঙ্গে মিশিয়ে সুস্বাদু মকটেলও তৈরি করে নিতে পারেন৷আখের রস সদ্য তৈরি করে নিতে হবে৷ ফ্রিজে রাখলে ঘণ্টা দু’য়েক পরও খাওয়া চলে, কিন্তু তার পর একেবারেই চলবে না কারণ ফলের রসে তার মধ্যেই রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু হয়ে যায়৷যাঁরা প্রতিদিন আখের রস খান, তাঁরা দিনে দু’ গ্লাসের উপরে উঠবেন না৷ একমাত্র জন্ডিস রোগী ছাড়া কারওই দিনে দু’ গ্লাসের বেশি আখের রসের প্রয়োজন হয় না৷এই সময় ডিজিটালের লাইফস্টাইল সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link