হাইলাইটসশহরের নিচু এলাকাগুলোয় উদ্ধার কাজে নৌকা নামায় প্রশাসন। সেচ দফতরের এক কর্তা জানান, রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে আটকে পড়েন বহু লোক। তাঁদের উদ্ধার করার জন্য নৌকা নামাতে হয়। টানা বৃষ্টির রেকর্ডে ২০১৯ সালকে ছাপিয়ে গেল ২০২০।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে পাহাড়ে প্রবল বৃষ্টি চলছিল। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারে ২৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা অন্যান্য বছরের সেপ্টেম্বরে হওয়া বৃষ্টির রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে। হাসিমারাতেও বৃষ্টি হয়েছে ১২০ মিলিমিটার। জল মগ্ন হয়ে পড়ে আলিপুরদুয়ার শহরের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ড। বৃষ্টির জল জমার ফলে পুরবাসী ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েন। জেলা প্রসাশন সুত্রে জানা গিয়েছে জলবন্দি হয়ে পড়েছেন শহরের প্রায় ৬ হাজার বাসিন্দা।শহরের নিচু এলাকাগুলোয় উদ্ধার কাজে নৌকা নামায় প্রশাসন। সেচ দফতরের এক কর্তা জানান, রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে আটকে পড়েন বহু লোক। তাঁদের উদ্ধার করার জন্য নৌকা নামাতে হয়। টানা বৃষ্টির রেকর্ডে ২০১৯ সালকে ছাপিয়ে গেল ২০২০। লকডাউনের পাঁচ মাসে তো বটেই, তার আগে-পিছেও টি-২০ ম্যাচের মতো ব্যাটিং করে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি। কোথাও কোথাও বৃষ্টিপাত বৃদ্ধির পরিমাণ হাজার মিলিমিটারের বেশি। বর্ষার ঢের আগে থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছিল এ বছর। বর্ষা বিদায়েও তা হয়নি। শরতের গত কয়েক দিন রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে জলপাইগুড়ি-সহ উত্তরের বিভিন্ন জনপদে। আলিপুরদুয়ারে প্রায় ২৯২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে ফুঁসছে উত্তরের সব নদী-ঝোরা। জলপাইগুড়ি জেলা সদরেও করলা নদীর জল ঢোকার মুখে। বৃষ্টি হয়েছে শিলিগুড়ি শহরেও। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে গত মার্চ মাসের শেষ থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে। তখন থেকেই রাস্তায় যানবাহন চলাচল কমে যায়। কল-কারখানার বড় অংশ বন্ধ হয়ে যায়। বাতাসে সবরকম দূষণই কমতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, দূষণের কমে আসার সঙ্গে বৃষ্টিপাতের সরাসরি যোগ রয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকের মতে, এই বছর বেশি বৃষ্টি হওয়ার অন্যতম কারণ হল বঙ্গোপসাগরের বেশি পরিমাণ নিম্নচাপ তৈরি না হওয়া। বঙ্গোপসাগরে পরপর নিম্নচাপ তৈরি হতে থাকলে মৌসুমি অক্ষরেখা সরে যায়। এ বছর তা হয়নি। ফলে মৌসুমি অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপরে থাকায় বৃষ্টি বেশি হয়েছে।অতিরিক্ত বৃষ্টির সুফল মিলছে বলে কৃষকদের দাবি। এই সময় ধানের চারা মাথা তুলেছে। বৃষ্টির জল পেলে ধানের ফলন ভালই হবে বলে কৃষকদের দাবি। টানা বৃষ্টির জেরে মঙ্গলবার ফের নতুন করে ধস নামে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে। এর ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সিকিমের রংপোর কাছে ধস নামে বলে জানা গিয়েছে। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Comments

comments