Published by: Sulaya Singha |    Posted: September 15, 2020 10:41 pm|    Updated: September 15, 2020 10:41 pm

ছবি: প্রতীকী সারাবাংলা ডেস্ক: মঙ্গলবার বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও দু’জনের সাজা ঘোষণা করল এনআইএ (NIA) বিশেষ আদালত। এদিন অভিযুক্ত কদর কাজি ও মহম্মদ জাইদুল হককে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। তারপরই তাদের সাজা শোনানো হয়।দোষী সাব্যস্ত কদর কাজি এবং মহম্মদ জাইদুল হককে ৭ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। একইসঙ্গে জরিমানাও করা হয়। না দিতে পারলে আরও ৫ বছর কারাদণ্ড হবে বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়।[আরও পড়ুন: আগে রাস্তা মেরামতি, পরে পুজোর প্রস্তুতি, পুরসভার বৈঠকে কড়া নির্দেশ ফিরহাদের]এর আগে খাগড়াগড় কাণ্ডে চার জেএমবি জঙ্গী মহম্মদ ইউনুস, মতিউর রহমান, জহিরুল শেখ ও জিয়াউল হকের সাত বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল নগর দায়রা আদালতের এনআইএন কোর্ট। এই চার জঙ্গি আগেই নিজেদের দোষ কবুল করেছিল। আদালতের বিচারক প্রসেনজিৎ বিশ্বাস প্রত্যেককে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছিলেন। জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরও ৬ মাস তাদের কারাবাস করতে হবে।Special National Investigation Agency (NIA) Court at Kolkata today convicted 2 more accused and sentenced them to the imprisonment of 7 years and fine in Burdwan Blast case of 2014: NIA pic.twitter.com/bsvnBYj0W3— ANI (@ANI) September 15, 2020খাগড়াগড় কাণ্ডে যুক্ত থাকার অপরাধে মধ্যপ্রদেশ থেকে জহিরুল শেখকে গ্রেপ্তার করে এনআই। জহিরুল শেখ সক্রিয় জেএমবি জঙ্গি। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের তদন্তে যে ন্যানো গাড়িটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল সেটি চালাত জহিরুল। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে যুবক-যুবতীদের জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ প্রশিক্ষিত করা ছিল তার দায়িত্ব। এছাড়াও খাগড়াগড় বিস্ফোরণে নিহতদের অন্যতম, শাকিল গাজির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল মতিউর রহমান ওরফে নুর আলম। মতিউর নিজে বোরখা তৈরি করতে পারত আবার বেলডাঙার কারখানায় তৈরি হওয়া গ্রেনেড, রকেট, সকেট বোমা বোরখা ঘরে পৌঁছে জেওয়ার দায়িত্ব ছিল তার উপর। এবার আরও দুজনের শাস্তি হল। বাকি রইল বিস্ফোরণ কাণ্ডের মূল পাণ্ডা কৌসর।[আরও পড়ুন: করোনা আবহেই দু’দিনের কর্মসূচি নিয়ে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়]

Source link

Comments

comments